হাবিবুল আউয়াল
এবার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল
ঢাকার আদাবর থানা এলাকায় পোশাককর্মী রুবেল হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (৪ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক এ আদেশ দেন।
গত বছরের ২৫ জুন জনগণের ‘ভোট ছাড়াই’ নির্বাচন সম্পন্ন করা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে বিএনপির করা মামলায় কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় ডিবি পুলিশ।
পরে গত ৯ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত জামিন দিলে কারামুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন সাবেক এ সিইসি।
এর মধ্যেই গত ২৮ সেপ্টেম্বর রুবেল হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ টিপু সুলতান হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। পরে আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রুবেলসহ কয়েক শ ছাত্র-জনতা আদাবরের রিং রোড এলাকায় প্রতিবাদ মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতী লীগ, কৃষক লীগ ও মৎস্যজীবী লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালান। এতে গুলিবিদ্ধ রুবেলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ২২ আগস্ট আদাবর থানায় মামলা করেন রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম।
১৬ দিন আগে
হাবিবুল আউয়ালকে কারাগারে পাঠাল আদালত
রাষ্ট্রদ্রোহসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রবিবার (২৯ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি.এম. ফারহান ইশতিয়াকের আদালত শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক সৈয়দ সাজেদুর রহমান।
হাবিবুল আউয়ালের পক্ষে তার আইনজীবী শফিউল আলম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন।
শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: ২০২৪ সালের নির্বাচনকে ‘ডামি নির্বাচন’ বলে স্বীকার সাবেক সিইসি আউয়ালের
গত ২৫ জুন মগবাজার এলাকা থেকে কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে গত ২২ জুন সাবেক সিইসি কে এম নূরুল হুদাকে উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব ‘পালন না করে’ উল্টো ‘ভয়-ভীতি দেখিয়ে’ জনগণের ভোট ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন করার অভিযোগে মামলা করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং মামলা, গুম, খুন ও তথ্য সংরক্ষণ সমন্বয়ক সালাহ উদ্দিন খান। এরপর মামলায় দণ্ডবিধির ১২৪ (ক)/৪২০/৪০৬ ধারায় অভিযোগ সংযুক্ত করার আবেদন করা হয়।
মামলায় ২০১৪ সালের নির্বাচনের সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে সিইসি এ কে এম নূরুল হুদা ও ২০২৪ সালের নির্বাচনের সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ মামলার আসামি।
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ কে এম শহীদুল হক, জাবেদ পাটোয়ারী, বেনজির আহমেদ ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও আসামি করা হয়েছে মামলায়।
৪৭৮ দিন আগে