গ্রেপ্তার
বরিশালে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
বরিশালের উজিরপুরে ১৪ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি জাকির হোসেনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল এসআরবি-৮-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা সাথী আক্তার। এর আগে রাতে বানারীপাড়া উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি জানায়, মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসআরবি-৮-এর একটি দল অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর সকালে বাড়ির পাশে ডোবার পাড়ে নির্জন জায়গায় মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন জাকির। এ সময় মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা উজিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন।
এসআরবি আরও জানায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেপ্তারে এসআরবি-৮-এর সহযোগিতা চান। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সূত্রের সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর জাকিরকে উজিরপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৮ দিন আগে
নওগাঁয় মাদক ও অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
নওগাঁর মান্দায় মাদকবিরোধী ও কিশোর অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মান্দা উপজেলার কাশোপাড়া ইউনিয়নের চকউলী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে শুক্রবার দুপুরে জানিয়েছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন চকউলী গ্রামের ইসলাম বাবু (২১) ও শাওন ইসলাম (১৯) এবং শুটকিবাদল গ্রামের আরিফ হোসেন (২৩)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চালিয়ে দুটি বার্মিজ চাকু এবং বসতবাড়ির একটি গর্তে লুকিয়ে রাখা আধুনিক চাইনিজ ডাবল-হেড ট্যাকটিক্যাল অ্যাক্স বা ডাবল-ব্লেড টমাহক নামের আরেকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ৬০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ২০০ লিটার চোলাই মদ ও মাদক বিক্রির ৭৩ হাজার ৫০ টাকা জব্দ করা হয়।
পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক ও অস্ত্র মামলা করা হয়েছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর বলে জানান তিনি।
১১ দিন আগে
জয়পুরহাটে চালককে হত্যা করে অটোভ্যান ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে যাত্রী সেজে অটোভ্যান ছিনতাই ও চালককে হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জয়পুরহাট ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু কামাল।
গ্রেপ্তাররা হলেন হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান আসামি হাবিল উদ্দিন (৪১) এবং তার সহযোগী আনোয়ার হোসেন (৪৭), জাকারিয়া (২৯) ও জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বিপ্লব (৩৭)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর বিকেলে পাঁচবিবি উপজেলার শালাইপুর বাজার থেকে পাথরঘাটা যাওয়ার কথা বলে শাখাওয়াত হোসেনের অটোভ্যান ভাড়া করেন হাবিল। ভ্যানটি পাথরঘাটা সেতুর কাছে একটি নির্জন স্থানে পৌঁছালে হাবিল লোহার শাবল দিয়ে শাখাওয়াতের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মৃত্যু হয়।
পরে শাখাওয়াতের গামছা দিয়ে রক্তের দাগ মুছে গামছা ও শাবল সেতুর নিচে ফেলে অটোভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যান হাবিল। পরে চক্রের অপর সদস্য আনোয়ারের সহায়তায় ছিনতাই করা ভ্যানটি ৪৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
এ ঘটনায় পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা হওয়ার পর তদন্তে নামে ডিবি পুলিশ। এরপর জয়পুরহাট ও নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়া অটোভ্যান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত লোহার শাবল, রক্তমাখা গামছা ও ভ্যান বিক্রির নগদ ২৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
ওসি রাজু কামাল জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতে সোপর্দ করার কাজ চলছে। সেই সঙ্গে ঘটনার নেপথ্যে আরও কোনো দিক রয়েছে কি না, তা জানতে অধিকতর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
১৬ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ১
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ছয় আসামির মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে বাহার মিয়া (২২) নামের ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে একই দিন রাতে ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা।
অন্য আসামিরা হলেন জাকির (৩৩), নাঈম (২৪), সোহাগ মিয়া (২১), মোকলেস (৩৫) ও আলামিন ওরফে জিকির (৪০)।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছ থেকে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় ওয়াজ শুনতে স্থানীয় একটি মাদরাসায় যাচ্ছিল মেয়েটি। পথে একই গ্রামের জাকির, নাঈম, সোহাগ, মোকলেস, আলামিন ও বাহার তাকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান। পরে তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে জাকির, নাঈম ও সোহাগ ধর্ষণ করেন। এ সময় অন্য তিনজন ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
ঘটনার পর রাত ১১টার দিকে আসামিরা কিশোরীকে তার বাড়ির পাশে রেখে যান। এ বিষয়ে কাউকে কিছু জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
