স্পিকার
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সিঙ্গাপুরের কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ স্পিকারের
ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
সোমবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আমন্ত্রণ জানান।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার।
তিনি আরও বলেন, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হয়েছে এবং দেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সূচিত হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ দেশের ইতিহাসে অন্যতম অবাধ, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
স্পিকার অভিযোগ করেন, বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে এ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।
এ সময় বাংলাদেশের বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় সিঙ্গাপুর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অন্যদিকে হাইকমিশনার ডেরেক লো বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।
কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রসারের মাধ্যমে এ দেশের কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও বলেন, সিঙ্গাপুর জাহাজ ও বিভিন্ন ধরনের নৌযান নির্মাণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশও জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রসার ও ড্রাই ডক স্থাপনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সুফল লাভ করতে পারে।
সাক্ষাতকালে উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য, তৈরি পোশাক শিল্পের প্রসার, দ্বিপক্ষীয় সংসদীয় সফর বিনিময়, সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যক্রম, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং পাবলিক পরীক্ষা ও সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
বৈঠকে সিঙ্গাপুর দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নরওয়ের কোম্পানিগুলোকে স্পিকারের আমন্ত্রণ
ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে নরওয়ের কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
রবিবার (১ নভেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন স্পিকারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আমন্ত্রণ জানান।
সাক্ষাতে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের মাধ্যমে এ দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রহসনের নির্বাচন সংসদীয় গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল।
তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারী সরকার গুম, খুন, সন্ত্রাস ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ তৎকালীন বিরোধী দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্পিকার বলেন, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হয় এবং দেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সূচিত হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন স্পিকার।
তিনি বলেন, নরওয়েসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশ বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে পারে।
স্পিকার বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে নরওয়ে ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিস্তার লাভ করেছে। বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে নরওয়ে অন্যতম।
বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র বিস্তারে নরওয়ে সবসময় সহযোগিতা করে আসছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষী পাঠানোর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে।
নরওয়ে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তার ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সবসময় সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, সংসদীয় প্রতিনিধিদের সফর বিনিময় এবং বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে মতবিনিময় করেন তারা।
এছাড়া চলমান সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যক্রম ও জুলাই সনদ নিয়েও তারা আলোচনা করেন বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে নরওয়ের দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
স্পিকারের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
রবিবার (১ নভেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিত আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে সংগঠনটির নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীকে সমর্থন করায় পাকিস্তান সরকারকে ধন্যবাদ জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
এ সময় দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন এবং সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
এছাড়া পাকিস্তানের আইনসভা মজলিস-ই-শূরায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
স্পিকার এ সময় আগামী ৯ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশন পর্যবেক্ষণের জন্য পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে আমন্ত্রণ জানান।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের স্পিকারের আমন্ত্রণে আগামী ২৩ নভেম্বর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পাকিস্তান সফরে যাবেন বলে সংসদ সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
বৈঠকে পাকিস্তান হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
বিত্তবান না হলেও গ্রহণযোগ্যদের নির্বাচনে সুযোগ দেওয়া উচিত: স্পিকার
অর্থশালী বা বিত্তবান না হলেও সমাজে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল, যখন সমাজের সৎ, ভালো ও নিরপেক্ষ মানুষের পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব ছিল না।
নির্বাচনি ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন স্পিকার।
তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ শুধু অর্থশালী বা বিত্তবানদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। জনপ্রিয়তা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, এমন সাধারণ মানুষও যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, সে ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য নির্বাচন কমিশনকে পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে।
গত ১৫ বছরে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে তিনি মনে করেন, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বৈঠক হয়েছে। ভোলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।
চরফ্যাশনসহ ভোলার অন্যান্য এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধান করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জেলায় আরও গ্যাসের মজুত রয়েছে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভোলার মানুষের গ্যাসের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে স্পিকার বলেন, গ্যাস ভোলাবাসীর ন্যায্য অধিকার এবং এটি তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। এ সমস্যা সমাধানে তিনি জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
১২ দিন আগে
ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের আত্মসংশোধনের আহ্বান স্পিকারের
ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের আত্মসংশোধনের আহ্বান জানিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, অতীতে কোনো রাজনৈতিক দল নিজেদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে আপসহীন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ভোলার লালমোহন উপজেলা মাল্টিপারপাস হলরুমে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, ‘যারা ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, তারা নিজেদের সংশোধন করুন। ইতোমধ্যে দেখেছেন, ঢাকায় এক নারী সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে হাসপাতাল দখলের অভিযোগ ওঠার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনও পদত্যাগ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইশরাক হোসেন কাজটা ভালোই করেছেন। একদল মাদকসেবীকে দমন করতে গিয়েছেন। তবে তার হাতে অস্ত্র নেওয়াটা ঠিক হয়নি। একজন নেতা বা মন্ত্রীর হাতে আইনি বা বেআইনি অস্ত্র শোভা পায় না।’
এ কারণে প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘তবে তার কাজটা ভালো। তিনি দুর্বৃত্ত দমন করতে গিয়েছেন। সেই জন্য সাধারণ মানুষ পরবর্তীতে কোনো একসময় মূল্যায়ন করবেন।’
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শেখ হাসিনা ও তার দলের সংসদ সদস্যরা ব্যাপক লুটপাট করেছেন। তারা দেশের সম্পদ বিদেশে নিয়ে প্রাসাদ তৈরি করেছেন।
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তারা বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলেও অভিযোগ করেন স্পিকার।
তিনি বলেন, ‘তারা মনে করেছিলেন, কেয়ামত পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবেন। আওয়ামী লীগের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি দেশে হতে দেওয়া হবে না।’
লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষসহ সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পিকারকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান শেষে স্পিকার উপজেলার ১৫০ জন অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন।
১৪ দিন আগে
তানজানিয়ায় আইপিইউ সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার
তানজানিয়ার আরুশায় অনুষ্ঠিত ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) ১৫৩তম সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) দেশে ফেরার পর হশাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংসদযরত সচিবালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা স্পিকারসহ পুরো প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান।
সম্মেলনে আন্তর্জাতিক এই সংসদীয় সংস্থায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়েছেন। গত ৫ অক্টোবর আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক জিওপলিটিক্যাল গ্রুপের (এপিজি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন হাফিজ উদ্দিন। তিনি ভুটানের স্পিকার টেম্পা দর্জির স্থলাভিষিক্ত হন।
একই দিনে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের প্রতিনিধি হিসেবে সংস্থাটির নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।
সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব নিয়োগ আন্তর্জাতিক সংসদীয় কূটনীতিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও জোরদার করেছে।
এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপে ৩৭টি সদস্য দেশ রয়েছে। এই গ্রুপের নেতৃত্বে বাংলাদেশের দায়িত্ব পালন আন্তর্জাতিক সংসদীয় কার্যক্রমে দেশটির ভূমিকা ও প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্পিকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধিদলে বিএনপির সাতজন ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দুজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সচিব ছিলেন।
২৩ দিন আগে
আইপিইউ এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার হাফিজ
তানজানিয়ার আরুশায় অনুষ্ঠিত ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) ১৫৩তম অ্যাসেম্বলিতে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের (এপিজি) চেয়ারম্যান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
একই সঙ্গে এপিজির পক্ষ থেকে আইপিইউর নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।
সোমবার (৫ অক্টোবর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভুটানের স্পিকার টেম্পা দর্জির কাছ থেকে এপিজির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের ৩৭টি সদস্য দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জহরত আদিব চৌধুরী মঙ্গোলিয়ার প্রার্থীকে পরাজিত করে আইপিইউর নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।
এই দুই অর্জনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সংসদীয় অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও জোরালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্পিকারের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় দলের সঙ্গে তানজানিয়া সফররত জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুইয়া পৃথক তথ্যবিবরণীতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২৯ দিন আগে
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, সংসদীয় সহযোগিতা, চীনা বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা সংকট, জ্বালানি, অবকাঠামো ও আঞ্চলিক যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের সময় স্পিকারের হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে চীন দেশের উন্নয়নে ব্যাপক সহযোগিতা করে আসছে।
তিনি আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে প্রথম উদ্যোগ নেন। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।
১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের কথা উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, সেই সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন ও অর্থ পাচারের কারণে দেশের জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করেন স্পিকার।
এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চান তিনি। এ সংকটের কারণে বাংলাদেশকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলেও জানান স্পিকার।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
তিনি আরও বলেন, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি বাংলাদেশে মাঝারি ও ছোট প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগও বাড়ছে।
বাংলাদেশকে এ অঞ্চলের একটি উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্রে পরিণত করতে চীন সহযোগিতা করতে চায় বলেও জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন লজিস্টিক পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বাড়ানো, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোর স্থাপন, রোহিঙ্গা সংকট ও জ্বালানি বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
৪২ দিন আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ইতালি
বাংলাদেশ ও ইতালির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং আগামী দিনে এ সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো স্পিকারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, ১৯৭২ সালে ইতালি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সূচনা হয়।
তিনি বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রতি ইতালির সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইতালি বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের অন্যতম প্রধান গন্তব্য।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে আবারও যাত্রা শুরু করেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তারের ফলে বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিরাপদ ও আইনি অভিবাসন নিশ্চিত করতে ইতালি কাজ করে যাচ্ছে।
রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসনে বাংলাদেশকে ইতালির আর্থিক সহায়তারও প্রশংসা করেন স্পিকার।
তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্রে ইতালি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। ইতালির বিভিন্ন মেশিনারি ও যন্ত্রপাতি বাংলাদেশের বাজারে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।
ইতালি ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রচলিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সামনে আরও কৌশলগতভাবে বিস্তার লাভ করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।
অন্যদিকে ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ইতালির পুরনো বন্ধু এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ইতালি সরকার সবসময় দৃঢ় সমর্থন দিয়ে আসছে।
বাংলাদেশ-ইতালি সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন এবং সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি জোরদারে ইতালির আগ্রহের কথা জানান তিনি।
আলেসান্দ্রো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও সিরামিকপণ্য ইতালিতে রপ্তানি করে।
বৈঠকে দুই দেশের সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, চলমান রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান এবং বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও কূপ খননের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাসের মজুত অনুসন্ধান ও উত্তোলনে ইতালির কোম্পানিগুলোকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান স্পিকার।
বৈঠকে ইতালির দূতাবাসের কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪৪ দিন আগে
স্পিকারের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্স বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য ফ্রান্স।
ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় ককাস গঠনের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন ফ্রান্সের সিনেটর পিয়ের-আলাঁ রোয়ারোঁ, অলিভিয়ের হেনো ও গিয়োম শেভরোলিয়ে।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রপ্রিয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তারা কখনও স্বৈরাচারী শাসনের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেনি এবং গণতন্ত্রের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা সমুন্নত রেখেছে।
এ সময় স্পিকার বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ফ্রান্সের নাগরিক আন্দ্রে মারলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারও প্রশংসা করেন এবং তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সাক্ষাৎকালে ফ্রান্সের প্রতিনিধিদল ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে। তারা বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাসের কূপ অনুসন্ধান ও খননে ফরাসি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপরও জোর দেন।
ফরাসি সংসদীয় প্রতিনিধিদল ফ্রান্সের সিনেটের পক্ষ থেকে স্পিকার ও বাংলাদেশের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদলকে ফ্রান্স সফরের আমন্ত্রণ জানায়।
এ সময় ফরাসি দূতাবাস ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪৯ দিন আগে