পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত সহজ করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। এ অগ্রিম টিকিট ৩ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে পাওয়া যাবে । ফিরতি টিকিট বিক্রি হবে ১৩ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত । আপাতত সব টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে।
ঈদের সময় যাত্রীদের ভিড় সামলাতে রেল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন রুটে ১০টি করে বিশেষ ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিশেষ ট্রেনগুলো চলবে চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা, ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ এবং জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে।
ঈদে নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা প্রদানের সুবিধার্থে, ১৬ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনগুলির সাপ্তাহিক ছুটি আপাতত স্থগিত থাকবে।
যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিভাগীয় এবং জোনাল মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। চাহিদার ভিত্তিতে ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত কোচ সংযুক্ত করা হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় রিলিফ ট্রেনগুলিও প্রস্তুত থাকবে।
এদিকে, কন্টেইনার এবং জ্বালানিবাহী ট্রেন ছাড়া পণ্যবাহী ট্রেনগুলি ১৯ মার্চ মধ্যরাত থেকে ঈদের দিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। কোনো টিকিট রিফান্ড করা হবে না।
টিকিটবিহীন রেল ভ্রমণ রোধ এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রেলস্টেশনগুলিতে রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি), র্যাব, বিজিবি এবং স্থানীয় পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন থাকবে।