বিইআরসি
নির্ধারিত দামে এলপিজি-অটোগ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে ডিসিদের নির্দেশ
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে অস্থিরতার মধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামে এলপিজি ও অটোগ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে সারা দেশে নজরদারি জোরদার করেছে সরকার।
সেই সঙ্গে খোলা বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি ও অটোগ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে সব জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এসব তথ্য জানান।
ডা. জাহেদ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে যথেষ্ট অস্থিরতা রয়েছে। এর মধ্যেও সরকার এলপিজির দাম সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। তবে কোথাও কোথাও সমন্বয় করা দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ পরিস্থিতিতে খোলা বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কমিশন নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি ও অটোগ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সব জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের নিয়ে অনলাইনে সভা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। বিভিন্ন জেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তদারকি কার্যক্রম চলছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগেও অনেককে জরিমানা করা হয়েছে। এখন এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।
এলপিজির বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের আলোচনা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানিমন্ত্রী এলপিজি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। এসব বৈঠকে ব্যবসায়ীরা বাজার স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে মন্ত্রীকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। সরকার আশা করছে, এর মাধ্যমে এলপিজি নিয়ে বাজারে বর্তমান সংকট কমে আসবে।
নির্ধারিত দামে এলপিজি না পাওয়ার অভিযোগ থাকলে গণমাধ্যমকে তা তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে ডা. জাহেদ বলেন, এর পরও কোথাও যদি নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া না যায়, তাহলে গণমাধ্যম জনস্বার্থে বিষয়টি তুলে ধরবে এবং সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
৯ দিন আগে
১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা
সৌদি আরামকোর ঘোষিত কনট্রাক্ট প্রাইস (সৌদি সিপি) সমন্বয়ের ফলে আগস্ট মাসের জন্য বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
নতুন দরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫২৮ টাকা থেকে ৭০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, এই নতুন দর আজ (রবিবার) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৩৩ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাইয়ে এ দাম ছিল ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। সে হিসাবে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৫ টাকা ৮৫ পয়সা।
মূল্য সমন্বয় করে বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের মধ্যে সাড়ে ৫ কেজির দাম ৭৩২ টাকা, ১২ কেজির ১ হাজার ৫৯৮ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির ১ হাজার ৬৬৪ টাকা, ১৫ কেজির ১ হাজার ৯৯৭ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ১৩০ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ৩৯৭ টাকা, ২০ কেজির ২ হাজার ৬৬৩ টাকা, ২২ কেজির ২ হাজার ৯২৯ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ৩২৯ টাকা, ৩০ কেজির ৩ হাজার ৯৯৫ টাকা, ৩৩ কেজির ৪ হাজার ৩৯৪ টাকা, ৩৫ কেজির ৪ হাজার ৬৬০ টাকা এবং ৪৫ কেজির দাম ৫ হাজার ৯৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরামকো আগস্ট মাসের জন্য প্রতি টন প্রোপেনের দাম ৬২০ ডলার এবং বিউটেনের দাম ৬৪০ ডলার নির্ধারণ করেছে। ৩৫:৬৫ অনুপাতে প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সৌদি সিপি প্রতি টন ৬৩৩ ডলার বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
জুলাইয়ে গড় সৌদি সিপি ধরা হয়েছিল প্রতি টন ৫৯৩ ডলার। সে হিসাবে আগস্টে গড় সৌদি সিপি প্রতি টনে ৪০ ডলার বেড়েছে।
এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১২৯ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহকৃত এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৮৭ টাকা ৫০ পয়সা বা প্রতি লিটার ২৮ পয়সা ৭৫ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন।
তবে সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা আদেশ অনুযায়ী সরকারি এলপিজির ডিলার ও রিটেইলার পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সাই বহাল থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, বিতরণ ও খুচরা বিক্রির কোনো পর্যায়েই কমিশন নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না। কমিশনের আগের অন্যান্য নির্দেশনাও বহাল থাকবে।
৭৪ দিন আগে
বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে বাড়ল ১ টাকা ৫২ পয়সা
খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এর ফলে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় কমিশনের শুনানিকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। সেই সঙ্গে সঞ্চালন চার্জ বাড়ানো হয়েছে ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে। আর সঞ্চালন চার্জ ৩১ দশমিক ৩৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩৮ দশমিক ৮৬ পয়সা করা হয়েছে।
নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।
এর আগে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছিল।
বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।
এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। একই সময়ে পাইকারি দাম ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।
১৩৪ দিন আগে
শিল্পে গ্যাসের দাম বাড়ল ৩৩ শতাংশ
নতুন শিল্প ও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাসের দাম ৩৩ শতাংশ বাড়িয়েছে সরকার।
শিল্পে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ঘনমিটারপ্রতি ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্যাপটিভে ৩১ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
রবিবার (১৩ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
আজ ১৩ এপ্রিল থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন শিল্পের পাশাপাশি এখন যারা অনুমোদিত লোডের বেশি গ্যাস ব্যবহার করছেন, সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকেও ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০ টাকা দরে বিল দিতে হবে।
বিইআরসি জানিয়েছে, যারা এরই মধ্যে গ্যাস সংযোগ পেয়েছেন, তারা আগের নির্ধারিত দামেই গ্যাস পাবেন। তবে যারা নতুন সংযোগ পেয়েছেন, সেই শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যাসের দর প্রতি ঘনমিটারে ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে বিদ্যমান গ্রাহকদের দর (শিল্প ও ক্যাপটিভে গ্যাসের দাম যথাক্রমে ৩০ ও ৩১ দশমিক ৭৫ টাকা) অপরিবর্তিত রেখে নতুন ও প্রতিশ্রুত গ্রাহকদের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করে পেট্রোবাংলা। প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবের ওপরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একটি গণশুনানি হয়। সেখানে পেট্রোবাংলার দাবি ছিল, দাম না বাড়ালে বছরে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তবে পেট্রোবাংলার ওই দাবির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা প্রতিবাদ জানান।
আরও পড়ুন: শিল্পে গ্যাসের মূল্য ও শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে: ডিসিসিআই
৫৫০ দিন আগে
ডিসেম্বরে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকবে: বিইআরসি
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ডিসেম্বর মাসেও অপরিবর্তিত রয়েছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) জানায়, নভেম্বর মাসের মতো ডিসেম্বর মাসেও প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১২১ টাকা ২৫ পয়সা থাকবে।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রেখেই নতুন দাম ঘোষণা করেছে বিইআরসি।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিইআরসির ঢাকা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অন্যান্য আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সাড়ে ৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত একই হারে নির্ধারিত হবে।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরের এলপিজি মূল্য সমন্বয় আজ
বিইআরসির কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশি এলপিজি অপারেটররা সাধারণত সৌদি সিপির ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের বাজার থেকে তাদের পণ্য আমদানি করায় স্থানীয় বাজারে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অটো গ্যাসের (মোটরযানে ব্যবহৃত এলপিজি) দামও প্রতি লিটার (ভ্যাটসহ) ৬৬ টাকা ৮১ পয়সা রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ৫ শতাংশের কম বাজার শেয়ার নিয়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এলপি গ্যাস কোম্পানির বাজারজাত করা এলপিজির দামও একই থাকবে।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্থানীয় বাজারে এলপিজির সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ হাজার ৪৯৮ টাকা (প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডার)।
আরও পড়ুন: নভেম্বরে এলপিজির দাম প্রায় অপরিবর্তিতই থাকছে
৬৮১ দিন আগে
ডিসেম্বরের এলপিজি মূল্য সমন্বয় আজ
ডিসেম্বরের মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা ৩টার দিকে নির্ধারিত দাম ঘোষণা করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
এরপর জানা যাবে, চলতি মাসের জন্য গ্রাহকদের এলপিজির খরচ বাড়বে, না কি কমবে।
এক বিবৃতিতে বিইআরসি জানায়, সৌদি আরামকো ঘোষিত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের সৌদি চুক্তি মূল্যের (সিপি) ভিত্তিতে নতুন দাম নির্ধারণ করা হবে।
আরও পড়ুন: নভেম্বরে এলপিজির দাম প্রায় অপরিবর্তিতই থাকছে
সাম্প্রতিক মূল্য প্রবণতা
নভেম্বরের জন্য ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৪৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এর আগে অক্টোবর, সেপ্টেম্বর, আগস্ট ও জুলাই মাসে ধারাবাহিকভাবে এলপিজির দাম বেড়েছিল। তবে তারও আগে চলতি বছরের জুন, মে ও এপ্রিলে দাম কমানো হয়েছিল।
অটো গ্যাসের দামেও একই প্রবণতা দেখা গেছে।
নভেম্বরে বিইআরসি প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ০.০৩ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ৬৬.৮১ টাকায় নামিয়ে আনে।
তবে জুন, মে ও এপ্রিলে দাম কমলেও অক্টোবর, সেপ্টেম্বর, আগস্ট ও জুলাইয়ে দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েছিল।
২০১৪ সালে এলপিজি ও অটো গ্যাসের দাম ১২ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে পাঁচবার কমানো এবং সাত বার বাড়ানো হয়। জানুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, জুন ও জুলাই মাসে মূল্য কমেছে এবং ফেব্রুয়ারি, মে, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দাম বেড়েছে।
আরও পড়ুন: কুতুবদিয়ায় এলপিজি বহনকারী লাইটারেজ জাহাজে আগুন, ৩১ জন উদ্ধার
৬৮১ দিন আগে
বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে বিইআরসির ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম নির্ধারণের ক্ষমতা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে ফিরিয়ে দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও স্টেকহোল্ডাররা।
তারা বলেন, এ ধরনের কর্তৃত্ব জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে ফেরত গেলে কোনো কারণ ছাড়াই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ঘন ঘন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রবণতা বন্ধ হবে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জেষ্ঠ সহসভাপতি অধ্যাপক এস এম শামসুল আলম বলেন, 'অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবিলম্বে জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।’
এর আগে গণশুনানি ছাড়াই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম সমন্বয়ের সুযোগ রেখে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আইন-২০০৩ সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছে।
অধ্যাদেশ জারির আগে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণের আইনি ক্ষমতা ছিল বিইআরসির। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণের আগে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে গণশুনানি করতো বিইআরসি।
বিদ্যুৎ বিভাগের পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক বিডি রহমতউল্লাহ বলেন, ‘এ ধরনের গণশুনানি যে কোনো মূল্য বাড়ানোর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং এর মাধ্যমে জনগণের কাছে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।’
তিনি আরও বলেন, নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বৈষম্য ও অগণতান্ত্রিক চর্চার অবসান ঘটানোর দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তাই সব ধরনের জ্বালানির দাম নির্ধারণের কর্তৃত্ব বিইআরসির কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
অধ্যাদেশ জারির পর থেকে গণশুনানি ছাড়াই নিয়ম করে বিরতি দিয়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়াচ্ছে সরকার।
এই অধ্যাদেশ জারির আগ পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বা গ্যাসের দাম নির্ধারণের আগে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের স্ব স্ব প্রস্তাব জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় জমা দিতে হতো। এরপর তাদের পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরার জন্য গণশুনানি করতে হতো।
আরও পড়ুন:বিপিডিবির বকেয়া বিল বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা
গণশুনানিতে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই ও দীর্ঘ বিতর্কের পর বিইআরসি সিদ্ধান্ত নিত।
গণশুনানিতে স্টেকহোল্ডার ও ভোক্তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর লোকসান ও মুনাফার হালনাগাদ তথ্য এবং দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কারণ সম্পর্কে জানতে পারেন।
অধ্যাপক এস এম শামসুল আলম বলেন, গণশুনানি প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জেনে নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ফারহান নূর বলেন, বিদ্যুতের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসিকে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।
তিনি বলেন, ‘এর ফলে ভোক্তাদের প্রকৃত পরিস্থিতি বুঝতে এবং দাম বাড়ানোর যে কোনও পদক্ষেপের আগে পক্ষে ও বিপক্ষে যৌক্তিকতা খুঁজে পেতে সহায়তা করবে।’
আরও পড়ুন: নগদ অর্থ সংকটের মধ্যেই আদানি পাওয়ারের সঙ্গে চুক্তি পুনর্বিবেচনার আহ্বান
৭৯২ দিন আগে
কেজিতে ৩.৩৪ টাকা কমল এলপিজির দাম
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কেজিতে ৩ টাকা ৩৪ পয়সা কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। প্রতি কেজি এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০ টাকা ১৮ পয়সা, যা আগে ছিল ১২৩ টাকা ৫২ পয়সা।
বুধবার(৩ এপ্রিল) এলপিজির এই নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।
গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন: ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির বর্ধিত দাম কার্যকর আজ থেকেই
সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি জানায়, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আগে ১ হাজার ৪৮২ টাকা ছিল, তা এখন থেকে ৪০ টাকা কমে ১ হাজার ৪৪২ টাকা হবে।
এই সমন্বয়টি সাড়ে ৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত বিভিন্ন এলপিজি সিলিন্ডার আকারের মধ্যে কার্যক্রর হবে এবং বিভিন্ন ভোক্তা বিভাগে আনুপাতিক মূল্য সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
এছাড়া মোটরযানে ব্যবহৃত এলপিজি ভ্যারিয়েন্টের অটোগ্যাসের দাম লিটার ৬৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে কমিয়ে ৬৬ টাকা ২১ পয়সা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস কোম্পানির বাজারজাত করা এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকবে।
এই ব্যতিক্রমটি তার স্থানীয় উৎপাদন ও কোম্পানির ন্যূনতম শেয়ার বাজারেরর জন্য দায়বদ্ধ থাকবে, যা পাঁচ শতাংশেরও কম।
আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ক্রমহ্রাস হওয়ার প্রেক্ষিতে দেশে দাম সামঞ্জস্য করার সিদ্ধান্তটি এসেছে। বিশেষত যা সৌদি সিপি (চুক্তি মূল্য) বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত। এটি প্রাথমিকভাবে মধ্য প্রাচ্য থেকে এলপিজি আমদানিকারী স্থানীয় অপারেটরদের জন্য একটি মানদণ্ড হিসাবে কাজ করে।
আরও পড়ুন: আবার বাড়ল এলপিজির দাম
ফের বাড়ল এলপিজির দাম
৯২৫ দিন আগে
ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির বর্ধিত দাম কার্যকর আজ থেকেই
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কেজিতে ৬৬ পয়সা বাড়িয়ে ১২২.৮৬ টাকা থেকে ১২৩.৫২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
রবিবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে। এতে গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক খরচও বাড়তে চলেছে গ্রাহকদের।
বিইআরসি এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে এখন ভ্যাটসহ ১৪৮২ টাকা দাঁড়িয়েছে যা আগে ছিল ১৪৭৪ টাকা। এছাড়াও সাড়ে ৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত আকার অনুযায়ী ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি সিলিন্ডারের দামের পরিবর্তন হবে।
আরও পড়ুন: নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলপিজি ব্যবহারের জন্য সময়োপযোগী নীতি প্রয়োজন: নসরুল
এছাড়াও মোটর গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি ভ্যারিয়েন্টের ‘অটো গ্যাস’-এর দামও বেড়েছে। ভ্যাটসহ প্রতি কেজি অটো গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৬৮.০৫ টাকা, যা আগে ছিল ৬৭.৬৮ টাকা। পরিবহন এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত খরচের ওপর এই মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে।
তবে রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস কোম্পানির বাজারজাত এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম বাড়তে থাকায় তার সঙ্গে সামঞ্জস্য করে বিশেষ করে সৌদি চুক্তির মাধ্যমে যারা মধ্যপ্রাচ্য থেকে এলপিজি আমদানি করে তাদের এলপিজির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: এলপিজি সিলিন্ডার হোম ডেলিভারি দিচ্ছে ‘গ্যাস মাঙ্কি’ অ্যাপস
৯৫৬ দিন আগে
আবার বাড়ল এলপিজির দাম
আবারও বাড়ানো হলো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ঘোষণায় বলা হয়, জানুয়ারি মাসে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ছিল ১১৯ টাকা ৪০ পয়সা। যা এই ফেব্রুয়ারি মাসে বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি কেজি ১২২ টাকা ৮৬ পয়সা।
বিইআরসি জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে প্রতি কেজি এলপিজির জন্য খুচরা গ্রাহকদের অতিরিক্ত ৩ টাকা ৪৬ পয়সা পরিশোধ করতে হবে।
আরও পড়ুন: আগস্টে ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ১৪১ টাকা
জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনার্জির নতুন দাম ঘোষণা করে বলেছে, বর্তমানে ১২ কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৭৪ টাকা (ভ্যাটসহ)। গত মাসে যা ছিল ১ হাজার ৪৩৩ টাকা।
ঢাকায় বিইআরসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা বলেন, এলপিজি সাড়ে ৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সিলিন্ডারের দাম একইভাবে বাড়বে।
বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার অটো গ্যাসের দাম (ভ্যাটসহ) ৬৫ টাকা ৭৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬৭ টাকা ৬৮ পয়সা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এলপি গ্যাস কোম্পানির বাজারজাত করা এলপিজির দাম একই থাকবে, কারণ ৫ শতাংশের কম বাজার শেয়ার নিয়ে এটি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত।
আরও পড়ুন: ফের বাড়ল এলপিজির দাম
বিইআরসির কর্মকর্তারা জানান, সৌদি সিপির (কন্ট্রাক্ট প্রাইস) দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে এলপিজির দাম বেড়েছে।
বাংলাদেশি এলপিজি অপারেটররা সাধারণত সৌদি সিপির ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের বাজার থেকে তাদের পণ্য আমদানি করে থাকে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্থানীয় বাজারে এলপিজির সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ হাজার ৪৯৮ টাকা (প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডার)।
আরও পড়ুন: ফের বাড়ল এলপিজির দাম
৯৮৪ দিন আগে