দুর্গাপূজা
ডিসেম্বরে হাসিনার ফেরার খবরে অস্থিরতার সুযোগ দেবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন বলে যে খবর ছড়িয়েছে, তা নিয়ে সরকার কাউকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে দেবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুনছি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ডিসেম্বরে আসতে চান। আমরা তাকে ফেরত পাওয়ার জন্য প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে প্রতিবেশী দেশকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কয়েক দফা অনুরোধপত্র পাঠিয়েছি। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার।’
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফেরার আলোচনা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তি শুরু থেকেই এ ধরনের অপপ্রয়াস চালিয়ে আসছে। তারা বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায় এবং ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।
এ সময় দেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ সরকার দেবে না বলে সতর্ক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেব না। কোনো অপশক্তিকে না, কোনো পতিত শক্তিকে না, কোনো ফ্যাসিস্টকে না, কোনো পলাতক অপরাধীকে না, কোনো গণহত্যাকারীকে না।’
গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়া এবং শত শত নাগরিক হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বাংলাদেশে কোনো অপতৎপরতা চালাতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আগাম সতর্কতায় শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা
এবার ১৫ থেকে ১৭ বছর পর দেশে শান্তিপূর্ণভাবে, উৎসাহ, উদ্দীপনা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
এ জন্য বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, সাংবাদিক এবং দেশের সব স্তরের মানুষের প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, অতীতে দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে দুর্ঘটনা, অপ্রীতিকর ঘটনা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা ঘটেছে। এবার এসব অপসংস্কৃতি থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব হয়েছে।
সেই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এবার ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতি ও বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অ্যাপের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় কেন্দ্র পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতি মুহূর্ত মনিটরিং করা হয়েছে।
এছাড়া দুর্গোৎসব ঘিরে দুই-একটি ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা আগেই উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সে অনুযায়ী আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নিয়েছে।
গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার একটি ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সংগঠনের কিছু কর্মী মিছিল করার চেষ্টা করেছিলেন। টহলরত পুলিশ সদস্যরা সেখানে গেলে তারা হামলার শিকার হন। পুলিশ সদস্যরা সংখ্যা কম ছিলেন।
ঘটনাটির ভিডিও দেখেছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সাজেকের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
রাঙ্গামাটির সাজেকের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও ইউপিডিএফ ছাড়াও একই ধরনের নামে আরও কয়েকটি গোষ্ঠী রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও অন্তর্দ্বন্দ্ব রয়েছে।
পর্যটন মৌসুমকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর পাহাড়ের কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা চলে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে এবং আরও নেবে।
এছাড়া স্থানীয় হেডম্যান ও নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
৯ দিন আগে
পূজা দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থী, দুই দিন পর নদে মিলল দেহ
ফরিদপুরে পূজা দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর কুমার নদ থেকে এক শিক্ষার্থীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার ভাটিলক্ষীপুরের মদনখালী স্লুইসগেট-সংলগ্ন কুমার নদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কৌশিক সাহা জিতু (২৩) শহরের ওয়্যারলেসপাড়া এলাকার কমলেশ সাহার ছেলে। তিনি সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের রসায়ন বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, স্থানীয়রা নদে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ও কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পোশাক ও সঙ্গে থাকা চাবির সূত্র ধরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
পরিবারের দাবি, গত রবিবার সন্ধ্যার পর পূজা দেখতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি জিতু। পরদিন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা।
কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ হোসেন জানান, মরদেহটি পচে ফুলে যাওয়ায় প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিবারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চাবি পরীক্ষা করে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
১৪ দিন আগে
ভোটের ফল যা-ই হোক, সব অঞ্চলে সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
রংপুরে বিএনপির দুর্বল নির্বাচনি ফলাফলের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন কি দেননি, তা বিবেচনায় না নিয়ে সব নাগরিকের সেবা করার পাশাপাশি সব অঞ্চলে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত করেছে। কোনো কোনো এলাকায় বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন, আবার কোনো এলাকায় হননি। কিন্তু বর্তমান সরকার দেশের সব মানুষের সরকার হতে চায়। যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের সরকার হতে চায়, তেমনি যারা ভোট দেননি, তাদেরও সরকার হতে চায়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে রংপুরের ঐতিহাসিক রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে ন্যায্যভাবে সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে সরকার সারা দেশে সমানভাবে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায়।
সরকার সব এলাকার ও সব মানুষের জন্য কাজ করতে চায় উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় রংপুর মহানগরের উন্নয়নে এক হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে রংপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে সেতু, কালভার্ট, স্কুল, কলেজসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো পর্যায়ক্রমে গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং পারস্পরিক বিভেদ ভুলে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।’
তবে সবাইকে নিয়ে ঐক্য গড়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মহল বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আজ আমি সবার কাছে, বিশেষ করে যারা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেছে, তাদের কাছে একটি বিষয় স্পষ্ট করতে চাই। অতীতে আমরা দেখেছি, কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তার ফলাফলটা খুব শুভ হয়নি। বাংলাদেশের মানুষ সেই উদ্দেশ্যকে ভালোভাবে গ্রহণ করেনি।’
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে ধর্ম, রাজনৈতিক মতাদর্শ কিংবা সামাজিক পরিচয় নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একসঙ্গে লড়াই করেছেন। পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও বিভিন্ন ধর্মের ও পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, স্বৈরাচারী সরকারকে সরিয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।
গণঅভ্যুত্থানকে হেয় না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কারও ভিন্নমত থাকলে তা সংসদে তুলে ধরতে হবে। সেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আলোচনা করে জনগণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী হাজার বছরও এ দেশের মানুষ এভাবেই শান্তিতে একসঙ্গে বসবাস করবে।
তিনি বলেন, ‘এই দেশটি হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে এগিয়ে চলছে। শান্তিতে আমরা সবাই মিলে বসবাস করছি। আমরা চাই, আগামী হাজার বছরও যেন আমরা একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করতে পারি।’
১৪ দিন আগে
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে তাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এ দেশ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সবার।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমীতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে যাওয়ার পথে পাগলাপীর মোড়ে সড়কের পাশে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে সব ধর্মের মানুষ যেমন এক হয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল, তেমনি সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে হবে।
তিনি আরও বলেন, আসুন, আজকে আমরা প্রতিজ্ঞা করি, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, এ দেশ আমাদের সবার। আমরা সবাই মিলে পরিশ্রম করে দেশকে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।
তারেক রহমান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সরকার সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।
এর অংশ হিসেবে সরকার কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা চালু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব শ্রেণি- পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি চান, সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে দেশের উন্নয়নে কাজ করুক।
এর আগে সামরিক উড়োজাহাজে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সড়কপথে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে তারাগঞ্জ, পাগলাপীরসহ সড়কের দুই পাশে বিএনপির শত শত নেতাকর্মী ও সমর্থক জড়ো হন।
প্রধানমন্ত্রী গাড়িবহর থেকে তাদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং ওই দুই জায়গায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
১৪ দিন আগে
মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করবেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শারদীয় দুর্গোৎসবে হিন্দু সম্প্রদায়ের উদযাপনে ঢাকার বাইরে এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান সফর করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সোমবার (১৯ অক্টোবর) জানান, প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে প্রথমে রংপুরে যাবেন। এরপর রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফর করবেন।
সফরকালে তিনি পুরোহিত ও পূজারিদের শুভেচ্ছা জানাবেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলে জানান রুমন।
ট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক উড়োজাহাজে করে তিন জেলার সফরে রওনা হবেন।
এর আগে রবিবার রাতে তিনি ঢাকার মহাখালী ও বনানী এলাকার মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
মঙ্গলবার মহানবমী উদযাপিত হবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
১৫ দিন আগে
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং সেগুলো পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল বার্তা।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে বলতে পারি, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।’
বিশ্বজুড়ে যখন সংঘাত, সহিংসতা ও বিদ্বেষ বিরাজ করছে, তখন বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্গাপূজা তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ন্যায়বিচার, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের মূল্যবোধ তুলে ধরে।
তিনি আরও বলেন, এ দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে, আর বাংলাদেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে।
রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয় এবং পরে ১৯৭৩ সালে এটি ভেঙে ফেলা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলত, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে ২০০১ সালে মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হয়।
১৬ দিন আগে
দুর্গাপূজায় এবার সর্বোচ্চ অনুদান দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাধীনতার পর এবার দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার তামাকান্দা গ্রামে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি। তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনায় বিশ্বাসী। তার নেতৃত্বে সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
তিনি আরও বলেন, পূজা নির্বিঘ্ন ও আনন্দমুখর করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে পূজা উদযাপনে সহযোগিতা করছেন বলে জানান তিনি।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকার সবসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
এ সময় তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মনোহরদী ও বেলাব উপজেলার ৮০টি পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন এবং অসহায় মানুষের মধ্যে শাড়ি বিতরণ করেন।
বেলাব উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবীব বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, বেলাব উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এম এ কাদের জলিল, মনোহরদী পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল হান্নান মিয়া, মনোহরদী পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি রাজিব রায় ও সাধারণ সম্পাদক সুকোমল মোদকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
১৭ দিন আগে
দুর্গাপূজায় সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত টানা সাত দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এ সময় ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রুহুল আমিন বলেন, দুর্গাপুজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি এবং ভারতের মহদিপুর স্থলবন্দর রপ্তানিকারক সমিতির ছুটি মিলিয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
তবে বন্দরের ভেতরে আগের আমদানিকৃত পণ্য লোড ও আনলোড কার্যক্রম চালু থাকবে বলে জানান তিনি।
এছাড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াতও স্বাভাবিক থাকবে।
আগামী ২৪ অক্টোবর (শনিবার) সকাল থেকে বন্দরের স্বাভাবিক আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম আবার শুরু হবে বলেও জানান সংগঠনটির সদস্য সচিব।
২০ দিন আগে
দুর্গাপূজায় বেনাপোলে টানা ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা আট দিন আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এ সময়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ও বাংলাদেশে সরকারি ছুটি থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে পুনরায় আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মহসিন মিলন বলেন, বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ ট্রাক পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। এ বন্দর থেকে সরকার দৈনিক প্রায় ২০ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। সেই হিসাবে টানা আট দিন বাণিজ্য বন্ধ থাকলে সরকার প্রায় ১৬০ কোটি টাকার রাজস্ব কম পাবে।
এদিকে দীর্ঘ সময় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় বন্দরে পণ্যজট ও যানজটের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই স্থলবন্দর দিয়ে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়। ভারত থেকে স্থলপথে আমদানি করা পণ্যের বড় একটি অংশ আসে বেনাপোল দিয়ে। ফলে টানা আট দিন বন্দর বন্ধ থাকলে শিল্পকারখানায় কাঁচামাল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি করা পণ্যের বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী বলেন, দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির কারণে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত পেট্রাপোল বন্দরে বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে বাংলাদেশে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি থাকায় দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম টানা আট দিন বন্ধ থাকবে। ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে যথারীতি বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হবে।
এদিকে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজার সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ইমিগ্রেশন ডেস্কে অতিরিক্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও দুই দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের পক্ষ থেকে ছুটির বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ও কাস্টমসের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় আগে আমদানি করা পণ্য খালাস করা যাবে। একই সঙ্গে পণ্য খালাস শেষে ভারতীয় খালি ট্রাকগুলো নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবে।
২১ দিন আগে
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মূলত টানা পাঁচ দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ব্যাংকগুলোতে ছুটি থাকবে। তবে ১৭ অক্টোবর (শনিবার) স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে।
গত ৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তবে ২০ থেকে ২২ অক্টোবরের সরকারি ছুটি এবং ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা, বুথ ও উপশাখাগুলোতে সীমিত পরিসরে আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত কাজ চালু থাকবে।
বিদ্যমান নির্দেশনা অনুসরণ করে এসব শাখা স্থানীয় প্রশাসন ও বন্দর বা শুল্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
২২ দিন আগে