এম এ হান্নান
দলে ফিরিয়ে নিন, নাহলে শপথ নেব না: হান্নান
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ধানের শীষের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর বিজয়ী বিএনপির বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী (চিংড়ী প্রতীক) এম এ হান্নান বলেছেন, ‘আমাকে আমার প্রিয় দল বিএনপিতে ফিরিয়ে নিন, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করুন। অন্যথায় আমি শপথে অংশ নেব না।’
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচনোত্তর এক সংবাদ সম্মেলনে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দলের শীর্ষ নেতাদের উদ্দেশে তিনি এই আকুতি জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব সভাপতি মামুনুর রশীদ পাঠান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রেসক্লাব সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ।
হান্নান বলেন, আমি ছাত্রজীবন সময় থেকে প্রিয় নেতা জিয়াউর রহমান, তার দল, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শ্রদ্বা করি ও ভালবাসি। আমার প্রাণের দল বিএনপি। আমরণ এ দলে আছি, থাকব। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্বে ষড়যন্ত্র করে আমাকে মনোনয়নবঞ্চিত করে।
এ ঘটনায় অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই দুঃখকে বুকে নিয়ে কুচক্রীদের সমুচিত জবাব দিতে আল্লাহর ওপর ভরসা করে আমি এমপি ইলেকশনে নামি ও জয়লাভ করি। কারণ আমার দৃঢ় বিশ্বাস, মহান আল্লাহ ও উপজেলা, পৌরসভা ও ১৬ ইউনিয়নের আপামর জনগণ আমার সঙ্গে আছে।
তিনি আরও বলেন, তাই দলের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে আমাকে আমার প্রিয় দলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে নিন। না হয় আমি শপথ অনুষ্ঠানে যাব না। শপথও নেব না।
‘ভোটে কারচুপি করে জয়ী হয়েছেন’—ধানের শীষের পরাজিত প্রার্থী হারুনর রশীদের এমন অভিযোগকে তিনি (হান্নান) ‘ঢাহা মিথ্যা, মনগড়া ও ভিত্তিহীন’ বলে নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, রমজানে তিনি উপজেলার সকল ইউনিয়নের ছোটবড়, ময়মুরুব্বি—সবার সঙ্গে দেখা করবেন।
নবনির্বাচিত এ সংসদ সদস্য বলেন, সব ভেদাভেদ ভুলে এখন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ফরিদগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করব।
এ সময় তার সঙ্গে ফরিদগঞ্জের সাবেক মেয়র মঞ্জিল হোসেন ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে