কুবি শিক্ষার্থী
কুবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানার ভূইগড় কবরস্থান সড়কের একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফারজানা ইসলাম (২৫) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মুসুল্লি বাড়ির রফিকুল ইসলামের মেয়ে। তিনি কুবির ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
অন্যদিকে স্বামী নাজমুল ইসলামের (৩০) বাড়ি কুমিল্লা জেলার কচুয়া থানার নুরপুর গ্রামে। তিনি কুবির ফার্মেসি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
ফারজানার বড় ভাই আরিফুল ইসলাম জানান, ২০২৩ সালে পরিবারের সম্মতিতে নাজমুলের সঙ্গে ফারজানার বিয়ে হয়। নাজমুলের চাকরির কারণে তারা আগে মুন্সিগঞ্জে ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় দুই মাস আগে নাজমুল নতুন চাকরি নিয়ে বর্তমান ঠিকানায় আসেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নাজমুল তার বোনকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন।
এদিকে ফারজানার বিছানার ওপর থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। চিরকুটে স্বামীর যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার কথা লেখা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের (ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল) মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ।
তিনি আরও জানান, নিহতের স্বামীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ভাড়া বাসা থেকে মিলল কুবি শিক্ষার্থী ও তার মায়ের মরদেহ
কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক শিক্ষার্থী ও তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কালিয়াজুরি খেলার মাঠসংলগ্ন একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন—তাহমিনা বেগম ফাতিমা (৫০) এবং তার মেয়ে সুমাইয়া আফরিন রিন্তি (২৪)। সুমাইয়া আফরিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহতের ছেলে তাজুল ইসলাম ফয়সল জানান, গতকাল (রবিবার) রাত ১১টার দিকে বাসায় ফিরে আলাদা দুটি কক্ষে মা ও বোনের মরদেহ দেখতে পান। তাদের মুখ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।
ফয়সলের ভাষ্যে, পারিবারিক শত্রুতা কিংবা এলাকার কারো সঙ্গে তাদের বিরোধ ছিল না।
বাড়ির মালিক আনিছুল ইসলাম রানা জানান, প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার বছর আগে কুমিল্লা আদালতের কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বাড়িটি ভাড়া নেন। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী তাহমিনা বেগম, মেয়ে সুমাইয়া ও আরও দুই ছেলেসহ পরিবারটি ওই বাড়িটিতে ভাড়া থাকতেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: ভোলায় ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। কীভাবে হত্যাটি সংঘটিত হয়েছে তা তদন্তের পর জানা যাবে।
তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
৪১২ দিন আগে