সারাদেশ
সিলেটে বিমানবন্দরে আনসারের গুলিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত
সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে পাখি তাড়ানোর উদ্দেশ্যে ছোড়া গুলিতে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত রুবেল আহমদকে তাৎক্ষণিকভাবে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সকালে টহলরত আনসার সদস্য মোজাম্মেল পাখি তাড়াতে তার কাছে থাকা শটগান থেকে গুলি ছোড়েন। তবে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশে থাকা পরিচ্ছন্নতাকর্মী রুবেলের কোমরে লাগে।
এদিকে পাখি তাড়াতে সাধারণত গাড়ি থেকে নেমে গুলি ছোড়ার নিয়ম থাকলেও সংশ্লিষ্ট আনসার সদস্য গাড়িতে বসে গুলি ছোড়ার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। আহত কর্মীর অবস্থা গুরুতর নয়।
তবে এ ঘটনায় কোনো গাফিলতি বা নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক।
১৪ ঘণ্টা আগে
মানিকগঞ্জে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কা, মা-মেয়ে নিহত
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলআরোহী মা ও মেয়ে নিহত ও চালক আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের টেপড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সোনিয়া বেগম টাঙ্গাইল কারাগারের কারারক্ষী আবুল হোসেনের স্ত্রী ও শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ পয়লা গ্রামের আরফান আলী শেখের মেয়ে। আর নিহত শিশু জান্নাত আবুল হোসেন ও সোনিয়া বেগমের সন্তান।
আহত আবুল হোসেন বলেন, তিনি সাত দিনের ছুটিতে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন। স্ত্রীর মাস্টার্স ইনকোর্স পরীক্ষা শেষ হওয়ায় পরিবার নিয়ে মোটরসাইকেলে করে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হন। টেপড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতিতে উল্টো পথে আসা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাস তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে স্ত্রী ও তার কোলে থাকা শিশু পড়ে যায়।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী ও মেয়ে গুরুতর আহত হয়। তাদের শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তার স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে চিকিৎসাধীন সন্তানও মারা যায়।
বরংগাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত দুজনকে শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে দুর্ঘটনাকবলিত গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাসটি উথলী এলাকা থেকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তবে বাসের চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৪ ঘণ্টা আগে
ট্রেনে উঠতে গিয়ে পিছলে পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন, নারীর মৃত্যু
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ট্রেনে উঠতে গিয়ে পিছলে পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে রাবেয়া খাতুন (৩৭) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এরপর ওই নারীকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় যশোরে নেওয়ার পথে বেলা ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহত রাবেয়া খাতুন রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত জোয়ার সাহারা এলাকার ইকবাল হোসেনের মেয়ে। তিনি কালীগঞ্জে খালার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
স্থানীয় ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ‘কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি মোবারকগঞ্জ স্টেশনে এসে পৌঁছায়। ট্রেন ছাড়ার মুহূর্তে রাবেয়া দৌড়ে উঠতে গিয়ে ট্রেনের পাপোশে পা পিছলে নিচে পড়ে যান। এতে ট্রেনের চাকার নিচে পড়ে তার দুটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং একটি হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান নয়ন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত এসে রাবেয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। এরপর যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বেলা ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
মেঘনায় ট্রলারডুবি: কুমিল্লায় একই পরিবারের ৩ জনের দাফন সম্পন্ন
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নিহত কুমিল্লার তিনজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নিহত তিনজনের দেহ কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামে আনা হয়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে স্থানীয় মাঠে জানাজা শেষে চরেরগাঁও কবরস্থানে পাশাপাশি তিনজনকে দাফন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাবিনসহ এলাকার লোকজন জানাজা ও দাফনের সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে নিখোঁজের দুই দিন পর আজ (শনিবার) সকালে সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ পুলিশ।
নিহতরা হলেন সামিনা (১৭), সজিব (২৪) ও সামিন (৫)। এর আগে দুর্ঘটনার দিন রায়েশা বেগম (৫৫) নামে আরও এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া হেলাল উদ্দিন নামের আরও একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার হোমনা থেকে আত্মীয়র বিয়েতে যাওয়ার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার মেঘনা নদীতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনামই এলাকায় আমান সিমেন্ট কারখানার-সংলগ্ন নদীতে প্রবল স্রোতের মধ্যে ট্রলারটি উল্টে যায়। মুহূর্তেই নদীতে তলিয়ে যান যাত্রীরা।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল এবং নৌ পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। অভিযানের একপর্যায়ে নদীর তলদেশ থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। পরে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রাখেন উদ্ধারকারীরা।
১৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়ায় বিনিয়োগকারী রোডশো অনুষ্ঠিত
উত্তরাঞ্চলের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সামনে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, আধুনিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগবান্ধব সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরতে ‘বগুড়া বিনিয়োগকারী রোডশো ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এ রোডশোতে বগুড়া অঞ্চলের প্রায় ৭৫ জন স্থানীয় বিনিয়োগকারী অংশ নেন। এছাড়া ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সামনে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প স্থাপন ও বিনিয়োগের সুযোগ, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।
সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেডের পরিচালক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান স্বাগত বক্তব্যে দেশের শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে এ ধরনের আঞ্চলিক বিনিয়োগ রোডশোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রধান প্রশাসনিক ও মানবসম্পদ কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শরিফুল ইসলাম মূল বিনিয়োগ উপস্থাপনা করেন। তিনি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সামনে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত সুবিধা ও শিল্প স্থাপনের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা।
এছাড়া বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম আহসানুল তাইয়ব জাকির ও বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এম এস এম আতিকুর রহমান বাদল বক্তব্য দেন।
বক্তারা শিল্পায়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেডের চেয়ারম্যান এ মতিন চৌধুরী আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
সমাপনী বক্তব্যে এ মতিন চৌধুরী রোডশোতে অংশগ্রহণকারী বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী, অতিথি ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে নতুন শিল্প ও বিনিয়োগ আকর্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রোডশোর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আরও কার্যকর সংযোগ গড়ে তোলা এবং সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলকে নতুন শিল্প ও বিনিয়োগের একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেড।
১৬ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হালিম সর্দার (৬০) নামের এক ব্যক্তি নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের রাজাপুর-খয়েরপুর এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরেও ভাঙচুর চালানো হয়।
নিহত হালিম সর্দার ওই এলাকার মৃত কলম সর্দারের ছেলে। অন্যদিকে আটক বকুল সর্দার (৩০) একই এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
নিহতের পরিবারের দাবি, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে চাপাইগাছি বিলের দিকে যাচ্ছিলেন হালিম সর্দার। এ সময় মান্নান মেম্বারের সমর্থক নজরুলের বাড়ির ছাদ থেকে ফালা (দেশীয় অস্ত্র) ছুড়ে মারা হয়। ফালাটি হালিমের গলায় বিদ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদের ব্যাটারি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলামপুর ইউনিয়নের রাজাপুর-খয়েরপুর এলাকায় মান্নান মেম্বার-বকুল গ্রুপের সঙ্গে ইউসুফ মেম্বার-মেহেদী গ্রুপের বিরোধ ছিল। এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায়-দফায় হামলা ও সংঘর্ষ হয়।
এসব ঘটনার জেরে আজ (শনিবার) ভোরে চাপাইগাছি বিলের পাশে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার জন্য জড়ো হলে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই সময় হালিম সর্দার বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পথে ফালার আঘাতে নিহত হন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
আইফোন চুরির অপবাদে যুবককে মারধর, পা ভাঙার অভিযোগ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মোবাইল ফোন চুরির অপবাদে রুহুল হোসেন (২০) নামের এক যুবককে আটকে রেখে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। এ সময় তার একটি পা ভেঙে যায়। পরে পুলিশ তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত রুহুল হোসেন পাশের ভেড়ামারা উপজেলার স্বরূপের ঘোপ এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় রুহুল হোসেন জয়রামপুর বাজারে গেলে সেখানে বসে থাকা এক ব্যক্তির আইফোন চুরির অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন তাকে আটক করে একটি দোকানের পিলারের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার মাথার চুলও কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে দৌলতপুর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠান।
দৌলতপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নজরুল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রুহুলকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসক জানান, তার একটি পা ভেঙে গেছে। এছাড়া হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
