হাম
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
মৃত শিশুটির বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলায়। সিলেটের ডা. শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৫৭ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৭৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে নতুন করে কোনো রোগীর হাম শনাক্ত হয়নি।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম ও উপসর্গে ৬২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া সম্প্রতি বিভাগে ২২ বছর বয়সী শিক্ষানবীশ নার্স জেরিন সুলতানার মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ১৬৫ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
সিলেটের হাম চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিশুদের পাশাপাশি বয়স্ক রোগীরাও চিকিৎসা নিচ্ছেন। কেউ স্যালাইন নিচ্ছেন, কেউ স্বজনদের সঙ্গে কথা বলছেন। চিকিৎসক ও নার্সরা নিয়মিত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এস এম সাজ্জাদুল হক জানান, বর্তমানে তিদিন ৫ থেকে ৭ জন, কখনো ১০ থেকে ১২ জন পর্যন্ত বয়স্ক রোগী ভর্তি হচ্ছেন। শুরুতে এত বেশি বয়স্ক রোগী আক্রান্ত হবেন বলে ধারণা করেননি তারা ।
তিনি বলেন, ‘হাম সাধারণত শিশুদের রোগ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বর্তমানে ১৫ থেকে ২২ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। আমরা তাদের টিকা গ্রহণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করছি।’
১৮ ঘণ্টা আগে
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় গেছে আরও ৪টি প্রাণ, আক্রান্ত ১২০৫
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২০৫টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫১৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬০৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৩৬। এই সময়ে ১ হাজার ৩৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১০১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৫ হাজার ৭০৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ২৬০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬১ হাজার ১৯৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৭ হাজার ৪৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে ঈদের ছুটিতে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত ৪৩৭, প্রাণ গেছে ৬ জনের
ঈদের ছুটির পর থেকে ফরিদপুরে গত ২৬ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গে নিয়ে ভর্তি হয়েছে ৪৩৭ জন শিশু। এ সময়ে হাম ও হামের লক্ষণ নিয়ে প্রাণহানি হয়েছে ৬ শিশুর, যা অন্য সময়ের তুলনায় বেশি।
বুধবার (৩ জুন) ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান হাম সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১৫ মার্চ থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ২৩৮ জন।
গতকাল (সোমবার রাতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চন্ডীপর্দি গ্রামের বরকতের সাত মাস বয়সী ছেলে আয়ান এবং ফরিদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার রাফসানের দুই বছর বয়সী মেয়ে আদিবা।
ফরিদপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটি (গত ২৬ মে থেকে ২ জুন) পর্যন্ত ফরিদপুরে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গে নিয়ে ভর্তি হয়েছে ৪৩৭ জন শিশু। আর এই সময় প্রাণহানি হয়েছে ৬ শিশুর, যা অন্য সময়ের চেয়ে বেশি।
এ ছাড়াও, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৪ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে ১৫৭ জন। যার অধিকাংশই শিশু।
ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অনেক মানুষ গ্রামের বাড়িতে আসায় হামের সংক্রমণ কিছুটা বেড়েছে। তবে আমরা আশাবাদী, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং রোগীর সংখ্যা কমে আসবে।’
তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজন হলে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও জানান, হামের বিস্তার রোধে টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের সময়মতো হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ফরিদপুর ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. নিরঞ্জন ভৌমিক জানান, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত শিশুর জ্বর, শরীরে লালচে দানা, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। বিশেষ করে শিশুদের হাম প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে যারা গ্রামে এসেছে সে সকল অভিভাবকের শিশুদের মেডিকেল চেকআপ প্রয়োজন।
ডা. নিরঞ্জন আরও বলেন, দ্রুত শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসা এবং শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে হামের বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
১ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি ৬০০ ছাড়ালো, ২৪ ঘণ্টায় গেছে আরও ৭টি প্রাণ
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৬৫টি শিশু। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে ৬০১টি শিশুর প্রাণহানি হয়েছে ।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫১১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬০১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২১০। এই সময়ে ১ হাজার ৫২টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৩০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৪ হাজার ৫৭২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ১৯১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬০ হাজার ১৫৮ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৫ হাজার ৯৪২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫৯৪, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ প্রাণহানি
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৩৪টি শিশু।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫০৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৯৪টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৪২টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৯২। এই সময়ে ১ হাজার ২০৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৯০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩৬২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ১৩৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৯ হাজার ১০৫ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৪ হাজার ৮১২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
ফরিদপুরে হামের উপসর্গে আরও ২ প্রাণহানি, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা
আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। একইসঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চণ্ডীপর্দী এলাকার বরকতের সাত মাস বয়সী ছেলে আয়ান গত ১ জুন হামের উপসর্গ নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। তবে আজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
অপরদিকে, ফরিদপুর সদর উপজেলার লক্ষীপুর এলাকার রাফসানের দুই বছর বয়সী মেয়ে আদিবা হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে ফরিদপুরের সরকারি হাসপাতালগুলোতে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ১৯০ শিশু।
ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অনেক মানুষ গ্রামের বাড়িতে আসায় হামের সংক্রমণ কিছুটা বেড়েছে। তবে আমরা আশাবাদী, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং রোগীর সংখ্যা কমে আসবে।’
তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজন হলে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও জানান, হামের বিস্তার রোধে টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের সময়মতো হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
২ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
মৃত শিশুটির বাড়ি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায়। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১ বছর ৭ মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭৮ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৫৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে নতুন করে কোনো রোগীর হাম শনাক্ত হয়নি।
চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম ও উপসর্গে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
৩ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে নার্সের মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ বছর বয়সী এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত তরুণী সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভপুর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতিবিদ্যার (মিডওয়াইফারি) ইন্টার্ন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে তিনি হামের উপসর্গে অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে প্রথমে তিনি সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে গতকাল (রবিবার) দুপুরে তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ (সোমবার) সকালে তার মৃত্যু হয়।
নার্সের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকরা ওই তরুণীকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। তা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
৩ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫৮৮, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ প্রাণহানি
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭৯টি শিশু।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৪৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৩৪। এই সময়ে ১ হাজার ১৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৮১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭২ হাজার ৭০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯হাজার ৯৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৭ হাজার ৯০২ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৩ হাজার ৭২২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
হামের লক্ষণ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৩৭৭
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৭৭টি শিশু।
রবিবার (৩১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে অবশ্য কারও মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৪। এই সময়ে ১ হাজার ১৮১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৯১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৩৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৪৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৬ হাজার ৮৮৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৫২ হাজার ৮৪১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে