স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জনপ্রত্যাশা পূরণে সবার মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংবিধান সংশোধনের জন্য গঠিত বিশেষ কমিটি রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, পেশাজীবীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব তৈরি করবে বলে জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকের মাঝে বাইরে বের হয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হয়ে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নবযাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর বিবর্তনমূলক প্রক্রিয়ায় যেসব গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সেগুলো ধারণ করা হবে। এজন্য সব রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব তৈরি করা হবে।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমরা উদার এবং ওপেন, আমরা সবার কথা শুনব। সর্বত্র যা যা সংশোধনের প্রয়োজন, সে সমস্ত সংশোধনীগুলো আমরা ধারণ করে সেভাবে আমরা রিপোর্ট প্রণয়ন করব।’
কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরে সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে আসবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিল যখন আসবে, সংবিধান সংশোধনী বিল পার্লামেন্টে আলোচনা করে আমরা সমঝোতার ভিত্তিতে সেই সংশোধনীটা গ্রহণ করতে চাই। যে সংশোধনী জনপ্রত্যাশা পূরণ করবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো সংশোধনী প্রস্তাবে রাখার চেষ্টা করবে কমিটি।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশের এই নবযাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর যে আমরা বিবর্তনমূলক কার্যে যাচ্ছি এবং রাষ্ট্র কাঠামোর যে গণতান্ত্রিক সংস্কার আমরা করতে চাই, তার সবগুলো আমরা এখানে অ্যাড্রেস করব, ধারণ করব। যেটা আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল, সেটা এখনও আছে।’
প্রথম বৈঠকে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরামর্শ করা হবে তাদের তালিকা প্রণয়ন এবং মতবিনিময়ের দিনক্ষণ নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী ও বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান কমিটির সভাপতি। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করলেও তাদের মতামত নেওয়া হবে। কত দিনের মধ্যে কমিটির প্রতিবেদন তৈরি হবে, তা এখনই বলতে পারেননি সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, সময়টা এখন নির্দিষ্ট করে বলতে পারব না।
সংবিধান সংশোধন কমিটিতে প্রতিনিধিত্বের জন্য সরকার বিরোধী দলকে পাঁচজনের নাম দিতে অনুরোধ করলেও এখন পর্যন্ত তারা কোনো নাম দেয়নি।
এ বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যে পাঁচটি নাম দেওয়ার কথা ছিল সে নামগুলো আমরা এখনও পাইনি। আমি আশা করি, তারা অনুধাবন করবেন এবং একপর্যায়ে তারা তাদের নাম দিবেন। তাদের সঙ্গে আমরা আলোচনা করব।’
বিরোধী দল নাম না দিলেও তাদের সংসদ সদস্যদের মতামত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হয়ে অথবা বৈঠকের বাইরে লিখিতভাবে প্রস্তাব দিলেও তা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘এ ছাড়াও নাম যদি না-ও দেয়, আমরা সকল বিরোধীদলীয় দলের সদস্য যারা আছেন, তাদের পরামর্শ আমরা গ্রহণ করব। তারা যদি মিটিংয়ে এসে দেয় ভালো, মিটিংয়ের বাইরে দিলেও আমরা সেটা গ্রহণ করব। লিখিতভাবে যদি দেয়।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এইভাবে আমরা একটা গ্রহণযোগ্য সংশোধনী আনতে চাই। জনপ্রত্যাশার সবকিছু আমরা ধারণ করতে চাই। সবার সাথে আলাপ আলোচনা করেআমরা সেই রিপোর্টটা প্রণয়ন করতে চাই।’
তিনি জানান, জুলাই জাতীয় সনদে সংবিধান-সংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হবে। যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো সংশোধনী প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আর যেসব বিষয়ে বিএনপি ভিন্নমত দিয়েছে, সেগুলো ‘নোট অব ডিসেন্ট’ হিসেবে বিবেচনায় রাখা হবে।
এছাড়া জুলাই জাতীয় সনদের বাইরে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে থাকা সংবিধান সংশোধনের অঙ্গীকারগুলোও পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান তিনি।
কমিটির কাজকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কমিটির সামনে চ্যালেঞ্জ নেই। আমাদের প্রত্যাশা আছে। আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। এটাকে আমি চ্যালেঞ্জ বলতে চাই না।’
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়েছে। শহিদদের আকাঙ্ক্ষা ও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হলে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। আর সে জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সংবিধানেই নিশ্চিত করতে হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
