স্পিকার
স্পিকারের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্স বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য ফ্রান্স।
ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় ককাস গঠনের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন ফ্রান্সের সিনেটর পিয়ের-আলাঁ রোয়ারোঁ, অলিভিয়ের হেনো ও গিয়োম শেভরোলিয়ে।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রপ্রিয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তারা কখনও স্বৈরাচারী শাসনের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেনি এবং গণতন্ত্রের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা সমুন্নত রেখেছে।
এ সময় স্পিকার বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ফ্রান্সের নাগরিক আন্দ্রে মারলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারও প্রশংসা করেন এবং তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সাক্ষাৎকালে ফ্রান্সের প্রতিনিধিদল ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে। তারা বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাসের কূপ অনুসন্ধান ও খননে ফরাসি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপরও জোর দেন।
ফরাসি সংসদীয় প্রতিনিধিদল ফ্রান্সের সিনেটের পক্ষ থেকে স্পিকার ও বাংলাদেশের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদলকে ফ্রান্স সফরের আমন্ত্রণ জানায়।
এ সময় ফরাসি দূতাবাস ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
ভারতের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ: স্পিকার
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সৎ প্রতিবেশীসুলভ ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেছেন, দুই সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে যে ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সমমর্যাদার সম্পর্ক থাকা উচিত, বাংলাদেশও সেই সম্পর্কই চায়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের কারণে দেশের প্রতিটি স্তর ও বিভাগে ধ্বংস নেমে এসেছে। বিগত সরকারের অবৈধ কর্মকাণ্ড দেশকে প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি থেকে দেশকে উন্নয়নের পথে ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে। সাত মাস এ কাজের জন্য খুবই অল্প সময়।
সংস্কার প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রধানত আইনকানুনে অনেক সংস্কার আনতে হবে। জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপি ও বিরোধী দলগুলো সমঝোতায় এলে দীর্ঘ ১৬ বছরের বঞ্চনা ও দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি পেতে পারে।
তিনি বলেন, সংস্কার কার্যক্রম শুরু ও শেষ হওয়ার পর সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এর কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে। তবে সংস্কার প্রক্রিয়া এখনও আইনগতভাবে শুরু হয়নি।
স্পিকার বলেন, সংসদের আগামী অধিবেশনে সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল একমত হলে দ্রুত আইনগত সংস্কার করা সম্ভব হবে। আইনে যেসব পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, সেসব পরিবর্তন করা গেলে গত ১৬ বছরের দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি পাবে।
পরে স্পিকারকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। তারপর চার দিনের সফর শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে ভোলা ত্যাগ করেন।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছারসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে: স্পিকার
একটি দেশের বড় সম্পদ তার জনসংখ্যা উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে এবং জনমিতিক লভ্যাংশের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। উন্নয়ন শুধু আর্থিক পরিবর্তন নয়; মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনের মাধ্যমে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে ‘থ্রি ডিভিডেন্ডস, ওয়ান উইন্ডো: আ পার্লামেন্টারি ডায়ালগ অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন। ইউএনএফপিএর কারিগরি সহায়তায় এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় সংসদ সচিবালয় এই সংলাপের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জনমিতিক লভ্যাংশ, জেন্ডার লভ্যাংশ ও দীর্ঘায়ু লভ্যাংশ—প্রত্যেকটি একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর জন্য নীতিগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন দরকার।
তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপান্তর করতে শুধু নীতি প্রণয়ন করলেই হবে না। সেই সঙ্গে আইন প্রণয়ন ও সংস্কার, বাজেটের কার্যকর ব্যবহার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় পলিসি প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করতে এবং প্রতিটি নাগরিকের উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করতে স্পিকার আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে তিনি নারীদের শিক্ষার সুযোগ, প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ ও তরুণদের কাজের ব্যবস্থা করার ওপর জোর দেন।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিশাল অংশ তরুণ জনগোষ্ঠী। তারুণ্যের দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারলে আমাদের ফিরে তাকাতে হবে না। তরুণদের দক্ষতা ও প্রবীণদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে জনপ্রতিনিধিরা পলিসি লেভেলে কাজ করে থাকেন। রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে দক্ষ জনসংখ্যা ও মানবসম্পদ বিদেশে প্রেরণে প্রাধান্য দিতে হবে।
সংলাপে বক্তারা বাংলাদেশের জনসংখ্যার কাঠামোর পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সুযোগের তিনটি পৃথক জানালা কাজে লাগাতে পৃথক নীতিগত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া বাংলাদেশের জনমিতিক সুযোগের সম্ভাবনা, সময় ও সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি নিয়েও তারা আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যরা, ইউএনএফপিএ ও এসপিসিপিডি প্রকল্পের প্রতিনিধিরা, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৯ দিন আগে
স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ ত্রিবেদীর
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
জাতীয় সংসদ ভবনে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে এ আমন্ত্রণ জানান দীনেশ ত্রিবেদী।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার ও মাননীয় ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফর এবং গণতন্ত্রের মন্দির ভারতের সংসদ ভবন পরিদর্শনের জন্য আমরা আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছি।’
এছাড়া ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পক্ষ থেকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
ত্রিবেদী বলেন, ‘আমি মাননীয় স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে বলেছেন, বাংলাদেশের স্পিকার আমার বন্ধু। তাকে আমার শুভেচ্ছা জানাবেন।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত বুদ্ধিমান ব্যক্তি। তিনি জনবান্ধব। বিষয়টি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত।’
বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন, সেগুলোর এজেন্ডা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দুই পক্ষের উদ্দেশ্যই যে জনকল্যাণমুখী, তা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। যখন উদ্দেশ্য জনকল্যাণমুখী থাকে, তখন কাজ এগিয়ে যায়।’
এদিকে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার উপায়, রোহিঙ্গা সংকট ও তাদের পুনর্বাসন এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিভিন্ন উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে সব সময় এগিয়েছে এবং সময় ও পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কও বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তথাকথিত ‘সাজানো’ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করেছে।
শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক মূলত সরকারকেন্দ্রিক ছিল উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, ‘দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্কই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত।’
পারস্পরিক সম্মান এবং একে অপরের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির ভিত্তিতে এই সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত বলেও তিনি জোর দেন।
অন্যদিকে ত্রিবেদী বলেন, ভারত সরকার দুই দেশের মধ্যে জনকেন্দ্রিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ আরও জোরদার করার গুরুত্বের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বর্তমান ভারত সরকার জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করছে।
এছাড়া ভারত ও বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফরের গুরুত্বের ওপর জোর দেন হাইকমিশনার।
১৭ দিন আগে
স্পিকারের সরকারি বাসভবনে থেকেই বঙ্গভবনে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে বঙ্গভবনে অফিস করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে, এই সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকারের সরকারি বাসভবনেই তিনি অবস্থান করবেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকেই সংসদ প্রাঙ্গণে স্পিকারের সরকারি বাসভবন এবং এর আশপাশে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।
গতকাল রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল রবিবার বেলা ১১টায় হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করবেন তিনি।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়।
এ বিষয়ে আজ আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।
তিনি বলেন, ‘গতকাল ছিল ২৪ জুলাই। সে হিসেবে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় আছে। সুতরাং বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। যেহেতু ১৫ জুলাই থেকে ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন হওয়ার কথা সাংবিধানিকভাবে। আশা করি, সেই অধিবেশনে এটা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।’
৫৬ দিন আগে
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় সংসদে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।
আজ (শুক্রবার) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদের স্পিকারের নিকট পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম, এমপি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় বাংলাদেশ হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।
৫৭ দিন আগে
থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরলেন স্পিকার
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ শুক্রবার দেশে ফিরেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামেন।
এর আগে, গত ১৯ জুলাই স্পিকার থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন।
পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী ২৬ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে তৈরি হওয়া গুঞ্জনের প্রেক্ষাপটে সফর সংক্ষিপ্ত করে তিনি আগেই দেশে ফেরেন।
৫৭ দিন আগে
এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও সিইসিকে জামায়াতের চিঠি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে গতকাল বুধবার দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) চিঠি দিয়ে জানিয়েছে দলটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই চিঠিটি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে পরিচালিত সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ২২ জুলাই জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে আরও বলা হয়, গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাখিল করা হলো।
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের অনুলিপি জাতীয় সংসদের স্পিকারের দপ্তরেও পাঠানো হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
৫৮ দিন আগে
কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার
কাতারের সাবেক আমির ও বর্তমান আমিরের পিতা শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোকবার্তা কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টায় দোহা থেকে ঢাকায় ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
এর আগে, কাতারের সাবেক আমির ও বর্তমান আমিরের পিতার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে ১৪ জুলাই দুপুরে দোহায় পৌঁছান স্পিকার।
সেখানে তিনি শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোকবার্তা হস্তান্তর করেন।
এসময় স্পিকার কাতারের আমির এবং শোকসন্তপ্ত রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান এবং প্রয়াত আমিরের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
শোকবার্তা হস্তান্তরের পর স্পিকার কাতারের শুরা কাউন্সিলের স্পিকার হাসান বিন আবদুল্লাহ আল-গানিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৬৫ দিন আগে
কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন স্পিকার
কাতারের সাবেক আমির ও বর্তমান আমিরের পিতা শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোকবার্তা পৌঁছে দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে লুসাইল আমিরি প্রাসাদে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শোকবার্তা গ্রহণ অনুষ্ঠানে স্পিকার প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর করেন।
এ সময় তিনি মহামহিম আমির এবং শোকসন্তপ্ত রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান এবং প্রয়াত আমিরের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
আধুনিক কাতারের স্থপতি হিসেবে খ্যাত প্রয়াত শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশ-কাতার ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক সুদৃঢ়করণে তার অনন্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন স্পিকার।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিশেষ দূত হুমায়ুন কবির এবং কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।
শোকবার্তা হস্তান্তরের পর স্পিকার কাতারের শুরা কাউন্সিলের স্পিকার হাসান বিন আবদুল্লাহ আল-গানিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এদিকে, বাংলাদেশ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অকৃত্রিম বন্ধু কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদের মৃত্যুতে বাংলাদেশ সরকার ১৫ জুলাই রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে বুধবার দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশের সব মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে স্পিকার মঙ্গলবার সংক্ষিপ্ত সরকারি সফরে দোহায় পৌঁছান। স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হযরত আলী খান এবং কাতারের আমির-ই-দিওয়ানের প্রতিনিধি তাকে স্বাগত জানান।
সফরকালে স্পিকার বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শন করেন। বুধবার সন্ধ্যায় তার দোহা ত্যাগ করার এবং ১৬ জুলাই সকালে দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
৬৬ দিন আগে