জ্বালানি তেল
জ্বালানি সাশ্রয়ে শ্রীলঙ্কায় বুধবার ছুটি ঘোষণা, এশীয় দেশগুলোতে নানা পদক্ষেপ
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট সম্ভাব্য জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কা প্রতি বুধবার সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি ঘোষণা করেছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৬ মার্চ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে দেশটির প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে বলেন, আমাদের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, তবে আমরা ভালো কিছুর প্রত্যাশা করছি।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে এশিয়ায় প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল তেল আসত। যুদ্ধের কারণে সেই পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় এশিয়ার দেশগুলো জ্বালানি সাশ্রয়ে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। সর্বশেষ দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শীলঙ্কাও জ্বালানি সাশ্রয়ে দেশটিতে আরও একদিন সাপ্তাহিক ছুটি বাড়াল। গত বছর এ প্রণালিটি দিয়ে প্রবাহিত তেল ও গ্যাসের প্রায় ৯০ শতাংশই এশিয়ার দেশগুলোতে আসে।
জ্বালানি সাশ্রয়ে এশিয়াজুড়ে নানা পদক্ষেপ
সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার অন্যান্য দেশও বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
থাইল্যান্ডে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) ওপর নির্ভরতা কমাতে স্যুট ছেড়ে ছোট হাতার টি-শার্ট পরার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সরকার।
এছাড়া মিয়ানমারে লাইসেন্স প্লেট নম্বরের ওপর ভিত্তি করে ব্যক্তিগত যানবাহনগুলোকে একদিন অন্তর চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রমজানের ছুটি এগিয়ে আনা হয়েছে। দেশজুড়ে পরিকল্পিতভাবে লোডশেডিং চালু করা হয়েছে।
ফিলিপাইনে সরকারি কর্মকর্তাদের সপ্তাহে অন্তত একদিন বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র সরকারি খরচে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছেন। ক্রমবর্ধমান তেলের দামের সঙ্গে মানিয়ে নিতে মার্কোস রিকশাচালক, কৃষক এবং জেলেদের জন্য ৫০ থেকে ৮৪ ডলার নগদ সহায়তার ঘোষণাও করেছেন।
ভিয়েতনামে নাগরিকদের বেশি করে বাড়িতে অবস্থান করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এছাড়া সাইকেল চালানো, গণপরিবহন ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার সীমিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শ্রীলঙ্কার আরও কিছু পদক্ষেপ
শ্রীলঙ্কার এ নতুন চার দিনের কর্মদিবস স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে স্বাস্থ্য ও ইমিগ্রেশনের মতো জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এর আওতামুক্ত থাকবে। সরকারি অফিস যেন টানা তিন দিন বন্ধ না থাকে, সেজন্য শুক্রবারের পরিবর্তে বুধবারকে ছুটির দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া গাড়িচালকদের এখন ন্যাশনাল ফুয়েল পাসের জন্য নিবন্ধন করতে হচ্ছে। এর মাধ্যমে জ্বালানি কেনা সীমিত করা বা রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১৫ লিটার এবং মোটরসাইকেলের জন্য ৫ লিটার জ্বালানি কেনা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এ কোটা ব্যবস্থা অনেক লঙ্কান নাগরিকের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে। ২০২২ সালে দেশটির চরম অর্থনৈতিক সংকটের সময় প্রথম এই রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
গত মাসের শেষ দিকে ইরানের ওপর হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
৫ দিন আগে
জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার
জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ রবিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব ফিলিং স্টেশনে আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিক্রি চলবে।
রবিবার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ তথ্য জানান। তবে কেউ এই সুযোগে জ্বালানি তেল মজুদ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ লাইনে সৃষ্ট সমস্যার ফলে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি আমদানিকৃত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। জনগণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে পালন এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় জ্বালানি তেল বিতরণে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আজ ১৫ মার্চ থেকে সকল বিতরণ পয়েন্ট থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল বিতরণ অব্যাহত থাকবে।
৭ দিন আগে
ছুটির দিনেও বিপিসির ডিপো খোলা রাখার নির্দেশ
দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বিপণন কোম্পানিগুলোর ডিপো খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ছুটির দিন (শুক্রবার ও শনিবার) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অধীনস্থ বিপণন কোম্পানিসমূহের প্রধান স্থাপনা বা ডিপো খোলা রেখে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, জনগণের চাহিদা অনুযায়ী দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম ও সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পণ্য দেশে আনা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাশাপাশি ডিলারদের জন্য প্রধান স্থাপনা হতে সারাদেশের সকল ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে জ্বালানি তেল প্রেরণ করা হচ্ছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ও বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি ছুটির দিন (শুক্রবার ও শনিবার) বিপিসির অধীনস্থ বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রধান স্থাপনা বা ডিপো খোলা রেখে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
১০ দিন আগে
দুটি জাহাজ আসায় জ্বালানির মজুত বেড়েছে, তবে রেশনিং করতে হবে: ইকবাল হাসান
দুটি তেলবাহী জাহাজ বন্দরে নোঙর করায় দেশে তেলের মজুত বাড়ছে, তবে রেশনিং করে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
রবিবার (৮ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম’-এর উদ্যোগে তারেক রহমানের কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।
জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে আজকে বেলা ১১টায় একটা জাহাজ নোঙর করেছে এবং আরেকটা জাহাজ ২টার সময় নোঙর নেওয়ার কথা। তাহলে এই দুইটা জাহাজ এসে তেল ডেলিভারি করার পরে আমার মজুতটা আরও বাড়বে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে আমরা যাচ্ছেতাইভাবে খরচ করব। আমরা রেশনিংটা চালিয়ে যাব, যতদিন যুদ্ধ শেষ না হয় সেই পর্যন্ত।
কেন তেলের রেশনিং করতে হবে—তার ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই যুদ্ধ কতদিন চলবে, আমরা জানি না। আমার কাছে যে মজুত আছে সেই মজুতটা সাশ্রয় করে ব্যবহার করার জন্য জনগণের কাছে আহ্বান জানিয়েছি এবং আমরা রেশনিং শুরু করেছি।
তিনি বলেন, আমরা কেউ জানি না—যুদ্ধ কবে শেষ হবে। সেজন্য সব একবারে খেয়ে শেষ করার চাইতে চলার মতো ব্যবস্থা করে যদি আমরা চলি, তাহলে আমরা দীর্ঘদিন চলতে পারব। সেজন্য গতকালও বলেছি, তেল মজুত আছে কিন্তু রেশনিং করে চলতে হবে। যেসব জাহাজ আটকে গেছে, যেসব জাহাজ মধ্য সমুদ্রে আছে, সেগুলো আসতে আসতে যেন আমার এই মজুতে হাত না পড়ে।
বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে বিরোধীরা আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে আমরা হয়ত এই যুদ্ধের কারণে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দেব। আমি আশ্বস্ত করেছি যে আপাতত আমরা বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছি না। সুতরাং দাম বাড়বে বলে ভয়ে তেল ভরে মজুত করবেন—এটা ঠিক হবে না। তাই আমি প্রত্যেককে, এখানে যারা উপস্থিত আছো, তোমরা আমার ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কর্মীরা, তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে, তোমরা এটা ভালোভাবে প্রচার কর—তেলের অভাব নাই, কিন্তু রেশনিংটা চালু রাখতে হবে।
একইসঙ্গে জ্বালানি তেল যাতে চোরাচালান কিংবা কালো বাজারে না যায়, সেজন্য নেতা-কর্মীসহ জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বানও জানান জ্বালানি মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, আমিরুল ইসলাম খান আলিম এমপি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানসহ উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরামের নেতারা বক্তব্য দেন।
১৪ দিন আগে
জ্বালানি ব্যবহারে সরকারি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
রবিবার (৮ মার্চ) সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, আমেরিকা, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে। তাই সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও তার অফিস কক্ষে লাইট ও এসি ব্যবহারে সংযমী হয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি সবার জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বার্তা দিয়েছেন।
এ সময় ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ছিনতাই প্রতিরোধে নজরদারি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি মার্কেট ও পুরো শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, ছিনতাইকারীরা ছিনতাই শেষে মোটরসাইকেলে করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তাই মোটরসাইকেল চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে মার্কেটের ভেতরে মোটরসাইকেল প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। শুধু ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাং নয়, তাদের পেছনে কারা রয়েছে তাও খুঁজে বের করতে হবে। আটক হওয়ার পর কেউ তাদের ছাড়িয়ে নিতে এলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
প্রবাসীদের জন্য সিলেটে আধুনিক মানের স্বল্প ব্যয়ের আবাসন সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, সিলেট প্রবাসী-অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় অনেক প্রবাসী রাতে বিমানবন্দরে এসে থাকার জন্য উপযুক্ত হোটেল পান না। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে জিন্দাবাজারে ওভারসিজ ভবনে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন ১০ তলা একটি ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে হোটেল, ট্রেনিং সেন্টার এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখা থাকবে। পাশাপাশি প্রবাসীদের সন্তানের শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৪ দিন আগে
সাভারে পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের কৃত্রিম সংকট, নির্দেশনা না মানার অভিযোগ
সাভারে পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে সরকারি নির্দেশনা না মানারও অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগিরা।
রবিবার (৮ মার্চ) সাভারের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের আনন্দপুর এলাকায় এস আই চৌধুরী ফিলিং স্টেশনকে ১০০ টাকা সমমূল্যের অকটেন বিক্রি করতে দেখা গেছে। অপরদিকে, সাভারের পাকিজার মোড় এলাকার আফজাল ফিলিং স্টেশনে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার অকটেন বিক্রি করছে পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ। এর বেশি কাউকে দেওয়া হচ্ছে না।
এছাড়া সাভারের রেড়িও কলোনি এলাকায় সাহারা পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রি বন্ধ হওয়ার পর গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) তা পুনরায় চালু করেছে পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ। এ সময় সাভারের হেমায়েতপুর, যাদুর চর ও বাইপাইলে অবস্থিত ৫টি পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রির একই চিত্র দেখা যায়।
এস আই চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল নিয়ে অকটেন কিনতে আসেন এমারত আলী তালুকদার নামে এক ব্যক্তি। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দিনে একবার ২ লিটার অকটেন নিতে পারব, কিন্তু এই পেট্রোল পাম্প ১০০ টাকার বেশি অকটেন বিক্রি করছে না। পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ সরকারের নির্দেশনা না মেনে তাদের ইচ্ছেমতো অকটেন বিক্রি করছে। পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষের কাছে কারণ জানতে চাইলে তারা খারাপ ব্যবহার করছে। এত অল্প তেল দিয়ে তারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পৌর এলাকার পাকিজার নিকট আফজাল পেট্রোল পাম্পে অকটেন কিনতে এসে নেয়ামত উল্লাহ জানান, পেট্রোল পাম্পের লোকজনের কাছে আমরা এখন জিম্মি হয়ে পড়েছি। তারা সরকারি নির্দেশনা না মেনে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ তাদের নিজেদের ইচ্ছামতো তেল বিক্রি করছে। এতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে এবং মানুষ আতঙ্কিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমি এই পাম্পে বাইকের জন্য অকটেন নিতে এসেছি। পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ ২০০ টাকার বেশি অকটেন দিচ্ছে না।
তবে এ বিষয়ে এস আই চৌধুরী ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তারা সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়নি।
এ বিষয় সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করার কোনো সুযোগ নেই। উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করছে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৪ দিন আগে
দেশে জ্বালানির ঘাটতি নেই, আসছে আরও দুই জাহাজ: জ্বালানিমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেও দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা থেকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। তবে বাস্তবে দেশে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আপাতত জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে না। তবে চলমান যুদ্ধের কারণে আগাম সতর্কতা হিসেবে একটি রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে যাতে জ্বালানি মজুত পর্যাপ্ত থাকে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, রেশনিংয়ের ভয়ে কিছু মানুষ এমনকি আগেভাগেই জ্বালানি মজুত করতে শুরু করেছেন। দেশে পর্যাপ্ত মজুত থাকায় নাগরিকদের আতঙ্কিত না হতে বা জ্বালানি মজুত না করতে অনুরোধ জানান মন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, আগামী ৯ মার্চ দেশে আরও দুটি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
টুকু বলেন, সরকার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে এবং মানুষকে কেবল প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি কেনার আহ্বান জানিয়েছেন।
জ্বালানি তেল সরবরাহে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ এড়াতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি। জনভোগান্তি কমাতে আগামীকাল (রবিবার) থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে, যা বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালাবে।
এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তেহরানের পাল্টা হামলার জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটেছে। এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হঠাৎ করে বেড়ে গেছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে।
ব্যবসায়ীরা ধারণা করছেন, ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে তেলের সরবরাহ ধীর হয়ে যেতে পারে বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ওই অঞ্চলজুড়ে হামলার কারণে পারস্য উপসাগরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী দুইটি জাহাজেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের হামলা দীর্ঘস্থায়ী হলে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসোলিনের দাম আরও বাড়তে পারে।