৫ আগস্ট ঘিরে আওয়ামী লীগের নাশকতার মুরোদ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামী ৫ আগস্ট (জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস) ঘিরে আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটি মাঝে মধ্যে বিদেশ থেকে উঁকিঝুঁকি দিলেও উল্লেখযোগ্য কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কোনো নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মুরোদ আছে বলে তো আমার মনে হয় না। একে তো নিষিদ্ধঘোষিত দল, মাফিয়া শক্তি। তারা মাঝে মধ্যে বিদেশ থেকে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে, এর বেশি তৎপরতা তো দেখি না।’
৫ আগস্টকে সামনে রেখে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদন আছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আমাদের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে এটা সবসময় চালু থাকে, যাতে অরক্ষিত কোনো যানবাহন না রাখে। টিমের পুরুষ সদস্য যেন একসঙ্গে চা না খেতে যায়, তারা যেন গাড়ি রেখে সবাই একসঙ্গে বিশ্রাম না করে। গাড়ি সবসময় অন্তত একজন সদস্যের তত্ত্বাবধানে রাখা এবং সর্বত্র সতর্ক অবস্থান নিশ্চিত করা পুলিশের স্বাভাবিক অনুশীলনের অংশ। এটাকে অন্যভাবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।
আগামী ৫ আগস্ট উপলক্ষে সরকারের কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, এ বিষয়ে মঙ্গলবার সরকারের পক্ষ থেকে একটি সভা ডাকা হয়েছে। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিতব্য ওই সভায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। সভায় প্রধানমন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন।
১ দিন আগে
মতিঝিল ও আশুলিয়ায় বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় যোগসূত্রের তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মতিঝিলের কমলাপুর ও আশুলিয়ায় বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের দুটি ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রথযাত্রা ও উল্টো রথযাত্রা নিরাপদ করতে সরকার সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
তবে উল্টো রথযাত্রার দিন মতিঝিলের কমলাপুর এলাকায় মেট্রোরেলের একটি পিলারের নিচে ছাতার মধ্যে বোমাসদৃশ একটি বস্তু পাওয়া যায়। আনসারের দুই সদস্য সেটি দেখে পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। পরে বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুটি সরিয়ে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে।
মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কোনো পক্ষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করে থাকতে পারে। বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।
তিনি বলেন, এরপর আশুলিয়ায়ও একটি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। একজন দুষ্কৃতকারী একটি ব্যাগ রেখে গেলে সেটি একই পদ্ধতিতে উদ্ধার করে বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়। মতিঝিল ও আশুলিয়ার ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা, সেটিও তদন্ত করে দেখতে বলা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আগের সময়ের তুলনায় একই সময়ে এ ধরনের ঘটনার সংখ্যা কম। তারপরও সরকার সবসময় সতর্ক রয়েছে। উগ্রবাদী তৎপরতা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো প্রচেষ্টা পর্যবেক্ষণে বিশেষ টিম কাজ করছে এবং তারা এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
১ দিন আগে
বেনজীরের জামিন বাতিলের আবেদন করতে ল’ ফার্মকে বলা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের কাছে অন্যান্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে বলে নিজের ধারণার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
বেনজীর আহমেদের গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বেনজীরের ইস্যুতে আমি গতকালই কথা বলেছি, বিকেলের দিকে। আমি রাজশাহীতে ছিলাম, ওখানে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন। গতকাল আমি তার জামিনের বিষয়ে জানতে পেরেছি। ইউএই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) আদালতে তাকে শর্তসাপেক্ষে বেইল (জামিন) দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি ইউএই ছাড়তে না পারেন, দেশ ত্যাগ করতে না পারেন এই শর্তে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি জানার পর আমাদের নিয়োজিত যে ল’ ফার্ম আছে, তাদের বিষয়টি জানিয়েছি। আর ইউএই রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমাদের সচিব মহোদয় কথা বলেছেন। কী কী শর্তে তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে, ইউএই না ছাড়ার শর্ত তো একটি শুনেছি, অন্যান্য শর্ত কী আছে, সেটার সার্টিফায়েড (সত্যায়িত) কপি তোলার জন্য আমরা নির্দেশ দিয়েছি। আর আমাদের যে ল’ ফার্ম নিয়োজিত আছে, বেনজীরের প্রত্যাবাসনের জন্য যে কাগজপত্র আমরা পাঠাই, সেগুলো সেখানে আদালতে সাবমিট (জমা) করার জন্য সেই ল’ ফার্মকে আমরা অনুরোধ করেছি, যেন তাৎক্ষণিকভাবে তার জামিন বাতিলের ব্যবস্থা করে, এ বিষয়ে তারা যেন আদালতের নির্দেশনা নেয়।’
