এসআরবি
রাজধানীতে এসআরবির নিরাপত্তা জোরদার
রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৩ (এসআরবি-৩)।
এসআরবি-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও গণমাধ্যম কর্মকর্তা মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, ঢাকা শহরসহ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন এলাকায় নিরাপত্তা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে জনসমাগমপূর্ণ এলাকা, কেপিআইসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনা এবং প্রধান সড়কগুলোতে চেকপোস্ট ও তল্লাশি অভিযান, টহল এবং মোটরসাইকেল টহল জোরদার করা হয়েছে।
অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধ এবং নাশকতা ঠেকাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের চলাচল যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে এসআরবি-৩ দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের নির্দেশনা দিয়েছে।
বাড়তি টহল ও চেকপোস্টের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। এসআরবি-৩-এর ফিল্ড ইন্টেলিজেন্স দলের সদস্যরা অপরাধী চক্রগুলোর ওপর নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে এসআরবি-৩-এর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
১০ ঘণ্টা আগে
র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে হবে এসআরবি
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার সপ্তদশ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, বিদ্যমান র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।
এছাড়া নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, র্যাব-সংক্রান্ত জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।
পাশাপাশি, নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত র্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান বিভাগীয় কার্যধারার বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
৩২ দিন আগে