মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর
খুলনা নগরীর ১১৭ স্পটে মাদকের কারবার, শনাক্ত ২৭২ ব্যবসায়ী
খুলনা নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে মাদক ব্যবসার বিস্তার বাড়ছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ১১৭টি মাদক বিক্রির স্পট চিহ্নিত করে এর সঙ্গে জড়িত ২৭২ জন মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
মাদক ব্যবসা প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনাও চেয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়েও তালিকাটি পাঠানো হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা ও যশোর থেকে সড়ক ও রেলপথে ফেনসিডিল ও ইয়াবা খুলনায় আসে। পণ্যবাহী পরিবহনে করে এসব মাদক পথের বাজার ও জিরো পয়েন্ট দিয়ে নগরীতে প্রবেশ করে। এছাড়া বেনাপোল থেকে আসা কমিউটার ট্রেনেও ফেনসিডিল ও ইয়াবা আসে। এসব মাদকবাহী ট্রেন থেকে ব্যবসায়ীরা দৌলতপুর ও খুলনা স্টেশনে নেমে যায়।
তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে মাদক বিক্রির স্পটগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন উপপরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তা প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছেন।
প্রতিবেদনে নগরীর উল্লেখযোগ্য মাদক বিক্রির স্পট হিসেবে টুটপাড়া, গাছতলা, মহিরবাড়ি খালপাড়, ৫ নম্বর ঘাট, গ্রিনল্যান্ড বস্তি, জোড়াগেট, ১০ তলার পেছন, ৪ ও ৬ নম্বর ঘাট, হাসপাতাল রোড, নিক্সন মার্কেট, দারোগার বস্তি, বার্মাশীল রোডের পানির ট্যাংকির মোড়, নিরালা আবাসিক এলাকা, হাজীবাড়ির মোড়, সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল, লবণচরা, জিরো পয়েন্ট, কৈয়া বাজার, ইসলামনগর, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) ক্যাম্পাস, গিলেতলা, কুয়েট রোড, আটরা পালপাড়া, দৌলতপুর, খালিশপুর ও মহেশ্বরপাশা কালীবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের আগে শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের কেউ কেউ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মাদক বিক্রেতাদের পুঁজি দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসার বিনিময়ে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও ছিল। সে সময় গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা ও কোডিন ফসফেটের কারবার হতো। প্রতিদিন প্রায় ৪ লাখ টাকার মাদক বিক্রি হতো বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকারীদেরও পরিবর্তন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, গত মাসের আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় খুলনা জেনারেল হাসপাতালের সুপার ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, ওই মাসে ১৩৭ জনের ডোপ টেস্ট করা হয়। এর মধ্যে আটজনের ফল পজিটিভ আসে। তাদের অধিকাংশ মরফিন ও গাঁজা সেবন করেন বলে তিনি সভায় জানান।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) অমিত কুমার বর্মণ বলেন, নগরীকে মাদকমুক্ত করতে প্রতিদিনই অভিযান চালানো হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীরা পলাতক থাকলেও তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। নগরীতে মাদকসেবীদের মধ্যে ইয়াবার চাহিদা বেশি বলেও জানান তিনি।
৬ দিন আগে
ফেনীতে ‘আইস’ জব্দ, গ্রেপ্তার ১
ফেনীর মহিপালে ২০০ গ্রাম ক্রিস্টাল মিথাইল অ্যামফিটামিন বা আইস জব্দ করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ সময় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সাব্বির কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
ফেনী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ জানান, সাব্বির টেকনাফ থেকে আইস নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিপালে অবস্থান নেন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এ সময় মহিপালে গাড়ি পাল্টানোর সময় তাকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ মাদকদ্রব্য ঢাকায় পৌঁছে দেয়ায় তার দায়িত্ব ছিল বলে জানান সাব্বির। আইসের মালিক ও সরবরাহকারী কাউসার নামের এক ব্যক্তি বলে পুলিশকে জানিয়েছেন তিনি।
এই ঘটনায় বুধবার রাতেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গ্রেপ্তার সাব্বির ও পলাতক কাউসারকে আসামি করে একটি মামলা করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
আরও পড়ুন: মীরসরাইয়ে ‘আইস’সহ তরুণী আটক
১০ কোটি টাকার ‘আইস’ জব্দ
সিরাজগঞ্জে র্যাবের অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
১৭৯২ দিন আগে
খুলনায় ইয়াবাসহ পুলিশ সদস্য আটক
খুলনায় ইয়াবাসহ আকাশ রহমান নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
২৪০৩ দিন আগে
মাদক সাম্রাটদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মাদক সাম্রাটদের গ্রেপ্তার করতে ২০১৮ সালে শুরু হওয়া মাদকবিরোধী অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে রবিবার জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
২৪২৭ দিন আগে
ইয়াবা পাচার বন্ধ না হওয়ার কারণ মিয়ানমারের অসহযোগিতা: মন্ত্রী
প্রতিবেশী মিয়ানমার তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ভয়াবহ মাদক ইয়াবার পাচার বন্ধ করা যাচ্ছে না বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
২৪৩৭ দিন আগে