ফরিদপুর
ফরিদপুরে শিশু আইরিন হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩
ফরিদপুরে নিখোঁজের ছয়দিন পর উদ্ধার হওয়া ৭ বছর বয়সী শিশু আইরিন আক্তার বিনা ওরফে কবিতা হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন তিন জনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন— ইসরাফিল মৃধা (২৪), শেখ আমিন (১৯) এবং নাছিমা বেগম (৪৫)।
আইরিন আক্তার বিনা ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাকা মিয়া বিশ্বাসের মেয়ে। সে স্থানীয় বোকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আইরিন বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন ২৫ এপ্রিল কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে এলাকাবাসীকেও বিষয়টি জানানো হয়।
এরপর কয়েকদিন ধরে পুলিশ ও স্বজনরা মিলে আইরিনের খোঁজ চালাতে থাকেন। তবে নিখোঁজের ৬ দিন পর ৩০ এপ্রিল সকালে স্থানীয় দুই ব্যক্তি কমিউনিটি ক্লিনিকের পূর্ব পাশে রেললাইনের ঢালে অবস্থিত একটি কলাবাগানে কাজ করতে গিয়ে দুর্গন্ধ পান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তারা একটি পঁচাগলা মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি আইরিনের বলে শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। একইসঙ্গে হত্যা মামলা করে তদন্ত শুরু করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ ও ডিবি।
তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুরে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ জানায়, প্রধান আসামি ইসরাফিল মৃধা শিশুটিকে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে আশ্রয়ন কেন্দ্রের একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। এতে শিশুটি বাধা দিলে এবং বিষয়টি তার মাকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিলে ইসরাফিল তাকে গলা টিপে হত্যা করেন।
হত্যার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তিনি মরদেহটি পাশের একটি বাড়ির বাথরুমের সেফটি ট্যাংকের ভেতর লুকিয়ে রাখেন। কয়েকদিন পর ওই বাড়ির মালিক নাছিমা বেগম টয়লেটে সমস্যা বুঝতে পেরে বিষয়টি তার ছেলেদের জানান। পরে ট্যাংক খুলে তারা ভেতরে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান।
পুলিশ জানায়, এরপর নাছিমা বেগম তার ছেলে শেখ আমিন ও আরেক ছেলে রহমানকে মরদেহটি সরিয়ে ফেলতে বলেন। তারা মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে দূরের একটি কলাবাগানে ফেলে রেখে আসে যাতে কেউ তাদের সন্দেহ না করে।
ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীর পরিহিত কাপড়, স্যান্ডেল, মরদেহ বহনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ড্রাম এবং একটি কম্বল উদ্ধার করেছে পুলিশ ।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালিয়েছি। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যব্স্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
নিখোঁজের সাত দিন পর ফরিদপুরে শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুরে সাত দিন ধরে নিখোঁজ থাকা কবিতা আক্তার নামে এক সাত বছর বয়সী মেয়ে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর সদরের গেরদা ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের অধীনে বাখুন্ডা রেল স্টেশন-সংলগ্ন কলাবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কবিতা বাখুন্ডা আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা বাকা বিশ্বাসের মেয়ে ছিল। পাঁচ বোনের মধ্যে কবিতা ছিল সবার ছোট। শিশুটি বোকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে কবিতা নিখোঁজ ছিল। এ ঘটনায় শিশুটির মা তাহমিনা বেগম গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্থানীয়রা জানান, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহটি প্রথম দেখতে পান ওই এলাকার বাসিন্দা সোনা শেখ ও দুলাল মিয়া নামে দুই শ্রমিক। তারা বাখুন্ডা রেলস্টেশনের পাশে অবস্থিত কলাবাগানে পড়ে যাওয়া একটি কলাগাছ অপসারণ করতে গিয়ে প্রথমে দুর্গন্ধ এবং তার সূত্র ধরে মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় ইউপি (ইউনিয়ন পরিষদ) সদস্যকে জানান।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মৃতদেহের পরণে কোনো পোশাক ছিল না। সালোয়ার দিয়ে শিশুটির মুখ বাধা ছিল। মরদেহটি উপুড় করা অবস্থায় পড়ে ছিল।
গেরদা ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকারিয়া খান জানান, সাড়ে ৯টার দিকে শ্রমিকরা কাজ করতে গেলে তারা দেখেন, বাগানে একটি কলাগাছ পড়ে আছে। সেটি অপসারণ করতে গিয়ে তারা গন্ধ পান। পরে মরদেহটি দেখতে পেয়ে তারা আমাকে জানান।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি জানার পর পুলিশকে খবর দেই। এরপর নিখোঁজ শিশুর মা ও বাবা ঘটনাস্থলে এসে শিশুটিকে শনাক্ত করেন।
মরদেহটি উদ্ধার করেন ফরিদপুর কোতয়ালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পীযূষ কান্তি হালদার। তিনি বলেন, মরদেহটি পঁচে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল। তা দেখে ধারণা করা যায়, যেদিন শিশুটি নিখোঁজ হয়, ওই দিনই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রাথমিকভাবে গলিত ও বিকৃত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শিশুটির পোশাক দেখে তার বাবা-মা তাকে শনাক্ত করেন। ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড।
তিনি বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
৬ দিন আগে
ফরিদপুরে ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক গ্রেপ্তার
ফরিদপুর সদর উপজেলার আলোচিত তিন হত্যাকাণ্ডের একমাত্র অভিযুক্ত আকাশ মোল্লাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশের যৌথ দল।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ভোরে সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে তার বাড়ির পাশের একটি কলাবাগান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ভোরের দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তাকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া র্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) গাজী মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর দ্রুত অভিযান চালানো হয়। তাকে বাড়ির পাশের কলাবাগান থেকে আটক করা হয়েছে। আটককালে তার কথাবার্তা অসংলগ্ন ছিল, যা তার মানসিক অবস্থার বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।’
গতকাল (সোমবার) রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামের আজগর মোল্লার বাড়ির উঠানে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, হঠাৎ করেই আকাশ কোদাল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই রাহেলা বেগম (৫০), আমেনা বেগম (৭৫) ও কাবুল (৪৫) নিহত হন। একই ঘটনায় রিয়াজ মোল্লা (৪৫) গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আকাশ মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে তার এই আচরণের পেছনে অন্য কোনো কারণ বা পরিকল্পনা ছিল কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আকাশকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে মামলার পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করা হবে।
৮ দিন আগে
ফরিদপুরে পদ্মা নদীতে জেলের বড়শিতে কুমির আটক
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে এক জেলের বড়শিতে ধরা পড়েছে একটি কুমির। পরে কুমিরটি নিয়ে জেলেরা ঘাটে আসেন। খবর পেয়ে কুমির উদ্ধার করতে খুলনা থেকে রওনা দিয়েছে বন বিভাগের একটি দল।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে জেলেদের বড়শিতে এই কুমিরটি ধরা পড়ে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের মতো মাছ ধরার সময় গোপালপুর ঘাটের নিকটে জেলেদের হাজারী বড়শিতে একটি কুমির আটকে যায়। পরে অন্যান্য জেলেরা মিলে কুমিরটিকে আটকে সকালে স্থানীয় কাজি বাড়ির ঘাটে নিয়ে আসেন।
কুমির ধরা পরার কথা শুনে তা দেখতে ভীড় করে উৎসক জনতা।
প্রত্যক্ষদর্শী স্বপন ব্যাপারী, রাজীব ব্যাপারী, রবিউল ব্যাপারি ও বিল্লাল খান জানান, প্রতিদিনের মতো তারা নদীতে বড়শি ফেলে মাছ ধরার জন্য যায়। কুমিরটি স্বপন ব্যাপারীর বড়শিতে আটকে গেলে সবাই মিলে সেটি উদ্ধার করে নদীর পাড়ে নিয়ে আসেন।
খবর পেয়ে স্থানীয় বন বিভাগ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ বলেন, কুমিরটির বিষয়ে আমরা বন বিভাগের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা এটি উদ্ধার করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এখন ওই স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চরভদ্রাসন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা ফজলে করিম বলেন, এটি যে একটি কুমির সেটা নিশ্চিত হয়েছি আমরা। কিন্তু কোন প্রজাতির কুমির তা আমাদের বিশেষজ্ঞরা না আসলে বলতে পারব না।
তিনি আরও বলেন, খুলনা থেকে আমাদের টিম রওনা দিয়েছে, তারা আসলে কুমিরটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেবে। তারাই পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবে।
৯ দিন আগে
সংসদে মানুষের মৌলিক অধিকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে: আযাদ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, সংসদে মানুষের মৌলিক অধিকারের অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে, যেগুলো পাস করা হয়েছে তা মৌলিক অধিকারের নয়।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর শহরতলীর মুসলিম মিশন মিলনায়তনে ফরিদপুর অঞ্চলের উপজেলা/থানার আমির, নায়েবে আমির ও সেক্রেটারি সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
বর্তমান সরকারপ্রধান নির্বাচনের আগে তাদের দলীয় প্রতীক ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেও সমর্থন চেয়েছিলেন। তবে কেন একই তফসিলের দুটি ভোটে অংশ নিয়ে একটি শপথ পড়লেন, আর ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায়কে ছুড়ে ফেললেন।
তিনি বলেন, আপনারা দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে এভাবে ছুড়ে ফেলতে পারেন না। আপনাদের মনে রাখতে হবে দেশটা সরকারের নয়, এটি সবার বাংলাদেশ।
ডাকসুর নেতাদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হলো থানা, আর ছাত্র নেতারা থানায় গিয়ে হামলার শিকার হন। তাদের অপরাধ কী ছিল?’
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন— আবার কি আয়নাঘর, গুমের মতো ঘটনা তৈরি করে বিরোধী দলকে দমন করা হবে?’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারকে বলব আপনার দলের মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণ করুন, নয়তো জনগণ তাদের প্রতিহত করবে, তখন কিন্তু পালাবার পথ পাবেন না।’
বিএনপির উদ্দেশে আযাদ বলেন, শিবিরকে রগ কাটার অপবাদ দেওয়া হয়, কিন্তু আমরা চট্টগ্রামে কী দেখলাম, আমার ভাইয়ের পায়ের রগ কেটেছে কারা?
তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে আবারও জুলাইয়ের মতো আন্দোলন হবে, এখনও সময় আছে জনগণের ভাষা বোঝার চেষ্টা করুন।
এ সময় নিজ দলের নেতা-কর্মীদের আগামীতে আন্দোলনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ফরিদপুর জেলার আমির মাওলানা বদরুদ্দীন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য শামসুল ইসলাম বরাটি, অধ্যাপক আবদুত তাওয়াব, ইমতিয়াজউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
১২ দিন আগে
ফরিদপুরে আসামির সমর্থকদের হামলায় ৫ পুলিশসদস্য আহত
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তার সমর্থকদের হামলায় ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের চর ছালেপুরে ছোরমান খাঁর বাজার নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন— চরভদ্রাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন হোসেন, এসআই মোজাম্মেল হক, এসআই মো. রফিকুজ্জামান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) গাজী সোহেল রানা ও কনস্টেবল উজ্জল হোসেন। তাদের চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মামলার আসামি কবির খাঁকে সকালে ওই এলাকায় পুলিশ সদস্যরা সাধারণ পোশাকে গ্রেপ্তার করতে যান। বাজার থেকে কবির খাঁকে গ্রেপ্তার করে তার হাতে হাতকড়াও লাগান তারা। এ সময় বাজারে থাকা কবির খাঁর ভাই ও তার স্থানীয় সমর্থকরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেন। হামলায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন।
চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান জানান, পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাদের মধ্যে দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তারা ভর্তি হননি।
চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুজ্জামান বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কবির খাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার ও হামলার ঘটনার আইনগত ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৫ দিন আগে
ফরিদপুরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে দুই ব্যবসায়ী নিহত, আহত ২৫
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস-পিকআপ সংঘর্ষে দুই বাঙ্গী ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার বাবলাতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে যাত্রীবাহী বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে ৪০ ফিট গভীর খাদে পড়ে উল্টে যায়। এ সময় পিকআপটিতে থাকা দুই যাত্রীর মধ্যে জাহাঙ্গীর মোল্লা (৪২) ঘটনাস্থলেই ও ঢাকা নেওয়ার পথে আলমগীর শেখ (৪০) নিহত হন। তারা দুজনই পেশায় ব্যবসায়ী। তাদের বাড়ি ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্ৰামে।
এ ছাড়াও বাসটিতে থাকা কমপক্ষে ২৫ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করেন। আহতদের ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহতদের সরকারি ও বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সযোগে ফরিদপুর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে অধিকাংশের হাত, পা, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে ও ভেঙে গিয়েছে।
এ বিষয় ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মামুন জানান, ফরিদপুর থেকে মাদারীপুরগামী শাহ ফরিদ নামের একটি বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা টেকেরহাট থেকে বাঙ্গী বোঝাই একটি পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ২ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পিকআপটি উদ্ধার করি। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
২৩ দিন আগে
বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর সব দেশেই জ্বালানির দাম বেড়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়দের ইসলাম রিংকু বলেছেন, বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর সব দেশেই জ্বালানি তেলের দম বেড়েছে। অনেক দেশে দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রেও জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশ বেড়ে গেছে। সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা ও ভারতসহ সব জায়গায় জ্বালানি তেলের দাম প্রচুর বেড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে জ্বালানির দাম এখনও বাড়েনি।
এটিকে বর্তমান সরকারের সফলতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সব পর্যায়ের জনগণ যাতে ভালো থাকতে পারে, আমরা তার চেষ্টা করছি। যুদ্ধের সময় যেন তাদের কোনো সমস্যা না হয়।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজ নির্বাচনি এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, জনগণকে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করতে হবে। যদি আমাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করতে হয়, তাহলে আমাদের জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা সমন্বয় হতে পারে। সেটাও জনগণকে নিরাপদ জায়গায় রেখে হতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এতে প্রভাবিত হচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমাদের দেশের প্রবাসীরা। যুদ্ধের কারণে আমাদের দেশের অর্থনীতি ও অন্যান্য দ্রব্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে যাতে থাকে, সেজন্য বর্তমান সরকার দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পররাষ্ট্রনীতি শুরু করেছিলেন। সৌদি আরবে প্রথম লোক পাঠিয়ে তিনি শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকার যখনই দায়িত্ব এসেছে, তখনই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশের সঙ্গে আমাদের একটি সুসম্পর্ক ছিল।
বিএনপির এই নেত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে যুদ্ধের সময়ও ইরানসহ সব দেশ বাংলাদেশকে একটি বন্ধু রাষ্ট্র হিসাবে মর্যাদা দিচ্ছে। আমার প্রবাসী ভাইয়েরা ওইসব দেশে সুরক্ষিত আছেন। বিভিন্ন পথে তেল ও গ্যাস—যেগুলো আমাদের আসার দরকার, সেগুলো আমরা পাচ্ছি। সেগুলোতে আমাদের কোনো সংকট হচ্ছে না।
নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর আগেও আমি এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছি। তখনও দেখেছি এর অবস্থা করুণ। আজকে দেখে আমি অত্যন্ত ব্যথিত। মানদণ্ডের দিক দিয়ে এটি কোনো পর্যায়ে পড়ে না। এখানে প্রয়োজনের যন্ত্রপাতি ও লোকবল নেই।
এ সময় ফরিদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা, ফরিদপুর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, ফরিদপুর সিভিল সার্জন মো. মাহমুদুল হাসান, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারি পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৩২ দিন আগে
ফরিদপুরে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে হামের রোগী, এক শিশুর মৃত্যু
সারা দেশের মতো ফরিদপুরেও বেড়ে চলছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এর মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রহিমা নামের ৭ মাস বয়সী একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) থেকে ২৪ ঘণ্টায় ১০টি শিশু হাম উপসর্গ নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সদর হাসপাতালসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ফরিদপুর মেডিকেলে আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া হাসপাতালে আসন সংকুলান না হওয়ায় হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগী।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৬৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রহিমা নামক একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি মাদারীপুর জেলার ঝাউদি সদর উপজেলার বাসিন্দা। হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৭ মার্চ সে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ৫ দিন চিকিৎসা শেষে গতকাল বিকেলে শিশুটি মৃত্যুবরণ করে।
এই স্বাস্থ্যকর্মকর্তা আরও জানান, যেসব রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে, তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।
৩৪ দিন আগে
ফরিদপুরে বসতবাড়িতে আগুনে পুড়ে কিশোর নিহত
ফরিদপুর সদর উপজেলায় বসতবাড়িতে আগুন লেগে তামিম মিয়া (১৬) নামে এক কিশোর দগ্ধ হয়ে মারা গেছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) রাত ১১টার দিকে উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা পূর্বপাড়া গ্রামে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। নিহত তামিম ওই গ্রামের দুবাই প্রবাসী রাফিক মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবারের দাবি, প্রতিবেশীর সঙ্গে জমিজমা-সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে ঘরে আগুন দিলে এই ঘটনা ঘটেছে। আগুনের কারণ তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে হঠাৎ করে রাফিকের বসতঘরে আগুন লাগে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ঘরে থাকা রাফিকের ছেলে তামিম দগ্ধ হয়। এ সময় বাড়ির অন্য সদস্যরা একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে অন্য বাড়িতে ছিলেন।
স্থানীয় লোকজন দগ্ধ তামিমকে দ্রুত উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে এলাকাবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।
ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট রাত সোয়া ১১টা থেকে দিবাগত রাত সোয়া ১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত তামিমের চাচা শওকত মিয়া বলেন, ‘প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। এ নিয়ে তারা শত্রুতা করে আগুন দিয়ে থাকতে পারে। কয়েকদিন আগেও তারা আমাদের হত্যার হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছি।’
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। আগুনে দুটি টিনের ঘর, একটি মোটরসাইকেল, টিভি, ফ্রিজ, নগদ টাকাসহ বাড়ির যাবতীয় আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমির হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৩৭ দিন আগে