গ্রেপ্তার
নবীগঞ্জে শাশুড়িকে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধূ গ্রেপ্তার
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে শাশুড়িকে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।
নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩), নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তার ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী দুবাই প্রবাসী । বাড়িতে তিনি পুত্রবধূ তামান্না আক্তারের সঙ্গে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে নিজ বাড়ি থেকে ফেরদৌসী ইসলামের হাত-পা বাঁধা এবং মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুত্রবধূ তামান্না আক্তারকে (২২) আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
অভিযুক্ত তামান্নার জবানবন্দিতে জানা যায়, তার সঙ্গে সুনামগঞ্জের এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার রাতে ওই যুবকসহ আরও ২-৩ জন তাদের বাড়িতে আসে। তারা আলমারি ভেঙে স্বর্ণ ও টাকা লুট করে। সে সময় শাশুড়ি ফেরদৌসীর গলার হার নিতে গেলে তিনি জেগে ওঠেন। তিনি চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্তরা তাকে হাত-পা বেঁধে এবং মুখে টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে তামান্না ও তার কথিত প্রেমিকসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামল দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
৩ দিন আগে
যশোরের চরমপন্থি নেতা গোফরান ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার
যশোরের অভয়নগরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে ওঠা চরমপন্থি নেতা নাসির শেখ গোফরান ও তার সহযোগী সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (১৪ মার্চ) খুলনার রূপসা উপজেলা থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মো. নাসির শেখ গোফরান (৪০) বাগেরহাটের রামপাল থানার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। মো. সোহেল রানা (২৮) বাগেরহাটের রূপসা থানার আলাইপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, গোফরান ‘বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি’র নেতা পরিচয়ে একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলে যশোর, খুলনা ও নড়াইলজুড়ে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলবাজির রাজত্ব চালিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে রয়েছে অস্ত্র, হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে যশোর জেলা পুলিশের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল বাশার জানান, গত ১ মার্চ গভীর রাতে অভয়নগরের গোপিনাথপুর গ্রামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে গোফরান বাহিনী। সে সময় তারা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গোফরান বাহিনী নগদ ২০ হাজার টাকা, মোটরসাইকেল, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে চক্রটি। তাদের ধরতে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়। ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে গত শনিবার খুলনার রূপসা উপজেলার জাবুসা গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন।
৫ দিন আগে
বরিশালে চাঁদার দাবিতে হাতুড়িপেটা: ছাত্রদলের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার
চাঁদার দাবিতে এক ড্রেজার ব্যবসায়ীর কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার ধামুরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার পর সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
গ্রেপ্তার মনির সরদার উপজেলার দক্ষিণ ধামুরা গ্রামের মৃত হামেদ সরদারের ছেলে।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার রাতে ড্রেজার ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম চুক্তিভিত্তিক বালু ভরাটের কাজ করেন। উপজেলার শোলক ইউনিয়নে বালু ভরাটের জন্য তিনি পাইপ স্থাপন করে কাজ শুরু করেন। গত ৪ জানুয়ারি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারের নেতৃত্বে ৭-৮ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে গিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে নিরুপায় হয়ে তিন দফায় এক লাখ টাকা দেন তিনি।
বাকি এক লাখ টাকা আদায়ের জন্য গত ১৩ মার্চ দুপুরে দক্ষিণ ধামুরা গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির সামনে অভিযুক্তরা আসেন। এ সময় আর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ড্রেজারের মেকানিক আবু বক্কর হাওলাদারকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় শুক্রবার নামধারী দুজনসহ অজ্ঞাত আরও আটজনকে আসামি করে মামলা করা হয়।
ওই মামলার প্রধান আসামি মনির সরদারকে গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় ধামুরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মো. রকিবুল ইসলাম।
এদিকে, এ ঘটনার পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনির সরদারকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারকে পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক সুজনকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংগঠনের গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
৬ দিন আগে
বিয়ানীবাজারে ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার লাসাইতলা হাওর এলাকা থেকে ছিনতাই হওয়া একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) রাতে সিলেট ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গত ৫ মার্চ রাতে নিজ মালিকানাধীন অটোরিকশায় গ্যাস নিতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন গাড়ির মালিক শাহাদাত হোসেন সামাদ। তার বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলায়।
যাত্রী নিয়ে অন্যত্র যাওয়ার কথা বলে ছিনতাইকারীরা তার অটোরিকশা মুল্লাপুর ইউনিয়নের লাসাইতলা হাওর এলাকায় নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে সেটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। এ সময় অটোরিকশাচালককে হাত-পা বেঁধে তারা মারপিট করে। পরে সেখানকার স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন। একপর্যায়ে পুলিশ ছিনতাই হওয়া অটোরিকশাটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বিয়ানীবাজারের মাথিউরা পূর্বপাড় গ্রামের রাজন আহমদ (৩৫), খায়রুল ইসলাম সরোয়ার (২৮), শাহগলী নিদনপুর এলাকার সালেহ আহমদ সুলতান (৩৫) ও চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ গ্রামের মাহমুদ হোসেন জাহিদকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
১১ দিন আগে
ঝিনাইদহে পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুর: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান জীবনসহ ৭ জনকে আটকের পর পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর ও ৩টি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে বাস মালিকদের পক্ষে সাইফ নোমান ও পেট্রোল পাম্প সৃজনী ফিলিং স্টেশনের পক্ষে শামসুল কবীর মিলন ঝিনাইদহ সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। গণমাধ্যমে পাঠানো পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল সাক্ষরিত এক প্রেসনোটে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান জীবন, যুগ্ম আহ্বায়ক এজাজ হাসান অন্তর মাহমুদ, ‘দ্য রেড জুলাই’-এর আহ্বায়ক আবু হাসনাত তানাঈম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন কবির, তাশদিদ হাসান ও রাসেল।
জেলা পুলিশের প্রেসনোটে বলা হয়, গত ৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পাম্প কর্মচারীদের হামলায় নিহত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী ফারদিন আহম্মেদ নীরব।
এ ঘটনায় র্যাব ও পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে হত্যার সঙ্গে জড়িত পাম্পের ৩ কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে। নীরব হত্যার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানাধীন পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুরের চেষ্টা চালান, কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় তারা একই মালিকের আরাপপুর সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। ঘটনার দিন দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা রয়েল পরিবহনের দুটি ও জে লাইন পরিবহনের একটি বাসে তারা আগুন ধরিয়ে দেন বলে প্রেসনোটে উল্লেখ করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর ও তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ও মোবাইল ট্রাকিং করে হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়।
এ ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারেক রেজা জানান, প্রতিটি অপরাধই আইনের দৃষ্টিতে খারাপ। আমরাও চাই প্রকৃত অপরাধীর বিচার হোক।
তিনি বলেন, পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে তাদের মধ্যে অনেকেই নিরাপরাধ রয়েছেন। ফলে আইনের প্রয়োগ যেন সঠিক হয়।
হত্যার চেয়ে যদি ভাঙচুরের ঘটনা বড় করে দেখানো হয়, তবে সেটা দুঃখজনক ঘটনা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
১২ দিন আগে
শ্যালিকার আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ, দুলাভাই গ্রেপ্তার
সিলেটের মোগলাবাজার এলাকায় এক নারীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে রুকন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯।
শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে মোগলাবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ (রবিবার) সকালে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
গ্রেপ্তার রুকন মিয়া সিলেট মহানগর মোগলাবাজার থানা এলাকার বীরমঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা।
র্যাব সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী মোগলাবাজার থানার সিকন্দরপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি প্রায়ই তার বোনের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। সেই সুযোগে রুকন মিয়া গোপনে তার কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও নিজের মোবাইলে ধারণ করে রাখেন। পরে এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
পরবর্তীতে রুকন মিয়ার অনৈতিক আচরণ বাড়তে থাকলে ভুক্তভোগী বিষয়টি তার বোনকে জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রুকন মিয়া গত বছরের ১৭ জুন তার স্ত্রীকে মৌখিকভাবে তালাক দেন। তাদের একটি সন্তানও রয়েছে।
তারপরও থেমে থাকেননি তিনি। শ্যালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে মেয়েটিকে চাপ দেন এবং ১০ লাখ টাকা দাবি করেন তিনি। তবে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিওগুলো প্রকাশ করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পর্নোগ্রাফি আইনে মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা করেন। তবে তার মধ্যেই পর থেকেই রুকন মিয়া আত্মগোপনে চলে যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৯-এর মিডিয়া কর্মকর্তা কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রুকন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১৩ দিন আগে
চাঁদপুরে অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে দেশীয় অস্ত্র ও পিকআপ নিয়ে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জাব্বার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আটকরা হলেন— লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার মো. জাহেদ প্রকাশ জাহিদ (২৭), কুমিল্লা মুরাদ নগর থানার ইসমাইল হোসেন (৩৫) ও দাউদকান্দি থানার মো. মহসীন মিয়া (৩০)।
ওসি আব্দুল জাব্বার জানান, গতকাল (শুক্রবার) দিবাগত রাত ১টার দিকে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ জানতে পারে কুমিল্লা থেকে একদল ডাকাত পিকআপ নিয়ে হাজীগঞ্জ বাজারে ডাকাতি করার জন্য আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের হাজীগঞ্জ বাজারের পূর্ববাজার সেতুর পাকা সড়কের ওপর পুলিশ তাৎক্ষণিক চেকপোস্ট বসায়। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল), পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব শর্মা, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দিলীপ চন্দ্র দাসসহ পুলিশ সদস্যরা গাড়ি তল্লাশি করেন।
তিনি বলেন, দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে টাটা ব্র্যান্ডের নীল রঙয়ের ছোট পিকআপ আটক করে পুলিশ। তখন পিকআপে থাকা ডাকাত দলের সদস্যরা দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে দিলীপ চন্দ্রা সাহা পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ডাকাত দলের সদস্যদের অস্ত্রসহ আটক করেন।
জব্দ করা দেশীয় অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে— ১টি ধারালো রামদা, চাপাতি, ছুরি, লোহার কাটার, ৩টি লোহার রড, ১টি লোহার শাবল, পুরাতন ৩টি সুতি গামছা, ৫টি ধারালো সার্প কোম্পানির ব্লেড ও ৩টি কালো রঙয়ের মাস্ক।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হচ্ছে। আসামিদেরও চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করা হবে।
১৪ দিন আগে
বোনকে কুপ্রস্তাবে প্রতিবাদ করায় বড় বোনকে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানায় ছোট বোনকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বড় বোনকে গলা কেটে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. আবুল কালামকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত পৌনে ১০টার দিকে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার স্টেশন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কালাম কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার চর হরিকেশ এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কালাম ও তার সহযোগীরা শাহিদা খাতুনের ছোট বোনকে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে অনৈতিক সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে শাহিদা ও তার ছোট ভাই প্রতিবাদ করেন এবং এ বিষয়ে গ্রাম্য সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে আসামি সালিশে উপস্থিত না হওয়ায় বিষয়টি অমীমাংসিত থেকে যায়।
গত ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহিদা বাড়ির উঠানে রান্নার চাল ধোয়ার জন্য যান। সে সময় তাকে একা পেয়ে কালাম ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন।
এ ঘটনায় শাহিদার বাবা মো. সাইফুর রহমান বাদী হয়ে কচাকাটা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাব-১৩-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-১৩।
১৫ দিন আগে
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে শিগগিরই অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
খুব শিগগিরই দেশব্যাপী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর রমনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, আজকের মতবিনিময় সভায় দুটি বিষয়ে অনুশাসন দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো— আমরা চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে খুব শিগগিরই দেশব্যাপী, বিশেষ করে ঢাকা থেকে অভিযান শুরু করব। সেজন্য চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে সেই হিসেবে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, যারা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, দাগি আসামি, যারা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তাদের একটি স্বচ্ছ তালিকা প্রস্তুত করে সে হিসেবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানতম অগ্রাধিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং এর মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি প্রদান করা ও দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, আমরা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আর এক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য। যেহেতু বাংলাদেশ বিগত সময়ে একটা ফ্যাসিবাদী সরকারব্যবস্থার মধ্যে ছিল, সে সময় অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশের এই প্রতিষ্ঠানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই জায়গা থেকে ক্রমান্বয়ে আজকের এই পর্যায়ে এসেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষ যেন পুলিশকে সত্যিকার অর্থেই জনগণের বন্ধু মনে করে, আমরা পুলিশ বাহিনীকে সে লক্ষ্যে পরিচালিত করছি। আজকের মতবিনিময় সভায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ রাজনীতিক বলেন, ‘পুলিশ কোনো ব্যক্তির স্বৈরতান্ত্রিক নির্দেশে চলবে না বা কোনো পিতৃতান্ত্রিক সিস্টেম এখানে চলবে না; পুলিশ চলবে আইনানুগভাবে।’
মন্ত্রী বলেন, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে বিষয়ে তারা আজ সংকল্প ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পুলিশ বাহিনীকে জনগণের পক্ষে বর্তমান সরকারের যে প্রতিশ্রুতির বিষয়গুলো আছে, তা স্মরণ করে দিয়েছি। আমি আশা করছি, তারা জনগণের পক্ষে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পুলিশ বাহিনীকে ‘চেইন অব কমান্ড’ বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরাসরি মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন না। তবে মন্ত্রী যদি চান, যেকোনো স্তরের কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। কিন্তু ‘চেইন অব কমান্ড’ ভঙ্গ করে একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন না।
ঢাকার যানজটের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারকে আমরা একটা সেল বা কমিটি গঠন করার নির্দেশনা দিয়েছি। তিনি ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে বসে যানজট নিয়ন্ত্রণে করণীয় ও সুপারিশমালা প্রস্তুত করে আমাকে একটি প্রতিবেদন দেবেন।
এ সময় ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশার আধিক্য নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, ঢাকার প্রধান ও ভিআইপি সড়কে, যেখানে ব্যাটারিচালিত রিকশা থাকার কথা নয়, সেখানেও তারা চলাচল করছে। এটা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়—সে বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমরা পরীক্ষামূলকভাবে উত্তরা এয়ারপোর্ট রোড থেকে সচিবালয় পর্যন্ত রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ করব। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রধান ও ভিআইপি সড়কে এটি করা হবে।
ব্রিফিংয়ে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১৭ দিন আগে
গাজীপুরে মাদরাসাছাত্র হত্যার রহস্য উন্মোচন, ভাইসহ গ্রেপ্তার ২
গাজীপুরে মাদরাসাছাত্র আব্দুর রাহিমকে (১৩) হত্যার পর গভীর শালবনে গর্ত করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে গুম করা হয়। হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাইসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন।
তিনি জানান, জেলার জয়দেবপুর থানার ডগরি নয়াপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রাহিম স্থানীয় নয়াপাড়া এবাদিয়া দাখিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। গত ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সে নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তার বাবা ৩ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানাধীন বিকেবাড়ি পদ্মপাড়া এলাকায় বাঁশরী রিসোর্টের দক্ষিণ পাশে সরকারি শালবনের গভীরে গর্তের ভেতর মাটি চাপা দেওয়া অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে মরদেহটি শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হলে পোশাক দেখে রাহিমের বাবা তার ছেলেকে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় ২৭ ফেব্রুয়ারি জয়দেবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাহিম তার বাবার কাছে মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করছিল। এ বিষয় নিয়ে বড় ভাই আলামিন হোসেন ক্ষুব্ধ হয়ে বন্ধু আশিক আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তারা রাহিমকে শালবনের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মাফলার দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মুখে স্কচটেপ লাগানো হয়। একপর্যায়ে রাহিম বিষয়টি বাবাকে জানিয়ে দেবে বললে আলামিন তাকে গলাটিপে হত্যা করেন। পরে ঘটনাস্থলের পাশেই গর্ত করে মাটি চাপা দেওয়া হয় এবং আলামত নষ্ট করতে তার জ্যাকেট আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
পরবর্তী সময়ে গতকাল (৩ মার্চ) ভোরে জয়দেবপুর থানার মির্জাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলামিন হোসেন (২৩) ও আশিক আহমেদকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ২৬ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার বিকে বাড়ি এলাকার বাঁশরী রিসোর্টের দক্ষিণ পাশে শালবানের ভেতর বেশ কয়েকজন কিশোর টিকটক ভিডিও করতে যায়। শুটিং করার সময় বনের ভেতরে তীব্র দুর্গন্ধ তাদের নাকে আসে। পরে তারা সামনে এগিয়ে মাটিতে চাপা দেওয়া ও কিছু অংশ বের হওয়া অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পায়। তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
১৭ দিন আগে