জঙ্গি হামলা
নাইজেরিয়ায় স্কুলে জঙ্গি হামলা, ৮০টির বেশি শিশু নিখোঁজ
নাইজেরিয়ায় গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন স্কুলে জঙ্গি হামলা ও অপহরণের ঘটনায় অন্তত ৮০টির বেশি শিশু নিখোঁজ হয়েছে। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে সরকার জিহাদি ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে দেশটিতে সাম্প্রতিক এসব জঙ্গি হামলা স্কুলশিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
স্থানীয় সময় রবিবার (১৭ মে) নাইজেরিয়ার স্থানীয় কর্মকর্তারা ও মানবাধিকার সংস্থা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাজধানী আবুজা থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির একাধিক স্কুলে গত এক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিক জঙ্গি হামলায় ৮০ জনের বেশি শিশু নিখোঁজ হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বোর্নো অঙ্গরাজ্যের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা চালায় সশস্ত্র গোষ্ঠী। এ সময় আসকিরা উবা ও চিবক এলাকায় অবস্থিত ওই স্কুল থেকে ৪২ শিশুকে অপহরণ করা হয়।
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, বোর্নো রাজ্যের সাম্বিসা বনাঞ্চল-সংলগ্ন মুসা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নাইজেরিয়ায় সাম্বিসা বন জঙ্গি অধ্যুসিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। এই বনে বোকো হারাম ও ইসলামিক স্টেট-সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী আইএসডব্লিউএপির শক্ত ঘাটি রয়েছে।
অন্যদিকে, গত শুক্রবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ওয়ো অঙ্গরাজ্যের দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী।
অ্যামনেস্টির নাইজেরিয়া শাখা জানিয়েছে, এসব হামলায় অন্তত ৪০ শিশুকে অপহরণ করা হয়েছে। ওয়ো অঙ্গরাজ্যে এর আগে অপহরণের ঘটনা সচরাচর দেখা যায়নি।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, অপহরণের আতঙ্কে অনেক শিশু স্কুল ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। পাশাপাশি, অনেক পরিবার হামলা থেকে বাঁচাতে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব মেয়ে শিশুদের বাল্যবিয়েতে বাধ্য করছে তাদের পরিবার।
এদিকে, মুসা গ্রামের সরকারি কর্মকর্তা পিটার ওয়াব্বা জানান, ওয়ো রাজ্যে অপহৃত শিশুদের সংখ্যা ৪৮ জন।
তিনি বলেন, ‘সরকার আমাদের আশ্বাস দিচ্ছে, তারা অপহৃত শিশুদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করছি।’
অপরদিকে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ করেছে, কর্তৃপক্ষ প্রায়ই জঙ্গি হামলার ঘটনার তদন্ত ও দোষীদের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে তা আর বাস্তবায়ন করে না। সংস্থাটি জানায়, এসব হামলার শিকার ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৬ মে) ওয়ো রাজ্যের পুলিশ মুখপাত্র আয়ানলাদে ওলায়িঙ্কা জানান, ওয়ো অঙ্গরাজ্যে স্কুলে হামলার ঘটনায় তিনজন বন্দুকধারীকে আটক করা হয়েছে। হামলাটি করা হয়েছিল ওরিইরে এলাকায়। ওরিইরে লাগোস শহর থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
ওলায়িঙ্কা বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি।
নাইজেরিয়ায়, বিশেষ করে দেশটির উত্তরাঞ্চলে স্কুল থেকে শিশু অপহরণ একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল এই দেশটিতে গত বছরও স্কুলে দুটি বড় ধরনের অপহরণের ঘটনা ঘটে। সে সময় ৩ শতাধিক শিশুকে অপহরণ করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো স্কুলকে তাদের কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করছে। কারণ, স্কুলে হামলা চালালে দ্রুত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মনোযোগ পাওয়া যায়।
১৭ দিন আগে
হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার অষ্টম বার্ষিকীতে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা বিদেশি কূটনীতিকদের
২০১৬ সালের ১ জুলাই হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনসহ ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ইতালির রাষ্ট্রদূতরা।
গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার অষ্টম বার্ষিকী আজ।দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ এ সন্ত্রাসী হামলায় ২২ জন নিহত হয়েছেন।
ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস, ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এবং জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরিসহ অন্য কূটনীতিকরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
আরও পড়ুন: হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার অষ্টম বার্ষিকী আজ
হামলায় নিহতদের প্রতি তারা কূটনৈতিক পুলিশ সদর দপ্তরেও শ্রদ্ধা জানান। সেখানে শ্রদ্ধা জানান ডিএমপি কমিশনারও।
ইতালি সরকারের প্রতিনিধি পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রণালয়ের ইতালিয়ান সিটিজেন অ্যাব্রোড’র ডিরেক্টর জেনারেল লুইজি ভিগনালি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে এবং ভবিষ্যতে হামলা রোধে দৃঢ় প্রতিশ্রুতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে।
নিহতদের স্বজন এবং ঢাকায় প্রবাসী কমিউনিটির নিহতদের বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন।
হতাহতদের বেশিরভাগই গুলশান-বারিধারার আশপাশের কূটনৈতিক কোয়ার্টারে বসবাসকারী বা সফররত বিদেশি।
২০১৬ সালে হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর থেকে বাংলাদেশে সহিংস চরমপন্থার হুমকি 'উল্লেখযোগ্যভাবে কমে’ এসেছে। সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে (পিভিই) সরকারের গৃহিত ‘সমগ্র সমাজ’ পদ্ধতির কারণে এ উন্নতি সম্ভব হয়েছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে বাংলাদেশের অর্জন, বিশেষ করে কমিউনিটিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন।
গত মাসে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা থেকে বাংলাদেশ শিক্ষা নিয়েছে এবং তা যথাযথভাবে কাজে পরিণত করেছে।
আরও পড়ুন: হোলি আর্টিজান ট্র্যাজেডি নিয়ে ছবি মুক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি অবিন্তার মায়ের
৭০৩ দিন আগে
পাকিস্তানে জঙ্গি হামলায় ৪ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত, আহত ৬
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি পুলিশ স্টেশনে জঙ্গিদের হামলায় চার পুলিশ কর্মকর্তা নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে রাস্তার পাশে পুতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও বিদ্রোহীরা।
আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি শহর লাকি মারওয়াতে একটি পুলিশ স্টেশনে হামলার প্রতিক্রিয়া জানাতে পুলিশের শক্তি বৃদ্ধির জন্য পাঠানো রসদ বহনকারী একটি পুলিশ গাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে চারজন কর্মকর্তাকে হত্যা করে জঙ্গিরা।এতে পুলিশ স্টেশনের আরও ছয় কর্মকর্তা আহত হন।
আরও পড়ুন: ইমরান খানের বাড়িতে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৬১
স্থানীয় পুলিশ অফিসার আশফাক খান বলেছেন যে জঙ্গি সন্দেহভাজনদের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে যারা লাকি মারওয়াতে পুলিশ স্টেশনে হামলা করেছিল এবং পরে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালিয়েছে।
দুটি হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালেবান। তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি নামে পরিচিত দলটি আলাদা কিন্তু আফগানিস্তানের তালেবানের সঙ্গে জোটবদ্ধ। পাকিস্তানি তালেবান পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ করার পর পাকিস্তানে হামলার মাত্রা বেড়েছে।
২০২১ সালে আফগান তালেবানরা আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পর থেকে টিটিপির তৎপড়তা বেড়েছে যখন ২০ বছর যুদ্ধের পর মার্কিন ও ন্যাটো সৈন্যরা দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। তালেবান দখলের পর থেকে অনেক টিটিপি নেতা ও যোদ্ধা আফগানিস্তানে আশ্রয়স্থল খুঁজে পেয়েছেন।
পাকিস্তান গত দুই দশকে অগণিত জঙ্গি হামলার মুখোমুখি হয়েছে। কিন্তু, নভেম্বরের পর থেকে তা বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে টিটিপি পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আফগান তালেবান-মধ্যস্থতায় এক মাসের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ করেছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ দায়ের
১১৬২ দিন আগে
হোলি আর্টিজান হামলার ৬ বছর
রাজধানীর গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর জঙ্গি হামলার ছয় বছর পূর্ণ হলো আজ। সেই হামলায় প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা দেশি-বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জনকে হত্যা করেছিল।
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের ওই বেকারিতে পাঁচজন সশস্ত্র জঙ্গি হামলা চালায়। তারা নিরীহ মানুষদের হত্যার আগে জিম্মি করে। নিহতদের মধ্যে ইতালির ৯জন, জাপানের সাত,ভারতের এক, একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এবং দুজন বাংলাদেশি ছিল। এছাড়া হামলায় বাংলাদেশের দুজন পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন।
পরের দিন ২ জুলাই ভোরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ন অভিযান চালিয়ে তিনজন বিদেশিসহ ১৩ জনকে উদ্ধার করে। এসময় ২০ জনের লাশ পাওয়া যায়। অভিযানে পাঁচ জঙ্গি এবং বেকারির এক কর্মচারী নিহত হন এবং সন্দেহভাজন এক জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: হোলি আর্টিজানে হামলার ৫ বছর: ফিরে এলো সেই ভয়ংকর রাত
হামলার ঘটনায় গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলা ডিবিতে স্থানান্তর হয়। ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই আলোচিত এ মামলার চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। একই বছরের ৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী রিপন কুমার দাসের ট্রাইব্যুনালের সামনে জবানবন্দি দেয়ার মাধ্যমে এ চাঞ্চল্যকর মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়।
এই জঙ্গি হামলা মামলায় আদালত ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজিব গান্ধি, মাহমুদুল হাসান মিজান, সোহেল মাহফুজ, রাশিদুল ইসলাম ওরফে রায়াশ, হাদিছুর রহমান সাগর, মামুনুর রশিদ রিপন ও শরিফুল ইসলাম খালেদ। এদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
হামলার পেছনে ২১ জন জড়িত বলে জানা যায়। যাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৩ জন নিহত হন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
আরও পড়ুন: হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
১৪৩৪ দিন আগে
ঈদগাহে জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া কিছু আনবেন না: ডিএমপি কমিশনার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে যোগদানের সময় মুসল্লিদের শুধুমাত্র জায়নামাজ ও ছাতা নিয়ে আসতে বলেছেন।
রবিবার ডিএমপি কমিশনার বলেন, জাতীয় ঈদগাহে জামাতের জন্য চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি প্রধান বলেন, ঈদের প্রধান জামাতে জঙ্গি হামলার কোনো আশঙ্কা নেই।
আরও পড়ুন: ঈদের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে
তিনি আরও বলেন, এ বছর ঢাকা জুড়ে ছোট-বড় মসজিদ, ঈদগাহে এক হাজার ৪৬৮টি ঈদ জামাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে ডিএমপি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত শুরুর আগে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট পুরো এলাকা ঝাড়ু দেবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে রাখা হবে।
চেকিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে সময় লাগবে বলে ডিএমপি কমিশনার নির্ধারিত সময়ের আগে মুসল্লিদের ঈদগাহে জামাতে আসার অনুরোধ জানান।
প্রতিকূল আবহাওয়ায় ও বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রধান জামাতে একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ঈদে বায়তুল মোকাররমে ৫ জামাত
১৪৯৫ দিন আগে
পূজা শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায়: খুলনায় র্যাব মহাপরিচালক
র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা অনুষ্ঠান যেন শান্তিপূর্ণভাবে হয় সেজন্য অন্যান্য বছরের ন্যায় সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে প্রশাসন। যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আমরা প্রস্তত রয়েছি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খুলনা নগরীর সোনাপট্টি পূজা উদযাপন কমিটির অস্থায়ী পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু
র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, সারাদেশের পূজা মণ্ডপগুলোতে যথাযথভাবে ও উৎসব মুখর পরিবেশে, সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সকলে পূজা উদযাপন করতে পারে, সেজন্য সোমবার (১১ অক্টোবর) বনানীর পূজা মণ্ডপে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাদের সাথে একসাথে মিলিত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলে থাকেন, ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’-সেই চেতনায় আমরা সকলে একসাথে কাজ করি। সবার উৎসবে আমরা মিলিত হই। প্রতিনিয়ত জঙ্গি হামলা বা বিভিন্ন হামলার বিষয়ে আমাদের সাইবার জগত যে সাইবার পেট্রোলিং করে থাকে সেখানে এখনও পর্যন্ত কোন জঙ্গি হামলার তথ্য আসেনি। আশা করছি পূজার অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্ত হবে।’
আরও পড়ুন: পূজায় নতুন কাপড় না পেয়ে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা!
এ সময় র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) কর্নেল কে এম আজাদ, বিপিএম, পিএসসি, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান ভূঞা, র্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মাদ মোসতাক আহমদ, বিএসপি, পিএসসি, খুলনা জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার সহ র্যাব ও পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৬৯৫ দিন আগে
হোলি আর্টিজানে হামলার ৫ বছর: ফিরে এলো সেই ভয়ংকর রাত
রাজধানীর গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর জঙ্গি হামলার পাঁচ বছর পূর্ণ হলো বৃহস্পতিবার। সেই হামলায় প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা দেশি-বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জনকে হত্যা করেছিল।
নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন দেশ-বিদেশে থাকা তাদের স্বজন ও কাছের মানুষেরা।
আরও পড়ুন: হলি আর্টিজান হামলার ৪র্থ বার্ষিকী আজ
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের ওই বেকারিতে পাঁচজন সশস্ত্র জঙ্গি হামলা চালায়। তারা নিরীহ মানুষদের হত্যার আগে জিম্মি করে। নিহতদের মধ্যে ইতালির ৯জন, জাপানের সাত, ভারতের এক, একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এবং দুজন বাংলাদেশি ছিল। এছাড়া হামলায় বাংলাদেশের দুজন পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন।
আরও পড়ুন: হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
পরের দিন ২ জুলাই ভোরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ন অভিযান চালিয়ে তিনজন বিদেশিসহ ১৩ জনকে উদ্ধার করে। এসময় ২০ জনের মরদেহ পাওয়া যায়। অভিযানে পাঁচ জঙ্গি এবং বেকারির এক কর্মচারী নিহত হন এবং সন্দেহভাজন এক জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হামলার ঘটনায় গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলা ডিবিতে স্থানান্তর হয়। ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই আলোচিত এ মামলার চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। একই বছরের ৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী রিপন কুমার দাসের ট্রাইব্যুনালের সামনে জবানবন্দি দেয়ার মাধ্যমে এ চাঞ্চল্যকর মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়।
আরও পড়ুন: হলি আর্টিজান হামলা: রায়ের আগে আদালতে অভিযুক্ত ৮ আসামি
এই জঙ্গি হামলা মামলায় আদালত ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এরা হলেন: জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজিব গান্ধি, মাহমুদুল হাসান মিজান, সোহেল মাহফুজ, রাশিদুল ইসলাম ওরফে রায়াশ, হাদিছুর রহমান সাগর, মামুনুর রশিদ রিপন ও শরিফুল ইসলাম খালেদ। এদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
হামলার পেছনে ২১ জন জড়িত বলে জানা যায়। যাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৩ জন নিহত হন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। তারা আরো জানায়, বাকি আটজনের মধ্যে ছয়জন কারাগারে রয়েছে এবং অন্য দুজন পলাতক।
কারাগারে থাকা ছয়জন হলেন: জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজিব গান্ধি, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশিদুল ইসলাম ওরফে রায়াশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান এবং হাদিছুর রহমান সাগর।
১৭৯৯ দিন আগে
জঙ্গিদের বড় ঘটনা ঘটানোর সক্ষমতা নেই: ডিএমপি কমিশনার
রাজধানীর গুলশানের হলি আটিজান হামলার পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একের পর এক অভিযানে জঙ্গিদের আস্তানা ধ্বংস করে দেয়ায় তাদের পক্ষে এখন বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটানোর সক্ষমতা নেই বলে দাবি করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
২১৬৪ দিন আগে
হলি আর্টিজান হামলার ৪র্থ বার্ষিকী আজ
দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা, যাতে ২২ জনকে হত্যা করা হয়েছিল, সেই হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট হামলার চতুর্থ বার্ষিকী পালিত হচ্ছে আজ বুধবার।
২১৬৪ দিন আগে
কল্যাণপুরের আস্তানায় অভিযান: ১০ জঙ্গির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ২ মার্চ
রাজধানীর কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে হতাহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১০ জঙ্গির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশের জন্য ২ মার্চ দিন ধার্য করেছে আদালত।
২৩১০ দিন আগে