ছুটি
ঈদের ছুটি শুরু, ঢাকা ছাড়ছে লাখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার থেকে টানা সাত দিনের ছুটি শুরু হয়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা ছেড়ে লাখ লাখ মানুষ নাড়ির টানে বাড়িতে ফিরছেন।
ঈদের এই দীর্ঘ ছুটিতে সরকারি অফিস, আদালত এবং অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ফলে বড় শহরগুলো থেকে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে মানুষের বাড়ি ফেরার ধুম লেগেছে। গতকাল ১৬ মার্চ (সোমবার) ছিল ঈদের আগে শেষ কার্যদিবস।
চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সরকার ১৮ মার্চকেও ছুটি ঘোষণা করেছে। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সোমবারই ছিল ঈদের আগে শেষ কর্মব্যস্ত দিন।
উল্লেখ্য, ঈদে যাতায়াত যেন নিরবচ্ছিন্ন হয়, সেজন্য ১৮ মার্চ ছুটির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা অনুমোদন দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের পর গত ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ওইদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। এর ফলে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের ঈদ ছুটি নিশ্চিত হয়েছে।
৫ দিন আগে
১১ দিনের ছুটিতে বুড়িমারী স্থলবন্দর
পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা ১১ দিন আমদানি-রপ্তানিসহ সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।
বুড়িমারী কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ছুটির এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাপ্তাহিক ছুটিসহ আগামী ১৭ মার্চ থেকে শুরু হয়ে এই ছুটি চলবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। টানা ১১ দিন আমদানি-রপ্তানিসহ সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর ২৮ মার্চ থেকে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ এই ছুটির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এএসএম নিয়াজ নাহিদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন, বিজিবি, ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা কাস্টমস, বিএসএফ এবং ভুটানের সংশ্লিষ্ট শুল্ক কর্তৃপক্ষসহ উভয় দেশের পরিবহন ও শ্রমিক সংগঠনকে দেওয়া হয়েছে।
ফারুক হোসেন বলেন, পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর এবং স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ১১ দিন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মানুষের যাতায়াতে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।
বুড়িমারী স্থলবন্দর পুলিশ অভিবাসন চৌকির (ইমিগ্রেশন) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান জানান, আমদানি-রপ্তানি বন্ধের চিঠি তারা পেয়েছেন। তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক থাকবে।
বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ১১ দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিষয়ে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন আমাদের চিঠি দিয়েছে। মূলত ব্যবসায়ীরা কাজ না করলে বন্দরের কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবেই বন্ধ থাকে।
অন্যদিকে, বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের উপকমিশনার মুহাম্মদ মহি উদ্দিন জানান, ১৭ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি তারা লিখিতভাবে জেনেছেন। তবে এ সময়ে যাত্রী পারাপার চালু থাকার পাশাপাশি কাস্টমসের অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।
৬ দিন আগে
মঙ্গলবার থেকে শুরু ৭ দিনের সরকারি ছুটি
আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি। সেই হিসেবে আজ সোমবার ১৬ মার্চই ঈদুল ফিতরের আগে সর্বশেষ কর্মদিবস।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আজ (সোমবার) ঈদের আগে সর্বশেষ অফিস করছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে এবার ঈদুল ফিতরে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা ৭ দিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
চলতি বছর রমজান ৩০ দিন ধরে ঈদের ছুটি নির্ধারণ করেছে সরকার। রমজানের ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদ হবে ২১ মার্চ।
এ বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদের দিন সাধারণ ছুটি। ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদের আগে-পরে দুই দিন করে মোট চারদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। সেই হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ঈদের ছুটি আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল।
তবে ঈদের আগে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের ছুটি রয়েছে। এরপর ঈদের নির্ধারিত ছুটি শুরু হওয়ার আগে মাঝখানে একদিন (১৮ মার্চ) অফিস খোলা ছিল।
কিন্তু ঈদে মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্নে টানা ৭ দিনের ছুটি নিশ্চিতে বিভিন্ন মহল থেকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবি উঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওইদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনও জারি করে।
১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটির মাধ্যমে টানা সাত দিনের ছুটির ব্যবস্থা করেছে সরকার। তাই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদুল ফিতরের ছুটি হবে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত।
৬ দিন আগে
সংবাদপত্রে ঈদের ছুটি ৫ দিন
এবার ঈদুল ফিতরে সংবাদপত্রে পাঁচ দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সংবাদপত্র মালিক সমিতি (নোয়াব)।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নোয়াবের নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে, গণমাধ্যমে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের ছুটি পালন করা হবে। সে হিসাবে ২০ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত কোনো সংবাদপত্র প্রকাশিত হবে না।
১১ দিন আগে
টানা ৪ দিনের সরকারি ছুটি শুরু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়েছে আজ বুধবার। সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টানা চার দিন, আর সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এক দিন পূজার ছুটিসহ টানা পাঁচ দিন ছুটি উপভোগ করবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বা প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়ে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। অন্যদিকে, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি এবং ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার পড়ায় সাপ্তাহিক ছুটি। আর ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রির ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এ ছাড়াও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এ বিষয়ে গত ২৫ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদ-বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি বহাল থাকবে।
ভোটের সময় ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের বিশেষ ছুটি পরবর্তীতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন বদল করা যাবে।
এ বিষয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি বহাল থাকবে, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ১০ ফেব্রুয়ারির পর সুবিধাজনক যেকোনো একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনকে ‘কর্মদিবস’ ঘোষণা করতে পারবে।
আগামীকাল (ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটাররা এবার দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন। একটি সাদা ব্যালট, এটি হবে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ব্যালট। আর গণভোটের জন্য থাকবে গোলাপি ব্যালট।
ইসির তথ্য অনুসারে, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৬০টি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫০টি দল।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী আছেন ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে ৫০টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। মোট নারী প্রার্থী আছেন ৮১ জন।
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিরাপদ নির্বাচন হিসেবে আয়োজন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নির্বাচন উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ৬ লাখ আনসার সদস্য, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং প্রায় ১ লাখ সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
৩৯ দিন আগে
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শুরু, আজ সাধারণ ছুটি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে সারা দেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শুরু হয়েছে। আজ থেকে শুরু হওয়া এই শোক চলবে আগামী ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন এই নেত্রীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গভীরভাবে শোকাহত। তার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
রাষ্ট্রীয় শোকের প্রথম দিনে আজ দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
এ ছাড়াও তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাতের জন্য আগামী শুক্রবার দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন করা হবে।
এর আগে গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও আজ বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে। আজ আমাদের পুরো জাতি গভীর শোক ও বেদনায় নিস্তব্ধ।
জানাজাসহ শোক পালনের সকল ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও সহযোগিতা করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
৮১ দিন আগে
সাপ্তাহিক ছুটি দুদিনই, প্রাথমিকের অন্যান্য ছুটি কমবে: উপদেষ্টা
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন বহাল রেখেই শিক্ষাপঞ্জির অন্যান্য ছুটি কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি মনে করি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মূল কাজই হচ্ছে স্বাক্ষরতা। স্কুল স্তরে যদি স্বাক্ষরতা করতে হয়, কতগুলো প্রতিবন্ধকতা আমাদের পার হতে হচ্ছে। কেন আমরা সহজে এগোতে পারছি না। এই বিষয়গুলো আমি আপনাদের সামনে প্রকাশ করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘স্কুলে যদি পড়াশোনা হতে হয় তবে প্রয়োজনীয় একটি শর্ত হচ্ছে কন্ট্রাক্ট আওয়ার, অর্থাৎ একজন শিক্ষক ছাত্রকে কতটুকু সময় দিতে পারছেন। এই কন্ট্রাক্ট আওয়ার প্রথমত নির্ভর করছে কত দিন স্কুল খোলা থাকে। আপনারা ক্যালেন্ডার দেখেন, ৩৬৫ দিনের মধ্যে আমার স্কুল খোলা থাকে মাত্র ১৮০ দিন। খেয়াল করেছেন ব্যাপারটা? পড়াশোনাটা যে হবে, স্কুল কত দিন খোলা পাচ্ছি? এর মানে আমাদের অনেক অপ্রয়োজনীয় ছুটি রয়ে গেছে।’
‘আমরা চেষ্টা করছি ছুটি যদি কিছু কমিয়ে আনা যায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে এটা করছি, কারণ বিচ্ছিন্নভাবে করলে হবে না।’
আরও পড়ুন: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতনস্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত
ছুটি কমানোর ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন থেকে কমিয়ে এক দিন করার চিন্তা আছে কিনা— জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আপাতত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ক্যালেন্ডারে ছুটি কিছুটা কমানো। আমরা যদি সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিনকে এক দিন করতে চাই, সেটা সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেহেতু একই রকম তাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলাদাভাবে করা কঠিন। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এক ধরনের দাবি আছে, শিক্ষকরা হচ্ছেন ভ্যাকেশন ডিপার্টমেন্টে, নন-ভ্যাকেশন হতে চাইলে এটা সঙ্গে সরকারের আর্থিক সংশ্লেষের প্রসঙ্গ আছে। ফলে এ ধরনের একটা চিন্তা আছে, তবে এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। তবে আমাদের ক্যালেন্ডারে যে ছুটি আছে সেক্ষেত্রে আমাকে কিছুটা কমিয়ে আনব।’
কোন কোন দিন ছুটি কমাবেন সেটা ঠিক হয়েছে কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা চূড়ান্ত হলে আপনাদের জানিয়ে দেব।’
১৯৬ দিন আগে
১০ দিনের দীর্ঘ ছুটিতে দেশের অর্থনীতির কী হাল?
ঈদের ১০ দিনের দীর্ঘ ছুটিতে বন্ধ সরকারি অফিস, ব্যাংক-বিমা, বন্দর, কলকারখানা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং দোকানপাট। সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন থেকে শুরু করে দেশের উৎপাদন খাতে এক রকমের স্থবিরতা নেমে এসেছে- বলছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসা সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে পাইকারি-খুচরা ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর থাকে রাজধানীর এমন বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, এতদিন পেরোলেও শুরু হয়নি দৈনন্দিন বেচা-কেনা এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম।
দীর্ঘ ছুটিতে স্থবিরতা নেমে এসেছে কাওরানবাজারে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্য সময়ের তুলনায় এবার ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ পার হলেও পণ্য সরবরাহ সেভাবে শুরু হয়নি।
কাওরানবাজারের পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী মোনতা গাজি বলেন, ‘সবজি থেকে শুরু করে অন্যান্য পণ্য মাত্র আসতে শুরু করেছে। একদিকে শহরে মানুষ কম, অন্যদিকে আড়তের কর্মচারীরা ছুটিতে থাকায় বেচাকেনা এক রকমের বন্ধ।’
একই অবস্থা পুরান ঢাকা, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী এবং সদরঘাটের আড়তেও। পণ্য পরিবহন মন্থর হওয়ায় ধীর গতিতে চলছে সরবরাহ এবং বাজার ব্যবস্থাপনা।
সদরঘাটের পাইকারি ব্যবসায়ী মকবুল হোসেন বলেন, ‘মৌসুমি ফল, মাছ, সবজি সব ধরণের পণ্য পরিবহণ চলছে ধীর গতিতে। রবিবারের আগে পুরোদমে কাজ শুরু হবে বলে মনে হয় না।’
পড়ুন: ঈদে বেনাপোল বন্দরে ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি বৈদেশিক রপ্তানি কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। বাংলাবান্ধা, ভোমরা ও বেনাপোল বন্দর বন্ধ ১০ দিন; এতে করে স্থলবন্দরের বাণিজ্য একেবারেই স্তিমিত।
চট্টগ্রাম বন্দর সচল থাকলেও একেবারে ধীর গতিতে চলছে পণ্য খালাস। বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের ছুটিতে আছে বেশিরভাগ কর্মী। পোশাক কারখানা বন্ধ থাকায় চাপ কম থাকলেও কর্মী অভাবে দেরি হচ্ছে জাহাজ পণ্য খালাসে।
কারখানা মালিক এবং ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো বলছে, এভাবে গড়পড়তা ঈদের ছুটি দেওয়ায় অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরে দীর্ঘ ছুটির পর ঈদুল আজহায়ও এমন ছুটিতে কারখানার উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ তাদের।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘এমনিতেই আমাদের অর্থনীতি চাপের মুখে। এ অবস্থায় ঈদুল ফিতরে ৯ দিন ছুটি দেওয়া হলো, এবার ১০ দিন। দেশের অর্থনীতির সবকটি খাত বন্ধ হয়ে আছে। এটা পাগলামি ছাড়া আর কিছু না। যেখানে একদিন বন্ধ দিয়ে পরদিন কারখানা চালু রাখা উচিত, সেখানে ১০ দিন ধরে সব বন্ধ রেখে বসে থাকার কোনো যৌক্তিকতাই নেই।’
তাসকিন বলেন, ‘এমন না মানুষ ১০ দিন ছুটি কাটিয়ে পূর্ণোদ্যমে কাজে যোগদান করবে। ঈদের আমেজ কাটতে কাটতে যাবে আরও এক সপ্তাহ। যদি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মাসে ২০ দিনই বন্ধ থাকে সেটির বিরূপ প্রভাব যেমনি মালিকদের ওপর পড়বে, একইভাবে ভোগাবে শ্রমিকদেরও।’
১০ দিনের ঈদের ছুটির যৌক্তিকতা প্রসঙ্গে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম বলেন, ‘টানা ১০ দিন ছুটি দেওয়া একটি বড় সিদ্ধান্ত- এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মনে হয় না সরকার অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা না করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিরূপ প্রভাব ফেলবে। এছাড়া স্বাভাবিকভাবেই দেশের অর্থনীতিতে এত লম্বা ছুটির আংশিক প্রভাব এড়ানোর সুযোগ নেই।’
অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ছুটিতে থাকলেও কারখানা ছুটির বেলায় কারখানা আইন মেনে ছুটির দেওয়ার পরামর্শ দেন এ গবেষক।
পড়ুন: ঈদুল আজহা উপলক্ষে বুড়িমারী স্থলবন্দরে ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
এছাড়া আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ ধরনের দীর্ঘ ছুটি সমস্যা সৃষ্টি করে উল্লেখ করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘লম্বা ছুটিতে গেলেও বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক উইং সচল রাখা খুব জরুরি ছিল। যেমন- এখন দেশের সবকটি ব্যাংক বন্ধ। যেসব ব্যাংক বা ব্যাংকের উইং আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে জড়িত তাদের ১০ দিন বন্ধ দিলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। চাইলে এই লম্বা ছুটিতে বিশেষায়িত বেশ কয়েকটি ব্যাংক খোলা রাখা যেত।’
এই দীর্ঘ ছুটিতে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের সুবিধা হলেও কীভাবে সীমিত মানুষ দিয়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা যায়—তার কোনো নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ছিল না। আগামীতে পরিকল্পনামাফিক ছুটি দিয়ে ক্ষতি এড়ানোর আহ্বান জানান এ অর্থনীতিবিদ।
২৮২ দিন আগে
২৩ দিনের লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে জবি
গ্রীষ্মকালীন ও আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে এ বছর টানা ২৩ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)।
মঙ্গলবার (২০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ মে (রবিবার) থেকে ১২ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ছুটি থাকবে।
এ ছাড়া, ছুটির শুরু ও শেষে শুক্র ও শনিবার থাকায় সবমিলিয়ে ২৩ দিন বন্ধ পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: অনশন ভাঙলেন জবির শিক্ষার্থীরা, দাবি পূরণের আশ্বাস
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ৪ জুন (বুধবার) থেকে ১২ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ইনস্টিটিউট, বিভাগ ও প্রশাসনিক দপ্তর বন্ধ থাকবে।
তবে এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিষেবার অন্তর্গত বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, নিরাপত্তা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি চালু থাকবে।
৩০৫ দিন আগে
ছুটির পর ছুটিতে সরকারি কর্মচারীরা
ছুটির পর ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ঈদে টানা ৯দিনের লম্বা ছুটির পর এবার মে মাসে দুবার তিনদিন করে ছুটি পেতে যাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন অনুসারে, আগামী ১ মে (বৃহস্পতিবার) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের সরকারি ছুটি। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। এতে একইসাথে তিন দিন ছুটি পাচ্ছেন তারা।
এছাড়া একইমাসে আরও একবার তিন দিনের ছুটি পেতে যাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা। আগামী ১১ মে (রবিবার) বুদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি। এরআগে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি আছে তাদের। অর্থাৎ একইমাসে দুবার তিনদিন করে ছুটি পাচ্ছেন তারা।
এরআগে গেল পবিত্র ঈদুল ফিতরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা লম্বা ছুটি কাটিয়েছেন। ঈদ উপলক্ষে আগেই পাঁচ দিন টানা ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। পরে নির্বাহী আদেশে আরও একদিন ৩ এপ্রিল ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর ফলে এবার ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিন ছুটি কাটিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন প্রায় ১৫ লাখ। ছুটির বিধিমালা অনুযায়ী, দুই ছুটির মাঝে নৈমিত্তিক ছুটি নেওয়ার নিয়ম নেই। নিলে তা টানা ছুটি হয়ে যাবে। অবশ্য অর্জিত ছুটি নেওয়ার সুযোগ আছে। এ ছাড়া ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ারও সুযোগ আছে।
আরও পড়ুন: ঈদের ছুটি শেষে সরকারি অফিস খুলেছে আজ
প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করতে হয়। সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়ার সুযোগ আছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলছে, যেসব অফিসের সময়সূচি ও ছুটি তাদের নিজস্ব আইনকানুন দিয়ে চলে (যেমন বাংলাদেশ ব্যাংক) অথবা যেসব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের (জরুরি সেবাসংক্রান্ত) চাকরি সরকার অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করেছে, সেগুলো নিজস্ব আইনকানুন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে এই ছুটি ঘোষণা করবে।
৩৩০ দিন আগে