রুহুল আহত অবস্থায় থাকায় ওই সময় পুলিশ মামলার প্রক্রিয়ায় যায়নি বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে দৌলতপুরে নেই, কুষ্টিয়ায় এসেছি। এ কারণে ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না।
এদিকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগের সত্যতা এবং যুবককে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
১৮ ঘণ্টা আগে
রংপুরে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যুর অভিযোগে মামলা
রংপুরের পীরগাছায় ছেলের ছুরিকাঘাতে মাহাবুর হোসেন ওরফে মহুবর (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক। এর আগে গতকাল (শুক্রবার) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চর তাম্বুলপুর ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাহাবুর হোসেন ওরফে মহুবর ওই এলাকার মৃত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে। তার মৃত্যুর জন্য ছেলে হাসানুর রহমানকে (২২) দায়ী করছেন পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীরা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মাহাবুর হোসেনের সঙ্গে তার ছেলে হাসানুর রহমানের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাসানুর রহমান ছুরি দিয়ে তার বাবাকে আঘাত করেন। এতে বাবা মাহাবুর হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শ্বশুড়বাড়ির লোকজনের সঙ্গে হাসানুর রহমানের সম্পর্ক ভালো ছিল না। দুপুরের দিকে হাসানুরের শাশুড়িসহ কয়েকজন তাদের বাড়িতে আসেন। কিন্তু হাসানুর তাদের অসম্মান করায় বাবা ও ছেলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাগান্বিত হয়ে শাশুড়ির সামনেই ছেলেকে থাপ্পর দেন বাবা।
বাবার শাসনের বিষয়টি ভালোভাবে নেননি হাসানুর। পরে রাতে আবারও বাবা-ছেলের কথা কাটাকাটি হয়। ওই সময়ই পাশে থাকা একটি ছুরি দিয়ে বাবার বুকে আঘাত করেন হাসানুর। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে তাকে রমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি সেলিম মালিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
১৯ ঘণ্টা আগে
অপ্রতিমের মা-বাবাকে ফোনে হয়রানির অভিযোগে থানায় জিডি
কুমিল্লায় হত্যার শিকার স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মা-বাবাকে বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে হয়রানি ও অশোভন আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রতিম ও তার পরিবারকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
এসব ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় অপ্রতিমের মা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগম তার মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন।
এ ঘটনায় অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, বিভিন্ন ফেসবুক আইডি খুলে অপ্রতিম ও আমাদের জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে আমাদের দুজনের মোবাইল নম্বরে বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে অশোভন আচরণ করা হচ্ছে। এসব কারণে আতঙ্কে অপ্রতিমের মা তার মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।
সদর দক্ষিণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাইবার বুলিং এবং বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে অশোভন আচরণের অভিযোগে অপ্রতিমের বাবা জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে
রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুই নারীর মৃত্যু
রাজধানীর কদমতলী ও শাহবাগ থানা এলাকায় পৃথক দুটি ঘটনায় দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কদমতলীর শনির আখড়ায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে জোসনা বেগম (৩৫) নামে এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়। অপরদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর (৬০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কদমতলী থানার শনির আখড়ার ২৪ ফুট রাস্তার ৮ নম্বর রোডের সাফা টাওয়ার নামে একটি নির্মাণাধীন ভবনে আজ দুপুর ১টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতের সহকর্মী মো. ইউনুস জানান, জোসনা ওই ভবনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অন্য সহকর্মীরা নামাজ ও দুপুরের খাবারের বিরতিতে নিচে যান। এ সময় ভবনের নিরাপত্তাকর্মী বাড়ির মালিককে জোসনার পড়ে যাওয়ার বিষয়টি জানান। পরে সহকর্মীরা জানতে পারেন, জোসনা পঞ্চম তলার লিফটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে গেছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্বামী মধু মিয়া জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার শান্তিপুর গ্রামে। বর্তমানে তারা শনির আখড়ার গোবিন্দপুর নূর মসজিদ এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
অপরদিকে, বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পেছনের ওয়েটিং রুমের সামনে এক বৃদ্ধাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন হাসপাতাল কর্মীরা। পরে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আইয়ুব আলী জানান, নিহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে তিনি ভবঘুরে প্রকৃতির ছিলেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, দুটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। অজ্ঞাত ওই নারীর পরিচয় শনাক্তের জন্য সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে