যুবদল
যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা
আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও আজ বৃহস্পতিবার পূর্ণাঙ্গ ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।
ঘোষিত কমিটিতে রেজাউল কবীর পলকে জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এবং বিল্লাল হোসেন তারেককে এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়া মো. কামরুজ্জামান জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং আল মেহেদী তালুকদারকে প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ২৯ জন সহ-সভাপতি, ২৮ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২৩ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বে সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়াকে মনোনীত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রোকনুজ্জামান রোকনকে কোষাধ্যক্ষ, আশরাফ জালাল খান মননকে সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক, আমিনুর রহমান আমিনকে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং খায়রুজ্জামান লিঙ্কনকে সহ-সভাপতির মর্যাদায় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়া এ আর মামুন খান ও মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মর্যাদায় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পাঁচজন আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং দুজন স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদকও রয়েছেন।
এক নজরে যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
১. সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না
২. জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল
৩. সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া
৪. সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ
৫. সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ
৬. সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল
৭. সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী
৮. সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান
৯. সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু
১০. সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান
১১. সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম
১২. সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল
১৩. সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ
১৪. সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার
১৫. সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু
১৬. সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ
১৭. সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন
১৮. সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক
১৯. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল
২০. সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন
২১. সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু
২২. সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক
২৩. সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)
২৪. সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)
২৫. সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না
২৬. সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু
২৭. সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
২৮. সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন
২৯. সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ
৩০. সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)
৩১. সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন
৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক
৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ
৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু
৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন
৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া
৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল
৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন
৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট
৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির
৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন
৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ
৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল
৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার
৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক
৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা
৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক
৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন
৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান
৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন
৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক
৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার
৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু
৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ
৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহাব
৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)
৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ
৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম
৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)
৬১. সহ-সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন
৬২. সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ
৬৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল
৬৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ
৬৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন
৬৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া
৬৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান
৬৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি
৬৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান
৭০. সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল
৭১. সহ-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন
৭২. সহ-সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন
৭৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ
৭৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ
৭৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল
৭৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান
৭৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম
৭৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ
৭৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল
৮০. সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদুল হক
৮১. সহ-সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না
৮২. সহ-সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা
৮৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী
৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল
৮৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার
৮৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা
৮৭. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন
৮৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব
৮৯. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম
৯০. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন
৯১. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম
৯২. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি
৯৩. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল
৯৪. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম
৯৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ
৯৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন
৯৭. প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার
৯৮. সহ-প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান
৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন
১০০. সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল
১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন
১০২. কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন
১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক
১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি
১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ
১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল
১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ
১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম
১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন
১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল
১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম
১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু
১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি
১১৪. সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু
১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন
১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু
১১৭. সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল
১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী
১১৯. সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম
১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান
১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু
১২২. ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ
১২৩. সহ-ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার
১২৪. সহ-গ্রামসরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী
১২৫. সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন
১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী
১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স
১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি
১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান
১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম
১৩১. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন
১৩২. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল
১৩৩. সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান
১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা)
১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার
১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান
১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া
১৪০. সহ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ
১৪১. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান
১৪২. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার
১৪৩. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ্বাস
১৪৪. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব
১৪৫. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু
১৪৬. সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ
১৪৭. সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু
১৪৮. সদস্য মাহমুদুল করিম সজল
১৪৯. সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন
১৫০. সদস্য মো. এমরান হোসেন শাহীন
১৫১. সদস্য ফখরুল বিন খালেক
১৩ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জে ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পোশাক কারখানার ঝুট মালামাল নামানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে এক শিশুসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানার এনায়েতনগরে শাসনগাঁও চাঁদনী হাউজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— ইমরান (১১), রাকিব (২৩) এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিক (৪০)।
চাঁদনী হাউজিং এলাকায় অবস্থিত ‘বেস্ট স্টাইল কম্পোজিট লিমিটেড’ নামের একটি পোশাক কারখানার ঝুট মালামাল নামানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির একটি গ্রুপের সঙ্গে যুবদলের অভি-মনির গ্রুপের সংঘর্ষে বাঁধে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে ওই পোশাক কারখানায় ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমান রনির অনুসারী সালাম। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে ফতুল্লা থানা যুবদলের সভাপতি ফারুক মন্ডলের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ সেখানে হামলা চালায়। এই গ্রুপটি বেশ কিছুদিন ধরে এখানে চাঁদা দাবি করছিল। এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন ফতুল্লার আরেক ঝুট ব্যবসায়ী ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব রাসেল মাহমুদ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে অভি গ্রুপের সশস্ত্র লোকজন বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ সময় এনায়েতনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন খোকার ছেলে রাকিব গুলিবিদ্ধ হন। পরে রাসেল মাহমুদের নেতৃত্বে আরেকটি গ্রুপ এলাকায় প্রবেশ করে গোলাগুলি করে। এতে ১১ বছর বয়সী শিশু ইমরান গুলিবিদ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে আহত শিশু ইমরানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
চাঁদনী হাউজিং এলাকার বাসিন্দারা জানান, সংঘর্ষের সময় অস্ত্রের মহড়া ও গোলাগুলিতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। জীবন রক্ষায় সাধারণ মানুষ ছোটাছুটি শুরু করেন। এ সময় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেন।
এনায়েতনগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন খোকা জানান, ফতুল্লা থানা যুবদলের আহ্বায়ক হাজী মাসুদুর রহমান মাসুদের নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া অভি, মনির, সুমন, জসিমসহ ২০-৩০ জন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলাকারীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। তাদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি করেন তিনি ।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) হাসিনুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঝুট মালামাল নিয়ে বিরোধ থেকেই এই সংঘর্ষের শুরু হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
৫৬ দিন আগে
রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ
রাজধানীর কোতোয়ালি এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে রাসেল (৩১) নামে এক যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত পৌনে ৯টার দিকে কোতোয়ালি থানার নয়াবাজার পার্ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ রাসেল কোতোয়ালি থানা যুবদলের সদস্য। তিনি রাজধানীর শ্যামপুরের আরসিং গেট এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
রাসেলের বন্ধু রিপন দাস জানান, রাতে নয়াবাজার পার্ক এলাকায় অবস্থানকালে হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় একটি গুলি তার বুকের বাঁ পাশে একটি গুলি লাগে। এরপর দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে রাসেলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ধানমণ্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে ওই হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে বলে জানান তিনি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, রাতে নয়াবাজার এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই যুবককে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়। তার বুকের বাম পাশে গুলির আঘাত ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসার পর স্বজনরা তাকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
৬১ দিন আগে
চাঁদপুরে ১৩ বছর আগের মামলায় যুবদল-ছাত্রদলের ৬ নেতা-কর্মী কারাগারে
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ থানায় ১৩ বছর আগের একটি মামলায় যুবদল ও ছাত্রদলের ছয় নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা জর্জকোর্ট-২ আদালতে যুবদল ও ছাত্রদলের ছয় নেতা-কর্মী হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো নেতা-কর্মীরা হলেন— মতলব উত্তর উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান টিপু, মতলব পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শরীফ উল্লাহ টিটু, মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান এবং হাসান, জুয়েল ও আদর।
মামলার বিবাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাদ্দাম হোসেন জানান, ২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর মতলব দক্ষিণ থানায় বাইশপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে শরীফ হোসেন বাদী হয়ে মিরাজ মাহমুদ জিসান, রাশেদুজ্জামান টিপু, শরীফ উল্লাহ টিটু, রেহান উদ্দিন রাজন, হাসান, জুয়েল, আদরসহ ১২/১৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করেন মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দীপক।
মামলাটি চলমান থাকা অবস্থায় আসামিরা আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
গতকাল (বুধবার) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা জর্জকোর্ট-২ আদালতে মামলার ছয় আসামি হাজির হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক বাদল, মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সফিকুল ইসলাম সাগর। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
৬৩ দিন আগে
খুলনায় যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মুরাদ খান (৪৫) নামে এক যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সেনহাটীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুরাদ উপজেলার হাজীগ্রামের খান মুনসুর আলীর ছেলে। তিনি দিঘলিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য ও একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মুরাদ খান খুলনা থেকে তার হাজীগ্রামের নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে সেনহাটী মিয়া পাড়া মসজিদের কাছে পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তার গতিরোধ করেন। এ সময় তিনি দৌড়ে একটি দোকানে আশ্রয় নিলে অস্ত্রধারীরা সেখান থেকে তাকে ধরে নিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়লে অস্ত্রধারীরা চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মুরাদকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। কারণ উদঘাটন এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে।
৯৬ দিন আগে
চাঁদা না পেয়ে চিকিৎসককে মারধর: বরিশালে যুবদলের দুই নেতা বহিষ্কার
বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে ইউনিয়ন যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) যুবদলের কেন্দ্রীয় দপ্তরের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা।
বহিষ্কৃতরা হলেন— বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মাকসুদুর রহমান ডালিম ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক মল্লিক।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নীতি-আদর্শ ও সংহতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি বানারীপাড়া বাইশারী বাজারের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক বিভাস ঋষির কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ ওঠে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে। চাঁদা না পেয়ে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তার ওপর হামলা করা হয়। সেই হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
১০৮ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
কিশোরগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এতে একজন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলাই পুরান বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবক মো. হিমেল (২৪) ওই এলাকার হাবিবুর রহমান হবির ছেলে এবং যুবদল নেতা রাজনের অনুসারী। এদিকে হিমেলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিকালে রাজনের পক্ষের লোকজন এমদাদের বাড়িঘরে আগুন দেয়।
স্থানীয়রা জানান, জেলা যুবদলের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আলী আব্বাস রাজন এবং সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল হক এমদাদের পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তাদের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল।
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুসারে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন: দেশকে বিরাজনীতিকরণে নতুন ‘মাইনাস-টু ফর্মুলা’ সক্রিয়: মির্জা আব্বাস
২৮৬ দিন আগে
আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার যুবদলের বিক্ষোভ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে আগামী বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
রবিবার (১৩ জুলাই) যুবদলের সহকারী দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির এই যুব সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশের সব জেলা ও মহানগর শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করবেন।
পড়ুন: মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ড: এক আসামির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর, আরেকজনের দায় স্বীকার
ঢাকায় বেলা ২টায় বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল শুরু হবে। এটি ফকিরাপুল, দৈনিক বাংলা মোড়, জাতীয় প্রেস ক্লাব, মৎস্য ভবন হয়ে শাহবাগে গিয়ে শেষ হবে।
যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন সংগঠনের দেশব্যাপী সকল ইউনিটকে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন।
৩২৬ দিন আগে
ঢাকায় বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠনের তারুণ্যের সমাবেশ আজ
বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠন— ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তারুণ্যের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে আজ। এই সমাবেশে ১৫ লাখ তরুণ-তরুণী জমায়েত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (২৮ মে) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানি জানিয়েছেন, সমাবেশে ঢাকাসহ সিলেট, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহের তরুণ-তরুণীরা অংশ নেবেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি দেশের যুবসমাজের উদ্দেশে দলের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা ও ভবিষ্যৎ কৌশল তুলে ধরবেন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনের স্পষ্ট রোডম্যাপ না থাকায় হতাশ বিএনপি
এ ছাড়া খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন।
এর আগে, সোমবার (২৬ তারিখ) এক সংবাদ সম্মেলনে জিলানি বলেন, চট্টগ্রামে আমাদের সমাবেশে তরুণদের বিপুল সমাগম হয়েছে। খুলনা ও বগুড়ায়ও আমাদের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। এতে আমরা সমাজের সব স্তরের তরুণদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছি।
ঢাকার সমাবেশে ১৫ লাখ তরুণ অংশ নিয়ে আগের সব রেকর্ড ভেঙে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সেচ্ছাসেবক দলের এই শীর্ষ নেতা বলেন, সমাবেশে অংশ নিতে তরুণরা উদগ্রীব হয়ে আছে। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন এই সমাবেশ সফল করবে। সেখানে ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার-বঞ্চিত যুবকরা গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠার প্রধান দাবি উত্থাপন করবে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার চলমান আন্দোলনে এই সমাবেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে, গত ২৯ এপ্রিল দেশের ১০টি বিভাগের তরুণদের নিয়ে চারটি সেমিনার ও চারটি সমাবেশ করার ঘোষণা দেয় বিএনপির এই তিন অঙ্গসংগঠন।
আরও পড়ুন: ড. ইউনুসের নেতৃত্বে সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের আশা তারেক রহমানের
৯ মে তারিখে চট্টগ্রাম থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয় এবং আজ (বুধবার) ঢাকায় তা শেষ হবে। এর মধ্যে খুলনা ও বগুড়ায় সেমিনার ও সমাবেশ করেছে দল তিনটি।
৩৭২ দিন আগে
নয়াপল্টনে বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠনের যুব সমাবেশ বুধবার
বিএনপির তিনটি অঙ্গসংগঠন—যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল—আগামী বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বড় ধরনের যুব সমাবেশ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এতে অন্তত ১৫ লাখ তরুণ অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী।
তিনি বলেন, ‘আমরা চট্টগ্রামের সমাবেশে তরুণদের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। খুলনা ও বগুড়াতেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। ঢাকায় আমরা আশা করছি অন্তত ১৫ লাখ তরুণ অংশ নেবেন, যা পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে দেবে।’
তিনি জানান, ‘ঢাকা, সিলেট, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ থেকে তরুণরা সমাবেশে যোগ দেবেন।’
জিলানী বলেন, ‘তরুণরা ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এই সমাবেশে তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি তুলবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনে তরুণদের অংশগ্রহণ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।’আরও পড়ুন: নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে আশ্বাস পায়নি বিএনপি
১০টি বিভাগ থেকে তরুণদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে গত ২৮ এপ্রিল চারটি সেমিনার ও চারটি যুব সমাবেশের ঘোষণা দেয় বিএনপির এই তিন অঙ্গসংগঠন। এই কর্মসূচির শুরু হয় ৯ মে চট্টগ্রামে। এরপর খুলনা ও বগুড়ায় সমাবেশ হয়। শেষ সমাবেশটি হবে ২৮ মে (বুধবার) ঢাকায়।
ঢাকার সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে দলের রাজনৈতিক রূপরেখা ও ভবিষ্যৎ কৌশল উপস্থাপন করবেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদও সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। সংবাদ সম্মেলনে যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুনা লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি জানান, ‘এই দুই দিনের কর্মসূচি তরুণ প্রজন্মকে ঘিরেই তৈরি করা হয়েছে।’
তিনি জানান, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে ‘তরুণদের ভবিষ্যৎ ভাবনা, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি সেমিনার। এতে ঢাকা, ফরিদপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহের তরুণ প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বুধবার হবে ‘তরুণদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার’ সমাবেশ।
৩৭৪ দিন আগে