জামিন
দুই মামলায় জামিন পেলেন আইভী
সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা দুটি মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে, বুধবার (২৯ এপ্রিল) শুনানি শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য আজকের এ দিন ধার্য করেন।
এদিকে, আরও ৫ মামলায় সাবেক মেয়র আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন নিয়ে আগামী রোববার (৩ মে) আদেশ দেবেন আপিল বিভাগ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ আদেশের এই দিন ধার্য করেন।
জানা গেছে, গত বছরের ৯ মে দিবাগত ৩টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পরবর্তীতে হাইকোর্টে তিনি ৫ মামলায় জামিন পেলেও আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়। এর মধ্যেই গত ১৮ নভেম্বর তাকে আরও ৫ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পরবর্তীতে বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিন দেন।
পাঁচটি মামলার মধ্যে যে চারটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, সেগুলো হলো— ফতুল্লা থানায় করা বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াছিন হত্যা এবং পারভেজ হত্যা মামলা। এ ছাড়াও হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় আরও একটি মামলা করা হয়েছে।
হাইকোর্টের জামিন আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষ আইভীর জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরবর্তীতে গত ৫ মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। সেই সঙ্গে বিষয়টি শুনানির জন্য নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়। তবে এর মধ্যেই আরও দুই মামলায় সাবেক এই মেয়রকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়, দুটিই ছিল হত্যা মামলা। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও ২০২৫ সালের ৩০ জুন ওই মামলা দুটি করা হয়। এই দুই মামলার একটিতে ২ মার্চ ও অন্যটিতে ১২ এপ্রিল তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর ২৭ এপ্রিল শুনানি হয়। সেদিন শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ আদেশের জন্য আগামী ৩ মে দিন ধার্য করেন।
৫ দিন আগে
৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল
জুলাই আন্দোলন চলাকালে যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সংক্রান্ত রায় জালিয়াতি এবং দুদকের করা পৃথক ৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। তবে অন্য দুই মামলায় গ্রেপ্তার থাকায় আপাতত মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জামিন স্থগিত চেয়ে করা পৃথক আবেদন খারিজ করে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে আদালত এ আদেশ দেন।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী এবং অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।
অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, খায়রুল হক আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার থাকায় এখনই কারামুক্তি পাচ্ছেন না তিনি।
এর আগে, গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল মঞ্জুর করে তাকে চার মামলায় জামিন দেন। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলাতেও তিনি জামিন পান। এসব জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেন। তবে এর মধ্যে নিম্ন আদালতে আরও দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে।
এই মামলা ছাড়াও বিচারপতি খায়রুল হকের বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত বছরের ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন একটি মামলা করেন। ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় আরেকটি মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা।
এর আগে, ৪ আগস্ট প্লট জালিয়াতির মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগে দুদক তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে।
এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট ৫ মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। এরপর তিনবার তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৭ দিন আগে
জামিনে মুক্তি পেলেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী
জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালীন বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম।
বুধবার (২২ এপ্রিল) গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মোছা. কাওয়ালিন নাহার জানান, আজ দুপুর ১২টার দিকে তিনি কারাগার থেকে বের হন।
এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) আসামিপক্ষের করা একটি রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় পুলিশ প্রতিবেদন জমা না দেওয়া পর্যন্ত তার জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন।
শিল্পী বেগম তার দেড় মাস বয়সী শিশু সন্তানসহ মুক্তি পেয়েছেন। সকাল থেকেই কারাফটকের সামনে তার পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা তাকে গ্রহণ করার জন্য ভিড় করেন।
তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ঢাকা উত্তর যুব মহিলা লীগের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের এই কর্মীকে গত সোমবার সন্ধ্যায় তেজকুনিপাড়া রেলওয়ে কলোনি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তার স্বামী, বোন ও খালাসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আদালতকে জানান, গত ৪ মার্চ অস্ত্রোপচারের (সিজারিয়ান) মাধ্যমে শিল্পী এই সন্তানের জন্ম দেন এবং তিনি এখনও শারীরিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ। সম্প্রতি পড়ে গিয়ে তার বাম হাত ভেঙে যাওয়ায় তিনি সন্তানকে ঠিকমতো বুকের দুধ খাওয়াতে বা কোলে নিতেও পারছিলেন না।
পরিবারের পক্ষ থেকে শিশুটিকে নিজেদের কাছে রাখার আবেদন জানানো হলেও মা ও শিশুকে আলাদা করার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। ফলে মা ও শিশুকে একত্রে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চানখাঁরপুল এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহমিদ মুবিন রাতুল গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহপাঠীদেরসহ হামলার শিকার হন। এর জেরে ২৩ জুলাই তেজগাঁওয়ে তার বাসভবনে ১২০ থেকে ১৩০ জনের একটি দল হামলা চালিয়ে ৫ লাখ টাকার সম্পদ ভাঙচুর এবং ৩ লাখ টাকার মালামাল লুট করে বলে অভিযোগ করা হয়।
চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি রাতুলের মা শাহনূর খানম সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিল্পী বেগমসহ ১০৩ জনকে আসামি করে তেজগাঁও থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।
১৪ দিন আগে
জামিনে কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি কারামুক্ত হন।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, মুক্তির পর তিনি সাদা রঙের একটি গাড়িতে করে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের প্রধান ফটক দিয়ে বের হয়ে যান। এ সময় কারা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে তাকে মুক্তি দেয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোছা. কাওয়ালিন নাহার। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জামিন প্রাপ্তির পর যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গণঅভ্যুত্থানের সময় সহিংসতা, ভাঙচুর ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় রবিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গত মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরবর্তীতে আদালতে হাজির করা হলে তার রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
উল্লেখ্য, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী দীর্ঘদিন জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার হঠাৎ গ্রেপ্তার ও পরবর্তীতে জামিনে মুক্তির ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
২৩ দিন আগে
সাবেক এমপি সফুরা বেগম রুমীর জামিন নামঞ্জুর
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমীর জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে তাকে লালমনিরহাট আমলী আদালতে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে আজ (বৃহস্পতিবার) তাকে লালমনিরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়।
গ্রেপ্তার সফুরা বেগম রুমী লালমনিরহাট শহরের তালুক খুটামারা এলাকার বাসিন্দা। তিনি সংরক্ষিত নারী আসন-২ (লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম)-এর সাবেক সংসদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, নাশকতা ও হত্যাসহ ৫টি মামলার আসামি সফুরা বেগম রুমী ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে বুধবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর আজ বিকেলে তাকে লালমনিরহাট আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
আদালতে নেওয়ার পর তার পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হয়। তবে, বিচারক তাকে লালমনিরহাট সদর থানার একটি মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। লালমনিরহাট জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় হামার বাড়ি ভাঙচুর মামলায়ও তাকে জামিন দেওয়া হয়নি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু আহাদ খন্দকার লেলিন বলেন, আদালত একটি মামলায় জামিন দিলেও অপর একটি মামলার জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দিয়েছেন। আশা করছি আগামী কার্যদিবসে তিনি জামিন পাবেন।
লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, লালমনিরহাট সদর থানায় ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারিতে করা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২৬ দিন আগে
রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর, শিরীন শারমিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ
জুলাই আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর লালবাগ থানার আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে একজনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড এবং জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার এই আদেশ দেন।
এর আগে, আদালতে হাজির করে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দুই দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন। অপরদিকে, রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করে আসামিপক্ষ। পরে রিমান্ড ও জামিন আবেদন দুটিই নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
দুপুর ২ দিকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ঢাকার সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে তাকে আদালত তোলা হয়।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার ১ নম্বর আসামি শেখ হাসিনা ও ৩ নম্বর আসামি শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ অন্যরা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে কুশীলব ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি তার নাম-ঠিকানা এবং মামলার তদন্ত-সহায়ক গুরত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।
তার দেওয়া তথ্য মামলার তদন্তে সহায়ক হবে মন্তব্য করে আবেদনে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পালিয়ে যাওয়াসহ তদন্তে বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কা রয়েছে। তাই মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলন চলছিল। সেখানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালোনা হয়। এ সময় একটি গুলি আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে লাগে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ করে এ মামলাটি করেন ভুক্তভোগী আশরাফুল।
এদিকে, আজ (মঙ্গলবার) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমণ্ডির ৮/এ রোডের বাসা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটকের পর আশরাফুলের হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ২৭ দিনের মাথায় ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের স্পিকারের পদ থেকে সরে যান শিরীন শারমিন।
তার আগে, ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদে আসেন শিরীন। তাকে দেওয়া হয় মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। এরপর নবম সংসদের শেষ দিকে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্থলাভিষিক্ত হন তৎকালীন স্পিকার আবদুল হামিদ। এরপর ২০১৩ সালে ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। তারপর থেকে টানা তিন মেয়াদে স্পিকার ছিলেন তিনি।
২৮ দিন আগে
দুর্নীতির মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক
এবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।
বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ আদেশ দেন।
আদালতে এ বি এম খাইরুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। এ আদেশের ফলে এ বি এম খায়রুল হকের কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
এর আগে, গত ৮ মার্চ জুলাই আন্দোলনে হত্যার অভিযোগ এবং রায় জালিয়াতির অভিযোগের মামলাসহ পৃথক চার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।
আদালত সূত্রে জানা যায়, রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলা ও দুদকের করা মামলাসহ পৃথক পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে গত ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল দেন। মামলাগুলোতে কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। ৫টির মধ্যে দুদকের করা মামলাটি ছাড়া অপর চার মামলায় খায়রুল হককে গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন দেন। আজ (বুধবার) দুদকের মামলায়ও জামিন দিলেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।
উল্লেখ্য, খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর বেআইনি রায় দেওয়া ও জাল রায় তৈরির অভিযোগে গত বছরের ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে করা একটি মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন একটি মামলা করেন। একই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় গত ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা নামের এক ব্যক্তি। এছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে প্লট গ্রহণের অভিযোগে গত আগস্টে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে দুদক।
৫৫ দিন আগে
দুদকের মামলায়ও আনিস আলমগীরের জামিন, মুক্তি যেকোনো সময়
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর।
বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।
আনিস আলমীগের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এর আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত ৫ মার্চ হাইকোর্ট আনিস আলমগীরকে জামিন দেন। আজ (বুধবার) দুদকের মামলাতেও জামিন পেয়েছেন। তবে তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই। তিনি যেকোনো সময় মুক্তি পাবেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। গত ২৮ জানুয়ারি তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় আদালত।
মামলার এজাহারে বলা আছে, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসেবে তার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ফলে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
আনিস আলমগীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ হিসাবে তার ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া যায়, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ এবং তা জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে করা হয়।
৫৬ দিন আগে
বরিশালে আ. লীগের সাবেক এমপি ইউনুসের জামিন
২০১৭ সালে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়ি ঘরে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিট্রন আদালতে তিনি হাজির হলে আদালতের বিচারক এসএম শরীয়াতুল্লাহ তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৫ মে নগরীর অনামী লেনে হামলার অভিযোগে ২০২৪ সালে বিএনপি কর্মী মো. সরোয়ার হোসেন কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের বরিশাল মহানগর সভাপতি সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর, জেলা সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসসহ ২১০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত ইউনুসের জামিন মঞ্জুর করেন।
এ ঘটনায় আদালতপাড়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। তবে জামিন পাওয়ার পর ইউনুস কারও সঙ্গে কথা না বলে মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এদিকে, জামিন মঞ্জুর করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলিরা।
৭১ দিন আগে
ধর্ষককে পুলিশে দিতে সহযোগিতা, জামিনে বেরিয়ে নারীকে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ
নাটোরের গুরুদাসপুরে এক ধর্ষককে পুলিশে দিতে সহযোগিতা করায় ধর্ষকের অ্যাসিড হামলার শিকার হয়েছেন ওই ইউপি সদস্যের মা। জামিনে কারামুক্ত হয়ে প্রতিশোধপ্রবণ হয়ে ওই ব্যক্তি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত নারীর নাম হালিমা বেওয়া (৬৫)। বর্তমানে নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের ‘সন্ত্রাসী’ নজরুল স্থানীয় এক শিশুকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তী সময়ে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য চামেলি বেগম। এরপর জামিনে বের হয়ে চামেলি বেগমের ওপর প্রতিশোধ নিতে সুযোগ খুঁজতে থাকেন নজরুল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রাতে সহযোগীদের নিয়ে তাদের বাড়ির পাশে অবস্থান নিয়েছিলেন নজরুল। গভীর রাতে চামেলির মা হালিমা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে তাকেই ‘চামেলি’ মনে করে অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন তারা। এ সময় ওই বৃদ্ধার চিৎকারে বাড়ির সবাই বেরিয়ে আসার আগেই তারা পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার জানান, খবর পেয়ে আজ (সোমবার) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্ত কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ভূক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৭৮ দিন আগে