পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর থেকে সব অনুষদের ক্লাস, পরীক্ষাসহ প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করে ক্যাম্পাসে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন তারা।
এদিকে, শিক্ষক ও কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায় দুমকি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব ও সুলতান সাওকাত হোসেনকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল। একই ঘটনায় আগে থেকেই বহিষ্কৃত দুমকি উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে, সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন। এরপর আজ মঙ্গলবার থেকে হামলার বিচার এবং উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনে নামে ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ড. মো. সাইফুল ইসলাম, প্রক্টর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. আমিনুল ইসলামসহ অন্যরা।
এ ব্যাপারে মতামত জানতে চাইলে ঢাকায় অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ‘এ আন্দোলনের আদৌ কোনো যৌক্তিকতা নেই। অবৈধ ও বেআইনি আবদারকে কেন্দ্র করে কতিপয় কর্মকর্তা ও শিক্ষক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন।’
এর আগে, সোমবার উপাচার্যের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার অপসারণ দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবস্থান ধর্মঘট চলাকালে বহিরাগত দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এতে প্রক্টর, শিক্ষক ও কর্মকর্তাসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
ওই হামলার ঘটনার পর আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করেন।