তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের গরমিল, অনিয়ম, অসঙ্গতি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রে পেশাদারত্ব, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নৌযান শুমারি ২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শুমারি সমন্বয়কারীদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত নির্বাচিত সরকার এবং জনগণের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সঠিক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য ও উপাত্ত অপরিহার্য। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণে সঠিক পরিসংখ্যানের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গরমিল, অনিয়ম বা অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে পেশাদারত্ব, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নৌপথকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হওয়ায় পণ্য পরিবহনে নৌপথের গুরুত্ব অনেক বেশি। নৌপথের কার্যকর ব্যবহার ও উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করা সম্ভব।
তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নৌযান শুমারি সফলভাবে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পেশাদারত্ব ও সক্ষমতার ওপর আস্থা প্রকাশ করেন।
নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নৌযান শুমারি ২০২৬ পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সহযোগিতায় আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট দেশব্যাপী এ শুমারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর শফিউল বারী এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক।
এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ নৌযান শুমারি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।