জামাত
শোলাকিয়ায় ঈদুল আজহার জামাত সকাল ৯টায়
উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদ জামাত কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এবারও অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত। ১৯৯তম এ জামাত অনুষ্ঠিত হবে ঈদের দিন সকাল ৯টায়।
জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে মাঠের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
প্রশাসন জানিয়েছে, শোলাকিয়ার ঐতিহ্য ও খ্যাতির কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও বিদেশ থেকে আসা মুসল্লিরাও প্রতি বছর এই জামাতে অংশ নেন। প্রতিবছরই মুসল্লির সংখ্যা বাড়ছে।
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, মসনদ-ই-আলা ঈশা খাঁর ষষ্ঠ বংশধর দেওয়ান হয়বত খান বাহাদুর ১৮২৮ সালে কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্বপ্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় সাত একর জমির ওপর ঈদগাহটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম জামাতে প্রায় সোয়া লাখ মুসল্লি অংশ নেওয়ায় এর নাম হয় ‘সোয়া লাখি মাঠ’, যা পরে উচ্চারণের পরিবর্তনে ‘শোলাকিয়া’ নামে পরিচিতি পায়।
এবারের ঈদ জামাত উপলক্ষে মাঠের ২৬৫টি কাতারের জন্য দাগ টানা শেষ হয়েছে। আগাছা পরিষ্কার এবং ছোট ছোট গর্ত ভরাট করে মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে।
ঈদ জামাত ঘিরে নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে।
১০১ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। এতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া বিরাজ করলে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (২৫ মে) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নগরবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও আনন্দময় ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে ১২১টি কাতারে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।’
আবদুস সালাম বলেন, ‘পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ, অযুখানা এবং নামাজের জায়গার ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য মোট চারটি ও বের হওয়ার জন্য মোট সাতটি গেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’
১০২ দিন আগে
বায়তুল মুকাররমে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত সকাল ৭টায়
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে। ঈদুল আজহায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
সোমবার (২৪ মে) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়। এতে ইমামতি করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মো. মিজানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারী ইসহাক।
দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমাম হিসেবে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ড বিভাগের পরিচালক ড. মাওলানা ওয়ালীয়ূর রহমান খান। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন চিফ খাদেম মো. নাসির উল্লাহ।
তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। এই জামাতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহ। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন খাদেম মো. রুহুল আমিন।
সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য চতুর্থ জামাতের ইমামের দায়িত্বে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন খাদেম মো. আব্দুল হাদী।
পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে। এই জামাতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক জুবাইর আহাম্মদ আল-আযহারী। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন খাদেম মো. আমির হোসেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, কোনো কারণে নির্ধারিত ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. শাহিদুল ইসলাম। এছাড়া বিকল্প মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন খাদেম মো. শামসুল হক।
বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সকল ইমাম, মুকাব্বির এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ের আগেই জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
১০৩ দিন আগে
শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদুল আজহার জামাত শুরু সকাল ৯টায়
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে আসন্ন ১৯৯তম ঈদুল আজহার জামাত উপলক্ষে প্রস্তুত্তিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও আয়োজক কমিটির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এ সভায় সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
১১৪ দিন আগে
বায়তুল মোকাররমে ঈদের ৫ জামাতে ইমাম থাকবেন যারা
প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ঈদের নামাজের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা পর পর চারটি ঈদের জামাত হবে। এছাড়া বেলা পৌনে ১১টায় আরেকটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৩০ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
এতে বলা হয়, সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল সাতটায় বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন মসজিদটির পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মুহিববুল্লাহিল বাকী। মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন (অব.) হাফেজ আতাউর রহমান।
দ্বিতীয় জামাতের ইমাম থাকবেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির থাকবেন মসজিদটির প্রধান খাদেম নাসিরউল্লাহ।
তৃতীয় জামাতে ইমাম থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস ড. মাওলানা মুফতি ওয়ালিউর রহমান খান। মুকাব্বির থাকবেন জাতীয় মসজিদের খাদেম আব্দুল হাদী।
আরও পড়ুন: ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত বাণিজ্য মেলার মাঠ
আর চতুর্থ জামাতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের সম্পাদক ড. মুশতাক আহমদ। মুকাব্বির থাকবেন বাইতুল মোকাররমের খাদেম মো. আলাউদ্দীন।
সর্বশেষ জামাতে ইমাম থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহ। খাদেম থাকবেন জাতীয় মসজিদের খাদেম রুহুল আমিন। এই পাঁচ জামাতের কোনো একটির ইমাম অনুপস্থিত তাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা জাকির হোসেন।
৫২৩ দিন আগে
মাওলানা সাদ কান্ধলভীর নিরাপদ আগমনের দাবি তাবলিগ জামাতের কিছু অনুসারীর
মাওলানা সাদপন্থী তাবলিগ জামাতের নেতারা বলেছেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উলামায়ে মাশায়েখ আয়োজিত ইসলামী সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের ৯০ শতাংশই দাওয়াত ও জামাতে অংশ নেননি।
এক লিখিত বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা বলেন, 'দাওয়াত ও তাবলিগ জামাতের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক না থাকলেও তারা ইস্যু সৃষ্টি করে স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। অংশগ্রহণকারীদের বেশিরভাগই মাদ্রাজের ছাত্র ছিল।
বুধবার (৬ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি নিয়ে তারা এসব কথা বলেন।
তারা বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের বিশ্ব আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভির নির্বিঘ্ন উপস্থিতি নিশ্চিত করাসহ পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন।
কাকরাইল মসজিদে সাদ সমর্থকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং বাংলাদেশে কাদিয়ানিদের আনুষ্ঠানিকভাবে অমুসলিম ঘোষণাসহ ৯ দফা দাবি ঘোষণার মধ্য দিয়ে উলামা-মাশায়েখ আয়োজিত মঙ্গলবারের ইসলামিক সম্মেলন শেষ হয়।
আরও পড়ুন: নাটোরে তাবলীগ জামাতের দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪০
বক্তারা সম্প্রতি টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে নিরীহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী সাদ কান্ধলভির সমর্থকদের বিচার এবং স্বঘোষিত আমির সাদের বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকানোর দাবি জানান।
তাদের অন্য দাবিগুলো হলো- কাকরাইল মসজিদে সাদ সমর্থকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা এবং বাংলাদেশে কাদিয়ানিদের আনুষ্ঠানিকভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা।
২০১৮ সালে টঙ্গীতে সাদ সমর্থককে হত্যা ও চার শতাধিক অনুসারী আহত করার অভিযোগে জুবায়েরের সমর্থকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
দাওয়াত তাবলিগকে বিশ্বব্যাপী একটি অরাজনৈতিক, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে তারা বলেন, এসব দাওয়াত কার্যক্রমের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষ ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ অর্জন করেছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং খ্যাতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সরকার ও প্রশাসনের ব্যাপক সহায়তায় বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে।
তাদের দাবি, আসন্ন বিশ্ব ইজতেমাকে সামনে রেখে একটি বিশেষ গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে তথাকথিত 'জুবায়েরপন্থী' তাবলিগের একটি স্বার্থান্বেষী দল দেশের কিছু উলামাকে বিভ্রান্ত করে এবং তরুণ মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে।
নেতারা আরও বলেন, মঙ্গলবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাদের আয়োজিত অনুষ্ঠান থেকে অসংখ্য মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
তবে তারা জানান, গত ৩ নভেম্বর জাতীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশের আলেমদের ঐক্যের ডাক দিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে জুবায়ের সমর্থক, কিছু অদূরদর্শী আলেম সমঝোতায় না এসে তাবলিগ ও বিশ্ব ইজতেমা ইস্যুতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন এবং পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার জন্য মরিয়া হয়ে অপচেষ্টায় লিপ্ত হচ্ছেন।
দারুল উলুম দেওবন্দের মুখপাত্র মাওলানা সৈয়দ আরশাদ মাদানী হাফিজুল্লাহ বলেন, ‘তাবলিগের দুই পক্ষই ঠিক। উভয় পক্ষের দারুল উলুম দেওবন্দ এবং উভয় পক্ষই দারুল উলুম দেওবন্দের অন্তর্গত। দূরত্ব কমান।’
