সম্পাদক
৫ আগস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরতে চাই না: তারেক রহমান
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করলে জাতিকে সঠিক পথে নেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মতপার্থক্য যেন মতবিভেদে পরিণত না হয়। মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। আমরা ৫ আগস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরতে চাই না।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে বনানীর হোটেল শেরাটনে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যেন সেগুলোর সমাধানে মনোযোগ দেয়, সে বিষয়ে নিজেদের বক্তব্যে তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সম্পাদকেরা।
নিজের বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, অতিথিদের বক্তব্য থেকে কয়েকটি বিষয় ফুটে উঠেছে।… একজন বক্তা বলেছেন যে আগামী দিন, অর্থাৎ আমাদের ভবিষ্যৎ কেমন হবে। আমরা অবশ্যই আর ৫ আগস্টের আগে (আগের পরিস্থিতিতে) ফিরে যেতে চাই না। আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো কারণ নেই আমাদের।
তিনি বলেন, হিংসা, প্রতিশোধ, প্রতিহিংসার কারণে একটি মানুষ, একটি দলের কী পরিণতি হতে পারে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তা আমরা দেখেছি। তাই আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সেটিকে পাশে রেখে আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান আমরা বের করে আনতে সক্ষম হব।
কোনোভাবেই মতপার্থক্য যেন মতবিভেদের পর্যায়ে চলে না যায়। বিভেদের মাধ্যমে জাতিকে বিভক্ত করে ফেললে কী হতে পারে, আমরা দেখেছি। আজকে আমরা অনেক বিভেদ, হতাশার কথা শুনি। তবে হতাশা থাকলেও অনেক পরিকল্পনাও কিন্তু আছে বলে জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, দেশে ফিরে আমি যতটুকু যে কয়টি জায়গায় গিয়েছি, আমার মনে হয়েছে, নতুন প্রজন্ম একটি গাইডেন্স (দিকনির্দেশনা) চাইছে, একটি আশা দেখতে চাইছে। শুধু নতুন প্রজন্ম কেন, আসলে সবাই একটি গাইডেন্স চাইছে বলে মনে হয়েছে। আমরা যারা রাজনীতি করি, তাদের কাছে সবার অনেক প্রত্যাশা। সব প্রত্যাশা হয়তো পূরণ করা সম্ভব নয়, কিন্তু আমরা রাজনীতিকরা যদি ১৯৭১ সাল, ১৯৯০, ২০০৪, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট—এই সবগুলোকে সমানে রেখে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করি, তাহলে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার আছে মনে হয়, আমরা জাতিকে একটি সঠিক পথে পরিচালিত করতে সক্ষম হব।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আরও বক্তব্য দেন সাংবাদিক রেজাউল করিম রনি, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদুর রহমান, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই সিকদার, সাংবাদিক মমতাজ বিলকিস, ঢাকা স্ট্রিমের সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, বর্ষীয়ান সাংবাদিক শফিক রেহমান এবং বিএনপি বিটের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক।
৯ দিন আগে
তরুণদের কর্মসংস্থান করতে না পারলে ৫ আগস্ট, একাত্তরের প্রত্যাশা ধ্বংস হয়ে যাবে: তারেক
দেশের মোট জনসংখ্যার একটা বড় অংশ তরুণ উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই তরুণদের জন্য যদি আমরা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারি, তাহলে ৫ আগস্ট হোক, কিংবা ৯০ বা ৭১, সব প্রত্যাশা ধ্বংস হয়ে যাবে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বনানীর হোটেল শেরাটনে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, এ দেশে ২০ কোটির মতো মানুষ, যার মধ্যে একটি বড় অংশ তরুণ সমাজের সদস্য। এই তরুণ সমাজের জন্য কীভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়, দেশের ভেতরে হোক কিংবা বাইরে, তা আমাদের ভাবতে হবে। আমরা যদি কাজটি করতে সক্ষম না হই, তাহলে আমরা ৫ আগস্ট বলি, ৯০ বলি আর ৭১, আমাদের প্রত্যেকটি প্রত্যাশা ধ্বংস হয়ে যাবে।
তরুণদের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনার ব্যাপারে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন ভোকেশনাল (কারিগরি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আমরা আধুনিকায়ন করতে চাই। এসব প্রতিষ্ঠানে ২০০ থেকে ২৫০ বিষয়ে শিক্ষাদান করা হয়, যার সবগুলোর প্রয়োজন আমাদের নেই। দেশের বাইরে কর্মী পাঠাতে যেসব দক্ষতা অত্যাবশ্যক, সেগুলোর প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
তারেক বলেন, সাধারণভাবে আমাদের দেশের মানুষ যেসব দেশে যেতে পারে বা পারবে, যেমন: মধ্যপ্রাচ্য। সেখানে বর্তমানে কী কী কাজের সুযোগ আছে বা আগামী ৫-১০ বছরে কী কী কাজের সুযোগ তৈরি হবে, সে বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিয়ে দেশের তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলার কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জাপান, ইউরোপ, এমনকি চীনেও দক্ষ কর্মী পাঠানোর একটি বড় বাজার তৈরি হচ্ছে। সেসব জায়গায় কোন কোন বিষয়ে দক্ষ মানুষের প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে আমরা রিসার্চ করে দেখেছি। সেই অনুযায়ীই আমরা আমাদের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন করতে চাই।
সম্প্রতি আমার সঙ্গে যেসব বিদেশি কূটনীতিকের সাক্ষাত হয়েছে, তাদের কাছেও আমি এ ব্যাপারে সহযোগিতা চেয়েছি। তারা খুশি মনে সহযোগিতা করতে রাজি হয়েছেন বলে তিনি জানান।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কাজের উদ্দেশ্যে আমাদের দেশ থেকে যারা দেশের বাইরে যাচ্ছেন, তাদের যদি আমরা সেই দেশের ভাষাটা শিখিয়ে দিতে পারি, সেখানে যে কাজগুলোতে তারা যাচ্ছেন, তাদের যদি সেসব কাজে আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠাতে পারি, তাহলে সেখানে গিয়ে আরও ভালো করতে সক্ষম হবে।
ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, আমরা গবেষণা করে শ্রমবাজারগুলো যদি বের করতে পারি, তাহলে এখন যে আট থেকে দশ লাখ মানুষ বিদেশে যাচ্ছে, সেটাকে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ লাখে উন্নীত করতে পারি। এর সঙ্গে যে মানুষগুলো যাচ্ছেন, তাদের যদি আমরা প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিখিয়ে পাঠাতে পারি, তাহলে আরও মূল্য বাড়বে। এখন যদি তারা মাসে ১০০ ডলার আয় করেন, তাহলে সেটাকে সহজেই ৩০০ ডলারে নিয়ে আসতে পারব। তাহলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহও অনেক বাড়বে, যা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো যাবে।
এর আগে, দেশের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যেন সেগুলোর সমাধানে মনোযোগ দেয়, সে বিষয়ে নিজেদের বক্তব্যে তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সম্পাদকেরা।
নিজের বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, অতিথিদের বক্তব্য থেকে কয়েকটি বিষয় ফুটে উঠেছে। ভবিষ্যৎকে আমরা যদি দুই-তিনটি ভাগে ভাগ করি, তাহলে দেখতে পাচ্ছি, ব্যক্তি হিসেবে হোক কিংবা সংবাদকর্মী হিসেবে, আপনার স্বাধীনতা, আপনার নিরাপত্তা। আরেকটি বিষয় আমার চোখে যেটা পড়েছে, গণতান্ত্রিক অধিকারের ব্যাপারে আপনার, আমার, আমাদের সকলের উদ্বেগ বক্তারা প্রকাশ করেছেন। একজন বক্তা বলেছেন যে আগামী দিন, অর্থাৎ আমাদের ভবিষ্যৎ কেমন হবে।
তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন দেশে থাকতে না পারলেও দেশের সঙ্গে আমার সবসময় যোগাযোগ ছিল। আমরা অবশ্যই আর ৫ আগস্টের আগে (আগের পরিস্থিতিতে) ফিরে যেতে চাই না। আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো কারণ নেই আমাদের।
হিংসা, প্রতিশোধ, প্রতিহিংসার কারণে একটি মানুষ, একটি দলের কী পরিণতি হতে পারে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তা আমরা দেখেছি। তাই আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সেটিকে পাশে রেখে আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান আমরা বের করে আনতে সক্ষম হব। কোনোভাবেই মতপার্থক্য যেন মতবিভেদের পর্যায়ে চলে না যায়। বিভেদের মাধ্যমে জাতিকে বিভক্ত করে ফেললে কী হতে পারে, আমরা দেখেছি। আজকে আমরা অনেক বিভেদ, হতাশার কথা শুনি। তবে হতাশা থাকলেও অনেক পরিকল্পনাও কিন্তু আছে বলে জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, দেশে ফিরে আমি যতটুকু যে কয়টি জায়গায় গিয়েছি, আমার মনে হয়েছে, নতুন প্রজন্ম একটি গাইডেন্স (দিকনির্দেশনা) চাইছে, একটি আশা দেখতে চাইছে। শুধু নতুন প্রজন্ম কেন, আসলে সবাই একটি গাইডেন্স চাইছে বলে মনে হয়েছে। আমরা যারা রাজনীতি করি, তাদের কাছে সবার অনেক প্রত্যাশা। সব প্রত্যাশা হয়তো পূরণ করা সম্ভব নয়, কিন্তু আমরা রাজনীতিকরা যদি ১৯৭১ সাল, ১৯৯০, ২০০৪, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট—এই সবগুলোকে সমানে রেখে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করি, তাহলে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার আছে মনে হয়, আমরা জাতিকে একটি সঠিক পথে পরিচালিত করতে সক্ষম হব।
একজন সংবাদকর্মীর নারীর নিরাপত্তা বিষয়ে বলা বক্তব্যের সূত্র ধরে তিনি বলেন, নিরাপত্তা শুধু নারীর নয়, নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে হওয়া উচিত। বাংলাদেশে গত বছর ৭ হাজারের মতো মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। বিষয়টি আপনার-আমার কাছে অস্বাভাবিক লাগলেও ঘটনাটি ঘটছে, কোনো বছর বেশি, কোনো বছর কম। এটি কেন ঘটবে?
সড়ক দুর্ঘটনায় যে মানুষটি মারা যাচ্ছে, তিনি হয়তো ওই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য। তার মৃত্যুর পর তার পরিবারের কী হচ্ছে? বা যারা দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে যায়, তাদের পরিবারের কী হচ্ছে—এই বিষয়টি আমাদের নজরে আনা উচিত। এমন অনেক বিষয় রয়েছে যেগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর চিন্তা করা দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর পাশাপাশি দেশের কৃষি ও কৃষকদের নিয়েও আলোচনা, চিন্তাভাবনা হওয়া উচিত বলে জানান এই নেতা।
নারীর উন্নয়ন বিষয়ে তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া নারীর শিক্ষার জন্য আন্দোলন করেছিলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া নারীদের শিক্ষার ব্যাপারটা নিশ্চিত করেছিলেন। আগামী নির্বাচনে জিতে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠনে সক্ষম হলে আমাদের একটি পরিকল্পনা রয়েছে, যেসব নারী শিক্ষিত হয়েছে, তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা।
এ সময় নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে ফিরে যে ‘প্লানের’ কথা আমি বলেছিলাম, তার একটি হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড। আমাদের দেশে গড়ে ৪ কোটি পরিবার রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আমরা একটা পরিবারকে সারাজীবন সহায়তা করে যাব, এমনটি নয়। ৫ থেকে ৭ বছর আমরা ওই পরিবারটিকে সাপোর্ট দিয়ে যাব, সেটা টাকার হিসাবে কিংবা অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যপণ্যের মাধ্যমে। আমরা দেখেছি, একজন নারীকে যদি এই সাপোর্টটা দেওয়া যায়, তাহলে তিনি সেটি তার পরিবারের জন্য সঠিকভাবে খরচ করেন।
আমরা রিসার্চ করে দেখেছি, ৫-৭ বছর যদি এই সাপোর্টটা দেওয়া যায়, তাহলে যে অর্থটা তার (নারী) হাতে জমা হয়, সেটা তিনি মূলত তিনটি কাজে খরচ করেন: প্রথমত, তার পরিবারের স্বাস্থ্যের পেছনে, দ্বিতীয়ত, ছেলেমেয়েদের শিক্ষার পেছনে এবং তৃতীয়ত, জমা করা অর্থ তিনি ছোট ছোট খাতে বিনিয়োগ করেন। এভাবে বিনিয়োগের ফলে ধীরে ধীরে গ্রামের, সমাজের অর্থনীতি মজবুত হবে। এভাবে একটি উপজেলা, জেলার অর্থনীতি মজবুত হবে বলে ব্যাখ্যা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এভাবে পরিবার শিক্ষিত হলে, সুস্থ থাকলে গ্রামের জনস্বাস্থ্য, উপজেলা, জেলা, একসময় গিয়ে দেশের জনস্বাস্থ্যে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তারেক রহমান বলেন, চার কোটি পরিবারকে একবারে এই সুবিধার আওতায় আনা সম্ভব নয়। যারা প্রান্তিক, যাদের জন্য এটি আগে দরকার, তাদের দিয়ে আমরা শুরু করব। দুর্নীতি এড়াতে এই পরিকল্পনাটি কোনো প্রকল্পের আওতায় রাখা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা সর্বজনীন রেখেছি। একজন কৃষকের স্ত্রী, ইমাম সাহেবের স্ত্রী যেমন পাবেন, একজন ডিসির স্ত্রীও পেতে পারেন। তবে ডিসির স্ত্রী এই সুবিধা গ্রহণ করবেন না বলে মনে করেন তিনি।
পাশাপাশি কৃষি কার্ড, এমনকি জনস্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি নিয়েও একইরকম পরিকল্পনার কথা জানান বিএনপি চেয়ারম্যান।
দেশের জনসংখ্যার বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জনসংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে সৌদি আরব-কুয়েতের সবগুলো তেলের খনিও এখানে নিয়ে আসি, তারপরও আমরা হয়তো এত রিসোর্স (সম্পদ) দিয়েও এত মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারব না। সেজন্য আমাদের অবশ্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের দিকে যেতে হবে।
সরকার গঠন করতে পারলে স্বাস্থ্যসেবা খাতে ১ লাখের মতো কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এর মধ্যে ৮০-৮৫ শতাংশ আমরা নারী কর্মী নিয়োগ করতে চাই, যাতে তারা ঘরে ঘরে গিয়ে নারীদের বোঝাতে সক্ষম হন যে পরিবারের সদস্যসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা, সদস্যদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা ইত্যাদি কী কারণে প্রয়োজন।
৯ দিন আগে
উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে: ফখরুল
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরায় একটি উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, ইতোমধ্যে তিনি দূর থেকে জাতির উদ্দেশে যেসব কথা বলেছেন, তাতেই গোটা জাতি আজ আশান্বিত হয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে বনানীর হোটেল শেরাটনে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের শুরুতে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে একটা কঠিন সময়ে আমাদের নেতা তারেক রহমান বিদেশ থেকে দেশে এসেছেন। সমগ্র দেশের মানুষ এক বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। ইতোমধ্যে তিনি দূর থেকে, ডিজিটালি যে সমস্ত কথা আমাদের সামনে, জাতির সামনে বলেছেন, তাতে গোটা জাতি আজ আশান্বিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আশান্বিত হয়েছে এ জন্যেই যে এবার একটা সুযোগ সৃষ্টি হবে। সত্যিকার অর্থেই উদার একটা গণতন্ত্রপন্থী ব্যবস্থা আমরা এখানে সৃষ্টি করতে পারব। এই সুযোগ আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে।’
এ সময় সম্পাদকমণ্ডলীর উদ্দেশে তিনি মন খুলে কথা বলার আহ্বান জানান। তারেক রহমানও যে তাদের সঙ্গে কথা বলতে উৎসুক, সে কথাও জানান মির্জা ফখরুল।
৯ দিন আগে
বাসসের এমডিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে যুগান্তর সম্পাদকের মামলা
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা সম্পাদক (এমডি) মাহবুব মোর্শেদসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার।
রবিবার (২৩ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়া উদ্দিনের আদালতে এ মামলা করা হয়। আদালত বাদির জবানবন্দি রেকর্ড করে আগামী ২৮ এপ্রিল আসামিদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন— ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খাইরুল আলম ও আসাদুজ্জামান আসাদ।
বাদী তার অভিযোগে বলেন, ‘আমি ক্লিন একটা জীবনযাপন করেছি। আসামিরা আমার ইমেজ, সম্মান, মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার জন্য মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্ভট একটা পোস্ট দিয়েছে ফেসবুকে। তারা বলেছে, আমি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এরশাদের পক্ষে কবিতা লিখেছি। যেটা আদৌ আমার লেখা না। দেখলেই বোঝা যায়, এ ধরনের থার্ড ক্লাস কবিতা আমি আদৌ লিখি না।’
তিনি বলেন, ‘গত ১৭ মার্চ আসামি মাহবুব মোর্শেদ তার ফেইসবুক আইডিতে একটি মনগড়া কবিতা পোস্ট করেন। সেটি আমার লেখা কবিতা বলে পোস্টে করেন।’
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন প্রশ্নে রুল শুনানি এপ্রিলে
পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের এই কবি কীভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে অবমাননা করেছেন, তা পড়ে দেখার অনুরোধ জানাই। মন থেকে এত ঘৃণা পোষণ করার পরও এমন কবিরা বিএনপির সুবিধাভোগী হয়ে থাকতে চান।’
আসামি খাইরুল আলম গত ১৬ জানুয়ারি তার ফেসবুক আইডি থেকে একই কবিতা পোস্ট করেন এবং লেখেন, ‘শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা কবিতাটি তিনি (আব্দুল হাই শিকদার) এরশাদকে উপহার দিয়েছিলেন। আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধেও ফেসবুকে একই কবিতা নিয়ে পোস্ট করার অভিযোগ করা হয়।
তিনি বলেন, ‘এসব তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, অসত্য, কাল্পনিক, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর কবিতা এবং পোস্টের মাধ্যমে তার ১০ কোটি টাকার সম্মানহানি করা হয়েছে।
৩০২ দিন আগে
ইউএনবির উপদেষ্টা সম্পাদক হলেন ফরিদ হোসেন, সম্পাদকের দায়িত্বে মাহফুজুর রহমান
ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশের (ইউএনবি) সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মাহফুজুর রহমান এবং বর্তমান সম্পাদক প্রবীণ সাংবাদিক ফরিদ হোসেনকে উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
ইউএনবির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সময় টিভিতে সম্পাদক (ওয়েব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহফুজুর রহমান।
ইউএনবির ইমেরিটাস সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ খান বলেন, ‘মাহফুজকে আবার বোর্ডে পেয়ে আমরা খুব খুশি। এজেন্সি সাংবাদিকতায় তার বিপুল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার অভিজ্ঞতা ইউএনবির সম্পাদকীয় মান উন্নয়নে সহায়তা করবে।’
এনায়েতুল্লাহ খান আরও বলেন, সাংবাদিকতায় যে আমূল পরিবর্তন এসেছে ইউএনবিকে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল পথচলায় এগিয়ে নিতে মাহফুজের দক্ষতা সহায়তা করবে।
আরও পড়ুন: চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ইউএনবির চেয়ারম্যান আমানউল্লাহ খান
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) ঢাকা ব্যুরো চিফ ও ইউএনবির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ফরিদ হোসেন তার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। এর মধ্যে টাইম ম্যাগাজিন ও কলকাতার দ্য টেলিগ্রাফ অন্যতম।
এছাড়াও ওভারসিজ করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ওকাব) সভাপতি এবং কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ হোসেন।
মাহফুজুর রহমান শীর্ষস্থানীয় সংবাদ সংস্থা ইউএনবিতে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ইউএনবির নির্বাহী সম্পাদক ও সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
এছাড়াও তিনি ডেইলি সান ও বিডিনিউজ২৪ডটকমে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।
শতাধিক সংবাদদাতা নিয়ে দেশব্যাপী নেটওয়ার্কের পাশাপাশি ইউএনবির নিউইয়র্ক, নয়াদিল্লি, বেইজিং, কায়রো, লস অ্যাঞ্জেলেস, লন্ডন, ব্রাসেলস, টোকিও এবং সিঙ্গাপুরেও আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা রয়েছে। ২ কোটিরও বেশি দর্শক, শ্রোতা এবং পাঠকদের কাছে সংবাদ পরিবেশন করে এই বার্তা সংস্থা।
বর্তমানে ইউএনবির বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে সংবাদ বিনিময় চুক্তি রয়েছে- আমেরিকার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), চীনের সিনহুয়া, ভারতের পিটিআই, জাপানের কিয়োদো, মালয়েশিয়ার বার্নামা, এশিয়ানেট, দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়োনহাপ, রাশিয়ার আইটিএআর-টিএএসএস নিউজ এজেন্সি, আফ্রিকার এফএএপিএ, সাইপ্রাসের সিএএন, মরক্কোর নিউজ এজেন্সি এমএপি, অর্গানাইজেশন অব এশিয়া-প্যাসিফিক নিউজ এজেন্সিস (ওএএনএ) ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমিরেটস নিউজ এজেন্সি (ডব্লিউএএম)।
১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএনবি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম পরিপূর্ণ ডিজিটাল বার্তা সংস্থা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ তারবার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি) ইউএনবির সংবাদ বিনিময়ের অংশীদার।
নিউজ এজেন্সি ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের (এনএডব্লিউসি) সদস্য ইউএনবি সর্বদা সংবাদের সত্যতা এবং যথার্থতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।
এছাড়াও ইউএনবি অর্গানাইজেশন অব এশিয়া-প্যাসিফিক নিউজ এজেন্সিজ (ওএএনএ) ও এশিয়ানেটের বোর্ড সদস্য।
আরও পড়ুন: ইউএনবির চেয়ারম্যান আমানউল্লাহ খান আর নেই
৪৭৫ দিন আগে
শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদে ডিপজলের নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিত
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।
সোমবার (২৭ মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।
এ আদেশের ফলে শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আরও পড়ুন: শিল্পী সমিতির নির্বাচন বাতিল চেয়ে নিপুণের রিট
আদালতে ডিপজলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। আর নিপুণের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।
এর আগে, গত ২০ মে হাইকোর্ট শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদে ডিপজলকে দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সমিতির নির্বাচনে অনিয়মের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন।
অভিযোগটি ঢাকার সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) কর্তৃপক্ষকে অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে। ওই আদেশের বিরুদ্ধে রবিবার(২৬ মে) আপিল বিভাগে আবেদন করেন ডিপজল। আজ সেই আবেদনের উপর শুনানি হয়।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচনে জয়ী হয়েছে মিশা-ডিপজল প্যানেল। গত ২০ এপ্রিল শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরু। নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে ডিপজল পান ২২৫ ভোট। ১৬ ভোট কম পেয়ে হেরে যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী নিপুণ। এই নায়িকা পান ২০৯ ভোট।
গত ১৪ মে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচন বাতিল এবং নতুন নির্বাচনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নাসরিন আক্তার নিপুণ। রিটে মিশা-ডিপজলের নেতৃত্বাধীন কমিটির দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে এ ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল রিটে। পাশাপাশি নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার নির্দেশনাও চাওয়া হয়।
আরও পড়ুন: শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা
জায়েদ খানের সদস্যপদ স্থগিত করেছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি
৬০২ দিন আগে
শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালনের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অনিয়মের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিল্পী সমিতির সম্পাদক প্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুন আক্তারের রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার(২০ মে) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: ঈদের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে ব্যাংক, দোকানপাট-আদালত
আদালতে নিপুণের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক, ব্যারিস্টার হারুনর রশিদ, পলাশ চন্দ্র রায়। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।
আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদে মনোয়ার হোসেন ডিপজলের সাধারণ সম্পাদকের পদ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এরফলে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে মনোয়ার হোসেন ডিপজল দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। একইসঙ্গে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই নির্বাচনের অনিয়মের বিষয়ে তদেন্তর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অনিয়মের অভিযোগে শিল্প সমিতির অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার (১৫ মে) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নাসরিন আক্তার নিপুণ। রিটে মিশা-ডিপজলের নেতৃত্বাধীন কমিটির দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।
বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি দায়ের করেন তিনি। রিটের পক্ষের আইনজীবী হলেন, পলাশ চন্দ্র রায়।
নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে এঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল রিটে। পাশাপাশি নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার নির্দেশনাও চাওয়া হয়।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচনে জয়ী হয়েছে মিশা-ডিপজল প্যানেল। গত ২০ এপ্রিল শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরু।
নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে ডিপজল পান ২২৫ ভোট। ১৬ ভোট কম ২০৯ ভোট পেয়ে হেরে যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী নিপুণ।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রংপুরে শ্রম আদালতের মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টে স্থগিত
অফিস আদালত খুললেও ঢাকা এখনো ছুটির মেজাজে
৬০৯ দিন আগে
জবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচন: সভাপতি ড. জাকির, সম্পাদক ড. মাসরিক
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির সভাপতি পদে ২৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ মাসরিক হাসান ২৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ২০২৪ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: ঢাবি ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্র ইউনিয়নের ৪ নেতা-কর্মী আহত
ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর ড. মো. সগীর হোসেন খন্দকার ফলাফল ঘোষণা করেন।
এছাড়া সহ-সভাপতি পদে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. মমিন উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ পদে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মিরাজ হোসেন এবং যুগ্ম সম্পাদক পদে সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মহসিন রেজা নির্বাচিত হয়েছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির অন্যান্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, ড. এ এম গোলাম আদম, অধ্যাপক ড. ফারহানা জামান, সহযোগী অধ্যাপক শামীমা আক্তার, সহযোগী অধ্যাপক মো. আশরাফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. শামসুন নাহার, প্রফেসর ড. মো. আব্দুল্লাহ মাহফুজ ও প্রফেসর ডা. মো. আনোয়ার হোসেন।
আরও পড়ুন: ডিপিএস এসটিএস মেরিট স্কলারশিপ টেস্টের নিবন্ধন উন্মুক্ত, টিউশন ফি’র ১০০ শতাংশ বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ
৭৬২ দিন আগে
দৈনিক ফেনীর সময়ের সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আইনজীবী আনোয়ারুল করিম ফারুককে 'ডামি প্রার্থী' উল্লেখ করায় দৈনিক ফেনীর সময়ের সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশিকুর রহমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।
পরে দৈনিক ফেনীর সময় পত্রিকার নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক সৈয়দ আবুল হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন আইনজীবী কামরুল হাসান। সভায় সংসদ সদস্য প্রার্থী আনোয়ারুল করিম ফারুক ছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক এম. শাহজাহান সাজু, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন বাহার, দিলীপ কুমার সাহা, আহসান কবির বেঙ্গল, রসিক শেখর ভৌমিক, গাজী তারেক আজিজ প্রমুখ।
আরও পড়ুন: সাইবার নিরাপত্তা আইনে মানহানির সর্বোচ্চ শাস্তি জরিমানা: আইনমন্ত্রী
‘মানহানিকর’ মন্তব্যের জন্য রিজভীর বিরুদ্ধে মামলা করবেন হিরো আলম
৭৬৬ দিন আগে
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল গ্রেপ্তার হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে (৯ নভেম্বর) শহরের বেপারীপাড়া এলাকা থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল থানা পুলিশ।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, গত ২৯ অক্টোবর টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়ের করা সংঘর্ষ ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নেতাদের পরিবারের সদস্যদের আটকের অভিযোগ বিএনপির
তিনি আরও বলেন, এই মামলা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও মামলা রয়েছে। এখন তিনি থানা হেফাজতে আছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার (১০ নভেম্বর) তাকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে গত ২৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ১৯৪ জন বিএনপির নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে করে বিভিন্ন থানায় ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এসব মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ৫০০ জনকে। গত ২৮ অক্টোবর থেকে এসব মামলায় প্রায় পৌনে ২০০ জন নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। বর্তমানে তারা টাঙ্গাইল জেলহাজতে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: বিএনপির আরেক ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু আটক
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী কারাগারে
৮০২ দিন আগে