আওয়ামী লীগ
মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালী আসিফ ইনান।
সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। রায়ে আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নথি অনুযায়ী, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে মোট সাতটি অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৮ জুন মামলার তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা। একই বছরের ৭ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরপর ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ও মামলাটি আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২৯ জন সাক্ষী ছিলেন। তাদের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের বিভিন্ন পর্যায়ে ২৭ জুলাই, ২৯ জুলাই ও ২ আগস্ট সাক্ষীদের সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়।
মামলায় আদালতে ১২৩ সিরিজের নথি ও ডকুমেন্ট প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ২৭টি বস্তুগত আলামতও প্রদর্শন করা হয়েছে।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৪ আগস্ট যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এ জন্য আদালত মোট নয় কার্যদিবস সময় দেন।
যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। নথিতে রায় ঘোষণার তারিখ হিসেবে ১৫ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলাটির বিচারিক নিষ্পত্তি হলো।
৪ দিন আগে
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় মঙ্গলবার
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্য প্রসিকিউটররা।
মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন: আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।
এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে আসামিদের ভূমিকা ছিল। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয় যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।
৫ দিন আগে
বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা
অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, এ ঘটনা কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা হয়েছে। আমরা ভিডিও দেখেছি। যারা হামলা করেছেন, তারাও নিজেরা ভিডিও করে এটা প্রকাশ করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘এই ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা ওই দেশে যা যা নেওয়া, এটার প্রসেস (প্রক্রিয়া) শুরু হয়েছে। আমরা অবশ্যই এটা ছেড়ে দেব না। এটা কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া যাবে না।’
‘আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, মাফিয়া গ্যাং’
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার প্রসঙ্গ তুলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কী বস্তু? আওয়ামী লীগ কারা করেন? আওয়ামী লীগ কী? তারা আমাদের সামনে আবার হাজির করছেন।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটা রাজনৈতিক দল কি না, এই আলাপটা আমরা কেউ কেউ করেছি, খুব করেছি। আমি আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল মনে করি না। ইট ইজ এ্যা মাফিয়া গ্যাং।’
আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে দেশে তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া উচিত কি না, বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনা সেই প্রশ্ন আবারও সামনে এনেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনি যদি যা যা ঘটিয়েছেন, এরপর যদি ন্যূনতম আপনার দুঃখবোধ থাকত, আপনার যদি রাজনীতিতে ফিরে আসার উদ্দেশ্য থাকত, এই সহিংসতাগুলো করা হতো না। কোনোভাবেই হতো না।’
‘বাঁধনের ওপর হামলা প্রমাণ করে তিনি সঠিক পথে ছিলেন’
বাঁধনের ওপর হামলাকে তার জন্য এক ধরনের অর্জন ও সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ‘আজমেরী হক বাঁধনের উদ্দেশে বলব, এটা এক ধরনের কী বলব, তার অর্জন, সম্মান প্রাপ্তি যে, আওয়ামী লীগের হেনস্তা হওয়ার শিকার হওয়া, একটা মাফিয়া গ্যাংয়ের শিকার হওয়া প্রমাণ করে আপনি আসলে সঠিক পথে ছিলেন।’
বাঁধন ফেসবুক লাইভে নিজেকে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করার প্রসঙ্গ তুলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘ইয়েস, আই অ্যাম।’
তিনি বলেন, ‘একইভাবে আমরা অনেকেই সেরকম আছি, আমরা হামলার শিকার হতে পারি। বাট উই ডোন্ট কেয়ার। একেবারেই না।’
১১ দিন আগে
ইতালিতে আ. লীগ সমর্থকদের হাতে হেনস্তা ও হামলার শিকার বাঁধন
ইতালির ভেনিসে স্থানীয় একটি পার্কে ভাই ও তার পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে একদল মানুষের হেনস্তা ও শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ফেসবুকে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে বাঁধন ঘটনার বর্ণনা দেন।
আরেকটি ভিডিওতে একদল মানুষকে অভিনেত্রীর ওপর হামলা করতে এবং তার দিকে ডিম, পানি ও কোকাকোলা ছুড়তে দেখা যায়।
ভিডিওতে হামলাকারীদের বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গী’ ও ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলতে এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বলতে শোনা যায়। তারা পুরো ঘটনাটি ভিডিও করছিলেন।
বাঁধন দাবি করেন, ঘটনার সময় তার মোবাইল ফোন ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং তার কানের কাছে আঘাত করা হয়। এ সময় তার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, হামলাকারীরা নিজেদের ভেনিস আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে তাকে লক্ষ্যবস্তু করেন।
বাঁধন বলেন, ‘আমি অবশ্যই জুলাইযোদ্ধা। জুলাইয়ে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি।’
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে এ ধরনের আচরণের সমালোচনা করে এই অভিনেত্রী বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
হামলাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি ভেনিস উৎসবে যে সিনেমাটি নিয়ে এসেছি, সেটির পরিচালক রুবাইয়াত হাসানের বাবা আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ছিলেন। আমি তার সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের পরেও কাজ করছি। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত ছিল। আপনারা এভাবে নিজেদের ফেরাতে পারবেন না।’
তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ভেনিসের স্থানীয় পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
বাঁধন বলেন, ‘একজন আজমেরী হক বাঁধনকে দমানো এত সহজ হবে না। আপনারা আজ সারা বিশ্বের মানুষকে দেখালেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী একজন অভিনেত্রীকে হেনস্তা করা হলো।’
এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনো রাজনৈতিক দলের অংশ হওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বর্তমানে ভাই ও তার পরিবারের সঙ্গে ভেনিসে অবস্থান করছেন বাঁধন। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ ছবিটির প্রদর্শনী উপলক্ষে তিনি সেখানে রয়েছেন। ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৮৩তম আসরের প্রতিযোগিতামূলক ‘অরিজন্তি’ বিভাগে ছবিটি প্রদর্শিত হচ্ছে।
৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে সালা দারসেনায় ছবিটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে উৎসবে বাংলাদেশের একটি চলচ্চিত্রের ঐতিহাসিক উপস্থিতি ঘটে।
ছবিটিতে চারটি প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাঁধন, জাইনিন করিম, রিকিতা নন্দিনী শিমু ও সুনেরাহ বিনতে কামাল। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রুবাইয়াত হোসেন।
‘রেহানা মরিয়ম নূর’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত বাঁধন বর্তমানে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। ভেনিসের ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।
১১ দিন আগে
রাজধানী থেকে সিলেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম পল্লবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মো. মাহফুজুল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গতকাল (শনিবার) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বাড্ডা থানা পুলিশ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে আবুল কাশেম পল্লবকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও জানান, সিলেট, বিয়ানীবাজারসহ বিভিন্ন থানায় পল্লবের বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনাসহ অন্তত ২০টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরও বিয়ানীবাজারে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে পল্লবের বিরুদ্ধে।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মিছিল-সমাবেশ আয়োজন এবং আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে গোপন বৈঠকের মাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর অভিযোগও রয়েছে।
২০ দিন আগে
ঝিনাইদহে সাবেক এমপি নায়েব আলী জোয়ার্দ্দারসহ গ্রেপ্তার ৫
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নাশকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা ও সাম্প্রতিক সময়ে শৈলকুপার সারুটিয়া ইউনিয়নে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল আয়োজনের অভিযোগে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নায়েব আলী জোয়ার্দ্দারসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ শহর ও শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন: শৈলকুপার দুধসর গ্রামের নায়েব আলী জোয়ার্দ্দার (৭২) ও বাদশা আলমগীর (৫৬), বালাপাড়া গ্রামের মাজিবুল ইসলাম (৫৭), গোসাইডাঙ্গা গ্রামের আল নাহিয়ান সাকিব (১৯) এবং মহিষাখোলা গ্রামের মো. হাসিবুল ইসলাম (২৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ভারতে অবস্থানরত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা, এলাকায় বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা এবং সারুটিয়া ইউনিয়নে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল আয়োজনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচ জনের বিরুদ্ধে শৈলকুপা থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। আজ (শনিবার) দুপুরে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
৩৫ দিন আগে
দিনদুপুরে লুট করা গরু দিয়ে আ. লীগ নেতাদের ভূরিভোজ
রংপুরের পীরগাছায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নেতৃত্বে চার দিনমজুরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছয়টি গরু, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ঘরের আসবাবপত্র লুট করার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
রবিবার (৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের দামুরস্বর গ্রামে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এ তাণ্ডব চালানো হয় বলে স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, ছাওলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও পাওটানাহাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি পশুচিকিৎসক রেজাউল করিম, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুকুল মিয়া এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব হোসেনের নেতৃত্বে ৭০ থেকে ৮০ জনের একটি দল সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালায়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলা হলে নিরাপত্তার খাতিরে বাড়ির লোকজন সরে গেলে ঘরের ফ্রিজ, আসবাবপত্র, সেচযন্ত্র, মোটর ও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর ও লুট করা হয়। পরে প্রায় ২০০ গজ দূরে সৈয়দ আলী, এরশাদ আলী ও রুবেল মিয়ার বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। সেখানে আটটি ঘর ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের পাশাপাশি নগদ টাকা, জমির দলিল, পাসপোর্ট, স্বর্ণালংকার ও ছয়টি গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী সৈয়দ আলী ও সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের ঘরে এখন থাকার বা খাওয়ার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই। চালডাল তো বটেই, রান্না করা তরকারির পাতিল পর্যন্ত নিয়ে গেছে তারা। হামলার সময় গ্রামের বিভিন্ন স্থানে লোকজন পাহারায় ছিল। ফলে কেউ তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারেননি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এ ধরনের হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের অভিযোগ, লুট করা একটি গরু জবাই করে হামলাকারীরা এলাকায় ভোজের আয়োজনও করেন।
আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আইয়ুব হোসেন ও রেজাউল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দাবি করেন, ঘটনার সময় তারা এলাকায় ছিলেন না। তারা বাইরে ছিলেন।
অপর অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মুকুল মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় দুপক্ষ থেকে দুটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। গরু লুটের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে।
৩৯ দিন আগে
সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের সঙ্গে আ.লীগ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০
সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ হামলায় উভয় পক্ষের ১০-১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের শ্রীডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদল গ্রুপের আহত ৮ জনকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, আওয়ামী লীগের একজন নেতাকে সদর হাসপাতাল ও আরেকজনকে অপর এক মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মঞ্জুরুল আলম বাপ্পী জানান, বিএনপি ও ছাত্রদল নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল। অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার বিষয়টি জানতে চাইলে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হোসেনকে নাজমুল আটকে রাখেন। খবর পেয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে তিনি সেখানে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় দুপক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক অর্ঘ্য জানান, ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল, যুবলীগ নেতা খালিদ ও আওয়ামী লীগ নেতা লাল্টুর নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি দাবি করেন।
তবে এ ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৪১ দিন আগে
গোপালগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫১ নেতাকর্মীর পদত্যাগ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ৫১ জন নেতাকর্মী দলীয় পদ ও সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা জানান, এখন থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।
রবিবার (২ আগস্ট) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মুকসুদপুর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এসব সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পদত্যাগকারীরা দলীয় সব পদ-পদবি ও সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন—মুকসুদপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল মোল্লা, সদস্য পলাশ মোল্লা, ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ, আওলাদ শেখ, আকরাম চৌধুরী, খোরশেদ মিয়া, সাইফুল শেখ, চাঁন শেখ, সিদ্দিক শেখ, সুমন মুন্সি, সালাম মোল্লা, হাসমত মোল্লা, ঠান্ডু শরীফ, শাজাহান মোল্লা, শাজাহান মৃধা, আবু সাইদ মিনা, মোহাম্মাদ শেখ, রশিদ শেখ, মফিজ শরীফ, হাসিব শেখ, সুমন শেখ, আমিরুল শরীফ, মাহাবুর শরীফ, মালেক শেখ, ফারুক মীর, তারেক মোল্লা ও আশরাফ আলী।
এছাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হান্নান শেখ, শাজন শিকদার, মামুন হাসান, সৈয়াদ শেখ, আবুল হোসেন (আবু), মাসুদ মুন্সী, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল হক, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হেমায়েত ফকির ও সদস্য নাসিরুদ্দিনও পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
এ ছাড়াও মুকসুদপুর উপজেলার উজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হরিদাস বিশ্বাস, সহ-সভাপতি প্রণয় কর্মকার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহন বাঁশি পান্ডে, সদস্য নিপেন পান্ডে, বুদ্ধি কান্তি পান্ডে, মৃতুঞ্জয় পান্ডে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক খিপু মোল্লা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইয়াদ আলী মোল্লা, মহারাজপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য সঞ্জিত দত্ত ও গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য কালাচান দাসও পদত্যাগকারীদের তালিকায় রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারীরা বলেন, তারা আওয়ামী লীগের সব ধরনের পদ-পদবি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ থেকে দলের সঙ্গে তাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই বলেও ঘোষণা দেন তারা।
৪৭ দিন আগে
৫ আগস্ট ঘিরে আওয়ামী লীগের নাশকতার মুরোদ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামী ৫ আগস্ট (জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস) ঘিরে আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটি মাঝে মধ্যে বিদেশ থেকে উঁকিঝুঁকি দিলেও উল্লেখযোগ্য কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কোনো নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মুরোদ আছে বলে তো আমার মনে হয় না। একে তো নিষিদ্ধঘোষিত দল, মাফিয়া শক্তি। তারা মাঝে মধ্যে বিদেশ থেকে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে, এর বেশি তৎপরতা তো দেখি না।’
৫ আগস্টকে সামনে রেখে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদন আছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আমাদের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে এটা সবসময় চালু থাকে, যাতে অরক্ষিত কোনো যানবাহন না রাখে। টিমের পুরুষ সদস্য যেন একসঙ্গে চা না খেতে যায়, তারা যেন গাড়ি রেখে সবাই একসঙ্গে বিশ্রাম না করে। গাড়ি সবসময় অন্তত একজন সদস্যের তত্ত্বাবধানে রাখা এবং সর্বত্র সতর্ক অবস্থান নিশ্চিত করা পুলিশের স্বাভাবিক অনুশীলনের অংশ। এটাকে অন্যভাবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।
আগামী ৫ আগস্ট উপলক্ষে সরকারের কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, এ বিষয়ে মঙ্গলবার সরকারের পক্ষ থেকে একটি সভা ডাকা হয়েছে। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিতব্য ওই সভায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। সভায় প্রধানমন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন।
৪৭ দিন আগে