সয়াবিন তেল
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বাড়ল ৪ টাকা
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও আমদানিকারক-পরিশোধনকারীদের ধারাবাহিক লোকসানের প্রেক্ষাপটে ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঈদুল আজহার আগে বাজার স্থিতিশীল রাখার আশ্বাস দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভোজ্যতেলের বাজারমূল্য নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
নতুন দাম অনুযায়ী, বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, আগে যা ছিল ১৯৫ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দামও লিটারপ্রতি চার টাকা বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা থেকে ১৭৯ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯৫৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৭৫ টাকা করা হয়েছে। তবে পাম অয়েলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বেই পণ্যের উৎসে মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা আশা করি আমাদের ভোক্তা বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি দেখবেন। এতে বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতিও আগের চেয়ে স্বাভাবিক হবে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উৎস পর্যায়ে পণ্যের দাম বেড়েছে। যেসব পণ্য আমরা আমদানি করি, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই প্রভাব সরাসরি পড়ে। সয়াবিন তেল সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর হওয়ায় এর মূল্যবৃদ্ধির চাপ দেশীয় বাজারেও এসেছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, রমজান মাস থেকেই আমদানিকারক ও রিফাইনাররা মূল্য সমন্বয়ের অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন। আমরা আন্তর্জাতিক বাজার, আমদানি ব্যয় ও সংশ্লিষ্ট খরচ যাচাই করে দেখেছি, তাদের দাবির যৌক্তিকতা রয়েছে। তবে তাদের প্রস্তাবিত পুরো পরিমাণ বৃদ্ধি না করে আংশিক সমন্বয় করা হয়েছে।
এই মূল্য সমন্বয়ের ফলে একদিকে যেমন রিফাইনারদের লোকসান কমবে, অন্যদিকে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতিও স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নতুন নির্ধারিত মূল্য আজ থেকেই কার্যকর হবে এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। একইসঙ্গে বাজারে খুচরা পর্যায়ে মূল্য বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মনিটরিং জোরদার করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
৭ দিন আগে
চট্টগ্রামে খোলা সয়াবিনের খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ
চট্টগ্রামে খোলা সয়াবিন তেলের আমদানিকারক থেকে শুরু করে খুচরা পর্যায়ে দাম নির্ধারণ করেছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই দাম নির্ধারণ করা হয়।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমদানিকারকরা ১৫৩ টাকা, ট্রেডার্সে ১৫৫ টাকা ও খুচরা পর্যায়ে ১৬০ টাকা প্রতি লিটার খোলা তেল বিক্রি করবে, যা আজ (মঙ্গলবার) থেকে কার্যকর হয়ে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। যেকোনো পর্যায়ে কেউ যদি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে বিক্রি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটি।
নির্ধারিত দামের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
আরও পড়ুন: রোজার দ্বিতীয় দিনেও বাজারে নেই সয়াবিন তেল, বিপাকে ক্রেতারা
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম, টি কে গ্রুপের পরিচালক জাফর আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচিসহ চেম্বারসমূহের প্রতিনিধি, ভোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধি, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, ব্যবসায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষ টাক্সফোর্সের সদস্যরা।
এর আগে, গতকাল (সোমবার) বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকটে দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ পরিদর্শনে যান সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। পরিদর্শনে গিয়ে ‘ভোজ্যতেল উধাওয়ের’ সত্যতা পেয়ে তেলের উৎপাদনকারী, আমদানিকারক ও আড়তদার ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় মেয়র বলেন, ‘বাংলাদেশের বাইরে যেসব মুসলিম রাষ্ট্র আছে, সেগুলোতে রমজানে সওয়াবের উদ্দেশ্যে ভর্তুকি দেয়। কম মূল্যে তারা পণ্য বিক্রি করে। কিন্তু বাংলাদেশে দেখা যায়, কিছু ব্যবসায়ীর কারণে রাতারাতি পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এই অসাধু ব্যক্তিদের কারণে রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতিতে। এ অবস্থায় ভোজ্যতেলকে প্রাধান্য দিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত দামের বাইরে গিয়ে বেশি দামে কেউ বিক্রি করলে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি চসিক থেকেও বাজার মরিটরিং করা হবে।’
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট চলছে। সেটা কাটিয়ে উঠার জন্য সবার সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, খোলা সয়াবিন তেল খুচরায় সর্বোচ্চ ১৬০ টাকায় বিক্রি করা যাবে। কেউ চাইলে এর চেয়ে কমেও বিক্রি করতে পারবেন, তবে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়া যাবে না। এ সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো ব্যবসায়ী যদি খুচরা বা পাইকারি বাজারে বেশি দামে তেল বিক্রি করেন, তাহলে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৪২৮ দিন আগে
সয়াবিন তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে কাজ করছে সরকার: শফিকুল আলম
খোলা সয়াবিন তেলের দাম একটু কমতে শুরু করেছে বলে দাবি করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ যাতে ঠিক পর্যায়ে থাকে, সেটার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।’
শনিবার (১ মার্চ) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রেস ব্রিফিংকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সয়াবিন তেলের সংকট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত সয়াবিন তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। খোলা ও বোতলজাত—দুই ধরনের সয়াবিন তেলেরই।’
‘এরইমধ্যে খোলা সয়াবিন তেলের দাম একটু কমা শুরু হয়েছে। আশা করছি, সামনে সরবরাহ পরিস্থিতি আরও ভালো হলে দামও একটা ভালো যায়গায় যাবে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের ক্ষেত্রে, মার্কেট থেকে এটা উধাও হয়ে গেছে বলে কেউ কেউ অভিযোগ করছেন। আমরা চেষ্টা করছি সরবরাহ যাতে ঠিক পর্যায়ে আসে, সবার জন্য যাতে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে।’
শফিকুল আলম বলেন, ‘গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। এরপর থেকে বন্যা দেখা দেওয়ায় বেশ কয়েকটি মাস সেদিকে মনোযোগ দিতে হয়েছে সরকারকে। ছয়-ছয়টি বন্যা হয়েছে। অক্টোবর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সমস্ত শাখা, উপদেষ্টাদের ও যারা নিত্যপণ্যের মূল্য ও খাবার নিয়ে কাজ করেন—সবাইকে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছিলেন, রোজাকে কেন্দ্রীভূত করে জীবনযাত্রার মান কীভাবে কমানো যায়, সেদিকে যাতে মনোযোগ দেওয়া হয়।’
এই রোজায় বেশিরভাগ খাদ্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘পুরো রমজানজুড়ে কীভাবে দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায়, সেদিকে মনোযোগ থাকবে অন্তর্বর্তী সরকারের।’
‘রোজার সময় কিছু কিছু পণ্যের ভোগ বেড়ে যায়। বিশেষ করে, ভোজ্যতেল, স্ন্যাকস, ছোলা ও খেজুরের ক্ষেত্রে আমরা এটি দেখি। প্রতিটি পণ্যের ক্ষেত্রে সরকারের মনোযোগ হচ্ছে, কীভাবে (এগুলোর মূল্য) সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায়।’
তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রাজস্ব বোর্ড, ট্যারিফ কমিশন ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ নিয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সবার যৌথ প্রয়াসে আমরা বলতে পারি, অনেক পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। পুরো রমজানে এটা কীভাবে আরও সহনীয় করা যায়, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া হবে। ভোজ্যতেলসহ কিছু পণ্যের সরবরাহ কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়েও কাজ করছে সরকার।’
ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কীভাবে কাজ করা হচ্ছে— এ বিষয়ে পেস সচিবের ভাষ্য, ‘আমরা প্রতিদিন মনিটর করছি। কত টন ভোজ্যতেল বিদেশ থেকে এসেছে পরিশোধনের জন্য, সেটা আমরা দেখছি। সরবরাহ পরিস্থিতি সামনে আরও ভালো হবে।’
৪৩১ দিন আগে
হবিগঞ্জে সাড়ে ৪০০০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ, গ্রেপ্তার ২
হবিগঞ্জে অবৈধভাবে মজুদ করা চার হাজার ৫২৮ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে। এ সময় দোকানের মালিকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং করার সময় শহরের চৌধুরী বাজারের মেসার্স রাধা বিনোদে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— দোকানের মালিক রঞ্জিত মোদক (৪৫) ও কর্মচারী অসীম রায় (৪৬)।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে জব্দের তিনটি গরুর মৃত্যু, পুলিশের অবহেলার অভিযোগ
কনজুমার এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ক্যাব) হবিগঞ্জ শাখার সভাপতি দেওয়ান মিয়া জানান, পবিত্র রমজান উপলক্ষে গঠিত বিশেষ মনিটরিং কমিটির সদস্যরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সয়াবিন তেল বিক্রি সম্পর্কে জানতে চান। মালিক ও কর্মচারীরা জানান তেল স্টকে না থাকায় তারা বিক্রি করতে পারছেন না। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিউল রহমান ও মনিটরিং কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ওই দোকানের গোডাউন দেখতে যান। সেখানে গিয়ে বিপুল পরিমাণ তেলের মজুদ দেখতে পান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় এগুলো জব্দ করেন।
বিষয়টি নিয়ে ক্যাব সভাপতি মো. দেওয়ান মিয়া বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
হবিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা তেল পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
৪৩৪ দিন আগে
বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির কারণেই সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ: বাণিজ্য উপদেষ্টা
বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির কারণেই সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি বলেন, সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আশাকরি এখন থেকে বাজারে আর তেলের ঘাটতি হবে না।
উপদেষ্টা বলেন, কিছুদিন ধরে তেলের ঘাটতি থাকায় প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্তর্বর্তী সরকারের অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ভোক্তারাও অস্বস্তিতে রয়েছেন। আমরা তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছি।
আরও পড়ুন: বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, গত এপ্রিলে ১৬৭ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর এখন পর্যন্ত বিশ্ববাজারে দাম অনেকটাই বেড়েছে। যেকারণে দেশে স্থানীয় মজুদদারি বেড়েছে। তেলের পর্যাপ্ত মজুদও রয়েছে।
তিনি বলেন, অনেকে তেল কিনে মজুদ করেছে। ভোক্তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে আমরা সেটা মনিটরিং করছি। কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কথা বলে এখন একটি যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। আর সমস্যা হবে না বলে মনে হয়।
উপদেষ্টা আরও বলেন, যদিও এখন আমাদের প্রতি টন তেল ১ হাজার ২০০ ডলারে খালাস হচ্ছে। এছাড়া আরও দাম বাড়তে পারে। সে উদ্বেগ এখনও রয়ে গেছে। কারণ বিশ্ববাজার এখনও স্থিতিশীল নয়।
তিনি বলেন, অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা স্থিতিশীল হচ্ছে। তবে আলুর দামে অস্থিরতা এখনও আছে। নতুন আলু উঠলে দাম কমে আসবে।
আরও পড়ুন: বাণিজ্য সহযোগিতায় বাংলাদেশের বড় অগ্রাধিকার চীন: বাণিজ্য উপদেষ্টা
ভোজ্যতেল সরবরাহকারী কোম্পানিরগুলোর সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা হায়দার বলেন, এখন প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম হবে ১৭৫ টাকা, খোলা সয়াবিন বিক্রি হবে ১৫৭ টাকা। আগে বোতলজাত তেল ১৬৭ টাকা ও খোলা তেল ১৪৯ টাকা ছিল।
এছাড়া গত এপ্রিলে সরকার যখন তেলের দাম নির্ধারণ করে, তখন বিশ্ববাজারে প্রতি টন তেলের দাম ছিল ১ হাজার ৩৫ ডলার। এখন আমরা ১ হাজার ১০০ ডলার ধরে লিটারে ৮ টাকা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
৫১৩ দিন আগে
আমদানিকৃত ভোজ্যতেলের ওপর ৫% ভ্যাট কমানোর মেয়াদ বাড়ল ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
সরকার ভোজ্য তেলের ওপর হ্রাসকৃত পাঁচ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সময়সীমা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, এই বিষয়ে পূর্ববর্তী নোটিশের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার পর এই মেয়াদ ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন: সয়াবিন লিটারে কমল ৫ টাকা, কার্যকর রবিবার
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আমদানির সময় সয়াবিন তেল এবং অপরিশোধিত পাম তেলের ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করেছে এবং গত বছরের মার্চ মাসে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দিয়েছে।
ভোজ্যতেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগের মধ্যেই ভোজ্যতেলের ওপর ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আরও পড়ুন: দেশে জুলাই-ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় ২৭.২২ বিলিয়ন ডলার
১২১৯ দিন আগে
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বাড়ল ৭ টাকা
মুদ্রাস্ফীতির কারণে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ৭ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। এখন থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৯২ টাকায়, আগে এই দাম ছিল ১৮৫ টাকা। একই সাথে খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৭৫ টাকা এবং পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম হবে ৯৪৫ টাকা।
বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনারস অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সমিতির নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
গত ১৭ আগস্ট বাণিজ্য ও ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার পর দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
অ্যাসোসিয়েশন ২০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল।
একইভাবে এক লিটার পাম তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৫ টাকা।
