পদোন্নতি
নিয়মিত পদোন্নতি না হওয়ায় প্রশাসনে অচলাবস্থা, হতাশায় বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা
নিয়মিত পদোন্নতি না হওয়ায় প্রশাসনের তিন স্তরের বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা চরম হতাশা ও ক্ষোভে ভুগছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পদোন্নতি প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তায় পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের তফসিল নিয়মিত পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নয়। সময়মতো পদোন্নতি না হলে প্রশাসনিক কাজকর্মে স্থবিরতা তৈরি হবে। তারা বলছেন, এসব কর্মকর্তার কেউই নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট নন। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিয়েই পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব। তা না হলে একটি হতাশাগ্রস্ত প্রশাসনের জন্ম হবে এবং প্রশাসনিক কাজকর্ম ব্যাহত হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের প্রায় ৮০০ কর্মকর্তা এখনও পদোন্নতি পাননি। এতে তারা চরম ক্ষুব্ধ ও হতাশ। বঞ্চিতদের মধ্যে অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত ৩৫০ জন, যুগ্ম সচিব পদে ৩৪৫ জন এবং উপসচিব পদে পদোন্নতিপ্রত্যাশী আরও অন্তত ৮৪ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।
উপসচিব ও যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তার সংখ্যাও বাড়ছে। সম্প্রতি জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদে পদোন্নতি পাননি বিসিএস ৩০তম ব্যাচের ৭৯ জন কর্মকর্তা। তাদের প্রায় সবাই পুনরায় পর্যালোচনার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন।
সূত্র জানায়, উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে বিসিএস ২৪তম ব্যাচের অন্তত ১৮৩ জন কর্মকর্তা বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ২০ মার্চ প্রশাসনের ১৯৬ জন কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হলেও নিয়মিত ব্যাচের ৩২০ জনের মধ্যে মাত্র ১৩৭ জন পদোন্নতি পান। বাদ পড়েন পাঁচজন জেলা প্রশাসকসহ মোট ১৮৩ জন কর্মকর্তা।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে ২০তম ব্যাচকে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এবারের পদোন্নতিতে প্রশাসন ক্যাডারের ২৪৪ কর্মকর্তার পাশাপাশি অন্যান্য ক্যাডার থেকেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০০ কর্মকর্তাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তবে এই ব্যাচের ৪৩ জন কর্মকর্তা শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ৪০ জন মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাদের পদোন্নতি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না।
২০তম ব্যাচের নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ হয় ১৯৯৯ সালে। তারা ২০১৯ সালে যুগ্ম সচিব হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেও পদোন্নতি পান ২০২১ সালে। নিয়ম অনুযায়ী যুগ্ম সচিব হিসেবে দুই বছর চাকরি করলেই অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জিত হয়। সে হিসেবে ২০২৩ সালেই এই ব্যাচের কর্মকর্তারা যোগ্য হয়েছেন। ইতোমধ্যে তাদের চাকরিজীবনের সব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এসএসবি পদোন্নতির তালিকা চূড়ান্ত করলেও শেষ সময়ে এসে প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারেনি সরকার।
এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারের বাইরে অন্যান্য ক্যাডারের দেড় শতাধিক কর্মকর্তা পদোন্নতিযোগ্য হলেও যুগ্ম সচিব হতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের অধিকাংশই পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন করেছেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে এসএসবি একাধিক বৈঠকও করেছে। তবে যাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, দুদক বা বিভাগীয় মামলা চলমান, কিংবা ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) বা জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এহসানুল হক ইউএনবিকে বলেন, নিয়মিত পদোন্নতি না পাওয়াদের বিষয়ে আমরা ওয়াকিবহাল আছি। আমরা তথ্য নিচ্ছি। এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত অবশ্যই আসবে।
মন্ত্রিপরিষদসচিব ড. শেখ আবদুর রশীদ ইউএনবিকে বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি, বেশ কিছু আবেদন পেয়েছি। তার আলোকে কয়েকটি মিটিংও হয়েছে। দেখা যাক, এই সময়ের মধ্যে কতটুকু করতে পারি!
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বঞ্চিত কর্মকর্তা বলেন, রিভিউ চেয়ে আবেদন করেছেন অনেকেই। আওয়ামী সরকারের মন্ত্রীর আস্থাভাজন পিএসরাও পদোন্নতি পেয়েছেন। তারা বঞ্চিতদের অনেকেই কারও পিএস ছিলেন না। এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও নেই। তবু কেন বঞ্চিত হচ্ছে?
সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার ইউএনবিকে বলেন, ‘নির্বাচনের তফসিল নিয়মিত পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নয়। সময়মতো পদোন্নতি না হলে প্রশাসনিক কাজকর্মে স্থবিরতা তৈরি হবে। যাদের পদোন্নতির কথা বলা হচ্ছে, তারা কেউই নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নন। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিয়েই পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব। তা না হলে একটি হতাশাগ্রস্ত প্রশাসনের জন্ম হবে এবং প্রশাসনিক কাজকর্ম ব্যাহত হবে।’
প্রশাসন বিশেষজ্ঞ সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. ফিরোজ মিয়া ইউএনবিকে বলেন, ‘সময়মতো পদোন্নতি না দিলে প্রশাসনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। যোগ্যদের সময়মতো পদোন্নতি না দিলে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়, প্রশাসনিক কাজকর্ম বিঘ্নিত হয়। নির্বাচনের তফসিল নিয়মিত পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নয়। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিয়ে হলেও সময়মতো পদোন্নতি দেওয়া উচিত। এখনও সময় আছে, সরকার চাইলে পদোন্নতি দিতে পারবে।’
৩ দিন আগে
অতিরিক্ত আইজি হলেন পুলিশের সাত কর্মকর্তা
পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত আইজি করেছে সরকার।
সোমবার (১১ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অতিরিক্ত আইজি হলেন যারা–এপিবিএনের ডিআইজি মো. আলী হোসেন ফকির, এসবির ডিআইজি জি এম আজিজুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মো. সরওয়ার, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ডিআইজি মো. মোস্তফা কামাল, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি কাজী মো. ফজলুল করিম, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এবং অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা-৫ শাখার ০৯-১০-২০২৪ তারিখের ০৭.১৫৫.০১৫.৪৪.০৩.০৩৪.২০১০ (অংশ-২)-৫৪০ নং পত্রে উল্লিখিত সব আনুষ্ঠানিকতা পালন শেষে নবসৃষ্ট সাতটি সুপারনিউমারারি পদের বিপরীতে উপরোক্ত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হলো।ৎ
আরও পড়ুন: বাধ্যতামূলক অবসরে ৯ পুলিশ পরিদর্শক
এতে আরও বলা হয়েছে, পদগুলোতে কর্মরত পদধারীদের পদোন্নতি, অবসর, অপসারণ কিংবা অন্য কোনো কারণে পদ শূন্য হলে পদগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে ও পদ সৃজনের তারিখ থেকে সাতটি সুপারনিউমারারি পদের মেয়াদ হবে এক বছর। পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা স্বপদে বহাল থেকে দায়িত্ব পালন করবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
১৬১ দিন আগে
আমলাতন্ত্র চাঙ্গা করতে বড় ধরনের পদোন্নতির পরিকল্পনায় অন্তর্বর্তী সরকার
উপসচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদে কর্মকর্তাদের বহুল প্রতীক্ষিত পদোন্নতির তোড়জোড় শুরু করেছে সরকার, যা একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদে এবং এরপর যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত আসতে পারে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবার এই পদোন্নতিগুলো বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) বৈঠকে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের কর্মজীবনের সার্বিক নথিপত্র, শৃঙ্খলা, দুর্নীতি সংশ্লিষ্টতা, নৈতিকতা ও পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসএসবি ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক করেছে এবং আরও দু-একটি বৈঠকের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।
সুত্র জানায়, পদোন্নতিযোগ্য প্রায় ৭ শতাধিক কর্মকর্তার চাকরিজীবনের তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণ শুরু করেছে সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ এসএসবি। কয়েকটি বৈঠকের পর এই তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসেই উপসচিব পদে পদোন্নতির ঘোষণা আসতে পারে। পরের মাসে আসতে পারে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির ঘোষণা।
আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারী অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি: বিক্ষোভে উত্তাল সচিবালয়
এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে স্থবির থাকা পদোন্নতির প্রক্রিয়ায় নতুন গতি এসেছে। জনপ্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা ইউএনবিকে জানান, এরই মধ্যে এসএসবির কয়েকটি বৈঠক হয়েছে। সর্বশেষ গত ৮ জুলাই বসেছিল বৈঠক। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসেই উপসচিব পদে এবং পরবর্তী মাসে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হতে পারে। এসএসবির বৈঠক প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন শুধু চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
৩০তম বিসিএস
২০১২ সালের ৩ জুন সরকারি চাকরিতে যোগদানকারী বিসিএস ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তারা ২০২২ সালের ৩ জুন থেকে উপসচিব পদে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করেন। কিন্তু নানা কারণে পদোন্নতি দীর্ঘ সময় ঝুলে ছিল।
২০২৪ সালের ১৮ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পদোন্নতির তথ্য আহ্বান করে। তবে এরপর আগস্টে শেখ হাসিনার সরকারের পতন এবং অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কারণে প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। ফলে প্রক্রিয়াটি আরও বিলম্বিত হয়।
আরও পড়ুন: পৃথক সচিবালয় গঠনের দাবিতে ঝিনাইদহে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের স্মারকলিপি পেশ
৩০তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের ২৭৭ জনসহ মোট ৩১৯ জন কর্মকর্তা এবং অন্যান্য ক্যাডার থেকে ডিএস পুলে আবেদন করা ২২৩ জন কর্মকর্তার তথ্য যাচাই করা হয়েছে। সব তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ২৫০ থেকে ২৮০ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে।
২০তম বিসিএস
অপরদিকে, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচনায় রয়েছেন ২০তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তারা। ২০১৯ সালে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও, তারা পদোন্নতি পান ২০২১ সালে। সেই হিসাবে ২০২৩ সালে অতিরিক্ত সচিব হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন তারা। এবার সেই পদোন্নতি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।
প্রশাসন ক্যাডারের ২৪৪ জন কর্মকর্তা ছাড়াও অন্যান্য ক্যাডার মিলিয়ে মোট ৩০০ জনের বেশি কর্মকর্তা অতিরিক্ত সচিব পদে বিবেচনায় আছেন। তবে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ডিসি হিসেবে দায়িত্বপালনকারী ২০তম ব্যাচের ৪৩ জন কর্মকর্তাকে এই তালিকায় রাখা হয়নি বলে জানা গেছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিবের ২১২ পদে কর্মকর্তা আছেন ৩৭০ জন। যুগ্ম সচিবের ৫০২টি পদে রয়েছেন ১ হাজার ৩৪ জন।
সুপারনিউমারারি পদসহ উপসচিবের অনুমোদিত পদসংখ্যা ১ হাজার ৪২০। বিপরীতে কর্মরত আছেন ১ হাজার ৪০২ জন। অর্থাৎ প্রতিটি স্তরেই নির্দিষ্ট পদের চেয়ে উল্লেখযোগ্য কর্মকর্তা বেশি রয়েছেন। ফলে পদ খালি না থাকায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগের পদেই কাজ করে যেতে হবে।
পদোন্নতির বিধিমালা অনুযায়ী, জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পদে পাঁচ বছর চাকরিসহ অন্তত ১০ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলেই উপসচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ার কথা। সে অনুযায়ী বিসিএস ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তারা সেই যোগ্যতা অর্জন করেছেন ২০২২ সালের ৩ জুন। এরপর প্রায় তিন বছর হতে চলছে, কিন্তু তাদের এখনো পদোন্নতি হয়নি।
১৮৫ দিন আগে
পুলিশের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বে রদবদল
বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পদের চার কর্মকর্তার দায়িত্বে রদবদল ও পদোন্নতি হয়েছে।
রবিবার (১৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ অধিশাখার উপসচিব মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের কমান্ড্যান্ট আলি আকবর খানকে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি করা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামের আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. শামসুল হককে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি করা হয়েছে।
এ ছাড়াও ঢাকা আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি করা হয়েছে। আর সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রোমানা আক্তারকে ঢাকা রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে।
জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২১৮ দিন আগে
পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন সাত কর্মকর্তা
সাত অতিরিক্ত সচিবকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারা করা হয়েছে।
এসব সচিবদের বাণিজ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সেতু বিভাগ এবং বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
এরমধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুর রহমানকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিনকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) হয়েছেন একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাহেদা পারভীন। আর পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আলেয়া আক্তার।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) মো. তাজুল ইসলামকে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়ের নিবন্ধক অতিরিক্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে সেতু বিভাগের নতুন সচিব করা হয়েছে।
পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন সাত কর্মকর্তা
সাত অতিরিক্ত সচিবকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারা করা হয়েছে।
এসব সচিবদের বাণিজ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সেতু বিভাগ এবং বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়াদের আবেদন পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
এরমধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুর রহমানকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিনকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) হয়েছেন একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাহেদা পারভীন। আর পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আলেয়া আক্তার।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) মো. তাজুল ইসলামকে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়ের নিবন্ধক অতিরিক্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে সেতু বিভাগের নতুন সচিব করা হয়েছে।
৩২৮ দিন আগে
সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেলেন ওবায়দুর
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওবায়দুর রহমানকে সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, ওবাদুরকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পদায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর
এরআগে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে সরকার। ‘জুলাই-আগস্ট বিল্পবের বিপক্ষে অবস্থান’ নেওয়ার কারণে তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, জুলাই-আগস্ট বিল্পবের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানাকে আজ বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।
৩৩০ দিন আগে
বঞ্চিতদের কর্মকর্তাদের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
আওয়ামী লীগ আমলে অবসরে যাওয়া বঞ্চিত ৭৬৪ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। চলতি অর্থ বছরে তাদের পাওনার অর্ধেক পরিশোধ করা হবে। বাকি টাকা পাবেন আগামী বছর।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পৃথক আদেশে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এতে বলা হয়, সচিব পদে ১১৯ জন, গ্রেড-১ পদে ৪১ জন, অতিরিক্ত সচিব পদে ৫২৮ জন, যুগ্ম সচিব পদে ৭২ জন এবং উপসচিব পদে ৪ জনকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পেয়েছেন। কর্মকর্তারা এক বা একাধিক পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির তারিখ থেকে বিধি মোতাবেক প্রাপ্যতা অনুযায়ী সকল আর্থিক সুবিধা পাবেন। বর্তমান অর্থ বছরে তাদের বকেয়া পাওনার ৫০ শতাংশ দেওয়া হবে। অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ দেওয়া হবে পরবর্তী অর্থ বছরে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বয়স ৫৭ বা ৫৯ বছর পূর্তি পর্যন্ত সর্বশেষ পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিতে বহাল ছিলেন বলে গণ্য হবেন। অবসরোত্তর ছুটি বা অবসর প্রস্তুতি ছুটি শেষে অবসরের জন্য নির্ধারিত তারিখে সরকারি চাকরি থেকে অবসরগ্রহণ করেছেন মর্মে গণ্য হবেন।
আরও পড়ুন: বাজেট ২০২৪-২৫: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ ৫ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা
কর্মকর্তারা বিধি মোতাবেক তাদের প্রাপ্যতা অনুযায়ী বকেয়া বেতন-ভাতা, পেনশন সমন্বয়পূর্বক আর্থিক সুবিধা পাবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ইতিপূর্বে জারিকৃত পিআরএল বা এলপিআর আদেশ বাতিল করা হয়েছে। বেতন নির্ধারণের সময় অবসর উত্তর ছুটি বা অবসর প্রস্তুতি ছুটি সমন্বয় করা হবে।
আওয়ামী লীগ আমলে অবসরে যাওয়া বঞ্চিত ৭৬৪ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়ে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করে বঞ্চনা নিরসন কমিটি গত ১০ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের প্রতিবেদন দেয়।
৩৪৪ দিন আগে
ফেব্রুয়ারিতে বঞ্চিত উপসচিবরা পদোন্নতি পাচ্ছেন
আগামী ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে উপসচিব থেকে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি পাবেন প্রশাসন ক্যাডার ছাড়াও বাকি ২৫ ক্যাডারের ১৩ থেকে ২২তম ব্যাচের বঞ্চিত উপসচিবরা। একইসঙ্গে পদোন্নতি পাবেন প্রশাসনের ২২ ব্যাচের কয়েকজন বঞ্চিত উপসচিবও।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান৷
আরও পড়ুন: পরীক্ষা ছাড়া উপসচিব ও যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি নয়
তিনি বলেন, ‘২৫ ক্যাডারের উপসচিবদের নিয়ে কাজ চলছে। ডিসেম্বরে তাদের পদোন্নতি দেওয়ার কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হয়নি। সবকিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে তারা পদোন্নতি পাবেন। প্রশাসনের ২২ ব্যাচের কয়েকজন বঞ্চিত উপসচিব রয়েছেন তারাও এই ২৫ ক্যাডারের সঙ্গে একযোগে পদোন্নতি পাবেন। প্রশাসনের ২৪তম রেগুলার ব্যাচের পদোন্নতি নিয়েও কাজ চলছে৷ তারাও এদের সবার সঙ্গে পদোন্নতি পাবেন৷’
সব মিলিয়ে ২৫ ক্যাডারের উপসচিবরা, ২২তম ব্যাচের বঞ্চিত উপসচিবরা ও ২৪তম ব্যাচের উপসচিবরা একযোগে পদোন্নতি পাবেন বলে জানান তিনি।
৩৬৪ দিন আগে
পরীক্ষা ছাড়া উপসচিব ও যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি নয়
পরীক্ষা ছাড়া সিভিল সার্ভিসের উপসচিব ও যুগ্মসচিব পর্যায়ে কেউ পদোন্নতি পাবেন না বলে সরকারকে সুপারিশ করতে যাচ্ছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সচিবালয় বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে জনপ্রশাসনের সংস্কার কমিশনের মতবিনিময় সভায় কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা ছাড়া আর কেউ পদোন্নতি পাবে না। পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষা নেবে এবং ৭০ মার্ক না পেলে কেউ পদোন্নতি পাবেন না। প্রতিটি পর্যায়ে (উপসচিব থেকে সচিব পর্যন্ত) এটি হবে না, উপসচিব ও যুগ্মসচিব- এই দুই পর্যায়ে (পরীক্ষার মাধ্যমে পদোন্নতি) হবে। এর পরের পর্যায়ে সরকার পদোন্নতি দিতে পারবে।’
আরও পড়ুন: কুমিল্লা ও ফরিদপুরকে বিভাগ করার সুপারিশ দেবে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন
কমিশন প্রধান বলেন, ‘পরীক্ষায় যদি একজন কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তা সবচেয়ে বেশি নম্বর পান, তিনি তালিকায় এক নম্বরে চলে আসবেন। উপসচিবের তালিকায় তিনি এক নম্বরে আসবেন।’
উপসচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য ৫০ এবং অন্য ক্যাডার থেকে ৫০ শতাংশ কর্মকর্তাদের নেওয়ার সুপারিশ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
বর্তমানে এক্ষেত্রে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা ৭৫ এবং অন্য ক্যাডারের ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়ে থাকেন।
৩৯৮ দিন আগে
ডিসেম্বরেই পদোন্নতি পাচ্ছেন বঞ্চিত উপসচিবরা
প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্যান্য ২৫ ক্যাডারের বঞ্চিত উপসচিবদের ডিসেম্বর মাসেই পদোন্নতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান ইউএনবিকে এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া বাকি ২৫ ক্যাডারের মধ্যে পদোন্নতির পাওয়ার যোগ্য- এমন উপসচিবদের নিয়ে আমরা কাজ করছি। এসএসবির যারা সদস্য রয়েছেন, তারা আমাদের বলেছেন- এই কাজটি আগে ধরে শেষ করুন। আমরা ওটা নিয়েই কাজ করছি। কাজ হয়ে গেলে আমরা একটি তারিখ নিয়ে এটা করে দেব।’
আরও পড়ুন: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ নজর দিয়েছে: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উপসচিব
ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘যাদের এসিআর (বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন) ও ডিপি (ডিপার্টমেন্টাল প্রসেডিং) রয়েছেন, তারা পদোন্নতি পাবেন না। ১৯৪ জনের সবাই তো যোগ্য নন। বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট আছে, যারা যোগ্য আমরা তাদের পদোন্নতি দেব। ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই এই কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি আমরা।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জ্যেষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা ইউএনবিকে বলেন, যারা একটু বেশি সিনিয়র (জ্যেষ্ঠ) এবং যারা একটু দেরিতে উপসচিব হয়েছেন, আমরা তাদের আগে বিবেচনা করব। তাদের জন্য আমরা সর্বোচ্চটা করার চেষ্টা করব।
তারা জানান, পদোন্নতির ক্ষেত্রে একটি নিয়ম রয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, যদি কারও মোট চাকরিকাল ১৫ বছর হয় এবং উপসচিব হিসেবে তিনি ৫ বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে থাকেন, তাহলে তাকে যুগ্মসচিব হিসেবে পদোন্নতির দেওয়ার একটি বিধান রয়েছে। এছাড়া যদি কারও মোট চাকরিকাল ২০ বছর হয় এবং উপসচিব হিসেবে তিনি ৩ বছরের বেশি দায়িত্ব পালন করেন তাহলে তাকেও যুগ্মসচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়ার একটি বিধান রয়েছে।
আরও পড়ুন: ডিসি নিয়োগে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা করায় ১৭ উপসচিবকে শাস্তির সুপারিশ
৪১২ দিন আগে