সরকার তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তারপরও কেন জামিন দেওয়া হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতের বিষয়ে, বিষয়টি পুরোপুরি না জেনে আমি মন্তব্য দিতে চাই না। আমাদের ল’ ফার্মকে আমরা অনুরোধ করেছি সার্টিফায়েড কপি তুলে কথা বলতে এবং আমরা এই দিকনির্দেশনা দিয়েছি যেন তার জামিন বাতিলের জন্য তারা আইনি আবেদন (পিটিশন) দেয়। কারণ তার কাছে অন্যান্য দেশেরও পাসপোর্ট থাকতে পারে, সেটা আমাদের সন্দেহ।’
এদিকে, রাজধানীর কমলাপুর ও আশুলিয়ায় বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের বিষয়ে তিনি বলেন, রথযাত্রা এবং উল্টো রথযাত্রা—এই দুটি আয়োজনকে নিরাপদ করার জন্য আমরা সমন্বিত প্রয়াস নিয়েছিলাম। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খুব সমন্বিত প্রচেষ্টা চালিয়েছে। কোনো অসুবিধা হয়নি এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে উল্টো রথযাত্রার দিন কমলাপুর, মতিঝিলের দিকে মেট্রোরেলের একটি পিলারের নিচে ছাতার মধ্যে বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়া যায়। আমাদের আনসারের দুই সদস্য সেটি দেখে পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থল কর্ডন করে (ঘিরে) রাখে, বোম ডিসপোজাল ইউনিট গিয়ে সেটি সরায় এবং পরে তা বিস্ফোরণ করে।'
মন্ত্রী বলেন, ‘এতে খুব শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কোনো পক্ষ হয়তো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করেছিল। আমরা বিষয়টি সতর্কভাবে দেখছি এবং এর পেছনে কারা আছে, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত পরিচালনা করছি।’
আশুলিয়ার ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এরপর আশুলিয়াতে আরেকটি বোমাসদৃশ জিনিস পাওয়া গিয়েছে, যা একজন দুষ্কৃতকারী একটি ব্যাগ রেখে গিয়েছে। পরে সেটি একই কায়দায় উদ্ধার করে আমরা বিস্ফোরণ করেছি। এই ঘটনাগুলোর যোগসূত্র আছে কিনা, সেটিও আমরা তদন্ত করতে বলেছি। তদন্ত চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে আগের সময়ের তুলনায় যদি আমরা তুলনামূলক বিবরণী দেই, একই সময়ে এই বিষয়গুলো কী রকম হয়েছে, তার তুলনায় এটা অনেকটা কম। তবে আমরা সবসময় সতর্ক আছি এবং আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো যারা চিহ্নিত করে—উগ্রবাদী তৎপরতা বা এই জাতীয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার যে সমস্ত তৎপরতা—এগুলো যারা পর্যবেক্ষণ করে, আমাদের স্পেশাল টিম আছে, তারা এ ব্যাপারে সতর্ক আছে।’
১ দিন আগে
বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ল’ ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জামিন আদেশের সত্যায়িত কপি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে এবং ওই আদেশ বাতিলের জন্য বাংলাদেশ সরকার দুবাইয়ে একটি আইনজীবী প্রতিষ্ঠান (ল’ ফার্ম) নিয়োগ করেছে।
রবিবার (২ আগস্ট) বিকেলে রাজশাহী পুলিশ লাইনসে রাজশাহী রেঞ্জ ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন বলে শুনেছি। এ বিষয়ে দুবাইয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা জামিন আদেশের সত্যায়িত কপি সংগ্রহের চেষ্টা করছি। সেই সঙ্গে তার জামিন আদেশ বাতিলের জন্য আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে দুবাইয়ে একটি ল’ ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করছি, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে পারব। নিয়োগ করা ল’ ফার্ম এ বিষয়ে কাজ করছে।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, বেনজীর আহমেদকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আলোচনা চলছে। অগ্রগতি হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিষয়টি জানানো হবে।
২ দিন আগে
পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করবে না, বরং পুলিশকে হতে হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু ও নিরাপত্তার প্রতীক। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ দলীয় প্রভাবমুক্ত করে একটি আধুনিক, দক্ষ ও মানবিক সেবামুখী সংস্থায় রূপান্তর করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
রবিবার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহী জেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাকাডেমিতে ‘২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচ প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে চরম দলীয়করণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পুলিশ বাহিনীর মনোবল পুনর্গঠনে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, বাহিনীর পেশাদারত্ব ফিরিয়ে আনতে সততা ও শৃঙ্খলার ভিত্তিতে পুরস্কার ও তিরস্কারের নীতি কঠোরভাবে চালু করা হয়েছে। সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের জন্য যেমন পুরস্কৃত করা হচ্ছে, তেমনি অপরাধ বা শৃঙ্খলাভঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী নবীন কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকের এই আনন্দঘন মুহূর্তটি তাদের জীবনে অনেক আগেই আসার কথা ছিল। বিগত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘ ১৮ বছর যাবৎ যে সীমাহীন বঞ্চনা ও অমানবিক যন্ত্রণা তারা সহ্য করেছেন, তা অত্যন্ত পীড়াদায়ক। স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর ন্যায্য অধিকার ও পদমর্যাদা ফিরে পাওয়ায় তিনি সকল কর্মকর্তাকে শুভেচ্ছা জানান।
নবীন এএসপি প্রবেশনারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা দেশের এক ঐতিহাসিক রূপান্তরকালে পেশাগত জীবনে পদার্পণ করছেন। আইনের চোখে রাজপথের কর্মী থেকে প্রান্তিক কৃষক—সকলেই সমান। সেবা নিতে এসে কেউ যেন কোনো প্রকার বৈষম্যের শিকার না হয়, সে বিষয়ে সদা সতর্ক থাকতে হবে। চেইন অব কমান্ড, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও সমন্বিত নেতৃত্বই বাহিনীর মূল শক্তি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ তদন্তে নবীন কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ কারিগরি জ্ঞান অর্জন করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে, তাই সকল পুলিশ সদস্যদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচ প্রথম পর্যায়ের সদস্যরা তাদের দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বিভিন্ন পেশায় অর্জিত জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
২ দিন আগে
মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে আইন যুগোপযোগী করার কাজ চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মানবপাচার এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের হাত থেকে দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ লক্ষ্যে ‘মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিধিমালা, ২০১৭’ যুগোপযোগী করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘ট্র্যপড বিহাইন্ড দ্য স্ক্যাম: এন্ডিং হিউম্যান ট্র্যফিকিং ফর ফোর্সড ক্রিমিনালিটি’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মানবপাচার ও স্ক্যাম চক্রের বিরুদ্ধেও সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
তার কথায়, মানবপাচারের ধরন পরিবর্তনশীল এবং জটিল। অপরাধী চক্রগুলো এখন কেবল প্রচলিত উপায়ে নয়, বরং ডিজিটাল মাধ্যম, ভুয়া অনলাইন নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে তরুণ সমাজ ও চাকরিপ্রার্থীদের ফাঁদে ফেলছে।
তিনি বলেন, আকর্ষণীয় কর্মসংস্থান ও উন্নত ভবিষ্যতের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীদের বিদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং পরবর্তীতে তারা সাইবার স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি হয়ে চরম নির্যাতন, ভয়ভীতি ও জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে বাধ্য হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, মানবপাচার চক্র এখন বিভিন্ন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধে যুক্ত হচ্ছে। এই হুমকি মোকাবিলায় কেবল প্রথাগত আইনশৃঙ্খলাকেন্দ্রিক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়, বরং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, অর্থলগ্নি সংস্থা, বেসরকারি খাত ও সচেতন সমাজকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
৫ দিন আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএমের নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ, মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) বাংলাদেশে নবনিযুক্ত চিফ অব মিশন ড. লরা টম-বন্ড সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে আইওএমের সঙ্গে দুই দশকের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার, মানবপাচার প্রতিরোধ, সাইবার প্রযুক্তিনির্ভর মানবপাচার মোকাবিলা এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের তথ্য জানানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
বৈঠকে আইওএমের মিশন প্রধান জানান, সংস্থাটির ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল উগোচি ড্যানিয়েল আগামী ১ থেকে ৫ আগস্ট বাংলাদেশ সফর করবেন। এ উপলক্ষে আগামী ৪ আগস্ট ইউএন হাউস বাংলাদেশে আয়োজিত বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবনিযুক্ত মিশন প্রধানকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএমের যৌথ উদ্যোগে প্রণীত সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা (ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট-আইবিএম) কৌশলের জাতীয় বৈধকরণ কার্যক্রম প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোয় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) সহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আইওএম তাদের অঙ্গীকার পুনর্নিশ্চিত করা হয়।
এছাড়া বৈঠকে বাংলাদেশে মানবপাচার প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বাধীন কার্যক্রম এবং এতে আইওএমের কারিগরি সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়। আইওএম নীতিগত সহায়তা, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক তহবিল সংগ্রহে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার বাংলাদেশ মিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. লরা টম-বন্ডের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এটি প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, আইওএমের ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট (গভর্নমেন্ট) ড. এস এম মোরশেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে
বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে ‘চায়না অর্থনৈতিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ (সিইআইজেড)-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প খাতে এক নতুন ও ঐতিহাসিক যুগের সূচনা হয়েছে। বাংলাদেশ ও চীন সরকারের (জি-টু-জি) যৌথ উদ্যোগে এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর নীতিমালার আলোকে গৃহীত এই প্রকল্পটি দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বৈচিত্র্যময় শিল্পায়ন এবং বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।
সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সিইআইজেড-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সহজীকরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এরই অংশ হিসেবে চীন-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলে সরকারের নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে অবকাঠামো ও শিল্প স্থাপনে প্রায় ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলারের বিশাল বিনিয়োগ অর্জিত হতে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের দ্রুত ও সহজ সেবা প্রদান নিশ্চিতে সরকার খুব শিগগিরই শতভাগ কার্যকর ‘সিঙ্গেল উইন্ডো সার্ভিস’ চালুর পাশাপাশি পুঁজিবাজার ও মূলধনি খাতে কৌশলগত বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পায়নের পাশাপাশি শ্রমিকদের আবাসন, আধুনিক জীবনযাত্রার মান এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
তিনি আনোয়ারা শিল্পাঞ্চলে দেশীয় শিল্পের বিকাশ, সাপ্লাই চেইন জোরদারকরণ এবং দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে একটি আধুনিক ‘স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার’ স্থাপনে চায়নিজ অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আনোয়ারার এই উর্বর মাটিতে সিইআইজেড-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে আমরা কেবল এক কোদাল মাটিই তুলছি না, বরং বাংলাদেশের শিল্প রূপান্তরের এক নতুন অধ্যায়ের শুভ সূচনা করছি।’
তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাস, গভীর বন্ধুত্বের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং যৌথ সনদের আলোকে গৃহীত এই জি-টু-জি প্রকল্পটির মাধ্যমে দুদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছালো।
প্রকল্পটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রায় ৭৭৬ একর (৩১৪.৩৯ হেক্টর) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বৃহৎ প্রকল্পের মাধ্যমে কেবল চট্টগ্রাম অঞ্চলেই ৩৬ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হবে, যা স্থানীয় যুবসমাজের ভাগ্যোন্নয়নে এক অভূতপূর্ব প্রভাব ফেলবে। তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের পাশাপাশি এই অঞ্চলে বায়ো-ফার্মাসিউটিক্যালস, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রসেসিং এবং চামড়াজাত পণ্যের মতো উচ্চ-মূল্যের শিল্প প্রতিষ্ঠিত হবে—যা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে আরও বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী করবে।
ভৌগোলিক ও লজিস্টিক দিক থেকে সিইআইজেড অত্যন্ত সুবিধাজনক স্থানে অবস্থিত উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটি কর্ণফুলী টানেল থেকে মাত্র ৭০০ মিটার, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এন-১ জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়ায় এর পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা হবে অত্যন্ত সহজ ও দ্রুত।
তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এখানে আন্তর্জাতিক মানের সেন্ট্রাল এফলুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি) ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে, যা টেকসই শিল্পায়নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
বিনিয়োগকারীদের সার্বিক নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সিইআইজেড-এর সার্বিক নিরাপত্তা, নিরবচ্ছিন্ন পরিবহন করিডোর এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। একই সাথে বেজা-এর ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস (ওএসএস)’-এর মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়িয়ে দ্রুত অনুমোদন ও গ্যাস-বিদ্যুতের মতো পরিষেবা নিশ্চিত করে একটি সহজ ও সমৃদ্ধ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য বেজা, চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি), ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস এবং বিশেষ করে আনোয়ার ও চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই শিল্প অঞ্চলটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার স্থায়ী অর্থনৈতিক ও বন্ধুত্বের এক টেকসই সেতু হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সারোয়ার জামাল নিজাম এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান লি চাংগুই।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তৃতা দেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। সভাপতির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিসিসিএলের চেয়ারম্যান ওয়ানং পেইন-ছিয়েন। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
পুলিশ পদকের তালিকায় ত্রুটি, যাচাই শেষে প্রকাশ হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এ বছর পুলিশ সপ্তাহে পদক প্রদান অনুষ্ঠান না হওয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, তাড়াহুড়ো করে তৈরি করা প্রাথমিক তালিকায় কিছু কারিগরি ত্রুটি ও অনিয়ম ধরা পড়ায় তা পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যোগ্যদের মাঝে বিশুদ্ধ তালিকা অনুযায়ী পুলিশ পদক প্রদান করা হবে।
রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে পুলিশের সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা সনদ ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জনপ্রত্যাশা ও জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি জনবান্ধব ও সেবামুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, যারা সততা, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের কর্মের যথাযথ স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে। অন্যদিকে, যারা আইন-বিধি লঙ্ঘন করে জনসেবায় ব্যাঘাত ঘটাবেন বা অপকর্মে লিপ্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি তিরস্কারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এবং সমসাময়িক ও রাজনৈতিক নানা বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন।
মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) উদ্ধার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, উল্টো রথযাত্রা বা কোনো বিশেষ ধর্মীয় উৎসবকে লক্ষ্য করে এটি করা হয়েছে—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই, বরং এটি কাকতালীয়। তিনি বলেন, ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের তৎপরতায় তা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং ঘটনাটির বিষয়ে তদন্ত চলছে।
সাবেক রাষ্ট্রপতির মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে এবং তা গৃহীত হয়েছে।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর যেকোনো নাগরিক বা রাজনৈতিক দলের মতামত ও প্রতিবাদ প্রকাশের অধিকার রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পদাধিকার বলে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি যে সাংবিধানিক সুরক্ষা (ইমিউনিটি) পেয়ে থাকেন, তা বলবৎ থাকবে। তাছাড়া আইন অনুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতিকে এসএসএফ, পিজিআর ও পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে।
এ বছর পুলিশ সপ্তাহে পদক প্রদান অনুষ্ঠান না হওয়া সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, তাড়াহুড়ো করে তৈরি করা প্রাথমিক তালিকায় কিছু কারিগরি ত্রুটি ও অনিয়ম ধরা পড়ায় তা পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যোগ্যদের মাঝে বিশুদ্ধ তালিকা অনুযায়ী পুলিশ পদক প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে দুটি ভিন্ন সাহসিকতা, প্রশংসনীয় ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ নয় জন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ও ঢাকা রেলওয়ে থানার যৌথ প্রচেষ্টায় ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উদ্ধারের ঘটনায় যে সাতজন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়, তারা হলেন— ঢাকা রেলওয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) জয়নাল আবেদীন, এএসআই (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও মো. রাজিকুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. শাহীনুর ইসলাম ও আজমীর হোসেন এবং পুলিশ টেলিকম সংস্থার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর এসআই (নিরস্ত্র) মো. মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল মো. বুলবুল আহমেদ।
ট্রাফিক সার্জেন্ট কর্তৃক ছিনতাইকারী গ্রেপ্তারের ঘটনায় পুরস্কৃত দুজন পুলিশ সদস্য হলেন—ডিএমপির ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের পল্লবী জোনের সার্জেন্ট এম এস মাহমুদ আলি ও সার্জেন্ট মো. তুহিনুর রহমান তুহিন।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (কনফিডেনসিয়াল) মো. কামরুল আহসান।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও বহিরাগমন) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৯ দিন আগে