বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের এই দিনকে একটি ‘বড় দিন’ বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভারস ইয়াবস।
তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য আজ একটি বড় দিন। আমরা সবাই সবার অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর নিউ বেইলি রোডে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন শুরুর প্রায় আধঘণ্টা আগে থেকেই এই পর্যবেক্ষক দলটি ওই কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের সামনে ব্যালট বাক্স উল্টেপাল্টে দেখানোর পর ভোটগ্রহণের জন্য রাখেন। এরপর নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইভারস ইয়াবস। তিনি বলেন, ‘এখানে নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন শুরু হয়েছে। আমরা সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হতে দেখেছি।’
শুধু রাজধানী নয়, সারা দেশেই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি দিনের বাকি সময়েও তিনি পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানান।
ইইউয়ের প্রধান পর্যবেক্ষক জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল কেন্দ্র পরিদর্শনের পর দুপুর ১২টায় তিনি আরও তথ্য জানাবেন।
ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে দেশের ৬৪টি জেলায় ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে ইইউ। এসব পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্র খোলা, ভোটগ্রহণ, ভোটগ্রহণ সমাপ্তি, ব্যালট গণনা এবং ফলাফলের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন।
সাংবাদিকদের ইয়াবস বলেন, ‘স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা প্রায় প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় শহর, মফস্বল ও গ্রামে উপস্থিত থাকবেন। সারা দিন তাদের পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদন ঐতিহাসিক এই নির্বাচনের নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হবে।’
সারা দেশে মোট ২০০ জন পর্যবেক্ষক মোতায়েনের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তারা অবদান রাখছেন।