জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সচিব হলেন দুই কর্মকর্তা
সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন সরকারের দুই কর্মকর্তা। অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এ দুই কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের একজন হলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব (অতিরিক্ত সচিব) মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা। পদোন্নতির পর তাকে একই বিভাগে সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামানও সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। পদোন্নতির পর তাকে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
৭ দিন আগে
প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তাকে এসিল্যান্ড পদে পদায়ন
সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড পদে পরবর্তী পদায়নের লক্ষ্যে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তার চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করেছে সরকার।
বুধবার (২২ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের এসব কর্মকর্তাদের সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে পরবর্তী পদায়নের জন্য তাদের চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমি মন্ত্রণালয়ে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হলো। তারা ঢাকা ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মৌলিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্স সম্পন্ন করার পর ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মচারীগণের পদায়ন নীতিমালা, ২০২২’ অনুসরণ করে তাদের এসিল্যান্ড পদে পদায়ন করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
১৩ দিন আগে
সিলেট ও কুমিল্লায় নতুন ডিসি
সিলেট ও কুমিল্লায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (২৮ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রোজী আক্তারকে কুমিল্লার নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ২১ জুন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
সম্প্রতি হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে দানের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সিলেটজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ডিসি সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে সিলেট জেলা প্রশাসন মাজারে নতুন কয়েকটি দানবাক্স স্থাপন করে।
সেই সঙ্গে মাজারে থাকা দানের ঐতিহাসিক তিনটি ‘ডেগ’ সিলগালা করা হয়, ‘নিরাপত্তার জন্য’ মোতায়েন করা হয় আনসার সদস্য; যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাজার ভক্তরা।
এর চার দিনের মাথায় সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসকের পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়। তাকে সরানোর এই সিদ্ধান্ত ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
৩৭ দিন আগে
আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজ (আইসিএপিপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
সোমবার (২২ জুন) আইসিএপিপির মহাসচিব এক ই-মেইল বার্তায় এ তথ্য জানান।
এর আগে, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষ থেকে আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর নাম প্রস্তাব করেন।
আগামী ২৫ থেকে ২৮ জুন মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটরে অনুষ্ঠিতব্য আইসিএপিপির ৪৫তম স্থায়ী কমিটির সভায় মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল দলের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন।
সভায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক সহযোগিতা, রাজনৈতিক সংলাপ, গণতন্ত্র, সুশাসন, উন্নয়ন এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।
এর আগে, ২০০৪ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুল্লাহ আল নোমান এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর এ মনোনয়নকে বিএনপির আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিএনপির কূটনৈতিক সফলতা ও গ্রহণযোগ্যতার একটি মাপকাঠি হিসেবেও এ মনোনয়নকে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এর মাধ্যমে এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক সংলাপে অংশগ্রহণের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আইসিএপিপি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম। এর লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ, সহযোগিতা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থা বৃদ্ধি করা এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
৪৪ দিন আগে
এনবিআর ভেঙে দুই বিভাগ: অধ্যাদেশ যাচাইয়ে কমিটি
রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ দিতে একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার।
গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে সভাপতি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ৯ সদস্যের এই কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে।
এছাড়া জনপ্রশাসন, অর্থ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিবদের কমিটির সদস্য করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব কমিটিতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটিকে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ যাচাই-বাছাই করে অধিকতর প্রায়োগিক করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। কমিটির সভা প্রয়োজন অনুসারে হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি বিভাগ করে ২০২৫ সালের ১২ মে অধ্যাদেশ জারি করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। এর প্রতিবাদে রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নজিরবিহীন আন্দোলন করেন। এরপর ওই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজনকে ঢাকার বাইরে বদলি করে সরকার, কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরে শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা।
গত ২০ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউসূসের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় এনবিআর ভেঙে নতুন যে দুই বিভাগ গঠনের কথা, সেই বিভাগুলোর দায়িত্ব ও জনবল কাঠামো চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
৯৬ দিন আগে
৯ মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব
নয় মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পাঁচজন সচিবকে প্রত্যাহার এবং তিনজন সচিবের দপ্তর বদল করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নতুন নয় সচিবের মধ্যে একজনকে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এক বছরের চুক্তিতে এস এম এবাদুর রহমানকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়াকে পদোন্নতি দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মাওলাকে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব পদে বদলি করা হয়েছে। আর বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের এসডিএস (সিভিল) ইয়াসমিন পারভীনকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমদকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. নেয়ামত উল্লাহ ভুইয়াকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) পদে বদলি করা হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফারহিনা আহমেদকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়াকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব করা হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেককে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব করা হয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফাহমিদা আখতারকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে। আর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহানকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) পদে বদলি করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. দেলোয়ার হোসেনকে পদোন্নতি দিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।
এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) জাহেদা পারভীনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) পদে এখনও কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
১৩২ দিন আগে
নির্বাচনি অভিযোগ নিষ্পত্তিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম স্থাপন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মাঠ প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ ও তথ্যের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম (নিয়ন্ত্রণ কক্ষ) স্থাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট, ২০২৬ উপলক্ষে মাঠ প্রশাসন থেকে পাওয়া অভিযোগ বা তথ্যাদির পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভবন নম্বর ১, কক্ষ নম্বর ১৮০২-এ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হলো।
কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বর হচ্ছে +৮৮০২২২৬৬৪১১১৮।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা প্রাপ্ত অভিযোগ বা তথ্যাদির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করবেন বলেও আদেশে জানানো হয়েছে।
১০ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। কন্ট্রোল রুমে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দুই শিফটে কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিদিন একজন যুগ্ম-সচিব কন্ট্রোল রুমের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন। প্রতি শিফটে দুই থেকে তিনজন করে কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্বে থাকবেন।
১৭৪ দিন আগে
নিয়মিত পদোন্নতি না হওয়ায় প্রশাসনে অচলাবস্থা, হতাশায় বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা
নিয়মিত পদোন্নতি না হওয়ায় প্রশাসনের তিন স্তরের বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা চরম হতাশা ও ক্ষোভে ভুগছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পদোন্নতি প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তায় পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের তফসিল নিয়মিত পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নয়। সময়মতো পদোন্নতি না হলে প্রশাসনিক কাজকর্মে স্থবিরতা তৈরি হবে। তারা বলছেন, এসব কর্মকর্তার কেউই নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট নন। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিয়েই পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব। তা না হলে একটি হতাশাগ্রস্ত প্রশাসনের জন্ম হবে এবং প্রশাসনিক কাজকর্ম ব্যাহত হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের প্রায় ৮০০ কর্মকর্তা এখনও পদোন্নতি পাননি। এতে তারা চরম ক্ষুব্ধ ও হতাশ। বঞ্চিতদের মধ্যে অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত ৩৫০ জন, যুগ্ম সচিব পদে ৩৪৫ জন এবং উপসচিব পদে পদোন্নতিপ্রত্যাশী আরও অন্তত ৮৪ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।
উপসচিব ও যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তার সংখ্যাও বাড়ছে। সম্প্রতি জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদে পদোন্নতি পাননি বিসিএস ৩০তম ব্যাচের ৭৯ জন কর্মকর্তা। তাদের প্রায় সবাই পুনরায় পর্যালোচনার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন।
সূত্র জানায়, উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে বিসিএস ২৪তম ব্যাচের অন্তত ১৮৩ জন কর্মকর্তা বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ২০ মার্চ প্রশাসনের ১৯৬ জন কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হলেও নিয়মিত ব্যাচের ৩২০ জনের মধ্যে মাত্র ১৩৭ জন পদোন্নতি পান। বাদ পড়েন পাঁচজন জেলা প্রশাসকসহ মোট ১৮৩ জন কর্মকর্তা।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে ২০তম ব্যাচকে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এবারের পদোন্নতিতে প্রশাসন ক্যাডারের ২৪৪ কর্মকর্তার পাশাপাশি অন্যান্য ক্যাডার থেকেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০০ কর্মকর্তাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তবে এই ব্যাচের ৪৩ জন কর্মকর্তা শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ৪০ জন মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাদের পদোন্নতি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না।
২০তম ব্যাচের নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ হয় ১৯৯৯ সালে। তারা ২০১৯ সালে যুগ্ম সচিব হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেও পদোন্নতি পান ২০২১ সালে। নিয়ম অনুযায়ী যুগ্ম সচিব হিসেবে দুই বছর চাকরি করলেই অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জিত হয়। সে হিসেবে ২০২৩ সালেই এই ব্যাচের কর্মকর্তারা যোগ্য হয়েছেন। ইতোমধ্যে তাদের চাকরিজীবনের সব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এসএসবি পদোন্নতির তালিকা চূড়ান্ত করলেও শেষ সময়ে এসে প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারেনি সরকার।
এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারের বাইরে অন্যান্য ক্যাডারের দেড় শতাধিক কর্মকর্তা পদোন্নতিযোগ্য হলেও যুগ্ম সচিব হতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের অধিকাংশই পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন করেছেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে এসএসবি একাধিক বৈঠকও করেছে। তবে যাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, দুদক বা বিভাগীয় মামলা চলমান, কিংবা ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) বা জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এহসানুল হক ইউএনবিকে বলেন, নিয়মিত পদোন্নতি না পাওয়াদের বিষয়ে আমরা ওয়াকিবহাল আছি। আমরা তথ্য নিচ্ছি। এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত অবশ্যই আসবে।
মন্ত্রিপরিষদসচিব ড. শেখ আবদুর রশীদ ইউএনবিকে বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি, বেশ কিছু আবেদন পেয়েছি। তার আলোকে কয়েকটি মিটিংও হয়েছে। দেখা যাক, এই সময়ের মধ্যে কতটুকু করতে পারি!
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বঞ্চিত কর্মকর্তা বলেন, রিভিউ চেয়ে আবেদন করেছেন অনেকেই। আওয়ামী সরকারের মন্ত্রীর আস্থাভাজন পিএসরাও পদোন্নতি পেয়েছেন। তারা বঞ্চিতদের অনেকেই কারও পিএস ছিলেন না। এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও নেই। তবু কেন বঞ্চিত হচ্ছে?
সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার ইউএনবিকে বলেন, ‘নির্বাচনের তফসিল নিয়মিত পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নয়। সময়মতো পদোন্নতি না হলে প্রশাসনিক কাজকর্মে স্থবিরতা তৈরি হবে। যাদের পদোন্নতির কথা বলা হচ্ছে, তারা কেউই নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নন। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিয়েই পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব। তা না হলে একটি হতাশাগ্রস্ত প্রশাসনের জন্ম হবে এবং প্রশাসনিক কাজকর্ম ব্যাহত হবে।’
প্রশাসন বিশেষজ্ঞ সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. ফিরোজ মিয়া ইউএনবিকে বলেন, ‘সময়মতো পদোন্নতি না দিলে প্রশাসনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। যোগ্যদের সময়মতো পদোন্নতি না দিলে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়, প্রশাসনিক কাজকর্ম বিঘ্নিত হয়। নির্বাচনের তফসিল নিয়মিত পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নয়। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিয়ে হলেও সময়মতো পদোন্নতি দেওয়া উচিত। এখনও সময় আছে, সরকার চাইলে পদোন্নতি দিতে পারবে।’
২০১ দিন আগে
এডিসি হলেন ৩১ কর্মকর্তা
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ৩১ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা কর্মকর্তাদের তাদের নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য ‘দ্য কোড অব ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’-এর ১০(২) ধারার বিধান অনুযায়ী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা আগামী ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে বদলি করা কর্মস্থলে যোগদান করবেন। অন্যথায় আগামী ১১ ডিসেম্বর বিকেলে বর্তমান কর্মস্থল (প্রশিক্ষণ/কর্মস্থল) থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বদলি করা কর্মকর্তার দপ্তর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন বলে জনপ্রশাসন মস্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
২৩৮ দিন আগে
৬ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ
৬টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জেলাগুলো হলো— পটুয়াখালী, কুষ্টিয়া, কুড়িগ্রাম, মেহেরপুর, নেত্রকোনা ও খুলনা।
সোমবার (২৫ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীকে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীনকে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজু সিফাত মেহনাজকে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালামকে মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামানকে নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌফিকুর রহমানকে খুলনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি/পদায়ন করা হয়েছে।
পড়ুন: প্রাইজবন্ড কি? কোথা থেকে কিনবেন ও ভাঙাবেন? কেনার সুবিধা-অসুবিধা
জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
৩৪৪ দিন আগে