ত্রাণমন্ত্রী
১৮০ দিনের মধ্যে বুড়িমারী থেকে এক্সপ্রেস ট্রেন চলবে: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে বুড়িমারী থেকেই ‘বুড়িমারী এক্সপ্রেস’ ট্রেন চলাচল শুরু হবে। জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী লালমনিরহাট বিমানবন্দর, ফোরলেন সড়ক, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় রেখে অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা হবে, যাতে কাজগুলো দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করা যায়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ৮টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে সবচেয়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে প্রত্যেক পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, লালমনিরহাটে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে আগামী ১৮০ দিনে জেলায় কী কী উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব—সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কর্মকর্তারা আগামী ২৮ তারিখের মধ্যে প্রস্তাবনা উপস্থাপন করবেন। সে অনুযায়ী লালমনিরহাটের উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য হাসান রাজীব প্রধান এবং লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল উপস্থিত ছিলেন।
১২ দিন আগে
স্বাধীনতার স্মৃতি ধারণ ও যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী
ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল মানবিক সাম্য ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা। বর্তমান সরকার সেই স্মৃতিগুলো ধারণ করবে এবং যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে।
২১ ফেব্রুয়ারির (শনিবার) প্রথম প্রহরে লালমনিরহাটের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ের সরকার স্বাধীনতার চেতনাকে বিক্রি করে দিয়েছিল বলেই সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল মানবিক সাম্য ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা। বর্তমান সরকার সেই স্মৃতিগুলো ধারণ করবে এবং যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে।
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনকে সকল অর্জনের সূচনা উল্লেখ করে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, স্বাধীনতার সূচনা বায়ান্ন থেকেই শুরু হয়েছিল। আমাদের আঞ্চলিক ভাষা ও কৃষ্টি-কালচার আমাদের গর্ব। বিশেষ করে জারি, সারি, ভাটিয়ালি ও ভাওয়াইয়ার মতো লোকজ ঐতিহ্যগুলোকে টিকিয়ে রাখতে জাতীয় পর্যায়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন।
১৩ দিন আগে