স্পিকার
সংসদ হবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের কেন্দ্রবিন্দু: স্পিকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে সংসদ হবে কেন্দ্রবিন্দু।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে এবং সংসদ হবে তার কেন্দ্রবিন্দু।
নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। এরপর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার উভয়েই পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, সংসদ পরিচালনায় তার ভূমিকা হবে ক্রিকেট খেলার আম্পায়ারের মতো নিরপেক্ষ।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য আমি দল থেকে পদত্যাগ করেছি। বিরোধী দল সংসদে পর্যাপ্ত সুযোগ পাবে। স্বৈরাচার হঠানোর আন্দোলনে আমরা একসঙ্গে ছিলাম। তাদের প্রতি আমাদের যথেষ্ট সহনশীলতা রয়েছে।
স্পিকার বলেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধ একটি পবিত্র স্থান, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ধারক ও বাহক। এখানে শ্রদ্ধা জানাতে পেরে আমি নিজেকে ভাগ্যবান এবং অনুপ্রাণিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। আমি মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তিনি নিজেও মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন এবং সেই যুদ্ধে তিনি আহতও হন।
গত ১৭ বছর বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মী, ছাত্র, অভিভাবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদ হয়েছেন, তাদের প্রতিও তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
৯ দিন আগে
সংসদ অধিবেশন ১৫ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী রবিবার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেছেন নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ওইদিন বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় কার্যদিবস শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ বেলা ১১টায় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান স্পিকার হিসেবে হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে সমর্থিত হয়। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নাম ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধনী ভাষণ দেন। পরবর্তীতে স্পিকারের সভাপতিত্বে সংসদের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিগত দিনে মৃত্যুবরণকারী সংসদ সদস্য ও জাতীয় নেতাদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এ সময় মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
বিকালের সেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ শুরু করলে এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
অধিবেশনের বিধি অনুযায়ী স্পিকার যখন রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ দেওয়ার জন্য মঞ্চে আহ্বান জানান, তখনই জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল— ‘জুলাই নিয়ে গাদ্দারি চলবে না’, ‘গণতন্ত্র চাই, ফ্যাসিজম নয়’ এবং ‘জুলাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বন্ধ করো’।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বারবার শান্ত থাকার অনুরোধ জানালেও বিরোধী দলের সদস্যরা স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ও ভাষণের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা সংসদ কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।
বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার লিখিত ভাষণ পাঠ করেন। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার দল বিএনপি এবং মিত্রদের অভিনন্দন জানান। একইসঙ্গে তিনি একটি শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তাদেরও শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষ হওয়ার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আগামী রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত সংসদ মুলতবি ঘোষণা করেন।
১০ দিন আগে
জাতীয় স্বার্থে সরকার ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে কাজের আহ্বান স্পিকারের
সরকার ও বিরোধী দল উভয়কে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করতে জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে তিনি এ আহ্বান জানান।
দায়িত্ব গ্রহণের পর সংসদে দেওয়া বক্তব্যে স্পিকার বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর পর জনগণ নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে। চ্যালেঞ্জিং এই পরিস্থিতিতে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
সংসদ সভাপতির দায়িত্ব পেয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে জাতীয় সংসদে প্রথমবার বিরোধী দলের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকেও অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে জনগণের পক্ষে কাজ করার জন্য আপনারা মহান সংসদে এসেছেন। এটি একটি মহৎ দায়িত্ব এবং গৌরবের বিষয়। দেশপ্রেমের সুমহান মন্ত্র বুকে ধারণ করে দেশমাতৃকার তরে অঙ্গীকার পালন করলে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা আরও গতিশীল হবে।
জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, গণতন্ত্রের ভিত সুদৃঢ়করণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ ও নিরলস প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ, এই হোক আমাদের মূলমন্ত্র। এই দেশের গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী হল জনগণ আর এই সংসদ গণতন্ত্রের প্রতীক।
স্পিকার বলেন, জনগণ সংসদের কার্যক্রম দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। সরকার ও বিরোধী দল উভয়পক্ষ জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করবে বলে আশা করেন তিনি।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পিতবার বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হয়।
সংসদ নেতা তারেক রহমানের অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাবে দলের পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সায় দেন।
পরে সভাপতি মোশাররফ হোসেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নাম ঘোষণা করেন। নিরপেক্ষতার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ থেকে এ সময় পদত্যাগ করেছেন বলেও জানান হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
১০ দিন আগে
স্পিকার হাফিজ উদ্দিনকে চীনের এনপিসি চেয়ারম্যানের অভিনন্দন
চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের (এনপিসি) স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজি জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এক অভিনন্দন বার্তায় ঝাও লেজি বলেন, চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় ও সহযোগিতা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।
তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান ‘সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব’কে আরও উচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করা সম্ভব হবে।
১০ দিন আগে
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি
শপথ নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
এর আগে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
স্পিকার পদে একটি মনোনয়ন উত্থাপিত হয় জাতীয় সংসদে। প্রস্তাব করেন বরগুনা-২ সংসদীয় আসনের সদস্য নুরুল ইসলাম এবং সমর্থন করে খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম। প্রস্তাবটি সংসদে উত্তাপিত হলে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে তা পাস হয়। হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন।
নেত্রেকোনা-১ এর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করা হয়। ডেপুটি স্পিকার পদে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নাম প্রস্তাব করে নাটোর সদর আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন লক্ষীপুর-৪ এবিএম আশরাফ উদ্দিন মিজান। ব্যারিস্টার কাইসার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করার জন্য সংসদে কণ্ঠভোটে দেওয়া হয়। কণ্ঠভোটে তিনি ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
১০ দিন আগে
সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। পাশাপাশি নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ড. খোন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার পদে একটি মনোনয়ন উত্থাপিত হয়। বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম প্রস্তাব দেন এবং খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম তা সমর্থন করেন। সংসদে উত্তাপিত প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।
এর মাধ্যমে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন।
এছাড়া ডেপুটি স্পিকার পদে একটি মনোনয়ন উত্থাপিত হলে নাটোর সদর আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু তার নাম প্রস্তাব করেন এবং লক্ষীপুর-৪ আসনের এবিএম আশরাফ উদ্দিন মিজান তা সমর্থন করেন।
কণ্ঠভোটে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এখন সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
১০ দিন আগে
স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার প্রার্থী চূড়ান্ত করতে এমপিদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সামনে রেখে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১১ মার্চ) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পশ্চিম ব্লকে এ বৈঠক শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আগামীকাল সংসদের প্রথম অধিবেশন। এই বৈঠকটি তারই প্রস্তুতির অংশ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টায়। দিনের কার্যসূচিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে জারি করা কয়েকটি অধ্যাদেশ এই অধিবেশনে সংসদে উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি একটি শোক প্রস্তাবও উত্থাপন করা হবে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর বিএনপির সংসদীয় দল সর্বসম্মতিক্রমে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করে। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
১১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের শপথ পড়ানোর বৈধতার প্রশ্নে রুল শুনানি ৭ জুলাই
প্রধান বিচারপতির পরিবর্তে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াতে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর বিধান কেন ’৭২ এর সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে জারি করা রুল শুনানির জন্য আগামী ৭ জুলাই দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।
কবি, গীতিকার, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট শহীদুল্লাহ ফরায়জীর করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গত ১১ মার্চ এই রুল জারি করেছিলেন।
সোমবার (২৩ জুন) বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানির দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক। এর আগে ১০ মার্চ শহীদুল্লাহ ফরায়জী এ রিট দায়ের করেন।
প্রধান বিচারপতিকে দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ানোর বিধান পরিবর্তন করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে দিয়ে শপথ পড়ানোর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক বলেন, প্রথম থেকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি একজন আরেকজনকে শপথ পড়াতেন। সেটি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে স্পিকারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ৫ম সংশোধনীতে সেটা বাতিল করে প্রধান বিচারপতির কাছে আনা হয়। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতিকে প্রধান বিচারপতি শপথ পড়াতেন। কিন্তু ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীতে আবার স্পিকারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেটি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। রিট আবেদেনে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘রাষ্ট্রপতির শপথে প্রধান বিচারপতির অনিবার্যতা’ শীর্ষক প্রকাশিত একটি কলামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেটি লিখেছেন রিটকারী শহীদুল্লাহ ফরায়জী।
পড়ুন: জুলাই আন্দোলন নিয়ে চলচ্চিত্র ‘দ্য রিমান্ড’ প্রদর্শনীর অনুমতি দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের
ওই কলামের একটি অংশে বলা হয়, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে রাষ্ট্রপতি বা প্রেসিডেন্টকে শপথ বাক্য পাঠ করান সেই দেশের প্রধান বিচারপতি। সংসদীয় সরকার পদ্ধতি বা রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির দেশেও রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতির নিকট। এটা বিশ্বব্যাপী সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত রেওয়াজ। কিন্তু বাংলাদেশে এর ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। রাষ্ট্রের প্রধানের শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগকে উপেক্ষা করা প্রকারান্তরে রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ভারসাম্য বিনষ্ট করা। এতে সংবিধানের গভীর দার্শনিক ভিত্তি থেকে রাষ্ট্র বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেই দার্শনিক ভিত্তি হচ্ছে রাষ্ট্রপতি সংসদের নির্বাচিত হয়ে প্রধান বিচারপতির নিকট শপথ গ্রহণ করে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—এটাই হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য সাংবিধানিক নির্দেশনা। রাষ্ট্রপতির প্রধান বিচারপতির নিকট শপথবাক্য পাঠ করার এই বাধ্যবাধকতা এবং মহিমান্বিত সাংবিধানিক মর্যাদা প্রজাতন্ত্রের কেউ বিনষ্ট করতে পারেন না, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তা করেছে।
সংবিধানের চতুর্থ ও পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই আইন বলবৎ করা হয়েছে, যা প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে চরমভাবে সাংঘর্ষিক। এটা আইন ও বিচারবিভাগের প্রতি ছিল আওয়ামী সরকারের অসম্ভব বিদ্বেষমূলক আচরণ প্রকাশের নজির— যা সাংবিধানিক ন্যায্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। ‘৭২ সালের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য ও প্রধান বিচারপতির মর্যাদা সুরক্ষার প্রশ্নে শপথ ও ঘোষণার তৃতীয় তফসিলে বলা হয়েছিলো— ‘রাষ্ট্রপতি, স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের শপথ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক পরিচালিত হইবে।’ এগুলো আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের সঙ্গে বিচারবিভাগের ভারসাম্যপূর্ণ নীতি—যা সংবিধান প্রণয়নের সময়ই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত।
১৯৭২ সালের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য এবং চরিত্র যতটুকু সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিলো, আওয়ামী লীগ অতি দ্রুত তা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রকে আওয়ামী লীগ নামক দলটি কীভাবে দেখতে চায়— তার প্রতিফলন ঘটেছে তাদের আনীত সংবিধানের চতুর্থ ও পঞ্চদশ সংশোধনীতে। রাষ্ট্রপতির শপথ স্পিকারের নিকট; এমন দেশ খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর। বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য পুনরুদ্ধারে— রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শপথ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক পরিচালিত হবে, এ বিধান বাংলাদেশে আবার চালু বা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রজাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক ও শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিকাশের স্বার্থেই তা করা প্রয়োজন।
২৭২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের শপথ পড়ানো নিয়ে রুল জারি
রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের শপথ পড়ানো বিধানের বৈধ কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রুলে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের শপথ পড়ানোর বিষয়ে যুক্ত করা বিধান কেন ১৯৭২ সালের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গীতিকবি, লেখক শহীদুল্লাহ ফরায়জীর করা রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে আট সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে বুধবার (১১ মার্চ) রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ওমর ফারুক।
আইনজীবী বলেন, ‘সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর আগে প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করাতেন রাষ্ট্রপতি, আর রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাতেন প্রধান বিচারপতি। চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির শপথ পাঠ করানোর বিধানে পরিবর্তন আনা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। পরে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান বাতিল করে দেওয়া হয়। কিন্তু ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাবেন স্পিকার, সেই বিধান ফিরিয়ে আনা হয়। তাই বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত আজ রুল জারি করেছেন।’
এর আগে গত সোমবার কবি, গীতিকার, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট শহীদুল্লাহ ফরায়েজী এ রিট দায়ের করেন। রিট আবেদেনে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘রাষ্ট্রপতির শপথে প্রধান বিচারপতির অনিবার্যতা’ শীর্ষক প্রকাশিত একটি কলামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেটি লিখেছেন রিটকারী শহীদুল্লাহ ফরায়জী।
আরও পড়ুন: সম্মানসূচক রাষ্ট্রপতি পদকে ভূষিত সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
ওই কলামের একটি অংশে বলা হয়, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে রাষ্ট্রপতি বা প্রেসিডেন্টকে শপথ বাক্য পাঠ করান সেই দেশের প্রধান বিচারপতি। সংসদীয় সরকার পদ্ধতি বা রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির দেশেও রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতির নিকট।
এটা বিশ্বব্যাপী সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত রেওয়াজ। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। রাষ্ট্রের প্রধানের শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগকে উপেক্ষা করা প্রকারান্তরে রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ভারসাম্য বিনষ্ট করা। এতে সংবিধানের গভীর দার্শনিক ভিত্তি থেকে রাষ্ট্র বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেই দার্শনিক ভিত্তি হচ্ছে- রাষ্ট্রপতি সংসদের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে প্রধান বিচারপতির নিকট শপথ গ্রহণ করে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, এটাই হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য সাংবিধানিক নির্দেশনা।
রাষ্ট্রপতির প্রধান বিচারপতির নিকট শপথ বাক্য পাঠ করার এই বাধ্যবাধকতা এবং মহিমান্বিত সাংবিধানিক মর্যাদা প্রজাতন্ত্রের কেউ বিনষ্ট করতে পারেন না, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তা করেছে।
সংবিধানের চতুর্থ ও পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই আইন বলবৎ করা হয়েছে, যা প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে চরমভাবে সাংঘর্ষিক। এটা আইন ও বিচারবিভাগের প্রতি ছিল আওয়ামী সরকারের অসম্ভব বিদ্বেষমূলক আচরণ প্রকাশের নজির— যা সাংবিধানিক ন্যায্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।
‘৭২ সালের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য ও প্রধান বিচারপতির মর্যাদা সুরক্ষার প্রশ্নে শপথ ও ঘোষণার তৃতীয় তফসিলে বলা হয়েছিল— ‘রাষ্ট্রপতি, স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের শপথ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক পরিচালিত হইবে।’ এগুলো আইনবিভাগ ও শাসনবিভাগের সঙ্গে বিচারবিভাগের ভারসাম্যপূর্ণ নীতি, যা সংবিধান প্রণয়নের সময়ই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত।
১৯৭২ সালের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য এবং চরিত্র যতোটুকু সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল, আওয়ামী লীগ অতি দ্রুত তা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রকে আওয়ামী লীগ নামক দলটি কীভাবে দেখতে চায়— তার প্রতিফলন ঘটেছে তাদের আনীত সংবিধানের চতুর্থ ও পঞ্চদশ সংশোধনীতে। রাষ্ট্রপতির শপথ স্পিকারের নিকট; এমন দেশ খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর । বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশসমূহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য পুনরুদ্ধারে— রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শপথ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক পরিচালিত হবে, এ বিধান বাংলাদেশে আবার চালু বা পুনর্বহাল করতে হবে। প্রজাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক ও শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিকাশের স্বার্থেই তা করা প্রয়োজন।
৩৭৬ দিন আগে
স্বনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরিতে জয়িতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে: স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামীণ নারীদের পণ্য বিপণন ও বাজারজাতকরণে জয়িতা কাজ করে যাচ্ছে। সরকারিভাবে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে নারীদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে নারীদের এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশীয় পণ্য বাজারজাতকরণের মাধ্যমে স্বনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরিতে জয়িতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আরও পড়ুন: বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংসদীয় কূটনীতি কার্যকর হাতিয়ার: স্পিকার
বুধবার রাজধানীর জয়িতা টাওয়ারের সভাকক্ষে 'জয়িতা ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম-সংক্রান্ত মত বিনিময়' সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমির সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারক।
স্পিকার বলেন, জয়িতার উদ্যোক্তারা কী ধরনের পণ্যের যোগান দেবেন, সে বিষয়ে একটা তালিকা তৈরি করতে হবে। দেশীয় পণ্যের বিপণনে এক্ষেত্রে প্রাধান্য দিতে হবে।
তিনি বলেন, জয়িতা টাওয়ারে ক্লাস্টারভিত্তিক পণ্য ও সেবা বিক্রয়ের জন্য ব্যবসায়ী উদ্যোগ নিতে হবে।
স্পিকার বলেন, বর্তমান সরকার নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি নারী উদ্যোক্তাকে শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তায় পরিণত করতে হবে।
তিনি বলেন, ফ্রোজেন ফুড, টেইলারিং ও ফ্রেশ ভেজিটেবল বিক্রয়সহ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের সমন্বিত ব্যবসায়ী উদ্যোগের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী হতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জয়িতার উদ্যোক্তাদের জামানতবিহীন ঋণ দেওয়া হয়। নারী উদ্যোক্তারা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের এগিয়ে নিতে পারে।
অনুষ্ঠানে জয়িতা টাওয়ারে লেভেল ৩ ও ৪ এ ব্যবসা-সংক্রান্ত পরিচালন পদ্ধতিতে বিশেষজ্ঞ প্যানেলে জয়িতা ফাউন্ডেশনের নারী উদ্যোক্তারা মতামত দেন। এসময় স্পিকারকে জয়িতা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ফুলেল অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা স্মারক দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য শ্রমবাজার নয়, মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হওয়া জরুরি: স্পিকার
দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে ইউসেফ বাংলাদেশ কাজ করছে: স্পিকার
৬২০ দিন আগে