স্থানীয় সরকার নির্বাচন
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জানতে ইসির সঙ্গে বসবে সরকার
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, তা জানতে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগামী সপ্তাহে হয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আমি হয়তো কথা বলব যে তাদের প্রস্তুতিটা কতদূর বা কী অবস্থা।’
তিনি বলেন, আসলে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও পরিচালনা করবে ইসি। মাঠ থেকে নির্বাচন উঠিয়ে নিয়ে আসবে তারাই।
মন্ত্রী বলেন, তবে যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে, এখানে নির্বাচনের যে খরচ এবং অন্যন্য যে বিষয়গুলো যেমন: মেয়াদ কবে উত্তীর্ণ হচ্ছে, কী হচ্ছে—এই বিষয়গুলো আমরা সহায়তা দেব।
তফসিলের বিষয়ে কোনো তথ্য জানা গেছে কি না, জানতে চাইলে মীর শাহে আলম বলেন, তফসিলের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিটা আমরা এখনও জানি না। তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এ প্রশ্নের উত্তর ইসি দিতে পারবে।
সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকারের প্রস্তাব তো আমি এর আগেও বহুবার বলেছি যে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে এই পাঁচটি নির্বাচন করবার জন্য যে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন, সেটা আমরা রেখেছি।’
১০ দিন আগে
যথাসময়ে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরেই নির্বাচন হবে: মঈন খান
সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুন মেনে যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরেই নির্বাচন হবে এবং সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হবেন—এটাই সরকারের প্রত্যাশা।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হবে এবং কতদিনের মধ্যে নির্বাচন শেষ হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া রয়েছে। তাই নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করে এখনই কিছু বলা যুক্তিসংগত হবে না।
তিনি বলেন, ‘সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় নিয়মকানুন অক্ষরে অক্ষরে পালন করে যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘোষণা করা হবে।’
এক বছরের মধ্যে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার কোনো পরিকল্পনা বা লক্ষ্য রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার কোনো আলাদা টার্গেট নেই। আমাদের জনগণের সরকার, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আমরা এই সরকার গঠন করেছি এবং এটাই আমাদের সরকারের টার্গেট।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুধু সিটি করপোরেশনকে কেন্দ্র করে নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন রয়েছে এবং প্রত্যেকটি স্তরেই নির্বাচন হবে।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়নি। ‘দীর্ঘদিন পরে আমরা সৌভাগ্যবান যে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা আজকে আপনাদের সামনে এসেছি।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের নিয়মকানুন মেনে, আমাদের সরকারের নীতি অনুযায়ী এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানোর জন্যই আমরা এ দেশে নির্বাচন করব।
তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরে নির্বাচন রয়েছে। প্রত্যেকটি স্তরে নির্বাচন হবে এবং সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধিরা সেই নির্বাচনে নির্বাচিত হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
জনগণের সেবা হবে প্রধান অগ্রাধিকার
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকার সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমার অগ্রাধিকার হচ্ছে জনগণ।’ তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয় অন্য অনেক মন্ত্রণালয়ের তুলনায় ব্যতিক্রমধর্মী। কারণ এই মন্ত্রণালয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা। বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় অগ্রগণ্য এবং এটি জনগণের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে।
স্থানীয় সরকারকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় যদি সঠিকভাবে কাজ করে এবং জনগণকে সঠিকভাবে সেবা দিতে পারে, তাহলে পুরো বাংলাদেশ ও সরকার সঠিকভাবে চলবে। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা এই গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেছি।
তৃণমূলের মানুষের কাছে সেবা পৌঁছানোর অঙ্গীকার
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাজ তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, সরকারের নীতি ও কর্মপদ্ধতির মাধ্যমে জনগণের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে চান তিনি।
তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয় তৃণমূলের সঙ্গে কাজ করে। আমরা এই মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে পারলে এবং আমাদের সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে আমরা সফল হব। আমাদের সরকারও সফল হবে।
মন্ত্রী জানান, তার সঙ্গে থাকা প্রতিমন্ত্রীর স্থানীয় সরকারে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি একসঙ্গে কাজ করতে চান। তার অভিজ্ঞতা থেকে নিজে অনেক কিছু শিখতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।
দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিতরা অগ্রাধিকার পাবে
মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের সব মানুষের সেবা করবে। তবে সমাজের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকার দেশের কোটি কোটি মানুষের সেবা করে, সবার প্রতিনিধিত্ব করে। তবে সরকারের মূল লক্ষ্য থাকবে সমাজের ভাগ্যাহত, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি। তারা হবে অগ্রাধিকার।
এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, সচ্ছল ও ধনী মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই মেটাতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের সহায়তা বেশি প্রয়োজন।
মন্ত্রীর ভাষ্যে, ‘যারা সচ্ছল ও ধনী, তারা নিজেদের প্রয়োজন ও কার্যক্রম নিজেরাই পরিচালনা করতে পারে। কিন্তু যারা দরিদ্র, তাদের সরকারের সহায়তা বেশি প্রয়োজন। বাংলাদেশে কাগজে-কলমে হিসাব করলে শতকরা ৪০ শতাংশ মানুষ এখনও কোনো না কোনোভাবে দরিদ্র।’
বিগত সরকারের সময়ে দরিদ্র মানুষের অধিকার হরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী।
ড. মঈন খান বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান দরিদ্র মানুষের পক্ষ হয়ে কথা বলছেন। তাদের উন্নয়নের জন্য তিনি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের প্রথা প্রবর্তন করেছেন।’
তিনি বলেন, আমার মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন মেটাতে সেবা দেওয়া। অতীতে সরকারের পক্ষ থেকে আমি এ বিষয়ে কাজ করেছি এবং ভবিষ্যতেও জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে, জনগণের কাতারে দাঁড়িয়ে এ দেশের সেবা করতে চাই।
১২ দিন আগে
চলতি অর্থবছরেই পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে: শাহে আলম
চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদসহ পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সোমবার (১৭ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হবে জানতে চাইলে মীর শাহে আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে পাঁচটি নির্বাচন করার জন্য টাকা রাখা হয়েছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের জন্য এই অর্থ রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রাথমিকভাবে হিসাব করেছি, এই পাঁচ স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করতে আমাদের প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার কম-বেশি প্রয়োজন হবে।
নির্বাচনের সময় নির্ধারণে আর্থিক বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আর্থিক বিষয়টিও জড়িত রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং অর্থ বিভাগসহ আমরা বসে সময়টি নির্ধারণ করব।’
এরপর তিনি সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমি আবারও আপনাদের কাছে স্পষ্ট করছি যে, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন এই সরকার সমাপ্ত করবে এবং এর কোনো ব্যত্যয় হবে না, ইনশাল্লাহ।’
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হওয়ার কথা বলেছিলেন তথ্য উপদেষ্টা, এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই উত্তরটা তথ্য উপদেষ্টা দিতে পারবেন। কারণ আমি তো এটার উত্তর দেব না। কারণ উনি আগস্টে বলেছেন, এটা উনাকেই বলতে হবে যে আপনি কেন আগস্টে বলেছেন।’
তবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তার কাছে থাকা তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, আমার কাছে যেটুকু তথ্য আছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমি এই তথ্যটি দিলাম।
চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে পুনরায় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আপনাদের কাছ থেকে আমরা আগামী বছরের জুন মাস পর্যন্ত সময় নিয়েছি। যত তাড়াতাড়ি নির্বাচনটা দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের হাতে দায়িত্ব দিতে পারি তত তাড়াতাড়ি আমাদের জন্য ভালো।
নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি ও অর্থের সংশ্লিষ্টতার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিসহ এখানে অর্থের সংশ্লিষ্টতাও রয়েছে। সব মিলিয়ে যত দ্রুত নির্বাচনগুলো শুরু করা যায় সেটার চেষ্টা করব আমরা।
১৮ দিন আগে
চলতি অর্থবছরেই সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সিলেট নগরীর পারাইরচক এলাকায় সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তর রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করা। আগস্টের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ, অর্থ বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে বৈঠক করে কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে রায় হয়েছে। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং আদালতের রায় কার্যকর করা হবে।
এ সময় সিলেট সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য নগরের তুলনায় সিলেট অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন। খাল খনন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমেও সিসিক ভালো কাজ করছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, সিলেট সিটি করপোরেশন ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের যৌথ উদ্যোগে ২০২৪ সালে একটি প্রকল্প চালু হলেও তা পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়নি। এখন থেকে প্রকল্পটি পুরোপুরি চালু হবে। এর আওতায় নগরের বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে প্লাস্টিকজাতীয় অংশ লাফার্জ সুরমা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করবে। অন্যদিকে, অবশিষ্ট জৈব বর্জ্য থেকে সার উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালেক, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২৯ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখানোর আহ্বান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপিকে লালকার্ড দেখানোর জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আয়োজিত জুলাই জাগরণ কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করেছে এবং সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কার্যকর অবস্থান নেয়নি।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে বিএনপি শুধু ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। এ কারণে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণকে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, উত্তরাঞ্চলের সংগঠক নাহিদ উদ্দিন তারেক, হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির আহবায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সদস্য সচিব মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিন, আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এনসিপির চেয়ারম্যান প্রার্থী কামাল আহমেদ প্রমূখ।
৩৮ দিন আগে
এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ ইসির
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক এবং ঋণখেলাপিদের অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের দ্বাদশ সভায় এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়। অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি পারবেন না, এই বিষয়ে কমিশন মনে করে, না; এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হন।
তিনি বলেন, ঋণখেলাপির যে বিষয়টি আছে, এখানে দুটি ক্ষেত্র রয়েছে। একটি হচ্ছে বন্ধকদাতা এবং অন্যটি জামিনদার। যিনি ব্যক্তিগতভাবে বন্ধকদাতা, তিনি তো আছেনই; কিন্তু যারা তাদের জামিনদার হয়েছেন, তাদেরও ঋণখেলাপি হিসেবে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার একটি প্রস্তাবে আমরা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি। পাশাপাশি বিল খেলাপি, যেমন ধরুন আপনার বিদ্যুৎ বিল, ভূমি কর, ওয়াসার বিল; এ ধরনের সেবা প্রদানকারী সংস্থার কোনো বিল খেলাপি থাকলে, সেটা ব্যক্তিগত হতে পারে বা প্রাতিষ্ঠানিক হতে পারে।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ধরুন, আমি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার, কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠানই বিল খেলাপি করেছে। সেক্ষেত্রে এটি অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা যাবে না। আবার দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদেরও আমরা মনে করি, কমিশন মনে করে, তাদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। আপনারা জানেন, সংবিধানে এ বিষয়ে একটি সীমাবদ্ধতা দেওয়া আছে।
৪৫ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কে করবে না করবে, তা আদালত ও ইসির বিষয়: রিজভী
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কে অংশ নিতে পারবে, আর কে পারবে না—সেটি আদালত ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিষয়। এ বিষয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বিবেচ্য নয়।
রবিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বিএনপির পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ চেয়েছে, এক্ষেত্রে বিএনপির অবস্থান কী—জানতে চাইলে রিজভী বলেন, আমাদের প্রার্থিতা কীভাবে বাছাই হবে, সেটা আমাদের দলের বিষয়। এবার যেহেতু দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে কে নির্বাচন করবে, কে করবে না—এটা আদালতের বিষয়, এটা নির্বাচন কমিশনের বিষয়। তারা প্রচলিত আইন এবং নতুন প্রণীত আইন অনুযায়ী বিষয়টি নির্ধারণ করবেন।
তিনি বলেন, অন্য রাজনৈতিক দল কী বলল, না বলল—সেটা বিষয় নয়। প্রচলিত আইন অনুযায়ী কারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বা পারবেন না, সেটি পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের। আমরা বিষয়টি তাদের ওপরই ছেড়ে দিয়েছি।
বিএনপির প্রার্থিতা কীভাবে বাছাই করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, দল এবং আমাদের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম এ বিষয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ডিসেম্বরে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দলের মহাসচিব বলেছেন, চেয়ারম্যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, কাউন্সিল হবেই। তবে কোন মাসে, কবে হবে—সেটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি বলেন, খুব দ্রুতই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশা করছি। তারিখ ও সময় নির্ধারণ হলে তা আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
এর আগে, দুপুর ১২টার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহকারী দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।
তারা নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে দলটির নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন (অডিট রিপোর্ট) হস্তান্তর করেন।
বিএনপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ পঞ্জিকাবর্ষে তাদের মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। বর্তমানে বিএনপির দলীয় তহবিলে উদ্বৃত্ত বা জমা রয়েছে ৬ কোটি ৭ লাখ টাকা।
সাধারণত দলের সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দেওয়া অনুদান এবং দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির অর্থ থেকে আয় দেখায় রাজনৈতিক দলগুলো। অন্যদিকে, দলের সারা বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রচারপত্র ও পোস্টার প্রকাশনা, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয়গুলোর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং দুঃস্থ নেতাকর্মীদের সহায়তার খাতে ব্যয়ের হিসাব দেখায়।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলের জন্য প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ববর্তী পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের অডিট রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কোনো দল পর পর তিন বছর হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের আইনি বিধান রয়েছে।
৪৭ দিন আগে
অন্য কোনো নামে আওয়ামী লীগ কর্মসূচি পালন করতে পারবে না: তথ্য উপদেষ্টা
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অন্য কোনো নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ কর্মসূচি পালন করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রবীণ আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠন হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সফট বা হার্ড আওয়ামী লীগ না। আমি আগেও বলেছি, এই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) বিএনপিও তো নাই, আছে কি? স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কি বিএনপি আছে? জামায়াত, এনসিপি আছে? নেই। এক সময় ছিল, মানে যে আইনটা মাঝখানে পরিবর্তিত হয়েছিল আওয়ামী লীগের সময়, সেখানে একটা নির্বাচনে দল ছিল, সেটা হচ্ছে চেয়ারম্যান বা মেয়র। তখনও কিন্তু মেম্বার এবং কমিশনার নির্বাচনে কোনো দল অংশগ্রহণ করত না। এখন এটা তুলে দেওয়া হয়েছে, মানে আমরা আগের জায়গায় চলে গেছি।’
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচনে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াত কেউই অংশগ্রহণ করছে না। এটা হলো একদম নিশ্চিত কথা। আর দ্বিতীয় কথাটি হচ্ছে, রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের একটা আলাপ মাঝে মাঝে কোথাও কোথাও দেখা যায়, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কর্মসূচি যত দিন নিষিদ্ধ আছে, তত দিন সে যে নামেই হোক না কেন, রিফাইন্ড হোক বা অন্য কোনো নতুন আওয়ামী লীগ, তৃণমূল আওয়ামী লীগ—যাই বলি না কেন, কোনো নামেই আওয়ামী লীগ কর্মসূচি পালন করতে পারবে না। এই জিনিসটা আমাদের বুঝতে পারতে হবে।’
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশকে বর্তমান সরকার আইনে পরিণত করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার মানে সরকারের অবস্থান হচ্ছে, সরকার মনে করে আদালত আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি হবে না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দলটির কর্মসূচি নিষিদ্ধ থাকা উচিত। আমি আগের দিনই বলেছিলাম, এটা আসলে আদালতের এখতিয়ার।
৬৬ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: মির্জা ফখরুল
পরবর্তী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, নির্ধারিত সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সর্বোচ্চসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিকে এ পদ্ধতির আওতায় আনার জন্য নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই মুহূর্তে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বেতন বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের কাছে নেই।
তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের অধীন নির্বাচিত কোনো জেলার সংসদ সদস্যগণ উক্ত জেলার পরিষদের উপদেষ্টা হবেন এবং তার পরিষদের কার্যাবলি সম্পাদনে পরামর্শ প্রদান করবেন।
৬৬ দিন আগে
১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম পর্যায়ে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রবিবার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়তে এনসিপির ব্যানারে অংশ নিতে সারা দেশ থেকে হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। সেখান থেকে কঠোর যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম ধাপে ১০০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়াটি চলমান থাকবে এবং আগামী ২০ মে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর তালিকা জনগণের সামনে তুলে ধরাই এনসিপির লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির এই নেতা বলেন, এনসিপি কেবল নিজেদের কর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের পরিশ্রমী ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব, যারা অতীতে মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে লিপ্ত ছিলেন না এবং যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট শক্তির কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই, তাদের স্বাগত জানানো হচ্ছে। এমনকি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সৎ ও জনবান্ধব নেতারাও যদি এনসিপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তবে তাদের আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। সার্বিক যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় সামাজিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। শিক্ষার্থী, শ্রমিক, নারী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও এনসিপির ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
১১৭ দিন আগে