ভারতীয় পেঁয়াজ
বেনাপোল দিয়ে দেশে ঢুকছে না ভারতীয় পেঁয়াজ, দাম বাড়ার আশঙ্কা
দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। আগের আমদানির অনুমতি ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকলেও গত ২৪ ডিসেম্বরের পর এই বন্দর দিয়ে একটি পেঁয়াজের ট্রাকও দেশে আসেনি। এর ফলে দেশের পেঁয়াজের বাজার আবারও অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমদানিকারকেরা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নতুন করে ভারত থেকে কোনো পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর। সর্বশেষ ২৪ ডিসেম্বর ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। গত ১৫ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬টি চালানে ১৩টি ট্রাকে করে মোট ৩৯০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়।
গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় রয়েল ইসলাম নামের এক আমদানিকারক বলেন, দেশে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে তা নিয়ন্ত্রণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল। এর ফলে ৩ মাস বন্ধ থাকার পর আবারও গত ৭ ডিসেম্বর থেকে বেনাপোলসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়।
তিনি বলেন, প্রথমদিকে আমদানির অনুমতির পরিমাণ কম দেওয়ায় চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল না। পরে বেশি আমদানির অনুমতি দিলে দেশের সব বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দামও কমতে শুরু করে। এক সপ্তাহ আগেও ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ। বর্তমানে আমদানি বন্ধ থাকায় দাম বেড়ে ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার আবারও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা সকাল থেকে আমদানির অনুমতি চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো আবেদন মঞ্জুর হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপন বা চিঠিও ইস্যু করা হয়নি।
‘তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদি তাই হয়, তাহলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকার অজুহাত দেখিয়ে তা আবারও ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতোমধ্যেই আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধের খবরে কেজিতে বন্দরে ১০ টাকার মতো বেড়ে গেছে।’
বেনাপোল স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। নতুন করে কোনো পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে আগের ইস্যু করা আমদানির অনুমতির বিপরীতে চলতি মাসের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে।
৮ দিন আগে
সিলেটে ১২ লাখ টাকার ভারতীয় পেঁয়াজ জব্দ, আটক ৪
সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে সোয়া ১২ লাখ টাকার বেশি মূল্যের ভারতীয় পেঁয়াজ জব্দ করা হয়েছে। এসময় একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করাসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দিাগত রাত আড়াইটার দিকে শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন চকগ্রাম দাসপাড়া এলাকায় সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালায়।
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত, স্বামী আটক
আটকরা হলেন- কাভার্ডভ্যান চালক যশোরের শার্শার মো. খায়রুজ্জামান শাপলা ও মো. সাগর ইকবাল, সিলেটের জৈন্তাপুরের নাইম আহমদ ও গোয়াইনঘাটের মো. আশিকুর রহমান।
এ সময় ২৫৬ বস্তাভর্তি ১২ হাজার ২৮৮ কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ আটক করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজের বাজার মূল্য কমবেশি ১২ লাখ ২৮ হাজার ৮০০ টাকা।
আটকদের বিরুদ্ধে সিলেট মহানগর পুলিশ-এসএমপির শাহপরাণ (রহ.) থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: বেনাপোলে বিপুল পরিমাণ মার্কিন ডলারসহ নারী আটক
৭১৭ দিন আগে
৬০ টাকায় থমকে আছে দেশি পেঁয়াজ, ভারতীয় ৪০ টাকা
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে গত পাঁচদিন ধরে থমকে আছে দেশি পেঁয়াজের বাজার। ভারত থেকে আমদানি হওয়ার পর খুচরা পর্যায়ে কেজিতে ২০-২৫ টাকা কমলেও এখনও ৬০ টাকায় স্থির হয়ে আছে এই নিত্যপণ্যটির দাম।
সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা দরে। আজ শুক্রবার (৯ জুন) সকালে বন্দরের মোকাম ও খুচরা বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।
এদিকে, হিলি স্থলবন্দরের কাস্টমস কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন থেকে গতকাল (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ৭২টি ট্রাকে মোট ১ হাজার ৬৩৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি না হওয়ার আগে দেশি পেঁয়াজ ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি হলেও আমদানি হওয়ার পর বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। তবে গত পাঁচদিন ধরে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ টাকার কাছাকাছি বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ভোমরা বন্দর দিয়ে ২৮৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি
বন্দরের বাংলাহিলি বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী সাকিল ও মঈনুল জানান, যখন পেঁয়াজের দাম বাড়ে তখন ক্রেতার সংখ্যাও বাড়ে। এখন পেঁয়াজের দাম কমে গেছে কিন্তু ক্রেতার অভাবে পেঁয়াজ ভালো বিক্রি করতে পারছি না।
তারা আরও বলেন, বর্তমানে ভারতীয় আমদানি করা পেঁয়াজ ৩৮-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজ ২০-২৫ টাকা কমে ৬০ টাকায় বিক্রি করছি। গত পাঁচদিন ধরে এভাবেই দেশি ও আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম থমকে আছে। ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি আরও বেড়ে গেলে ৩০ টাকার নিচে চলে আসবে। তবে আগে বেশি দামে কেনার জন্য দেশি পেঁয়াজের দাম কোরবানির ঈদের আগে সহসাই কমছে না।
পেঁয়াজের ক্রেতা আসাদ হোসেন জানান, কোনো কিছুর দাম বাড়লে আমরা বাঙ্গালিরা কেনার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ি। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে সেটাই দেখা গেছে। ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে এসেছে। দাম অনেক কমে গেছে। এখন চাহিদা মতো পেঁয়াজ কিনতে পারছি। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি না হলে এটা সম্ভব তো না।
আরও পড়ুন: ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু, কেজিতে কমল ২০ টাকা
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক সেলিম উদ্দীন জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত ৫ জুন হতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। এ কারণে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমে মানভেদে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৬ টাকার মধ্যে। আরও দাম কমে যাবে। আশা করছি কোরবানির ঈদে ৩০ টাকার মধ্যে চলে আসবে।
বন্দরের আরেক পেঁয়াজ আমদানিকারক শহীদুল ইসলাম জানান, সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর কারণেই দেশি পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছিল। ফলে ভোক্তাদের বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হয়েছে। দাম এতো হওয়ার কথা না। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় তারা এই সুযোগ নিয়েছিল। আমদানিকৃত পেঁয়াজ দেশে আসায় বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসছে।
এদিকে হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার চলতি বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে (আইপি) অনুমতি দিয়েছিল। এরপর ১৬ মার্চ থেকে আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। গত ৫ জুন অনুমতি দিলে ভারত থেকে আবারও পেঁয়াজের আমদানি শুরু হয়।
আরও পড়ুন: হিলি ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু
৯৫৫ দিন আগে
এক সপ্তাহে ৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ককে টিকা দিয়েছে ভুটান
ভুটানে গত এক সপ্তাহে প্রাপ্ত বয়স্ক ৯০ শতাংশ জনগণকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জানিয়েছে।
ভারত ও চীনের মাঝখানে পাহাড় বেস্টিত ৮ লাখ জনসংখ্যার দেশ ভুটান। ২০ জুলাই দেশটিতে গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হয়।
