ভবিষ্যতে খেলার মাঠে মেলা করার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এই অধিবেশনটি হয়।
জেলা পর্যায়ের মাঠগুলোতে মেলার কারণে খেলাধুলা বন্ধ থাকা নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন কুড়ি স্পোর্টস কিন্তু ৬৪টা জেলার জেলা স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি দেখেছি যে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে মেলার জন্য বিগত সময়গুলোতে অনুমতি দেওয়া হতো। কিন্তু আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মেলা উদযাপনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করে মেলা বসানোর সুযোগ আমরা দেব না।
দুই সিটি করপোরেশনের খেলার মাঠে হকার পুনর্বাসনের প্রস্তাবে তিনি বলেন, দুই সিটি করপোরেশন, আমাদের তিনজন মন্ত্রী ও আমাদের সচিবরা মাঠগুলো পরিদর্শন করছেন। এই মাঠগুলোর মধ্যে যেগুলো খেলার উপযোগী, সেগুলোতে নিশ্চয়ই তারা হকার পুনর্বাসন করবেন না। এই বিষয় নিয়ে আমরা প্রয়োজনে তাদের সঙ্গে কথা বলে সেগুলো নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা বাংলাদেশের জেলা স্টেডিয়াম, ক্রীড়া কমপ্লেক্স কিংবা সুইমিং কমপ্লেক্সগুলো সংস্কারের মাধ্যমে সচল করার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যাতে তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনার চেষ্টা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।
তিনি বলেন, সারা দেশের কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি এবং কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পগুলো যেন সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয় বা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়, সে বিষয়গুলো নিশ্চিতের জন্য আমরা ইতোমধ্যে আমাদের জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাদের আহ্বান জানিয়েছি। তাদের বলা হয়েছে, আপনাদের সঙ্গে আমাদের এমন একটি যোগসূত্র তৈরি হবে, যাতে আমরা তৃণমূল পর্যায়ে আমাদের যুবক এবং আগামীর প্রজন্মকে সংযুক্ত করে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পারি।
নতুন কুড়ি স্পোর্টসের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আশা করছি, এই প্রথম সেশন শেষে আমরা দ্বিতীয়বার নতুন করে স্পোর্টস শুরু করব। এই ধারাবাহিকতা যদি আমরা ধরে রাখতে পারি, শেষ পর্যন্ত আগামী দুয়েক বছর পরে কিংবা আগামী পাঁচ বছর পরে আমরা আশা করছি যে আমাদের এই জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে আমরা যে সংযোগ তৈরি করছি, তা দিয়ে আমরা পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি আমূল গুণগত পরিবর্তন আনতে পারব।