ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হবে খেলাধুলা, থাকবে লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, আগামী বছর থেকে জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হবে। এ বিষয়ে পৃথক পাঠ্যপুস্তক অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মাঠে ব্যবহারিক পরীক্ষারও ব্যবস্থা থাকবে। একই সঙ্গে বিতর্ক, কোরআন তেলাওয়াত, সংগীত, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে শিক্ষার অংশ করা হবে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর রূপনগর আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু বইভিত্তিক পড়াশোনার ওপর নির্ভর না করে শিক্ষাকে আনন্দময় করে তুলতে সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে যেখানে পড়াশোনা ভয়ের বিষয় না হয়ে আনন্দের বিষয় হয়ে উঠবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল একটি আনন্দময় শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা। সেই লক্ষ্যেই জাতীয় শিক্ষাক্রমে খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। খেলাধুলার ওপর লিখিত পরীক্ষা থাকবে, পাশাপাশি মাঠে ব্যবহারিক পরীক্ষাও নেওয়া হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশু-কিশোরদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলার মাধ্যমে তারা মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইসের অতিরিক্ত আসক্তি থেকে দূরে থাকবে। একই সঙ্গে মাদকসহ নানা সামাজিক অপরাধ থেকেও তাদের দূরে রাখা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, রাজধানীসহ সারা দেশে খেলার মাঠের সংকট দূর করতে সরকার ইতোমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় যেখানে খালি সরকারি জমি থাকবে, সেখানে শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও কাজ করছে।
শিক্ষকদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, ‘প্রতিদিনের পাঠদানের শুরুতে অন্তত পাঁচ মিনিট নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করুন। একজন শিক্ষার্থী বড় ডিগ্রি অর্জন করলেও যদি তার মধ্যে সততা, মানবিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ না থাকে, তবে সেই শিক্ষার প্রকৃত মূল্য থাকে না।’
তিনি বলেন, বর্তমান সমাজে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। তাই শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সন্তানদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো উসকানিতে বিভ্রান্ত হবে না। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই বাবা-মা ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করবে। তোমরাই আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই ভুল পথে পরিচালিত না হয়ে জ্ঞান, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার বাজেট বরাদ্দ করেছে। এই বরাদ্দ যেন প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কল্যাণে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, সে লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উম্মে সালমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা-১৪ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক, ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ মইনুল হক এবং বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি ইসহাক হোসেন।
১ দিন আগে
খেলার মাঠে মেলার আয়োজন বন্ধ করবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ভবিষ্যতে খেলার মাঠে মেলা করার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এই অধিবেশনটি হয়।
জেলা পর্যায়ের মাঠগুলোতে মেলার কারণে খেলাধুলা বন্ধ থাকা নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন কুড়ি স্পোর্টস কিন্তু ৬৪টা জেলার জেলা স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি দেখেছি যে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে মেলার জন্য বিগত সময়গুলোতে অনুমতি দেওয়া হতো। কিন্তু আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মেলা উদযাপনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করে মেলা বসানোর সুযোগ আমরা দেব না।
দুই সিটি করপোরেশনের খেলার মাঠে হকার পুনর্বাসনের প্রস্তাবে তিনি বলেন, দুই সিটি করপোরেশন, আমাদের তিনজন মন্ত্রী ও আমাদের সচিবরা মাঠগুলো পরিদর্শন করছেন। এই মাঠগুলোর মধ্যে যেগুলো খেলার উপযোগী, সেগুলোতে নিশ্চয়ই তারা হকার পুনর্বাসন করবেন না। এই বিষয় নিয়ে আমরা প্রয়োজনে তাদের সঙ্গে কথা বলে সেগুলো নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা বাংলাদেশের জেলা স্টেডিয়াম, ক্রীড়া কমপ্লেক্স কিংবা সুইমিং কমপ্লেক্সগুলো সংস্কারের মাধ্যমে সচল করার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যাতে তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তুলে আনার চেষ্টা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।
তিনি বলেন, সারা দেশের কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছি এবং কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পগুলো যেন সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয় বা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়, সে বিষয়গুলো নিশ্চিতের জন্য আমরা ইতোমধ্যে আমাদের জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাদের আহ্বান জানিয়েছি। তাদের বলা হয়েছে, আপনাদের সঙ্গে আমাদের এমন একটি যোগসূত্র তৈরি হবে, যাতে আমরা তৃণমূল পর্যায়ে আমাদের যুবক এবং আগামীর প্রজন্মকে সংযুক্ত করে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পারি।
নতুন কুড়ি স্পোর্টসের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আশা করছি, এই প্রথম সেশন শেষে আমরা দ্বিতীয়বার নতুন করে স্পোর্টস শুরু করব। এই ধারাবাহিকতা যদি আমরা ধরে রাখতে পারি, শেষ পর্যন্ত আগামী দুয়েক বছর পরে কিংবা আগামী পাঁচ বছর পরে আমরা আশা করছি যে আমাদের এই জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে আমরা যে সংযোগ তৈরি করছি, তা দিয়ে আমরা পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি আমূল গুণগত পরিবর্তন আনতে পারব।
৭৬ দিন আগে
‘করোনাযোদ্ধা’ হিসেবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ‘আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি’
করোনায় কর্মহীন ও অসহায় হয়ে পড়া মানুষের পাঁশে দাঁড়িয়ে ‘আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি’ পেয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল।
২২১৫ দিন আগে
করোনা মোকাবিলায় ইয়োগা বা যোগ ব্যায়ামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল রবিবার বলেছেন, ইয়োগা বা যোগ ব্যায়ামের বিভিন্ন আসন শরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা বৃদ্ধি করে করোনাকালীন সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।
২২২১ দিন আগে
আরও ১৫০ ক্রীড়াবিদকে আর্থিক সহায়তা প্রদান
সরকারের মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০ অসহায় ক্রীড়াবিদকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।
২২৩৩ দিন আগে