হাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৬৯
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৯টি শিশু।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৯৩টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৪৭টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯২২। এই সময়ে ৮৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৭০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৫৭৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১ হাজার ২৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ৫৩২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সিলেটে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ১০৩
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও রোগটির উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৩ জনে।
সোমবার (২০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন শিশুর মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ২টি শিশুর বাড়ি সুনামগঞ্জে ও ১টি শিশুর বাড়ি হবিগঞ্জে। তদের সবার বয়স দুই বছরের কম। সিলেটে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ১০৩ জনের মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক, বাকি সবাই শিশু।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়। এ জেলায় এ পর্যন্ত মারা গেছে ৪৭ শিশু। এছাড়া মৃত শিশুদের মধ্যে ৩৫ শিশুর বাড়ি সিলেটে, ১২ শিশুর বাড়ি মৌলভীবাজারে ও ৯ শিশুর বাড়ি হবিগঞ্জে ।
এদিকে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৬৫ জন রোগী ভর্তি আছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ৫৩৪ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০টি ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৪টি আইসিইউ বেড স্থাপন করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সিলেটে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ১০০
সিলেটে হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে মোট ১০০ জনে।
রবিবার (১৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত শিশুটির নাম আবু সাঈদ। ৯ মাস বয়সী শিশুটি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সাহাব উদ্দিনের ছেলে। সিলেট শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৮৫ জন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৮ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৫ জন ও বাকি ১২ জন শিশু বিভিন্ন হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।
বিভাগের চার জেলার মধ্যে আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে সুনামগঞ্জ। সুনামগঞ্জে এ পর্যন্ত ২৮৭টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে ও মৃত্যু হয়েছে ৪৪ জনের। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সিলেট জেলায় আক্রান্ত ১৮০ জন ও মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের। এছাড়া হবিগঞ্জ আক্রান্ত ৫৫ জন ও মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের এবং মৌলভীবাজার জেলায় ২২টি শিশু আক্রান্ত ও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি রোগী সুনামগঞ্জ জেলার। দুর্গম হাওর অঞ্চল ও অসচেতনতার কারণে ওই এলাকায় সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়েছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
এছাড়া, অন্যান্য হাসপাতালের মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩৭ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৪ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৩ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ১০ জন, জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ জন, আল হারামাইন হাসপাতালে ৫ জন, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ২ জন, পার্ক ভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ জন এবং উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন রোগী ভর্তি আছেন। বাকি রোগীদের মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জনসহ অন্যান্য উপজেলার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সিলেট শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. মো. মিজানুর জানান, আজ (রবিবার) হাসপাতালে নতুন করে আরও ২৮টি শিশু ভর্তি হয়েছে। তাদের অনেকের নানা ধরনের শারিরীক জটিলতা রয়েছে। আজ সকাল পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ১০০ শয্যার বিপরীতে ৯৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ৫৪৪ জন ল্যাব নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৫১
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১টি শিশু।
রবিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৩৮। এই সময়ে ৮৮৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৯২টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৪৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৪৩১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৩৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৬ হাজার ৫২১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৭৭৩
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৭৩টি শিশু।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৮৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮৪টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৬৯৯। এই সময়ে ৬৪৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৪৯৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৬ হাজার ৭১০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৩১৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৯ হাজার ২৪৯ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৫ হাজার ৫২৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০১৩
দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৩টি শিশু।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৮৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৪০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭৩। এই সময়ে ৭৮১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৫৬ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৬ হাজার ০১১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ২৪৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৮ হাজার ৬০০ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৫ হাজার ৩১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১১৭১
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭১টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৮৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৭৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৯৭টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৭৪। এই সময়ে ৯৪১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ১০৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৭ হাজার ৮১৯ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৪ হাজার ২৭৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৯২
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৯২টি শিশু।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৭৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৭১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৭২টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯২০। এই সময়ে ৮৫১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৭৭টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজার ১৬৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৯০৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৬ হাজার ৮৭৮ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৩ হাজার ২৬০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৯৯০
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৯০টি শিশু।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৭১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৬৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২২টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৬৮। এই সময়ে ৮৩১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৭৩৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৬ হাজার ২৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৯২ হাজার ৩৮৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৬ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫ জনে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মৃত দুই শিশুর মধ্যে একজন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দীন ইসলামের ছেলে আম্মান (৪ মাস)। সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অপরজন সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রাউতগ্রামের আখলাছুর রহমানের মেয়ে নাফি (৭ মাস)। সে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৫৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৫৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১১৭ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭০ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২৯ জন, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৮ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৫ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩ জন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ২ জন, সিলেট লায়ন্স হাসপাতালে ২ জন ও বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।
সিলেট বিভাগে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
৬ দিন আগে