দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশি ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক সুবিধা দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) সই হয়েছে। এতে বাংলাদেশি ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকার শুল্কনীতি ভিত্তিতে সুবিধা পাবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ চুক্তি সই হয়। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিইপিএ নেগোসিয়েশন কনক্লুশন সিরিমনি শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ে আমরা বিশ্বের একটি বৃহৎ অর্থনীতির দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের সরকার ৫ মাসের মাথায় প্রথম এ সিইপিএ করেছে।
তিনি বলেন, এ বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকার শুল্কনীতি ভিত্তিতে সুবিধা পাবে। দক্ষিণ কোরিয়া ৮৭ শতাংশ পণ্যে সুবিধা পাবে।
মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া দুই ট্রিলিয়ন অর্থনীতির একটি দেশ। আমরা একটি বড় দেশকে বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে পাচ্ছি। বাংলাদেশ থেকে অগ্রাধিকার পণ্য হিসেবে এখন তৈরি পোশাক, চামড়া, পাটজাতপণ্যসহ বেশকিছু পণ্য শুল্ক সুবিধা পাবে। অন্যদিকে, কোরিয়া থেকে আমদানির ক্ষেত্রে কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক এবং খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে সুবিধা হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালে আমরা বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ইকোনমিক সাইজে নিয়ে যেতে চাই। সেজন্য আমাদের ৮ শতাংশ গ্রোথ দরকার। তার জন্য প্রয়োজন বিদেশি বিনিয়োগ। আমরা এসব চুক্তির মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চাচ্ছি।
দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, কোরিয়া ও বাংলাদেশের একটি দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ৫৬ বছর আগে টেক্সটাইল ব্যবসা দিয়ে এটি শুরু হয়েছিল। কিন্তু বিশ্ব এখন পণ্য বহুমুখীকারণে যাচ্ছে, আমাদের দুই দেশকেও বহুমুখী পণ্য আমদানি রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করি বাংলাদেশের নতুন সরকার দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। সেখানে আমরা প্রযুক্তি ও সাপ্লাই চেইনে কাজ করতে চাই।
কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এ চুক্তির ফলে এখন কোরিয়ান কোম্পানিগুলো এদেশে সুবিধাজনকভাবে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হবে।
১ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে নিহত ৩, নিখোঁজ ৬
ক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে একটি মাছ ধরার নৌকাডুবিতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে আরও ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। নৌকাটিতে মোট ১৪ জন জেলে ও স্টাফ ছিলেন। দেশটির বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থাটির খবরে বলা হয়, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর নগরী বুসান থেকে ১৩৯ টন ওজনের ট্রলারটি রাজধানী সিউল থেকে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে ইয়োসু উপকূলে স্থানীয় সময় রাত ১টা ৪১ মিনিটে রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়।
কোস্টগার্ড একই বহরের অন্যান্য মাছ ধরার নৌকার সঙ্গে সাত ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করেছে।
উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন নাগরিক এবং চার বিদেশি রয়েছে। তবে একজন ক্যাপ্টেনসহ দক্ষিণ কোরিয়ার সব নাবিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নিখোঁজ সাতজনের মধ্যে একজন নাবিককে পরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেছে।
উপকূলরক্ষী বাহিনী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের জন্য ২৩টি টহল নৌকা এবং আটটি বিমান পাঠিয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রমে ১৫টি বেসামরিক মাছ ধরার নৌকাও যোগ দিয়েছে।
৫৪২ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ১৭৯
দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ১৭৯ জন নিহত হয়েছেন।
রবিবার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনা ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৯টা ৩ মিনিটে ১৭৫ জন যাত্রী নিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ছেড়ে আসে জেজু এয়ারের ফ্লাইট ৭সি২২১৬। এর মধ্যে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ান এবং দুইজন থাই নাগরিক ছিলেন। এ ছাড়া ছয়জন ফ্লাইট ক্রু ছিলেন।
বিমানটি চাকা না খুলেই অবতরণ করে এবং রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। ফলে রানওয়ের বাইরের দেয়ালে আঘাত করে। এই সংঘর্ষে বিমানটির মাঝের অংশ ভেঙে যায় এবং এতে আগুন ধরে যায়।
বিমানের পেছনের অংশ থেকে দুইজন ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে বিমানটির বেশিরভাগ অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বাকি ১৭৯ জন যাত্রী ও ক্রুর মৃত্যু হয়েছে।
দেশটির ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে, পাখির সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে ল্যান্ডিং গিয়ারের ত্রুটি দেখা দেয়। সেকারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা করার পর, ল্যান্ডিং গিয়ারের ত্রুটির কারণে বিমানটি পুনরায় আকাশে উঠে যায় এবং দ্বিতীয়বার পেটের অংশ দিয়ে অবতরণের চেষ্টা করে। এর পরই ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা।
টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের বিমানটিতে আগুন ধরে যায়া। এরপর কালো ধোঁয়ার বড় কুণ্ডলি উঠতে শুরু করে। আরেকটি ফুটেজে দেখা যায়, অবতরণের চেষ্টা করার আগে বিমানের ডান দিকের একটি ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া ও আগুন বের হচ্ছে।
পরিবহন, ভূমি ও অবকাঠামো মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা একটি টেলিভিশন ব্রিফিংয়ে জানান, বিমান দুর্ঘটনার তদন্তের জন্য ফ্লাইট ডেটা ও ভয়েস রেকর্ডার উভয়ই উদ্ধার করা হয়েছে।
পরিবহন মন্ত্রণালয় আরও জানায়, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
৫৮৩ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ
দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারির পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউন পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োল।
কিমের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে সৌদি আরবে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত চোই বিয়ুং-হিউককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টি কিমকে অভিশংসনের প্রস্তাব উত্থাপনের পরপরই বুধবার পদত্যাগ করেন তিনি। ইয়ুনের পিপলস পাওয়ার পার্টির নেতারাও সামরিক আইন জারির পরামর্শ দেওয়ার জন্য তার অপসারণেরও দাবি জানিয়েছেন।
এমতাবস্থায় দায় স্বীকার করে কিম বলেন, সামরিক আইন সম্পর্কিত সমস্ত পদক্ষেপ তার কর্তৃত্বের অধীনে পরিচালিত হয়েছিল। জনসাধারণের ‘উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি’র জন্য ক্ষমাও চান তিনি।
আরও পড়ুন: বন্যায় মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে ৩০ জনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত সহস্রাধিক
সামরিক আইনের ডিক্রি জারি এবং পরে প্রত্যাহারের পর পদত্যাগের জন্য ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইয়ুন। এরই মধ্যে ছয়টি বিরোধী দল তাকে অভিশংসনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। শুক্রবার বা শনিবার মধ্যরাতের মধ্যে এ বিষয়ে সংসদে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও ইউনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি।
মঙ্গলবার গভীর রাতে আকস্মিক ভাষণে সামরিক আইন জারির মাধ্যমে বিরোধীদের বিরুদ্ধে উত্তর কোরিয়াকে সমর্থন এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়। এমনকি তাদের কৌঁসুলিদের অভিশংসন এবং একটি সরকারি বরাদ্দ প্রস্তাব আটকে দেওয়ার চেষ্টা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ৩০০ আসনের সংসদের ১৯০ ভোটে আইনপ্রণেতারা দ্রুত আদেশটি বাতিল করে দেন। ফলে ইয়ুন আদেশ প্রত্যাহার করে বুধবার ভোরেই মোতায়েন করা সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেন।
সূত্র: সিএনএন
আরও পড়ুন: দক্ষিণ কোরিয়ায় ভিয়েতনামের ৩৮ পর্যটক নিখোঁজ
৬০৮ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় চীনা নাগরিকসহ নিহত ৫, আহত ৯
দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক চীনা নাগরিকসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৯ জন।
শনিবার (২৪ আগস্ট) দেশটির ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ।
রাজধানী সিউল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে আনসান শহরের একটি চৌরাস্তায় স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে দিনমজুরদের বহনকারী একটি ভ্যানের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে ভ্যানটি উল্টো লেনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দিলে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০, আহত ৩৭
ভ্যানে থাকা পাঁচ শ্রমিককে নিকটস্থ হাসপাতালে নিলে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।
নিহতদের মধ্যে অন্তত একজন চীনা নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার চীনা দূতাবাস।
দুর্ঘটনাকবলিত ভ্যানের চালকসহ সাতজন আহত হয়েছেন। আর যাত্রীবাহী গাড়িতে থাকা দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ধারণা করছে, ভ্যানটি মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করেছে। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখবে কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: কেনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৩
৭১১ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়া আমাদের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার: রেলপথমন্ত্রী
রেলপথমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেছন, ‘দক্ষিণ কোরিয়া আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। দীর্ঘদিনের উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন খাতে আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে কোরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’
রবিবার (৭ জুলাই) মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম ও দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে রেলপথমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় রেলস্টেশন নির্মাণ করা হবে: রেলপথমন্ত্রী
রেলপথমন্ত্রী বলেন, ‘সৈয়দপুরে আমাদের একটি রেলওয়ে কারখানা রয়েছে এবং রাজবাড়ীতে আরেকটি আধুনিক রেলওয়ে কারখানা নির্মাণ করা হবে। রেলওয়েতে আমরা নতুন কোচ, ইঞ্জিন সংগ্রহ করছি। নতুন নতুন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে, ব্রিজ নির্মাণ ও সংস্কার করা হচ্ছে। সিগনালিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে দক্ষিণ কোরিয়া এসব ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে পারে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা পুরো বাংলাদেশকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছি। রেলখাতের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছি।’
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং সিক বলেন, ‘কোরিয়া বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। আশা করি, রেলখাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়বে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: বিএনপির আমলে বন্ধ হওয়া রেললাইন আজ সচল হয়েছে: রেলপথমন্ত্রী
ট্রেন বন্ধ রেখে বাস মালিকদের সুবিধা দেওয়া বিকৃত মানসিকতার পরিচয়: রেলপথমন্ত্রী
৭৫৮ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়াতে ব্যাটারির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মৃত্যু
দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি লিথিয়াম ব্যাটারি তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও ছয়জন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে দমকল কর্মকর্তা কিম জিন-ইয়ং জানান, দেশটির রাজধানী সিউলের দক্ষিণে হোয়াসিয়ং শহরের ওই কারখানায় উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
নিখোঁজদের বেশিরভাগই চীনাসহ বিদেশি নাগরিক বলে জানান কিম।
তিনি আরও জানান, নিখোঁজদের মোবাইল ফোনের সিগন্যাল ট্র্যাক করে তাদের অবস্থান কারখানার দ্বিতীয় তলায় ছিল বলে জানা গেছে।
যাদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে তারা সম্ভবত সিঁড়ি দিয়ে নেমে নিরাপদ স্থানে যেতে চেষ্টা করছিলেন বলে উল্লেখ করেন কিম।
আরও পড়ুন: হজের সময় মারা গেছেন ১৩০০ জনেরও বেশি মানুষ, অধিকাংশ মৃত্যুই প্রচণ্ড গরমে
কিমের বরাতে আরও জানা যায়, শ্রমিকরা ব্যাটারি পরীক্ষা ও প্যাকেজিং করার সময় বিস্ফোরণ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে একজন প্রত্যক্ষদর্শী কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানতে তদন্ত করা হবে বলে জানান কিম। এছাড়া কারখানাটিতে অগ্নিকাণ্ডের সময় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কাজ করেছে কি না তদন্ত করবেন কর্মকর্তারা।
এ ঘটনায় জীবিতদের সন্ধানে সব ধরনের কর্মী ও সরঞ্জাম মোতায়েন করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইওল।
কারখানাটিতে ১০২ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সন্ত্রাসী হামলায় ১৫ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত
৭৭২ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী ঢাকা: শাহরিয়ার আলম
দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গঠনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাৎপর্যপূর্ণভাবে সাহায্য করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।
রবিবার(২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের (আরওকে) জাতীয় প্রতিষ্ঠা দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক, দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার সম্প্রদায়কে অভিনন্দন জানান।
আরও পড়ুন:বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরবের অনেক নামকরা কোম্পানি: রাষ্ট্রদূত
দেশের স্বাধীনতার খুব প্রাথমিক পর্যায়ে ১৯৭২ সালের ১২ মে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার স্বীকৃতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
শাহরিয়ার আলম ৫০ বছরের গৌরবময় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং আরও গভীর, সবক্ষেত্রে সহযোগিতা তৈরি করে এই বন্ধুত্বকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি ভারতে জি-২০ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের মধ্যে সাম্প্রতিক বৈঠকের উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী ২০৪১ সালের মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে কোনো টানাপোড়েন নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন
১০৪৫ দিন আগে
আমদানি করা সেকেন্ড-হ্যান্ড গাড়ির উপর নির্ভরতা কমাতে হবে বাংলাদেশের: দ. কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক বলেছেন, বাংলাদেশকে রিকন্ডিশন্ড সেকেন্ড-হ্যান্ড গাড়ি আমদানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে আরও মনোযোগ দিতে হবে, যা দূষণ কমাতেও সাহায্য করবে।
শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্কে ফেয়ার টেকনোলজি-হুন্দাই কারখানা পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশের উচিত আমদানি করা সেকেন্ড-হ্যান্ড গাড়ির উপর নির্ভরতা কমানো। দেশীয়ভাবে তৈরি গাড়ি পরিবেশের জন্যও ভালো হবে।’
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, অনেক দেশ ইতোমধ্যে পুরোনো গাড়ি আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে এবং বাংলাদেশও একই ধরনের নীতি গ্রহণ করতে পারে।
ফেয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব, ফেয়ার টেকনোলজি লিমিটেডের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুতাসিম দাইয়ান, ডেইলি সান সম্পাদক ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ডিকাব) সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস এবং ডিকাব সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েসসহ আরও অনেকে এসময় উপস্থিত ছিলেন।
প্ল্যান্ট পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ যদি উৎপাদনের ক্ষেত্র প্রসারিত করে, তাহলে দেশে মানসম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।
তিনি দেশে আরও বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য উন্নত কর ব্যবস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ পরিবেশের আরও উন্নতির ওপর জোর দেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ কীভাবে উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে তার একটি অনন্য উদাহরণ এই গাড়ি উৎপাদন কারখানা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ হিসেবে স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করতে সামনের দীর্ঘ যাত্রায় সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের একসঙ্গে অনেক কাজ করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন একমাত্র সমাধান: দ. কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত
গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহবুব বলেন, তাদের তরুণ মেধাবীদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে এবং দেশে আরও বৃত্তিমূলক প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতির সঙ্গে মানসম্পন্ন শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।
তিনি সরকারের কাছ থেকে যে সহায়তা পাচ্ছেন তা স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা টাকা চাই না, সরকারের কাছে নীতিগত সহায়তা চাই।’
মাহবুব বলেন, তারা পাঁচ বছরের ওয়ারেন্টিসহ বাংলাদেশে উৎপাদিত হুন্দাই গাড়ির জন্য সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সারা দেশে আমাদের পরিষেবা কেন্দ্রগুলো সম্প্রসারিত করছি।’
এই বছরের জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্কে ফেয়ার টেকনোলজি-হুন্দাই কারখানার উদ্বোধনের কথা স্মরণ করে ডিকাব প্রেসিডেন্ট লোটাস বলেন, কারখানার উদ্বোধন নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের রূপকল্প ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে একটি সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ।
বর্তমানে প্ল্যান্টে বেশ কয়েকটি মডেল তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো হলো- ক্রেটা: ১৪৯৭সিসি ৫ সিটার ও ক্রেটা গ্র্যান্ড: ১৪৯৩সিসি, ৭ সিটার।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্ল্যান্টের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা প্রতি বছর সাত হাজার।
তারা বলেছে, যদিও কোম্পানিটির ৩৫০ জনেরও বেশি কর্মী রয়েছে। বর্তমানে দেশীয় বাজারের দিকে মনোনিবেশ করছে। তবে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে তৈরি গাড়ি রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে। শোরুমের সংখ্যা বাড়িয়ে ২০টি করা হবে এবং বর্তমান শোরুমের সংখ্যা ছয়টি।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র ও দ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে পরমাণু ব্যবহারের হুমকি কিমের
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দ. কোরিয়ার ‘আরও উদ্যোগ’ চায় বাংলাদেশ
১০৫৪ দিন আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়ন মডেলের প্রশংসা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বিদ্বেষ নয়’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বলেছেন দেশটি ইন্দো-প্যাসিফিক আউটলুকসহ সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্কে এই নীতি অনুসরণ করছে।
রবিবার (১৩ আগস্ট) কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
আরও পড়ুন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘গোপন তথ্য’ কারা ফাঁস করেছে তা শনাক্ত করার চেষ্টা করছি: মোমেন
এসময় মোমেন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় পার্ক ইয়ং-সিককে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
মোমেন কোরিয়ার উন্নয়ন মডেলের প্রশংসা করেন; যা এক প্রজন্মেরও কম সময়ে কোরিয়াকে একটি উন্নত দেশে রূপান্তরিত করেছে।
এছাড়া এই মডেলটি বাংলাদেশের মতো অনেক দেশের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস বলেও স্বীকার করেছেন মন্ত্রী।
মোমেন সম্প্রতি বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন।
তিনি একটি রপ্তানিমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে কোরিয়ার সঙ্গে আরও সহযোগিতা কামনা করেন।
মোমেন রাষ্ট্রদূতকে তার বাংলাদেশে থাকাকালীন সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচনের আগে মার্কিন সরকার পদত্যাগ করবে কি না সফররত কংগ্রেসম্যানদের মোমেনের প্রশ্ন
শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছে: ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে মোমেন
১০৮৭ দিন আগে