এর আগে ভোজ্যতেল বিপণন সংস্থাগুলো বিশ্ব বাজারের দরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে গত ১৭ জুলাই সয়াবিন এবং পাম তেলের দাম কমায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে প্রায় ৫ দশমিক ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি করা হয়েছে-যা আগের বছরের তুলনায় ৭৫ হাজার টন বেশি।
পড়ুন: ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয়ে শিগগিরই ট্যারিফ কমিশন বসবে: মন্ত্রী
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
১৩৫২ দিন আগে
সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) দায়ের করা একটি মামলায় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরিফুল আলমের আদালত এ আদেশ দেন।
বিএসটিআয় এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আশরাফ খন্দকার আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২০১৯ সালে সিটি গ্রুপের তীর ব্র্যান্ডের কিছু সয়াবিন তেল জব্দ করেছিল বিএসটিআই। জব্দ করা তেল পরীক্ষা করে সরকারের নির্ধারিত মাত্রার ভিটামিন-এ না পাওয়ায় ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর আদালতে মামলা দায়ের করে বিএসটিআই। এ মামলায় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। উচ্চ আদালত থেকে অর্ন্তবর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষে তিনি নিম্ন আদালতে হাজির হননি। দু’বছর ধরে তিনি আদালত থেকে সময় চেয়ে আসছেন।
বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করেন।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই এর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
১৩৯১ দিন আগে
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে কমল ৬ টাকা
সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ছয় টাকা কমেছে এবং তা সোমবার (২৭ জুন) থেকে কার্যকর হবে।
রবিবার ভোজ্যতেল পরিশোধন ও বিপণন কোম্পানির মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনারস অ্যান্ড ভেজিটেবল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিভিওআরভিএমএ) এ ঘোষণা দিয়েছে।
বিভিওআরভিএমএ এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ মূল্য ২০৫ টাকা থেকে ১৯৯ টাকা এবং পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯৯৭ টাকা থেকে ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া খোলা সয়াবিন তেল লিটার প্রতি ১৮৫ টাকার পরিবর্তে ১৮০ টাকায় বিক্রি হবে।
আরও পড়ুন: দুই-এক দিনের মধ্যে তেলের দাম কমবে: বাণিজ্যসচিব
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিভিওআরভিএমএ বিশ্ববাজারের সঙ্গে সয়াবিনের দাম সমন্বয় করে ভোজ্যতেলের দাম কমিয়েছে।
তবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম ২৬ শতাংশ কমেছে।
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা থেকে বিপুল পরিমাণ সয়াবিন তেল আমদানি করে বাংলাদেশ। গত ৩০ দিন ধরে দেশটি থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম কমেছে।
আরও পড়ুন: ব্যবসায়িক গ্রুপ থেকে সয়াবিন তেল, ডাল ও চিনি কিনবে টিসিবি
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের (বিটিটিসি) হিসাব অনুযায়ী, গত বুধবার আর্জেন্টিনায় অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম ছিল প্রতি টন এক হাজার ৪৬৪ মার্কিন ডলার, যা মাত্র এক মাস আগে টন প্রতি ছিল এক হাজার ৯৭০ মার্কিন ডলার।
অর্থাৎ এক মাসে অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম প্রায় ২৬ শতাংশ কমেছে।
শুধু সয়াবিন তেল নয়, বিশ্ববাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা এখন কমতে শুরু করেছে। চাল, ভোজ্যতেল, গম, চিনি ও মসুর ডালের দাম কমছে।
১৪১০ দিন আগে
আবারও বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম
বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটার প্রতি সাত টাকা বেড়ে ২০৫ টাকা হয়েছে। সয়াবিনের তেলের এ নতুন দাম বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে।
এর আগে গত ৫ মে সয়াবিন তেলের দাম লিটার প্রতি ৩৮ টাকা বেড়ে ১৯৮ টাকা হয়।
ভোজ্যতেল পরিশোধন ও বিপণন কোম্পানির মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার অ্যান্ড ভেজিটেবল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিভিওআরভিএমএ) এ নতুন দাম নির্ধারণ করেছে।
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ, আটক ২
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, এখন থেকে খুচরা পর্যায়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার ২০৫ টাকা দরে বিক্রি হবে।
খুচরা পর্যায়ে পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯৯৭ টাকা যা এতদিন ৯৮৫ টাকায় টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এছাড়া খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৮৫ টাকা লিটার যা আগে ১৮০ টাকা লিটার বিক্রি হয়েছে। খোলা পাম তেল এখন থেকে বিক্রি হবে ১৫৮ টাকা লিটার।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে ৬ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ
১৪২৭ দিন আগে