ভিসি
চাপ দিয়ে ভিসিকে অপসারণ করলে শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ: কুয়েট শিক্ষক সমিতি
দোষী প্রমাণিত না হলে চাপ প্রয়োগ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভিসির অপসারণ মেনে নেবে না কুয়েট শিক্ষক সমিতি। তারা বলেছেন, চাপ প্রয়োগ করে ভিসিকে অপসারণ করলে অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ রাখবে কুয়েট শিক্ষক সমিতি।
কুয়েটের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষক সমিতির নেতারা।
এ সময় তারা বলেন, শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীদের যথোপযুক্ত শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে না শিক্ষকরা।
এছাড়া সবপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা না বলায় হতাশা প্রকাশ করেন শিক্ষকরা।
এ সময় কথা বলেন— শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হোসেনসহ কয়েকজন শিক্ষক।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. আশরাফুল গণি ভূঁইয়া বলেন, ‘শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললেও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেননি। এতে আমরা ব্যথিত হয়েছি। অল্প কয়েকজন মিছিল করলে সাংবাদিকরা সংবাদ করেছে যে, কুয়েট উত্তাল, অথচ কুয়েটে শিক্ষার্থী ৫ হাজারেরও বেশি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের রাজনৈতিক ট্যাগ দিচ্ছে, যা দুঃখজনক। কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী উপাচার্যকে মারধর করেছে, গায়ে ধুতু দিয়েছে। কয়েকজন শিক্ষক লাঞ্চিত হয়েছেন, তাদের নিয়ে কটুক্তি করা হয়েছে। তিনি এসবের বিচারও দাবি করেন।’
আরও পড়ুন: খুলে দেওয়া হলো কুয়েটের আবাসিক হল
মহান জুলাই আন্দোলনের পর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মব কালচারের মাধ্যমে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মানিত উপাচার্য অপসারণ হতে পারে না। এই ধরনের কালচার শিক্ষাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করবে এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও একই রকম মব কালচারের আশঙ্কা তৈরি হবে বলে শিক্ষক সমিতির বার্তায় জানানো হয়।
এছাড়া মব কালচারের ওপর ভিত্তি করে সরকারকে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করার অনুরোধ করেন তারা। অন্যথায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি তা মেনে নেবে না এবং শিক্ষক সমাজ প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হবে বলে জানান তারা।
২৭১ দিন আগে
ঢাবি ভিসির সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দলের আলোচনা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলর স্টিফেন এফ ইবেলির নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম জোরদার, বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাবি শিবির নেতৃত্ব প্রকাশ্যে আসায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি
প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন স্কট হার্টম্যান, রায়হানা সুলতানা ও দূতাবাসের জোনাথ গোমেজ। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চলমান সহযোগিতামূলক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও জোরদারের সুযোগ অনুসন্ধান করেন। সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমেরিকান কর্নার স্থাপন, ফুলব্রাইট স্কলারশিপ প্রোগ্রাম বাড়ানো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে উদ্যোক্তা ও ইংরেজি ভাষার দক্ষতা কর্মসূচি প্রণয়নের মতো দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা হয়।
অংশগ্রহণকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়ের পাশাপাশি আমেরিকান সেন্টার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তথ্য ও উপাত্ত বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য নতুন আবাসিক হল নির্মাণে প্রতিনিধিদলের আর্থিক সহায়তা ও সহযোগিতা কামনা করেন। তারা অনুরোধটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবেন বলে উপাচার্যকে আশ্বস্ত করেন প্রতিনিধি দল।
আরও পড়ুন: তিন মাস পর ক্লাসে ফিরলেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
৪৮১ দিন আগে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০তম উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সাময়িক উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপসচিব মো. শাহীনুর ইসলাম তা নিশ্চিত করেন।
আরও পড়ুন: পদত্যাগ করলেন চবি উপাচার্য
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩ এর ১২(২) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতারকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাময়িকভাবে উপাচার্য পদে পাঁচ শর্তে নিয়োগ দেওয়া হলো।
শর্তগুলো হলো- উপাচার্য পদে এ নিয়োগ যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে। উপর্যুক্ত পদে তিনি তার অবসর অব্যবহিত পূর্ব পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন। তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্য সুবিধা ভোগ করবেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন এবং রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: হল ছাড়তে নারাজ চবি শিক্ষার্থীরা, সময় বাড়ালো প্রশাসন
৪৮৮ দিন আগে
আন্দোলনের মুখে ববির ভিসি-প্রক্টরসহ ২০ জনের পদত্যাগ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া ও প্রক্টর আবদুল কাইউমসহ ২০ জন।
এছাড়া উপাচার্য ও প্রভোস্ট ছাড়াও পদত্যাগ করেছেন ৪টি হলের প্রভোস্ট, কয়েকজন হাউজ টিউটর, শরীর চর্চা দপ্তরের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, লাইব্রেরিয়ানসহ শিক্ষক-কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ও ৭ জন সহকারী পরিচালকের পদত্যাগ
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ভিসি ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা।
এরপর প্রক্টর আবদুল কাইউম ববির রেজিস্ট্রার বরাবর চিঠি দিয়ে প্রথমে পদত্যাগ করেন। এরপর উপাচার্য বদরুজ্জামান ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর চিঠি দিয়ে পদত্যাগ করেন।
ববি রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘উপাচার্য ও প্রক্টরসহ মোট ২০ জন পদত্যাগ করেছেন। এ পদত্যাগের কারণে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে না। পরীক্ষা-ক্লাস নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি বলেন, ‘তবে উপাচার্য না থাকায় আর্থিক অনুমোদনের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেবে। ববির মতো অবস্থা দেশজুড়ে অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাই মনে করছি অন্তবর্তীকালীন সরকার উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে ববির কার্যক্রমে গতি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবেন।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুজয় বিশ্বাস শুভ বলেন, ‘উপাচার্য ও প্রক্টর ছাত্র আন্দোলনে অসহযোগিতা করেছেন। আন্দোলন দমাতে ও শিক্ষার্থীদের হয়রানি করতে তারা চেষ্টা চালিয়েছিলেন।’
আরও পড়ুন: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ
৫১৭ দিন আগে
মাভাবিপ্রবি ভিসিসহ ৬ কর্মকর্তার পদত্যাগ
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন।
সোমবার (৫ আগস্ট) রাতে তারা পদত্যাগ করে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।
পদত্যাগকারীরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মুছা মিয়া, বঙ্গবন্ধু হলের প্রাধ্যাক্ষ অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম, জাহানারা ইমাম হলের প্রাধ্যাক্ষ ড. মোসা. নার্গিস আক্তার, শেখ রাসেল হলের প্রাধ্যাক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী ও শিক্ষার্থী কল্যাণ পরামর্শ কেন্দ্রের উপপরিচালক ড. ফয়জুন নাহার মিম।
আরও পড়ুন: রিজভী-খসরুসহ বিএনপি-জামায়াতের সহস্রাধিক নেতা-কর্মীর জামিন
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভিসি বাদে বাকি পাঁচজনের পদত্যাগপত্র হাতে পেয়েছি। তারা রাতেই ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছেন।’
তবে কী কারণে তারা পদত্যাগ করেছেন, তা তিনি জানেন বলে জানান।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ ৬ কর্মকর্তাকে সোমবার রাত ১০টার মধ্যেই ক্যাম্পাস ছাড়ার আল্টিমেটাম দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। অবশেষে অনেক জল্পনার পর রাত ১১টার দিকে ভিসি বাদে বাকি ৫ জন পদত্যাগপত্র লিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তার কাছে রেখে চলে যান।
তবে ভিসি তার নিজের পদত্যাগপত্রটি সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। তিনি চ্যান্সেলরের নিকট তার পদত্যাগপত্র জমা দেবেন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: অর্থ আত্মসাতের মামলায় ড. ইউনূসের জামিন
৫৩১ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি অধ্যাপক সাদেকা হালিম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ এবং প্রথম নারী ভিসি।
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি গ্যাজেট প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ড. সাদেকা হালিম আগামী চার বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে বহাল থাকবেন।
আরও পড়ুন: জবি উপাচার্য অধ্যাপক ইমদাদুল হক আর নেই
ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সাবেক উপাচার্য ইমদাদুল হকের মৃত্যুতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদ শূন্য হওয়ার পর তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অধ্যাপক সাদেকা হালিম দেশের প্রথম নারী তথ্য কমিশনার হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন এবং জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটি-২০১০-এর সদস্য হয়েছেন।
তিনি ১৯৮৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) তার শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
আরও পড়ুন: জবির লাইফ এন্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান
জবি কলা অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন
৭৮১ দিন আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯তম ভিসি অধ্যাপক মাকসুদ কামাল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২৯তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল।
রবিবার (১৫ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপক বিভাগের অধ্যাপক মাকসুদ কামালকে অস্থায়ীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পরবর্তী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে এই নিয়োগ দিয়েছেন বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
বর্তমান ভিসি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৪ নভেম্বর থেকে তিনি দায়িত্ব নেবেন।
প্রফেসর মাকসুদ কামাল ২০২০ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সকল স্তরে একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দুর্যোগ বিজ্ঞান এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান (২০১২-২০১৭) ছিলেন, যা এখন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপক বিভাগ হিসেবে পরিচিত।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের ভূমিকা গ্রহণের আগে তিনি ২০১২ সাল থেকে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন (চারবার নির্বাচিত) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন: জাবি’র নতুন ভিসি প্রফেসর নূরুল আলম
ডিন থাকাকালীন তিনি আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি দুই মেয়াদে (২০১৩-২০১৮) মাস্টার দা সুর্যসেন হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
কামাল চার মেয়াদে (২০১৭-২০২০) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এবং তিন মেয়াদে (২০১৪-২০১৬) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও মহাসচিব (২০১৫-২০১৬) হিসেবে তিন মেয়াদে (২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ ও ২০১৯-২০২০) দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে অবদান রেখে আসছেন।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
অধ্যাপক মাকসুদ কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে ১৯৮৭ সালে স্নাতক ডিগ্রি নেন।
১৯৮৮ সালে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনভায়রনমেন্টাল জিওলজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। ১৯৮৮ সালে দশ বছর পর, তিনি ইউনিভার্সিটি অব টুয়েন্টি থেকে অ্যাপ্লায়েড জিওমরফোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং জিওলজিতে দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন এবং ২০০৪ সালে তিনি জাপানের টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে বিল্ট এনভায়রনমেন্টের উপর ডক্টরেট ডিগ্রি (ডক্টর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং) নেন।
আরও পড়ুন: কুয়েট ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. মিহির রঞ্জন
এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন এর নতুন ভিসি রুবানা হক
৮২৭ দিন আগে
অবৈধ নিয়োগ: জেইউএসটি’র সাবেক ভিসির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
অবৈধ নিয়োগের অভিযোগে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেইউএসটি) সাবেক উপাচার্য আবদুস সাত্তারসহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার দুদকের উপপরিচালক আল আমিন বাদী হয়ে যশোর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে মামলাটি করেন বলে ইউএনবিকে জানান উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।
মামলায় ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। আবদুস সাত্তার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আবদুর রউফ ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপউপাচার্য মো. কামাল উদ্দিন।
আরও পড়ুন: দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: নবনিযুক্ত দুদক কমিশনারকে রাষ্ট্রপতি
২০০৯ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে আবেদন করেন আবদুর রউফ। এ নিয়োগের জন্য গঠিত তিন সদস্যের বাছাই বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন উপাচার্য মো. আব্দুস সাত্তার। বাছাই বোর্ডের আরেক সদস্য ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি কামাল উদ্দিন। ওই বছরের ২২ আগস্ট মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আরও তিন পরীক্ষার্থীর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু পরীক্ষায় পাস করেনি কেউ।
আরও পড়ুন: কাস্টমসের অডিট কমিশনার এনামুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
অন্যদিকে প্রজ্ঞাপনের শর্ত অনুযায়ী পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও আবদুর রউফকে সহকারী পরিচালক পদে প্রথমে নিয়োগের চেষ্টা করে সিলেকশন বোর্ড। পরে অভিজ্ঞতার অভাব বিবেচনায় সেকশন অফিসার (গ্রেড-১, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। বোর্ড অব রিজেন্টের সভাপতি হিসেবে সাবেক উপাচার্য আবদুস সাত্তার সার্কুলার প্রদান ছাড়াই তাকে সেকশন অফিসার হিসেবে নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।
অবৈধভাবে সেকশন অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান আবদুর রউফ। এরপর সিলেকশন গ্রেডসহ বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে কাজ করার সময় ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং ২০১৪ সালে উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগ পান এবং আজ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন।
২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত তার বেতন-ভাতা বাবদ মোট ৬১ লাখ ৩১ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
আরও পড়ুন: নারী ফুটবল লিগের চেয়ারপারসন কিরণকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ
৮৮২ দিন আগে
জাবির সাবেক ভিসি আলাউদ্দিন আহমেদ আর নেই
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য আলাউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দেয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন আহমেদ বিকাল ৩টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তিনি ১৯৯৮ সালের ১৮ জুলাই থেকে ১৯৯৯ সালের ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাবিতে ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ছিলেন।
এছাড়াও তিনি কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
আলাউদ্দিন ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন: ডা. এস এ মালেকের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
১৯৪৭ সালে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণকারী আলাউদ্দিন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে ১৯৭১ সালে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন।
তিনি ১৯৭৩-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট এবং ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আলাউদ্দিন আহমেদ ১৯৭৫ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাবি’র ভিসি ড. মোহাম্মদ নুরুল আলম।
পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ডা. এস এ মালেকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সাবেক মন্ত্রী গোলাম মোস্তফা আর নেই
১১৩৩ দিন আগে
৫২ ঘন্টা পর অবমুক্ত হয়েছেন ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মো. ফরহাদ হোসেন দীর্ঘ ৫২ ঘন্টা পর অবমুক্ত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে তিনি নিজ কার্যালয় থেকে অবমুক্ত হন।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ২২ জন কর্মচারী তাদের চাকরি স্থায়ীকরণসহ ১৪ দফা দাবিতে বুধবার সকাল ৯টা থেকে ভিসিকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে কার্যালয়ে গিয়ে ভিসিকে মুক্ত করেন।
বিকালে ভিসি মো. ফরহাদ হোসেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এএসএম সাইফুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক প্রক্টর মাসুদার রহমান ও সাবেক সভাপতি শাহীন উদ্দিনের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে বিধি মোতাবেক নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনার সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।
ভিসি মো. ফরহাদ হোসেন জানান, ২০১৯ সালে তৎকালীন ভিসি ২২ জন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীকে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন থেকে দুই দফায় ১৫টি পদের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ওই ১৫ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে।
আরও পড়ুন: ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবাহিত ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশ স্থগিত
এ সময় তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়। তারা ১৫ পদের বিপরীতে ২২ জনকে নিয়োগ দেয়ার দাবি তুলেন। তারা কোন লিখিত পরীক্ষা ছাড়া শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের চাকরি স্থায়ী করণের দাবি করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে কয়েক দফা কথা বলেছেন। কিন্তু তারা তাদের দাবিতে অনড়।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে ভিসির কার্যালয়ে আসেন। তারা দুর্নীতিমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলটি ভিসির কার্যালয়ে সামনে এলে সেখানে অবস্থান ধর্মঘটে থাকা কর্মচারীরা চলে যান। তারপর শিক্ষার্থীরা তালা খুলে ভিসির ভিতরে গিয়ে ভিসিকে বাইরে আসার অনুরোধ করেন। তখন ভিসি তাদের সাথে বাইরে না এলেও দুপুরে ছাত্রদের সাথে নিয়ে মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করেন।
নামাজ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে ভিসি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি গর্বিত, আমি এমন কিছু সন্তান পেয়েছি, যারা সত্য, ন্যায় ও বাস্তবতা বুঝতে পেরেছে। তোমাদের মত সন্তানরা থাকলে এই বিশ্ববিদ্যালয় অনেক দুর এগিয়ে যাবে।
মিছিলে নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, অযৌক্তিক কিছু দাবি আদায়ের জন্য তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা ভিসি স্যারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। এটা খুবই দুঃজনক। যারা এটা করেছে আমরা তাদের শাস্তির দাবি করছি।
তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী সমিতির সভাপতি এসএম মাহফুজুর রহমান জানান, ভিসিকে কার্যালয় থেকে বাইরে বের হওয়ার সময় তারা কোন বাধার সৃষ্টি করেননি। অবস্থান ধর্মঘট শুরুর পরেই ভিসিকে তারা জানিয়েছিলেন সকালে হাটা বা বিশেষ কোন প্রয়োজনে তিনি কার্যালয়ের বাইরে বের হতে পারবেন। তবে তাদের কর্মবিরতি এখনো অব্যহত আছে।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের কক্ষ থেকে পিস্তল উদ্ধারের দাবি
১১৭২ দিন আগে