পাকিস্তানের শায়খুল ইসলাম মুফতি তাকি উসমানীও কিছুদিন আগে বলেছিলেন, 'তাবলিগের দুই পক্ষই আমাদের ভাই। ঠিক যেমন হানাফী ও শাফেয়ী মাযহাবের অনুসারীরা। যে কেউ যাকে খুশি তাকে নিয়ে কাজ করতে পারে। এর আগে তিনি দুইবার বাংলাদেশের আলেমদের সহিংসতা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান।’
টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে প্রায় ৫৭ বছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই বৈশ্বিক দাওয়া সংগঠন বা বিশ্ব ইজতেমা।
আরও পড়ুন: শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন: জামাত সকাল ৯টায়
৬৬৭ দিন আগে
বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সিলেটে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত
ভারী বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সিলেটের শাহী ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ জুন) সকাল ৮টায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতি বছর লক্ষাধিক মুসল্লি এই ঈদগাহে ঈদের নামাজের জন্য একত্রিত হন। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এবার তাদের উপস্থিতি অনেক কম দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: বিপুল জমায়েতের মাধ্যমে দেশব্যাপী ঈদুল আজহা উদযাপন
জামাতে ইমামতি ও পরে দোয়া পরিচালনা করেন নগরের বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুফতি আবু হোরায়রা নোমান।
রবিবার ভোর ৪টা থেকে সিলেটে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। সকাল ৮টা পর্যন্ত চলা এ বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে মহানগরের অনেক এলাকা। রাস্তাঘাট ডুবে পানি ঢুকেছে অনেকেরই বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।
এ অবস্থায় শাহী ঈদগাহে মুসল্লির উপস্থিতি ছিল অনেক কম। বেশিরভাগ মুসল্লি বাসার পাশের মসজিদে ঈদের জামাত আদায় করেছেন।
এদিকে, ভারী বৃষ্টিতে সিলেট মহানগরের এয়ারপোর্ট রোড তলিয়ে গেছে। অনেক সড়কে হাঁটুর ওপরে পানি।
এ অবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জলাবদ্ধ এলাকাগুলোর মানুষগুলো। অনেকেই ঈদের জামাতে যেতে পারেননি।
অবশ্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগেই বলা হয়েছিল, ঈদের দিন সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত
ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রার্থনা ও ত্রাণ পাঠিয়ে এশিয়াজুড়ে মুসলিমদের ঈদুল আজহা উদযাপন
৮০৯ দিন আগে
কুমিল্লায় পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত জামায়াতের ইমামতি করেন কান্দিরপাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মুফতি মোহাম্মদ ইব্রাহীম ক্বাদেরী।
আরও পড়ুন: ত্যাগের মহিমায় ঈদুল আজহা উদযাপন করছে দেশবাসী
এসময় জামাতে অংশ নেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যাক্তিবর্গ।
নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রার্থনা ও ত্রাণ পাঠিয়ে এশিয়াজুড়ে মুসলিমদের ঈদুল আজহা উদযাপন
৮০৯ দিন আগে
শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন: জামাত সকাল ৯টায়
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া মাঠে দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ঈদুল আজহার জামাত নির্বিঘ্নে করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জামাত শুরু হবে সকাল ৯টায়।
জেলা ও পুলিশ প্রশাসন, ঈদগাহ কমিটির কর্মকর্তাদের তৎপরতা ও দিন-রাতের পরিশ্রমে নামাজের উপযোগী হয়ে উঠছে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান। এ মাঠে একসঙ্গে এক লাখের বেশি মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করেন। রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে বন্দুকের গুলির শব্দে নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার সংকেত দেওয়া হয়।
এরই মধ্যে মাঠে দাগ কাটা, বালু ফেলা, দেয়ালে রং করাসহ শোলাকিয়া ময়দানকে জামাতের উপযোগী করার কাজ শেষ হয়েছে। সংস্কার করা হয়েছে ওজুখানা ও টয়লেট। চলছে শোভাবর্ধনের কাজও।
তাছাড়া মুসল্লিদের জন্য সুপেয় পানি, মেডিক্যাল টিম, দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাসহ নানা আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে এরই মধ্যে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে বহুসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও কয়েকটি মেডিক্যাল টিম।
আরও পড়ুন: শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে ৬ লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়
দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের যাতায়াতের জন্য শোলাকিয়া স্পেশাল নামে দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থাও করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। ট্রেন দুটি মুসল্লি নিয়ে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে এসে নামাজের শেষে আবার ফিরে যাবে।
শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, সুষ্ঠুভাবে জামাত অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জামাতের মুসল্লিদের জন্য দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জামাত অনুষ্ঠিত হবে। যেন মুসল্লিরা নিরাপদে জামাতে এসে নির্বিঘ্নে ফিরে যেতে পারেন। জামাতে শুধু টুপি, মাস্ক ও জায়নামাজ ছাড়া কিছুই বহন করা যাবে না।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ জানান, ২০১৬ সালে শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার কথা মাথায় রেখে এবারও অন্যান্য বারের চেয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাঠসহ আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি জানান, নামাজের সময় ২ প্লাটুন বিজিবি, বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাব. আনসার সদস্যের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি মাঠে সাদা পোশাকে নজরদারি করবে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন। এছাড়াও মাঠসহ প্রবেশ পথগুলোতে থাকছে সিসি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ার। আর আকাশে উড়বে পুলিশের ড্রোন ক্যামেরা। এর ফলে নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে পারবেন।
মসনদ-ই-আলা ঈশা খাঁর ষষ্ঠ বংশধর দেওয়ান হয়বত খান বাহাদুর কিশোরগঞ্জের জমিদারি প্রতিষ্ঠার পর ইংরেজি ১৮২৮ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় ৭ একর জমির উপর এ ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন। সে বছর শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রথম জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি অংশ নেন বলে মাঠের নাম হয় “সোয়া লাখি মাঠ”। সেখান থেকে উচ্চারণের বিবর্তনে পরিণত হয়ে নাম হয়েছে আজকের শোলাকিয়া মাঠে। মাঠে একসঙ্গে দুই লাখেরও বেশি মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করেন। প্রায় সাত একর আয়তনের মাঠটিতে নামাজের ২৬৫টি কাতার রয়েছে। এবার এ মাঠে ১৯৭তম ঈদের জামাত হবে।
আরও পড়ুন: বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত সকাল ৭টায়
পদ্মায় গোসলে নেমে তাবলিগ জামাতের সদস্যের মৃত্যু
৮১১ দিন আগে
শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে ৬ লাখ মুসল্লির নামাজ আদায়
আনুমানিক ৬ লাখ মুসল্লি কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে ১০টায় এ ময়দানে ১৯৭তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের সর্ববৃহৎ ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে এখানে।
এদিকে চার স্তরের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সকাল ৯টার আগেই ঈদ জামাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায় ঈদগাহ ময়দান।
এ ঈদ জামাত পরিচালনা করেন স্থানীয় বড় বাজার মসজিদের ইমাম শোয়াইব বিন আব্দুর রউফ।
নামাজ শেষে শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘স্মরণকালের বৃহত্তম এবারের ঈদ জামাতে আনুমানিক ৬ লাখ মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন।’
রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে তিনবার বন্দুকের গুলি ফুটিয়ে নামাজ শুরুর প্রস্তুতি নিতে সংকেত দেওয়া হয় এবং জামাত ও খুতবা শেষে বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।
ঈদ জামাতে দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের যাতায়াতের জন্য ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুটি বিশেষ ট্রেন কিশোরগঞ্জে আসে।
কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে টুপি, মাস্ক ও জায়নামাজ ছাড়া সব কিছু বহন এবং শহরে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। মুসল্লিদের সহায়তার জন্য মাঠে বিপুল স্বেচ্ছাসেবক এবং কয়েকটি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করে।
কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, ২০১৬ সালে শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার কথা মাথায় রেখে এবার চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নামাজের সময় পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, বিপুল পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্যের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি মাঠে সাদা পোশাকে নজরদারি করেছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন। এছাড়া ময়দানে প্রবেশপথগুলোতে ছিল সিসি ক্যামেরা ও ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার। এছাড়া আকাশে উড়েছে পুলিশের ৪টি ড্রোন ক্যামেরা। ছয়টি ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে মাঠ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
মসনদ-ই-আলা ঈশা খাঁর ষষ্ঠ বংশধর দেওয়ান হয়বত খান বাহাদুর কিশোরগঞ্জের জমিদারি প্রতিষ্ঠার পর ইংরেজি ১৮২৮ সনে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় ৭ একর জমির উপর এ ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন।
ওই বছর শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রথম জামাতে সোয়া লাখ মুসুল্লি অংশগ্রহণ করেন বলে মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখি মাঠ’। সেখান থেকে উচ্চারণের বিবর্তনে নাম ‘শোলাকিয়া মাঠে’ পরিণত হয়েছে। প্রায় সাত একর আয়তনের মাঠটিতে ২৬৫টি কাতার রয়েছে।
৮৭৬ দিন আগে