সিএমই গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালেই যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭২ দশমিক ৭৯ ডলারে পৌঁছায়। শুক্রবার এর দাম ছিল প্রায় ৬৭ ডলার, যা থেকে সোমবার ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সোমবার সকালেই ব্যারেলপ্রতি ৭৯ দশমিক ৪১ ডলারে লেনদেন হয়। ফ্যাক্টসেটের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার এর দাম ছিল ৭২ দশমিক ৮৭ ডলার, যা ছিল সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সোমবার এর দাম প্রায় ৯ শতাংশ বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে ভোক্তাদের পাম্পে গিয়ে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হবে। একইসঙ্গে নিত্যপণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের দামও বাড়তে পারে। এমন সময় এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে, যখন অনেক দেশেই মানুষ ইতোমধ্যে উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে ভুগছে।
জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিস্ট্যাড এনার্জির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়। এটি বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ। ফলে এই নৌপথকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হিসেবে ধরা হয়। ইরানের উত্তরে অবস্থিত এই প্রণালী দিয়ে সৌদি আরব, কুয়েত, ইরাক, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরান থেকে তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল করে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সামরিক মহড়ার কথা বলে ইরান সাময়িকভাবে হরমুজ প্রণালীর কিছু অংশ বন্ধ করে দেয়। এর পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ বেড়ে যায়।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই ওপেক প্লাস জোটভুক্ত আটটি দেশ রোববার অপরিশোধিত তেল উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। যুদ্ধ শুরুর আগেই নির্ধারিত বৈঠকে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক জানায়, এপ্রিল মাসে তারা প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন বাড়াবে। বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও এই পরিমাণ বেশি। উৎপাদন বাড়ানো দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া ও ওমান।
রিস্ট্যাড এনার্জির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান জর্জ লিওন এক ইমেইল বার্তায় বলেন, ‘বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ। ফলে ওপেকের অতিরিক্ত তেল উৎপাদন এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বাজারে মূল উদ্বেগ হলো তেলের চালান ঠিকভাবে চলাচল করতে পারছে কি না’
তিনি জানান, ‘যদি উপসাগরীয় অঞ্চল দিয়ে তেল পরিবহন সীমিত হয়ে যায়, তাহলে অতিরিক্ত তেল উৎপাদ তাৎক্ষণিকভাবে খুব বেশি স্বস্তি দিতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে উৎপাদন লক্ষ্য নয়, বরং রপ্তানি পথ সচল থাকা অনেক বেশি প্রয়োজনীয় হয়ে উঠবে।’
এদিকে, ইরান প্রতিদিন প্রায় ১৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে, যার বেশিরভাগই যায় চীনে। ইরানের তেল রপ্তানি ব্যাহত হলে চীনকে বিকল্প উৎস খুঁজতে হতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, চীনের কাছে পর্যাপ্ত কৌশলগত তেল মজুত রয়েছে। পাশাপাশি দেশটি চাইলে রাশিয়া থেকেও তেল আমদানি বাড়াতে পারে।
২০ দিন আগে
মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে
মার্চ মাসে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম অপরিবর্তিত থাকবে।
সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে, যা আজ (রবিবার) সকালে প্রকাশ করা হয়।
সর্বশেষ গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল। তখন ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে দুই টাকা কমে হয় ১০০ টাকা। এছাড়া দুই টাকা কমে প্রতি লিটার অকটেন ১২০ টাকা এবং পেট্রোল ১১৬ টাকা হয়। কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১১৪ টাকা থেকে ২ টাকা কমে হয় ১১২ টাকা।
মার্চ মাসেও ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা বিক্রি হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমা-বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এ কারণে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত) আলোকে মার্চ মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে।
২১ দিন আগে
জ্বালানি তেলের দাম কমল লিটারে ২ টাকা, আজ থেকে কার্যকর
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমিয়েছে সরকার। এতে ভোক্তাপর্যায়ে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা করে কমানো হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেনের দাম ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পেট্রোল প্রতি লিটার ১১৮ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১১৬ টাকা। ডিজেল প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা এবং কেরোসিন ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই লিটারপ্রতি ২ টাকা করে দাম কমানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের সাম্প্রতিক মূল্য বিবেচনায় এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন এই দাম ১ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।
৪৯ দিন আগে