এপ্রিলে ভুটানে যখন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পায় তখন ভারত উপহার হিসেবে দিশটিকে সেরামের তৈরি অক্সফোর্ড টিকা কোভিশিল্ডের সাড়ে পাঁচ লাখ ডোজ দেয়। তখন ভুটানে এসব টিকার প্রথম ডোজ দেয়া শুরু করে। কিন্তু এরপর করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত।
পরে কোভাক্স সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫ লাখ ডোজ টিকা আসার পর ভুটান আবার টিকা কর্মসূচি শুরু করে।
এছাড়া গত দুই সপ্তাহে ডেনমার্ক, ক্রোয়েশিয়া এবং বুলগেরিয়া থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৪ লাখ টিকার ডোজ পেয়েছে ভুটান।
পড়ুন: রোহিঙ্গাদের টিকা দেবে সরকার: পররাষ্ট্র সচিব
ভুটানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেকেন ওয়াংমো অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেন, ‘স্বাস্থ্য সংকট এড়াতে খুব কম সময়ের মধ্যে জনগণের মধ্যে সংক্রমণ কমিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য।’
অনেক বেশি টিকা পাওয়া পশ্চিমা দেশ এখনও প্রাপ্তবয়স্কদের এতো বেশি হারে টিকা দিতে পারেনি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সুব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর বার্তা এবং একটি প্রতিষ্ঠিত কোল্ড চেইন স্টোরেজ সিস্টেমের মাধ্যমে দেশটি উপকৃত হয়েছে।
ভুটানের টিকা টাস্ক ফোর্সের সদস্য ডা. সোনম ওয়াংচুক বলেন, ৩ হাজারের বেশি স্বাস্থ্যকর্মী এবং সারাদেশে ১ হাজার ২০০ টিকা কেন্দ্রে প্রাপ্তবয়স্কের ডোজ নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে।
পড়ুন: করোনা পরীক্ষায় অনিহা দেখাবেন না: প্রধানমন্ত্রী
দেশে করোনায় মৃত্যুতে নতুন রেকর্ড, শনাক্ত ১৪, ৯২৫
এছাড়াও বলা যায়, ভুটান সরকার চিকিত্সকের মাধ্যমে পরিচালিত। দেশটির প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সবাই পেশাদার চিকিত্সক । তারা করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনসাধারণের সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে টিকা সম্পর্কে তাদের অনীহা দূর করতে সহায়তা করেছেন।
ডা. ওয়াংচুক বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে জনগণ তাদের টিকা দেয়ার জন্য বেশ আগ্রহী।’
১৬৩৬ দিন আগে
দরপতন: চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে আছে হাজার হাজার টন পেঁয়াজ
ভারতীয় পেঁয়াজ আসার পর থেকে দেশে পেঁয়াজের দরপতন হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন পেঁয়াজ আমদানিকারকরা। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে হাজার হাজার টন পেঁয়াজ খালাস নিচ্ছেন না এসব আমদানিকারকরা। বন্দরে বর্তমানে ২৪ হাজার মেট্রিক টন আমদানিকৃত পেঁয়াজ পড়ে রয়েছে।
১৮৩৯ দিন আগে
ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু, কমছে দাম
দেশে সাড়ে তিন মাস ধরে আমদানি বন্ধ থাকার পর শনিবার পুনরায় ভারতীয় পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে।
১৮৪৩ দিন আগে
পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত
হিলি (দিনাজপুর), ২৯ ডিসেম্বর (ইউএনবি)- বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। নিষেধাজ্ঞা জারির পর দেশের বাজারে নিত্যপ্রেয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম অনেক বেড়ে গিয়েছিল।
১৮৪৭ দিন আগে
ভোমরা দিয়ে আসা পেঁয়াজের অধিকাংশই নষ্ট হয়ে গেছে
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে গত তিন দিনে ৯২৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। তবে, ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে ট্রাক আটকে থাকায় এসব পেঁয়াজের অধিকাংশই নষ্ট হয়ে গেছে।
১৯৪৫ দিন আগে
ভোমরা দিয়ে ২ দিনে এসেছে ৮২৯ টন পেঁয়াজ
ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর গত দুই দিনে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে মোট ৮২৯ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে।
১৯৪৬ দিন আগে
দেশে আসতে শুরু করেছে ভারতীয় পেঁয়াজ
ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে কেনা পেঁয়াজের চালান শনিবার বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আসতে শুরু করেছে।
১৯৪৮ দিন আগে