আগ্নেয়গিরি
ইন্দোনেশিয়ায় ৭ বিমানবন্দর বন্ধ, ২ হাজারের বেশি ফ্লাইট বিঘ্নিত
ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ছাইয়ে বিভিন্ন এলাকা ঢেকে গেছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ২ হাজার ৩০০টি ফ্লাইট বিঘ্নিত হয়েছে। স্কুলগুলোতে অনলাইন ক্লাসও শুরু করা হয়েছে। অগ্ন্যুৎপাতের তীব্রতা কমে এলেও এই পরিস্থিতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।
দেশটির ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে, আনাক ক্রাকাতাউয়ের টানা ২৫ ঘণ্টার অগ্ন্যুৎপাত গতকাল (রবিবার) শেষ হয়েছে। এতে লাভার ফোয়ারা সৃষ্টি হয় এবং ৭০০ কিলোমিটার (৪৩৫ মাইল) দূর থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে সোমবারও আগ্নেয়গিরিটি সক্রিয় ছিল। এদিন মাঝারি মাত্রায় থেমে থেমে অগ্ন্যুৎপাত, কালো ছাই নির্গমন ও স্থানীয়ভাবে ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানায় সংস্থাটি।
এয়ারনাভ ইন্দোনেশিয়া জানিয়েছে, পরীক্ষায় জাকার্তাসহ আরও কয়েকটি শহরের আকাশসীমায় আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সাতটি বিমানবন্দর বন্ধ রেখেছে। তবে দক্ষিণ সুমাত্রা প্রদেশের পাগার আলাম শহরের আতুং বুংসু বিমানবন্দর সোমবার সকালে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করে।
অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় সংস্থা ইনজার্নি এয়ারপোর্টসের ব্যবস্থাপনায় থাকা চারটি বাণিজ্যিক বিমানবন্দর—জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা ও হালিম পেরদানাকুসুমা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, পশ্চিম জাভার বান্দুং শহরের হুসেইন সাস্ত্রানেগারা ও সুমাত্রার দক্ষিণ প্রান্তের লাম্পুংয়ের রাদিন ইন্তেন বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় প্রায় ২ হাজার ৩০০টি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে এবং ২ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৭ জন যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে