বন্ধ
ঈদ ও স্বাধীনতা দিবসে হিলি স্থলবন্দরে ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
পবিত্র ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এ সময়েও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।
ছুটি ঘোষণার কারণে বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাকসহ কোনো যানবাহন প্রবেশ করেনি।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছুটির সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
গ্রুপের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, ‘ঈদুল ফিতর ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস মিলিয়ে টানা ১০ দিন স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। ছুটি শেষে ২৮ মার্চ শনিবার সকাল থেকে বন্দরে যথারীতি আমদানি কার্যক্রম শুরু হবে।’
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম জানান, ছুটির মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চেকপোস্ট খোলা থাকবে।
৩ দিন আগে
ঈদ উপলক্ষে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আগামী ১৮ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এ সময় পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসচিব রুহুল আমিন সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঈদের ছুটি শেষে আগামী ২৮ মার্চ সকাল থেকে পুনরায় এই স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান তিনি।
রুহুল আমিন জানান, ঈদের ছুটির কারণে আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) থেকে ২৭ মার্চ (শুক্রবার) পর্যন্ত সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে সকল ধরনের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। তবে বন্দরের ভেতরে আগে থেকে থাকা আমদানিকৃত পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে।
এ ছাড়াও এ সময় বন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
ঈদের ছুটি শেষে আগামী ২৮ মার্চ সকাল থেকে পুনরায় সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে। ছুটির বিষয়টি ভারতের মহদিপুর স্থলবন্দরের কাস্টমস, এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এই বন্দর কর্মকর্তা।
৫ দিন আগে
সিলেটে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা পাম্প মালিকদের
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বিপণন নীতি পরিবর্তন না করলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন সিলেটের পেট্রোল পাম্প ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, নতুন নীতিমালার কারণে প্রয়োজনের তুলনায় কম তেল সরবরাহ হওয়ায় ব্যবসায়িক ক্ষতি ও পাম্পগুলোতে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় শাখার নেতারা জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েক দিনে সিলেটের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে মালিক ও শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ একটি পাম্পে এক শ্রমিককে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত শ্রমিক বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
সংগঠনের নেতারা বলেন, সারাদিন রোজা রেখে হাজার হাজার মানুষকে সেবা দেওয়ার পরও যদি নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে শ্রমিকদের পক্ষে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে শ্রমিকদের আবেগ ও ক্ষোভ থেকে মঙ্গলবার এক শিফট কর্মবিরতি পালন করা হয়। তবে বিকেল থেকে যেসব পাম্পে তেল মজুত ছিল, সেগুলোতে আবার বিক্রি শুরু হয়।
পেট্রোল পাম্প মালিকদের দাবি, বিপিসি হঠাৎ করে একটি নতুন বিপণন নীতিমালা চালু করেছে। যেখানে গত বছর মার্চ থেকে জুন মাসে একটি পাম্প যত তেল উত্তোলন করেছে, ওই গড়ের ২৫ শতাংশ কম তেল সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ৩০ দিনে মাস ধরে এই গড় নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে অনেক পাম্প মাসে ২০/২২ দিন তেল উত্তোলন করে। পাশাপাশি বিপণন কোম্পানিগুলোকে কোটা বেঁধে দেওয়া হযেছে, ফলে তারা পাম্পগুলোতে সীমিত পরিমাণ তেল দিতে পারছে। এতে ডিপো থেকে পাম্পে তেল আনতে পরিবহন ব্যয় একই রয়েছে, কিন্তু তেল কম আসছে।
সিলেটেই গ্যাস ফিল্ডের কন্ডেনসেট থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অকটেন ও পেট্রোল উৎপাদিত হয় জানিয়ে সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, দেশে অকটেন–পেট্রোলের ঘাটতি নেই। কিন্তু বিপণন নীতিমালার কারণে ডিপোতে মজুত থাকলেও পাম্পে সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে করা যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষ পাম্প মালিকদের ওপর ক্ষুব্ধ হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।
পাম্প মালিকদের মতে,‘ আমরা কোনো ধরনের মজুতদারি বা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত নই। কেউ নির্ধারিত দামের বেশি দামে তেল বিক্রি করলে সংগঠন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেবে।’
তাদের দাবি, বিপিসিকে দ্রুত নীতিমালা সংশোধন করে মাঠের বাস্তবতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় বিপণন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার মাধ্যমে তেল বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে।
সংগঠনের তথ্যমতে, সিলেট বিভাগে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ লিটার ডিজেল, প্রায় ২ লাখ লিটার পেট্রোল এবং দেড় লাখ লিটার অকটেনের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে এর তুলনায় অনেক কম। নীতিমালা সংশোধন না হলে পাম্প খোলা থাকলেও ডিপো থেকে তেল উত্তোলন করা হবে না। এতে বিপণন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। শিগগিরই বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা করার চেষ্টা করা হবে।
এদিন সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াসাদ আজিম আদনান। এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধা ৭টার দিকে সিলেট নগরীর চৌকিদেখীর উত্তরা পেট্রোলিয়াম পাম্পে তেল না পেয়ে কর্মী মিঠু গোয়ালাকে ছুরিকাঘাত করেন এক গ্রাহক। এতে ওই কর্মী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট এন্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটি মঙ্গলবার আধাবেলা ধর্মঘটের ডাক দেয়।
১১ দিন আগে
রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে ৬ ঘণ্টা
পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের বাড়তি চাহিদা মোকাবিলা এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সারা দেশে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। রমজানে ৬ ঘন্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখতে হবে। একইসঙ্গে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সিএনজি ও ফিলিং স্টেশন সার্বক্ষণিক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
চিঠিতে বলা হয়, প্রথম রমজান থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত। অর্থাৎ টানা ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে স্টেশনগুলো। আগে এই সময়সূচি ছিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৫ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব সিএনজি ও ফিলিং স্টেশন সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।
আগামী ২৬ মার্চ থেকে আবার আগের নিয়মে ফিরে যাবে সময়সূচি। তখন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এই উদ্যোগের ফলে একইসঙ্গে মহাসড়কে যাত্রীবাহী যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং জ্বালানি সংকট এড়ানো সহজ হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।
২৯ দিন আগে
কোনাপাড়ায় বন্ধ হলো দূষণকারী সব কারখানা
কোনাপাড়ার ময়লার ভাগাড় ও সামাদনগরে গত তিনদিন ধরে অভিযান চালিয়ে সব বায়ুদূষণকারী ব্যাটারি কারখানা সিলগালা করে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট।
রবিবার (৩০ মার্চ) রাত ৮টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন এলাকা, মান্ডা, গ্রীন সিটির পেছন অংশ, সামাদনগর, শরীফপুর, ময়লা রাস্তা মোড় ও কোনাপাড়ায় এসব অভিযান পরিচালন করা হয়।
এ সময় এসব এলাকায় থাকা ঢালাই লোহার কারখানাগুলোও বন্ধ পাওয়া গেছে। অভিযানে গ্রীন মডেল টাউনের আশপাশের এলাকাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এ সময় কোনাপাড়া এলাকার মোবাইল কোর্টের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও অভিযানে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ, টহল পুলিশ ও লাইন পুলিশও।
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধের দাবিতে ঢাকায় বিক্ষোভ
৩৫৫ দিন আগে
ঈদে টানা ৮ দিন বন্ধ থাকবে ভোমরা স্থলবন্দর
ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে টানা আট দিন বন্ধ থাকবে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর। তবে, দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা বলেন, ‘২৯ মার্চ (শনিবার) থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্দর দিয়ে সব আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে, রবিবার (৬ এপ্রিল) থেকে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।’
তিনি বলেন, ‘শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকাল থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঘোজাডাঙা স্থলবন্দর ও ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। ঈদের জন্য বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ এলাকায় চলে যাবেন। একইভাবে, আমদানিকারকরা ছুটিতে থাকবেন, এই সময়ে কোনো পণ্য খালাস করা হবে না।’
আরও পড়ুন: ১২ দিনের জন্য বন্ধ হচ্ছে তামাবিল স্থলবন্দর
ভোমরা চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা জানান, পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। অর্থাৎ, যাত্রীরা পূর্বের মতোই নির্বিঘ্নে সীমান্ত পাড়ি দিতে পারবেন।
স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৬ এপ্রিল থেকে পুনরায় বন্দরের কার্যক্রম চালু হবে। তখন স্বাভাবিকভাবে আমদানি-রপ্তানি ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুরোদমে চলবে।
৩৬০ দিন আগে
১২ দিনের জন্য বন্ধ হচ্ছে তামাবিল স্থলবন্দর
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটিতে যাচ্ছে তামাবিল স্থলবন্দর। এর ফলে টানা ১২ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দরটিতে।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে তামাবিল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিলেট জেলা আমদানিকারক গ্রুপের পক্ষ থেকে তামাবিল স্টেশনে ২৬ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বন্ধের দিনগুলো পর্যন্ত তামাবিল, শেওলা, সুতারকান্দি, ভোলাগঞ্জ ও জকিগঞ্জ শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে।
আরও পড়ুন: ঈদে হিলি স্থলবন্দরে ৯ দিনের ছুটি
সবকটি বন্দরের সঙ্গে মিল রেখে এ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৭ এপ্রিল থেকে আমদানি-রপ্তানি ফের শুরু হবে।
এদিকে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটিতে আগামী ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত কাস্টম হাউস বা শুল্ক স্টেশনগুলোর আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সীমিত আকারে চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। শুধুমাত্র ঈদের দিন স্টেশনগুলো বন্ধ থাকবে।
এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস নীতি) মুকিতুল হাসানের সই করা এক চিঠিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
৩৬০ দিন আগে
লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর বন্ধ, সহস্রাধিক ফ্লাইটে বিঘ্ন
নিকটবর্তী একটি বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে এক হাজারের বেশি ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে বিপুলসংখ্যক যাত্রীদের।
ক্ষুদেব্লগ ব্লুস্কাইয়ে দেওয়া এক পোস্টে ফ্লাইটরাডার২৪ নামের একটি ফ্লাইট ট্র্যাকার জানিয়েছে, ‘আজ শুক্রবার (২১ মার্চ) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় এক হাজার ৩৫১টি ফ্লাইট চলাচল ব্যহত হয়েছে।’
খবর বলছে, ইউরোপের সবচেয়ে ব্যস্ততম বিমানবন্দরটি বন্ধ থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর থেকে আসা বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। কিছু ফ্লাইট লন্ডনের বাইরে গ্যাটউইক বিমানবন্দরে, প্যারিসের শার্ল দ্য গোল বিমানবন্দর ও আয়ারল্যান্ডের শ্যানন বিমানবন্দরে গিয়ে অবতরণ করেছে।
মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) ও ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের খবর এমন তথ্য দিয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রী ও সহকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিথ্রো বিমানবন্দর বন্ধ রাখার কোনো বিকল্প আমাদের হাতে নেই। আসছে দিনগুলোতে উল্লেখযোগ্য সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।’
খুলে না দেওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের এই বিমানবন্দর দিয়ে ভ্রমণ না করতে বলা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম বিমানবন্দরের একটি হিথ্রো। কেবল চলতি বছরের জানুয়ারিতেই এই বিমানবন্দর দিয়ে ৬৩ লাখ যাত্রী ভ্রমণ করেছেন। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে যা পাঁচ শতাংশ বেশি।
এরআগে ২০২৩ সালে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ত্রুটি দেখা দেওয়ায় যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিমানবন্দরে বিমান চলাচলের বিলম্ব হয়েছিল। তখন বেশ কয়েকদিন ধরে দেশটিজুড়ে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ হয়েছিল ধীর গতিতে।
অগ্নিকাণ্ডের পর ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের সাতটি ফ্লাইটকে ফিরে যেতে হয়েছে কিংবা অন্য বিমানবন্দরে গিয়ে অবতরণ করতে হয়েছে। আর শুক্রবারে হিথ্রো বিমানবন্দরে এই এয়ারলাইনসের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) শেষ রাতে পূর্ব লন্ডনের একটি বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশনের ট্রান্সফরমারে অগ্নিকাণ্ডে আগুনের শিখা আকাশে উঠতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার পরেও সেই আগুন ধিকিধিকি জ্বলেছে। বিমানবন্দর থেকে দুই মাইল দূরে এই সাব-স্টেশনটির অবস্থান।
আরও পড়ুন: ভারতের নাগপুরে ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ ও ঘটনার বিষয়ে বিমানের ব্যাখ্যা
৩৬৫ দিন আগে
ঈদে ৮ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর, অব্যাহত থাকবে যাত্রী চলাচল
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাপ্তাহিক ছুটিসহ আট দিনের জন্য লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারবেন।
বুধবার (১৯ মার্চ) দুপুরে বুড়িমারী স্থলবন্দরের (সিঅ্যান্ডএফ) অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ নাহিদের সই করা এক চিঠির মাধ্যমে বুড়িমারী স্থলবন্দর সাপ্তাহিক ছুটিসহ আট দিন বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থলবন্দর সূত্র জানায়, বুড়িমারী স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৯ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বুড়িমারী স্থলবন্দর ও ভারতীয় চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। উভয় দেশের কাস্টমস, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মাঝে ছুটির পত্র বিনিময় করা হয়েছে।
রবিবার (৬ এপ্রিল ) থেকে যথারীতি বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।
আরও পড়ুন: হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
বুড়িমারী স্থলবন্দরের (সিঅ্যান্ডএফ) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বুড়িমারী স্থল বন্দরের শুল্ক স্টেশন ও সিঅ্যান্ডএফ কার্যক্রম সাপ্তাহিক ছুটিসহ আট দিন বন্ধ থাকবে। আগামী ৬ এপ্রিল বন্দরের কার্যক্রম শুরু হবে।
বুড়িমারী স্থলবন্দর পুলিশ অভিবাসন চৌকির (ইমিগ্রেশন) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন, বুড়িমারী স্থল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
৩৬৭ দিন আগে
জাবিতে অটোরিকশা বন্ধে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ, কার্ট গাড়ি চালুর সিদ্ধান্ত
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় প্রায় চার মাস ধরে বন্ধ আছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েন শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে পরীক্ষামূলকভাবে জাবিতে ইলেকট্রনিক কার্ট গাড়ি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
৬৯৭.৯৬ একরের বৃহৎ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিলো ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। কিন্তু তা বন্ধ হওয়ায় দুর্ভোগে দিনাতিপাত করছেন শিক্ষার্থীরা। তারা যাতায়াতে প্যাডেলচালিত রিকশা ব্যবহার করছেন। কিন্তু তা ব্যবহারে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সফলতা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা জানান, গত চার মাস আগে জাবিতে অটোরিকশা বন্ধ হয়ে যায়। যার কারণে যাতায়াতে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে প্রশাসন কিছু প্যাডেলচালিত অটোরিকশা অনুমোদন দিলেও তা ফলপ্রসূ হচ্ছে না। এই রিকশার বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। চলাচলে সময় অপচয়, অত্যাধিক ভাড়া আদায়, উঁচু রাস্তায় নেমে যাওয়াসহ আরও নানান সীমাবদ্ধতার কথা জানা যায়।
এছাড়া প্রতিদিন রুটিন করে ক্যাম্পাসের ভিতর শাটল বাস চললেও শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। অনেককে দীর্ঘসময় রিকশার জন্য অপেক্ষা করতে হয় অথবা বাসে উঠে বসে থাকতে হয়, সময়মতো বাস পাওয়া যায় না। যার ফলে ক্যাম্পাসে ইজি বাইক বা কার্ট গাড়ি চালু করা জরুরি হয়ে পড়ে। অবশেষে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ক্যাম্পাসে কার্ট গাড়ি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
এ বিষয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আবু রায়হান বলেন, এতবড় ক্যাম্পাসে চলাচল করার জন্য অটোরিকশা লাগে। যাদের বাইসাইকেল বা মোটরসাইকেল আছে, তাদের কোনো অসুবিধা নেই কিন্তু যাদের এসব নেই তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকেও রিকশা পাওয়া যায় না। ক্লাস পরীক্ষায় দেরি হয়, সময় অপচয় হয়। শুনলাম প্রশাসন কার্ট গাড়ি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।
আরও পড়ুন: জাবিতে ‘হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের’ পরিচয়ধারী এক ভুয়া শিক্ষার্থী আটক
ক্যাম্পাসে কার্ট গাড়ি চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান গবেষণা কারখানার সিনিয়র নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান জানান, রমজানে শিক্ষার্থীদের কষ্টের কথা মাথায় রেখে দুইটি গাড়ি নিয়ে এসেছি । আমাদের ক্যাম্পাসের রাস্তাগুলো যেহেতু উঁচু-নিচু তাই পরীক্ষামূলকভাবে ট্রায়াল দেবো। এটাতে ৮-১০ টি সিট থাকে। এটা পরিবেশবান্ধব হওয়ায় কোন সমস্যা নেই। আশা করি একটা ভালো ও স্থায়ী সমাধান আসবে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের কষ্টের কথা মাথায় রেখেই আমরা দীর্ঘদিন থেকে এমন কিছু করার পরিকল্পনা করছিলাম। কয়েকটি মিটিংও করেছি এ ব্যাপারে। এছাড়া কয়েকটি গাড়ি কোম্পানির সাথে আমাদের কথাও হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা পরীক্ষামূলকভাবে দুইটি গাড়ি নিয়ে এসেছি। ভালো ফলাফল পেলে মার্চের মাঝামাঝি নাগাদ আমরা আরও ১০-১৫ টি গাড়ি নিয়ে আাসবো। আর সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আশা করি আগামী দুই তিন মাসের মধ্যেই আমরা একটা ভালো সমাধান দিতে পারবো এবং এই সার্ভিস সম্পূর্ণভাবে চালু করতে পারবো।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আফসানা করিম রাঁচির অটোরিকশার ধাক্কায় নিহতের ঘটনায় ক্যাম্পাসে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধ হয়ে যায়।
৩৮০ দিন আগে