অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশ অনুমোদন এবং কিছু ক্ষেত্রে বাতিলের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১২টি বিল পাস করা হয়েছে। এর মধ্যে নয়টি অধ্যাদেশ অবিকল রেখে বিল হিসেবে পাস করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিলগুলো পাস হয়।
পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে ৯টি বিলের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আনা বিধানগুলো অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, তিনটি বিল পাস করা হয়েছে আগের অধ্যাদেশগুলো পুরোপুরি বাতিলের মাধ্যমে। যে ৩টি বিল অধ্যাদেশ বাতিলের জন্য পাস করা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রবর্তন) বিল, ২০২৬’। এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারিকৃত সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশটি বাতিল করে ২০০৯ সালের মূল ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনরায় কার্যকর করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো সংসদে উত্থাপন করেন। স্পিকার বিলগুলো ভোটের জন্য পেশ করলে সংসদ সদস্যরা কণ্ঠভোটে সেগুলো পাস করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশ বহাল রেখে পাস হওয়া ৯টি বিলের মধ্যে রয়েছে— জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল, বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল, শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল, সরকারি ক্রয় (সংশোধন) বিল, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল এবং আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল।
এছাড়া আগের অধ্যাদেশ বাতিল করতে পাস হওয়া অন্য দুটি বিল হলো— ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’। এই দুটি বিলের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারিকৃত সংশ্লিষ্ট দুটি অধ্যাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।