আত্মহত্যা
রাজধানীতে এক ব্যক্তির হাতবাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর রামপুরা থানা এলাকায় হাসান ভূঁইয়া (৪৩) নামে এক ব্যক্তির হাতবাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তার স্ত্রী মিলাকে (২৮) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত হাসানের বড় ভাই নাসির ভূইয়ার অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মিলা তাকে হত্যা করেছে। পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘প্রেম করে ৬ বছর আগে মিলাকে বিয়ে করে আমার ছোট ভাই। বিয়ের পর থেকে আমাদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। তাদের ৫ বছরের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।
‘গতকাল সকালে জানতে পারি, ভাই আমার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি গলায় ফাঁস লাগানো আছে ঠিকই, কিন্তু তার পেছনে হাত বাঁধা রয়েছে। বাসার ছাদের পানির ট্যাংকির পাইপের সঙ্গে গলায় রশি ও হাত বেঁধে আমার ভাইকে তার স্ত্রী মিলা হত্যা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে ঝামেলার কারণে তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে সে। এ ঘটনার পর মিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। আমি বাদী হয়ে রামপুরায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মতিঝিল বিভাগের খিলগাঁও জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আল আমিন জানান, গতকাল হাসান ভূঁইয়া নামে একজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু মরদেহ উদ্ধার করার সময় তার হাত শরীরের পেছনে বাঁধা অবস্থায় ছিল। এতে মনে হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড।
নিহতের বড় ভাই অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সিসিটিভি ফুটেজ এবং বিভিন্ন বিষয়ে মাথায় রেখে তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।
৪ দিন আগে
রাবির নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজকর্ম বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসংলগ্ন মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম জোবাইদা ইসলাম ইতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন জোবাইদা। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, রাবির পার্শ্ববর্তী এলাকা মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে ইতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে রামেকে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই নারী শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে কি না এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
৪ দিন আগে
ঢামেকে বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে লাফিয়ে রোগীর আত্মহত্যা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের আটতলার বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে লাফিয়ে পড়ে নাজমীন (২০) নামে এক রোগী আত্মহত্যা করেছে। তিনি কিডনি রোগে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নাজনীন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার জালাল মিয়ার মেয়ে ছিলেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে নাজমীনের মা পারভিন বলেন, ‘দুই মাস আগে আমার মেয়ে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এসেছিলাম। এরপর গত রবিবার তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করিয়েছি। আমার মেয়ের স্বামী রায়হানের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো না। তার পক্ষে চিকিৎসা সেবার খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছিল না।’
তিনি বলেন, ‘আজ সন্ধ্যার দিকে মেয়ে আমাকে বলে, “মা তোমাদের আর কষ্ট দেব না। তোমরা আমার মেয়েকে দেখে রেখো।” এর কিছুক্ষণ পরেই বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে আমার মেয়ে আট তলার বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে লাফিয়ে একটি প্রাইভেট কারের ওপর পড়ে। এতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে অনেক কষ্ট নিয়ে মারা গেছে। আর্থিক অবস্থা ভালো থাকলে হয়তো তাকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করানো যেত। কিন্তু সে যে এমন একটি কাজ করবে, বিষয়টি আমরা বুঝতেই পারিনি।’
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি শাহবাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
৯ দিন আগে
খিলগাঁওয়ে বাসা থেকে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নিজ বাসায় শাহানুর রহমান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি সোনালী ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় খিলগাঁওয়ের নিজ বাসার তৃতীয় তলায় এ ঘটনাটি ঘটে।
পরে অচেতন অবস্থায় শাহানুরকে রাত পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ি ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক মো. ফারুক।
নিহত শাহানুর রহমান রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বিল গজারিয়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
নিহতের ভাই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাই সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি পারিবারিক কারণে কিছুদিন যাবত মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। আজ সন্ধ্যার দিকে কাউকে কিছু না বলে ঘরে গিয়ে তিনি দরজা বন্ধ করে রাখেন। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় আমরা পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা ভেঙে দেখি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে প্যান্টের কাপড় গলায় পেঁচিয়ে তিনি ঝুলে আছেন। পরে আমরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান আমার ভাই আর বেঁচে নেই।’
মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি খিলগাঁও থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
১০ দিন আগে
বাগেরহাটে শিশুকে হত্যার পর মায়ের ‘আত্মহত্যা’
বাগেরহাটে ৯ মাসের শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলার সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রাম থেকে পুলিশ নিহত মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে।
নিহত গৃহবধূ কানিজ সুর্বনা স্বর্ণালী (২২) বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী এবং জেলা জাতীয় পার্টি নেতা রুহুল আমিন হাওলাদারের মেয়ে। হত্যার শিকার শিশু নাজিম হোসেন স্বর্ণালী ও সাদ্দাম দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিল।
স্বর্ণালীর পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রায় ৫ বছর আগে সাদ্দামের সাথে স্বর্ণালীর বিয়ে হয়। সাদ্দাম বিভিন্ন মামলায় বর্তমানে যশোর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
স্বর্ণালীর ভাই শুভ জানান, গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে সাদ্দাম গ্রেপ্তার হন। স্বর্ণালী তার স্বামীকে কারাগার থেকে মুক্ত করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। তাকে মুক্ত করতে না পারায় তিনি মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
শুভ আরও জানান, স্বর্ণালী হতাশা থেকেই প্রথমে তাদের একমাত্র শিশু সন্তানকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে। পরে নিজে গলায় দড়ি পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিশু নাজিম এবং স্বর্ণালীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যার সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।
শামীম হোসেন জানান, শিশুটিকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা এবং স্বর্ণালীর আত্মহত্যার বিষয় উদঘাটন করতে পুলিশ তদন্ত করছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা এবং একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
১১ দিন আগে
মিরপুরের বাসায় ঝুলছিল শিক্ষার্থীর মরদেহ
রাজধানীর মিরপুর এলাকার একটি বাসায় সানজানা ইসলাম মিম (১৯) নামে এক শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি মিরপুরের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্বজনরা। সেখানে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক মেয়েটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মিম বরগুনার চাঁদখালি এলাকার সাখাওয়াত মৃধার মেয়ে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।
নিহতের ভাই জানান, ‘আমার বোন মেধাবী ছাত্রী ছিল। আমাদের সকলের অগোচরে একটি ছেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়েছিল। পরে ওই ছেলের সঙ্গে অভিমান করে আজ সকালে নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে রাখে সে। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলে তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আমরা দরজা ভেঙে দেখি ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে মিম। পরে দ্রুত অচেতন অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, আমার বোন আর বেঁচে নেই।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. ফারুক বলেন, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
১৮ দিন আগে
নড়াইলে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা
নড়াইলের কালিয়ায় মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় মো. বাদল মোল্যা (১৪) নামে এক স্কুলছাত্র গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ি ইউনিয়নের কালডাঙ্গা গ্রামে নিজের বাড়িতে আত্মহত্যা করে ওই কিশোর। আজ (বুধবার) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী।
বাদল কালডাঙ্গা গ্রামের মিঠু মোল্যার একমাত্র ছেলে এবং স্থানীয় পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
স্থানীয়রা জানান, বাদল মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের সদস্যদের জানায়। তবে তার পরিবার মোটরসাইকেল কিনে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে ছেলেটি বাড়ির পাশে বন্ধুদের সঙ্গে খেলা করে। এরপর বাড়ি ফিরে কোনো একপর্যায়ে নিজের ঘরে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস নেয়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে ওই ঘরে গেলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তিনি জানান, বাদল আর বেঁচে নেই।
পরে কালিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে গতকাল রাতেই মরদেহটি হেফাজতে নেয়। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পরবর্তী সময়ে নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়।
ওসি ইদ্রিস আলী জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২১ দিন আগে
বাড্ডার ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ
রাজধানীর উত্তর বাড্ডার হাসান উদ্দিন রোডের মিশ্রিটোলা এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষে তাহিয়া আক্তার মিন্নি (২০) নামে গৃহবধূর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তাহিয়া আক্তার দক্ষিণখান আইনুসবাগ এলাকার আব্দুল আউয়ালের মেয়ে ছিলেন। বর্তমানে স্বামীর সঙ্গে মিশ্রিটোলার মীর কাশেম আলীর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন তিনি।
নিহতের বাবা আব্দুল আউয়াল বলেন, আমরা খবর পেয়ে বাড্ডার ওই বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো, ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পাই। পরে অচেতন অবস্থায় দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, আমার মেয়ে আর বেঁচে নেই।
তিনি আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে অভিমানে আমার মেয়ে সিলিং ফ্যানে সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ওই গৃহবধূর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বাড্ডা থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
৩৯ দিন আগে
হাজারীবাগের হোস্টেলে এনসিপি নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
রাজধানীর হাজারীবাগের জিগাতলা এলাকার একটি হোস্টেল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত ওই নেত্রীর নাম জান্নাতারা রুমী (৩০)। তিনি এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমণ্ডি শাখার সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে খবর পেয়ে জিগাতলার পুরাতন কাঁচাবাজার সড়কে অবস্থিত জান্নাতী ছাত্রী হোস্টেলের পঞ্চম তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে হাজারীবাগ থানা পুলিশ।
জান্নাতারা রুমী নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নাজিরপুরের মো. জাকির হোসেনের মেয়ে।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, পাঁচতলা ওই হোস্টেলের একটি কক্ষে রুমী একাই থাকতেন। ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাই।
ওসি জানান, তিনি ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৪৮ দিন আগে
যশোরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির আত্মহত্যা
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে মিজানুর রহমান (৫৫) নামে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত এক কয়েদি আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
মিজান যশোরের শার্শা উপজেলার গাতিপাড়া আমতলা গ্রামের আক্কাচ আলীর ছেলে।
কারা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার দিকে কারাগারের ভেতরে কার্পেট চত্বরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন মিজান। সেখানে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টায় ছিলেন তিনি। কর্তব্যরত কারারক্ষীরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু ততক্ষণে তিনি মারা যান।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ বলেন, চলতি বছরের ২৪ জুলাই একটি হত্যা মামলায় আটক হয়ে কারাগারে যান মিজান। কারাগারের কপোতাক্ষ-৩ ভবনে থাকতেন তিনি। কিন্তু গোপনে তিনি কার্পেট চত্বরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়েন। সেখানেই এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তার পরিবারকে জানানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা আসলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাকিবুল ইসলাম জানান, রক্ষীরা মৃত অবস্থায় এক কয়েদিকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে অস্বাভাবিক মৃত্যু হওয়ায় লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৫৩ দিন আগে