কিশোরীর বাবা জানান, ঘটনার কয়েক দিন পর তার মেয়ে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। পরে গত বৃহস্পতিবার তিনি মেয়েকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসীরা স্থানীয়ভাবে বিচারের আশ্বাস দেন। তবে কোনো সুরাহা না হওয়ায় তারা মামলা করেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া জানান, শনিবার রাতে ছয়জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে বাহার নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকিদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, ঘটনার বেশ কয়েক দিন পর ভুক্তোভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এতে আলামত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার পরও নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি জানা যাবে।
১৬ দিন আগে
রংপুরে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার
রংপুরের পীরগঞ্জে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বজলু মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের আছমতপুর গ্রামে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত বজলু মিয়া ওই গ্রামের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় শিশুটির চাচাতো ভাই মিলন মিয়া আজ (শুক্রবার) পীরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, শিশুটি আছমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। গেল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশের একটি ইউক্যালিপটাস বাগানে গাছের পাতা সংগ্রহ করতে গেলে বজলু মিয়া তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় শিশুটি চিৎকার করার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ হয়, ঘটনার পর শিশুটি বাড়িতে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার মাকে বিষয়টি জানায়। পরে স্বজনেরা তাকে মাইক্রোবাসে করে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পীরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তাজুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
১৮ দিন আগে
ফরিদপুরে ইজিবাইকচালক হত্যা মামলায় অজ্ঞান পার্টির ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
ফরিদপুরে চেতনানাশক দিয়ে ইজিবাইকচালককে অজ্ঞান করে রাস্তার পাশে ফেলে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় পিবিআই ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংস্থাটির পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
গ্রেপ্তার মুরাদ শেখ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদাহ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে এ ঘটনায় গ্যারেজ মালিক কামাল ও ছিনতাইকারী সুমন আহমেদ নামে আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ সুপার জানান, গত ১৪ অক্টোবর রাতে ফরিদপুর শহরের ফলপট্টি এলাকা থেকে মুরাদ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে পাঠানো হলে তিনি ইজিবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআই আরও জানায়, ২০২২ সালের ১৬ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাঁচ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে ২০০ টাকা ভাড়ায় তালমা যাওয়ার কথা বলে একটি ইজিবাইক ভাড়া করে।
ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের বাখুন্ডা এলাকায় পৌঁছালে চক্রের সদস্যরা রুমালের মধ্যে চেতনানাশক মিশিয়ে চালক বিশ্বনাথ সরকারকে অজ্ঞান করেন। সে সময় তাকে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে ইজিবাইকটি নিয়ে পালিয়ে যান তারা।
পরে স্থানীয়রা বিশ্বনাথকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে পরদিন সকালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রবি কুমার সরকার বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা ও ছিনতাইয়ের মামলা করেন।
মামলার তিন মাস পর তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। একটি গ্যারেজ থেকে ছিনতাই হওয়া ইজিবাইকের হুটের সূত্র ধরে দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তদন্তের পর একে একে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।
১৮ দিন আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় খাইরুল ইসলাম (৩৩) নামের এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মামলার বিস্তারিত জানান এসআরবি-১৪-এর মিডিয়া কর্মকর্তা নাদিয়া ফারজানা। এর আগে গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা কলেজ মোড় থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাদরাসা শিক্ষক খাইরুল ইসলাম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা গ্রামের বাসিন্দা।
এসআরবি জানায়, অভিযুক্ত খাইরুল ওই গৃহবধূর মেয়েকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন। পরে ছাত্রীর পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়ার অজুহাতে তিনি প্রায়ই ওই বাড়িতে যেতেন। গত ৮ আগস্ট বিকেলেও তিনি ওই বাড়িতে যান।
এ সময় ভুক্তভোগীর মেয়ে বাইরে খেলতে গেলে তিনি গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন এবং কৌশলে কিছু আপত্তিকর ছবি তুলে রাখেন। পরে ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিনি পুনরায় গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী গত ২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় খাইরুলকে গ্রেপ্তারের পর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
২১ দিন আগে
খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবু’র সহযোগী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
খুলনার পূর্ব রূপসায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি চৌধুরী বাবু ওরফে গ্রেনেড বাবুর সহযোগী রাজু মোড়ল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে তাকে উপজেলার রামনাগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের ইমান আলী মোড়লের ছেলে।
খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশ এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গ্রেপ্তার রাজু মোড়ল খুলনার একটি বিশেষ বাহিনীর সদস্য। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে আসে। এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করে।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক বলেন, ‘গ্রেপ্তার রাজু মামুন মীর হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি। আমরা তাকে খুঁজছিলাম। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজু মোড়ল খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী বাহিনী ‘‘গ্রেনেড বাবুর’’ অন্যতম সক্রিয় সদস্য। তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি।’
২৫ দিন আগে
১ কোটি টাকার নকল ও অনুমোদনহীন ওষুধ-সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার ৩
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ও অনুমোদনহীন ওষুধ এবং ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সরঞ্জামসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন আবদুল্লাহ আল-মামুন (৪২), মো. সাজু (৩৩) ও মো. সজীব (২৬)।
অতিরিক্ত কমিশনার জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (মঙ্গলবার) ডিবির ওয়ারী বিভাগের একটি দল মোহাম্মদপুরে ঢাকা উদ্যান এলাকার সি ব্লকে একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
জব্দ করা সামগ্রীর মধ্যে সিরাপ, ক্যাপসুল, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ, হাইজিন ওয়াশ, সাবান, পাউডার ও ট্যাবলেটের পাশাপাশি খালি মোড়ক, বোতল, লেবেল ও অন্যান্য প্যাকেজিং সামগ্রী রয়েছে।
১৯২ বোতল কিডজ ওমেগা লিকুইড সিরাপ, ১০০ বাক্স ল্যাক্টোফ্লেক্স ক্যাপসুল, ৩০০ পাতা ওসিয়ার্ক-সিডি ক্যাপসুল, ৮০০ বোতল কিডিকেয়ার সিরাপ প্লাস, ৭০ বোতল পিডিয়া ভক্স কিড সিরাপ, ১০ বোতল নিউট্রামাইড সিরাপ, ৩০টি ফেসি গ্লো ফেসওয়াশ ও ১৫০টি ডিটক্স প্লাস শ্যাম্পু জব্দ করা হয়।
এছাড়া ৩০০টি লেবেলবিহীন সিরাপের বোতল, ১০০টি লেবেলবিহীন সাদা ট্যাবলেট, ৫০০টি খালি সবুজ ক্যাপসুলের খোলস, ৪০০টি সাদা প্লাস্টিকের কনটেইনার এবং বিভিন্ন ধরনের খালি মোড়ক ও লেবেল জব্দ করে ডিবি।
তিনটি সিলিন্ডার, দুটি ক্যাপসুল ভরার মেশিন, ক্যাপসুল ভরার মেশিনের ছয়টি যন্ত্রাংশ ও দুটি লেবেল লাগানোর ছাঁচও জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ করা সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য এক কোটি টাকা বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
শফিকুল ইসলাম বলেন, জব্দ করা শিশুদের পণ্যগুলো তাদের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারত।
তিনি আরও বলেন, অভিযানে পাওয়া কিছু ওষুধ বাংলাদেশে সাধারণত পাওয়া যায় না এবং এগুলো প্রতিবেশী কোনো দেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
বিদেশি এসব ওষুধ বৈধভাবে আমদানি করা হয়েছিল কি না এবং সেগুলো কোনো ওষুধের দোকান বা অন্য বিক্রয়কেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়েছিল কি না, ডিবি তা-ও তদন্ত করছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে ডিবিকে জানিয়েছেন, তারা তিন মাসের বেশি সময় ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ কাজে ব্যবহৃত ফ্ল্যাটটিও প্রায় তিন মাস আগে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল।
বিশেষ ক্ষমতা আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করা হয়েছে।
২৭ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির সই-সিল জাল, মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ গ্রেপ্তার ২
সাভারের আশুলিয়ায় রাষ্ট্রপতির সই ও সিল জাল করার অভিযোগে একটি মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৭ অক্টোবর) আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভোরে আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ (৫০) ও উপপরিচালক (প্রশাসন) সৈয়দ সানজিদ (৪৫)।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত পাঁচজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন মাদরাসার পরিচালক সৈয়দ আলী রায়হান ওরফে রুন্নান, জামগড়ার বাসিন্দা গাজী লিটন ও বিপ্লব।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় অবস্থিত তাহফিজুল কুরআনিল কারিম ফাজিল মাদরাসার প্রস্তাবিত এডহক কমিটির একটি তালিকা অনুমোদনের জন্য মাদরাসার নিজস্ব প্যাডে একটি আবেদন তৈরি করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সিল ও রাষ্ট্রপতির সই জাল করে আবেদনটি ঢাকার বছিলায় অবস্থিত ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হয়।
প্রক্রিয়ার একপর্যায়ে বিষয়টি রাষ্ট্রপতির নজরে আসার পর তিনি এ নিয়ে অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সইটি তার নয় এবং এটি জাল। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসারের (পিএলও) মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপার (এসপি) ও ডিআইজি কার্যালয়কে বিষয়টি অবহিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর আশুলিয়া থানার একটি দল অভিযান চালিয়ে দুজনকে হেফাজতে নেয়।
আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে কোনো এক সময়ে মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কার্যালয়ে বসেই আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে রাষ্ট্রপতির সই ও সিল জাল করেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ এজাহারভুক্ত দুজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২৭ দিন আগে