আওয়ামী লীগ
তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত ।
মঙ্গলবার (৫ মে) ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ এ আদেশ দেন।
অবৈভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় আজ অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল। তবে তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা জানিয়ে সময়ের আবেদন করেছেন তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার।
তিনি বলেন, তোফায়েল আহমেদের বয়স ৮২ বছর। তিনি বার্ধ্যক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিনি কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতিশক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষম।
তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষার অনুরোধ জানিয়ে শুনানি পেছানোর আবেদন করেছেন তার আইনজীবী। তবে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন।
এই মামলার অন্য দুই আসামি হলেন—মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং মোশাররফ হোসেন। তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন জামিনে থেকে আদালতে হাজিরা দেন।
২০০২ সালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি করেছিলেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করেছেন। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে তিন জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।
১ দিন আগে
ময়মনসিংহের পাঁচবারের সাবেক এমপি মোসলেম উদ্দিন আর নেই
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনের আওয়ামী লীগ নেতা ও দলটি থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য হওয়া অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মোসলেম উদ্দিন ফুলবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, গণপরিষদের সাবেক সদস্য, জাতীয় সংসদ সদস্য ও ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, দুই মেয়েসহ আত্মীয়-স্বজন ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে মোসলেম উদ্দিনকে জাপান- বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তার ছেলে ইমদাদুল হক সেলিম বলেন, ঢাকার ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে বাদ যোহর তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া আগামীকাল (রবিবার) সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতিতে, বিকেল ৩টায় ফুলবাড়ীয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, বিকেল ৫টায় আলহাজ্ব মো. মোসলেম উদ্দিন এতিমখানা মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে নিউগী কুশমাইলের নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ময়মনসিংহ-৬ থেকে ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এই নেতা।
৪ দিন আগে
রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী
বিগত আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের আমলে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো যাচাই-বাছাই এবং প্রত্যাহারের সুপারিশ করতে সরকার ইতোমধ্যে দুটি কমিটি গঠন করেছে। গত ৫ মার্চ জেলা প্রশাসক (ডিসি)-এর সমন্বয়ে ৪ সদস্যবিশিষ্ট জেলা পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
জেলা কমিটির সুপারিশগুলো চূড়ান্তভাবে পর্যালোচনার জন্য ৮ মার্চ আইনমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত কমিটির নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো হত্যা মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। তবে বর্তমান প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যসহ যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা, এমনকি হত্যা মামলাও যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করা হলে তা উভয় কমিটি পর্যালোচনা করবে।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, যদি কোনো মামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক হিসেবে প্রমাণিত হয়, তাহলে তা প্রত্যাহারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা থেকে ভুক্তভোগীদের প্রতিকার প্রদানে আন্তরিকভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে আইনমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, জেলা পর্যায় থেকে আসা সুপারিশগুলো কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়মিতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে এবং মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
২০ দিন আগে
সাবেক এমপি সফুরা বেগম রুমীর জামিন নামঞ্জুর
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমীর জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে তাকে লালমনিরহাট আমলী আদালতে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে আজ (বৃহস্পতিবার) তাকে লালমনিরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়।
গ্রেপ্তার সফুরা বেগম রুমী লালমনিরহাট শহরের তালুক খুটামারা এলাকার বাসিন্দা। তিনি সংরক্ষিত নারী আসন-২ (লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম)-এর সাবেক সংসদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, নাশকতা ও হত্যাসহ ৫টি মামলার আসামি সফুরা বেগম রুমী ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে বুধবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর আজ বিকেলে তাকে লালমনিরহাট আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
আদালতে নেওয়ার পর তার পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হয়। তবে, বিচারক তাকে লালমনিরহাট সদর থানার একটি মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। লালমনিরহাট জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় হামার বাড়ি ভাঙচুর মামলায়ও তাকে জামিন দেওয়া হয়নি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু আহাদ খন্দকার লেলিন বলেন, আদালত একটি মামলায় জামিন দিলেও অপর একটি মামলার জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দিয়েছেন। আশা করছি আগামী কার্যদিবসে তিনি জামিন পাবেন।
লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, লালমনিরহাট সদর থানায় ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারিতে করা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২৭ দিন আগে
আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সফুরা বেগম রুমী গ্রেপ্তার
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান।
এর আগে, গতকাল (বুধবার) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সফুরা বেগম সংরক্ষিত নারী আসন-২ (লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম)-এর সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য পদে রয়েছেন।
প্রেস বিজ্ঞাপ্তিতে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, নাশকতা ও হত্যাসহ ৫টি মামলায় অভিযুক্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের নেত্রী অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমী ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে বুধবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে লালমনিরহাট নিয়ে আসা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
২৭ দিন আগে
আ.লীগ আমলের সামাজিক ভাতার তালিকা যাচাই করা হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রদত্ত বিভিন্ন ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন। তিনি বলেন, বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলের স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম দূর করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের ভাতা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অবৈধ ও মনগড়া কর্মসূচিগুলোও সংশোধন করা হবে।
রবিবার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রশ্নটি রাখেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ফারুক ও শাহাজাহান চৌধুরী।
প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে স্বৈরাচারমুক্ত একটি সার্বভৌম সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য জনগণকে সংসদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।
বিগত সরকারের সময়কার অনিয়মের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ফারজানা শারমিন বলেন, সে সময় সমাজকল্যাণ বিভাগ যেসব অবৈধ ও মনগড়া কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল, সেগুলো দ্রুত সংশোধন করা প্রয়োজন। বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকা ভাতাভোগীদের তালিকা পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে, যাতে প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিরাই এ সুবিধা পান।
ফ্যামিলি কার্ডের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ১৪টি ইউনিটে কাজ শুরু হয়েছে এবং সেখান থেকে ফিডব্যাক নেওয়া হচ্ছে। ভাতার কার্ডে থাকা অনিয়মগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের দিকে যাচ্ছি। একইসঙ্গে পূর্ববর্তী সময়ে প্রণীত আইন ও নীতিমালাও যাচাই করে একটি সুষ্ঠু নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
দেশে ভাতা কর্মসূচি চালুর কৃতিত্ব সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ কর্মসূচি প্রথম চালু করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সরকার তা বাস্তবায়ন করে। তবে অতীতে তালিকা প্রণয়নে ব্যাপক স্বজনপ্রীতি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মাঠপর্যায়ে তালিকা সংশোধনের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি জানান, উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব কমিটির মাধ্যমে তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদেরই কার্ড ও সরকারি সহায়তা দেওয়া নিশ্চিত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে যাদের প্রকৃত প্রয়োজন, তাদের কাছেই সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
৫২ দিন আগে
বরিশালে আ. লীগের সাবেক এমপি ইউনুসের জামিন
২০১৭ সালে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়ি ঘরে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিট্রন আদালতে তিনি হাজির হলে আদালতের বিচারক এসএম শরীয়াতুল্লাহ তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৫ মে নগরীর অনামী লেনে হামলার অভিযোগে ২০২৪ সালে বিএনপি কর্মী মো. সরোয়ার হোসেন কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের বরিশাল মহানগর সভাপতি সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর, জেলা সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসসহ ২১০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত ইউনুসের জামিন মঞ্জুর করেন।
এ ঘটনায় আদালতপাড়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। তবে জামিন পাওয়ার পর ইউনুস কারও সঙ্গে কথা না বলে মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এদিকে, জামিন মঞ্জুর করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলিরা।
৭২ দিন আগে
হবিগঞ্জ জেলা আ.লীগের কার্যালয়ের সামনে পতাকা উত্তোলন ও স্লোগান
হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ধ্বংসপ্রাপ্ত কার্যালয়ের সামনে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় ভিডিওটি নতুন নাকি পুরোনো তা যাচাইয়ের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
ভিডিওতে দেখা যায়, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট আন্দোলনকারীরা শহরের টাউন হল রোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের পুড়িয়ে দেওয়া কার্যালয়ের সামনে কয়েকজন যুবক ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে’, ‘রাজপথ কাঁপবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। তাদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা ছিল এবং কয়েকজনের মুখ ঢাকা ছিল।
ওই সময় একজন বক্তা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও জেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি আবু জাহিরের নির্দেশে আজ থেকে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় নেতাকর্মীদের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করা হলো।’
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে থাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি দুটি ভিডিও ও দুটি ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে দাবি করেন, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এবং হবিগঞ্জ সদর ও পৌর আওয়ামী লীগ, জেলা ও সদর উপজেলা যুবলীগ, জেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগ এবং তৃণমূল নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে সশস্ত্র জঙ্গি সন্ত্রাসীদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত কার্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কার্যালয়টি পুনরায় নেতা-কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয়ে একটি জাতীয় ও একটি দলীয় পতাকা টানানো রয়েছে। তবে স্থানীয় কয়েকজন জানান, এ বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোছা. ইয়াছমিন খাতুন বলেন, আমরা মাত্র ভিডিওটি দেখেছি। ঘটনাটি আজকের নাকি পুরোনো, তা নিশ্চিত হতে বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করার পর বলা যাবে।
৭৭ দিন আগে
ভারতে পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি দুই ভাই বেনাপোলে গ্রেপ্তার
সুনামগঞ্জ জেলার হত্যা মামলার আসামি আপন দুই ভাই সাদিকুর রহমান শামিম (৩৬) ও সাজিদুর রহমানকে (৩২) ভারত পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার করেছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাদিকুর রহমান শামিম ও সাজিদুর হালুরগাঁন এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে।
শামিম হোসেন বলেন, তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পারিবারিক মারামারির একটি মামলা রয়েছে তাদের নামে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, গ্রেপ্তার দুই ভাই বেনাপোল ইমিগ্রেশন ডেস্কে তাদের পাসপোর্ট জমা দিলে যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাদের নামে হত্যা মামলা পাওয়া যায়। এছাড়া কালো তালিকায় তাদের দুই ভাইয়েরই নাম রয়েছে। পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ইসলাম জানান, সুনামগঞ্জ জেলা থেকে আসা দুই ভাইকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তারা দুই ভাই হত্যা মামলার আসামি। সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে আসামিদের তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৭৭ দিন আগে
নাটোরে এনসিপির নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর, ২ কর্মী আহত
নাটোরের সিংড়ায় এনসিপির নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর ও ২ কর্মীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও দলীয় সূত্র জানায়, রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার সুকাশ ইউনিয়নের মৌগ্রামে এনসিপি প্রার্থী জার্জিস কাদিরের নির্বাচনি ক্যাম্পে খিচুড়ি ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। এ সময় স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল জলির মেম্বারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় বিএনপি কর্মীরাও জলির মেম্বারের সঙ্গে যোগ দিয়ে এনসিপির কর্মীদের পিটিয়ে তাদের নির্বাচনি কার্যালয়ের চেয়ার ভাঙচুর করে।
এনসিপি কর্মী আশিক রহমান অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা এই হামলা চালায়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুল কুদ্দুস জানান, এনসিপি কর্মীরা নিজেরাই নিজেদের অফিসের চেয়ার ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে আহাদ ও সুলতান নামে আহত ২ এনসিপি কর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নূর জানান, উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। তদন্তের পর সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা যাবে। তবে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।
৯৩ দিন আগে