খেলার মাঠ
কুমারখালীর একমাত্র খেলার মাঠ এখন জলাভূমি, হারিয়ে যাচ্ছে খেলাধুলার পরিবেশ
একটা সময় সকাল-বিকেল মুখর থাকত কুমারখালী উপজেলা পরিষদের একমাত্র খেলার মাঠটি। শোনা যেত বুটের শব্দ। ফুটবল, ক্রিকেট আর ভলিবলের উত্তেজনায় সারা বছর সরগরম থাকত মাঠ। ব্যায়ামপ্রেমীদেরও নিয়মিত আনাগোনা ছিল। ঈদ এলে এখানেই অনুষ্ঠিত হতো উপজেলার সবচেয়ে বড় জামাত। সরকারি সভা-সেমিনার থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সবকিছুরই প্রাণকেন্দ্র ছিল মাঠটি।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। এখন মাঠে নেই খেলার বল, নেই খেলোয়াড়দের ছোটাছুটি। আছে পানি, কচুরিপানা আর হাঁটুসমান আগাছা। বছরের প্রায় আট মাসই থাকে জলাবদ্ধতা। পানিতে ডুবে আছে ঈদগাহের মিনার। মাঠজুড়ে ঘুরে বেড়ায় গরু-ছাগল। আর মাঠের পাশের সড়কে বসে তরুণরা মোবাইল ফোনে গেম খেলে সময় পার করেন। এভাবেই ধীরে ধীরে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এই খেলার মাঠটি।
উপজেলা পরিষদ থেকে প্রায় ৩০০ মিটার উত্তরে দুর্গাপুর এলাকায় মাঠটির অবস্থান। এর এক পাশে দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, অন্য পাশে কুমারখালী আদর্শ মহিলা বিদ্যালয় ও আবুল হোসেন তরুণ অডিটোরিয়াম।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠটির পানি নিষ্কাশনের জন্য কোনো ড্রেন নেই। আশপাশে অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ ও পুকুর খননের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ। ফলে প্রতি বর্ষায় মাঠটি তলিয়ে যায়। বর্ষা শেষ হলেও মাঠ থেকে পানি সরতে সময় লাগে আরও কয়েক মাস। এ কারণে বছরের বড় একটি সময় মাঠটি খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠের বুকজুড়ে স্থির পানি। কোথাও কোথাও পানির ওপর কচুরিপানায় ফুটে আছে সাদা-বেগুনি রঙয়ের ফুল। মাঠের বিভিন্ন অংশে বড় বড় দুর্বা ঘাস ও আগাছার জঙ্গল। কেউ কেউ গবাদিপশুর জন্য সেখান থেকে ঘাস কাটছেন। মাঠের এক কোণে নানা বয়সী কয়েকজনকে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা যায়।
১৩ দিন আগে
খেলার মাঠে মেলার আয়োজন বন্ধ করবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ভবিষ্যতে খেলার মাঠে মেলা করার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এই অধিবেশনটি হয়।
জেলা পর্যায়ের মাঠগুলোতে মেলার কারণে খেলাধুলা বন্ধ থাকা নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন কুড়ি স্পোর্টস কিন্তু ৬৪টা জেলার জেলা স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি দেখেছি যে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে মেলার জন্য বিগত সময়গুলোতে অনুমতি দেওয়া হতো। কিন্তু আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মেলা উদযাপনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করে মেলা বসানোর সুযোগ আমরা দেব না।
দুই সিটি করপোরেশনের খেলার মাঠে হকার পুনর্বাসনের প্রস্তাবে তিনি বলেন, দুই সিটি করপোরেশন, আমাদের তিনজন মন্ত্রী ও আমাদের সচিবরা মাঠগুলো পরিদর্শন করছেন। এই মাঠগুলোর মধ্যে যেগুলো খেলার উপযোগী, সেগুলোতে নিশ্চয়ই তারা হকার পুনর্বাসন করবেন না। এই বিষয় নিয়ে আমরা প্রয়োজনে তাদের সঙ্গে কথা বলে সেগুলো নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা বাংলাদেশের জেলা স্টেডিয়াম, ক্রীড়া কমপ্লেক্স কিংবা সুইমিং কমপ্লেক্সগুলো সংস্কারের মাধ্যমে সচল করার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যাতে তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনার চেষ্টা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।
তিনি বলেন, সারা দেশের কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি এবং কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পগুলো যেন সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয় বা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়, সে বিষয়গুলো নিশ্চিতের জন্য আমরা ইতোমধ্যে আমাদের জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাদের আহ্বান জানিয়েছি। তাদের বলা হয়েছে, আপনাদের সঙ্গে আমাদের এমন একটি যোগসূত্র তৈরি হবে, যাতে আমরা তৃণমূল পর্যায়ে আমাদের যুবক এবং আগামীর প্রজন্মকে সংযুক্ত করে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পারি।
নতুন কুড়ি স্পোর্টসের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আশা করছি, এই প্রথম সেশন শেষে আমরা দ্বিতীয়বার নতুন করে স্পোর্টস শুরু করব। এই ধারাবাহিকতা যদি আমরা ধরে রাখতে পারি, শেষ পর্যন্ত আগামী দুয়েক বছর পরে কিংবা আগামী পাঁচ বছর পরে আমরা আশা করছি যে আমাদের এই জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে আমরা যে সংযোগ তৈরি করছি, তা দিয়ে আমরা পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি আমূল গুণগত পরিবর্তন আনতে পারব।
১২১ দিন আগে
জমি অধিগ্রহণ করে হলেও প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ হবে: মেয়র তাপস
প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণ করে প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
২০০৯ দিন আগে
দক্ষিণ সিটির খেলার মাঠে কোরবানির পশুর হাট নয়: ডিএসসিসি মেয়র তাপস
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বৃহস্পতিবার বলেছেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের খেলার মাঠগুলোতে আর কোরবানির পশুর হাট বসবে না।
২০৩৮ দিন আগে
থমকে আছে ভিক্টোরিয়ার খেলার মাঠ ভরাট কাজ
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ডিগ্রি শাখার খেলার মাঠ ভরাট কাজ থমকে যাওয়ায় ক্রীড়া চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
২০৫৪ দিন আগে
খেলার জন্য আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ উন্মুক্ত করা হবে: ডিএসসিসি মেয়র
রাজধানীর আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠে উন্নয়ন কাজ করে তা জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
২১৪৪ দিন আগে
খেলার মাঠ, বিনোদন কেন্দ্রে বদলে যাবে কুমিল্লার মনপালের জনপদ
কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে মনপাল গ্রাম অবস্থিত। এই গ্রামে সরকারের সাত একর খাস জমি রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে আছে। এখানে খেলার মাঠ আর বিনোদন কেন্দ্র গড়ে উঠলে বদলে যেতে পারে এই গ্রামের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা।
২৪৯৯ দিন আগে