দগ্ধ
গাজীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণ, আগুনে দগ্ধ ৩
গাজীপুরের শ্রীপুরে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে আগুন ধরে পাশের একটি মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) রাত পৌনে ১১টার দিকে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় এলাকার আ. সাহিদ সুপার ভিউ নামের একটি মার্কেটের সামনে বৈদ্যুতিক খুঁটির ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ হয়। ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে সৃষ্ট আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তিনজন দগ্ধ হন। আগুন ছড়িয়ে পড়লে ওই মার্কেটের কয়েকটি কক্ষের মালামাল পুড়ে যায়।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর নুরুল করিম জানান, খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় আল হেরা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্মরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি।
১০ দিন আগে
রাজধানীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের ১০
রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন— মো. রুবেল (২৮), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (০৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই মো. এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী মোছা. দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩০), ভাগনি আয়েশা, (১৯) মো. হাবিব (৩৫) ও আবু কালাম রুবেল (৩৫)।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা সাজেদ মাতব্বর জানান, উত্তরার কামারপাড়া ১০ নম্বর সেক্টরের কবরস্থান রোডের মেম্বার বাড়ির পাশে আবুল কালামের বাসায় দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকেন রুবেল। ওই বাসায় ভোরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে।
তিনি জানান, রুবেল মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করেন। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারি অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তিদের মধ্যে শিশু রোজার শরীরের ১৮ শতাংশ দগ্ধ, সোনিয়া আক্তার দগ্ধ ১০০ শতাংশ, রুবেলের ৩২ শতাংশ, জুনায়েদ ২৪ শতাংশ, এনায়েত আলী ৪৫ শতাংশ, দিলেরা খাতুন ১৪ শতাংশ, আবু কালাম রুবেলের ৭ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, আয়েশা আক্তার ১২ শতাংশ ও রিয়া আক্তারের শরীরের ৩২ শতাংশ দগ্ধ রয়েছে।
যাদের শরীরের দগ্ধের পরিমাণ বেশি, তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অন্যদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানান এ চিকিৎসক।
১৫ দিন আগে
পুরান ঢাকায় এসি বিষ্ফোরণে দগ্ধ একজনের মৃত্যু
রাজধানীর পুরান ঢাকার নারিন্দায় একটি বাসায় এসির গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ মো. সেলিম (৩৩) নামে একজন মারা গেছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান তিনি।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সেলিমের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে মো. মোক্তার বেপারী শরীরের ২২ শতাংশ দগ্ধ ও সেলিনা আক্তার ২০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে তাদের দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন— মোক্তার বেপারী (৫৫), সেলিনা আক্তার (৪৫) ও মোহাম্মদ সেলিম (৩৩)।
স্থানীয়রা জানান, ওই বাসায় একাধিক এসির গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ছিল। সেখান থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। নারিন্দা এলাকার পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ওই বাসা থেকে বেশ কিছু গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করেন। তাছাড়া দগ্ধদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান তারা।
২২ দিন আগে
পুরান ঢাকায় এসি বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩
রাজধানীর পুরান ঢাকায় নারিন্দার একটি বাসায় এসির গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে তাদের দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন— মোক্তার বেপারী (৫৫), সেলিনা আক্তার (৪৫) ও মোহাম্মদ সেলিম (৩৩)।
স্থানীয়রা জানান, ওই বাসায় একাধিক এসির গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ছিল। সেখান থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। নারিন্দা এলাকার পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ওই বাসা থেকে বেশ কিছু গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করেন। তাছাড়া দগ্ধদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান তারা।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মো. মোক্তার বেপারীর শরীরের ২২ শতাংশ, সেলিনা আক্তারের ২০ শতাংশ ও মো. সেলিমের শরীরের ১০০ শতাংশ পুড়ে গেছে। সেলিমের অবস্থা বেশ আশঙ্কজনক বলে জানান তিনি।
২২ দিন আগে
কক্সবাজারে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ, ১৬ জন দগ্ধ
কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে এন আলম নামের একটি এলপিজি গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন ও বিপুল জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ১০টার দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে ৭ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ নিশ্চিত করেছেন, ওই ফিলিং স্টেশনটির কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না এবং গ্যাস লিকেজ থেকেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, এন আলম নামক ওই ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস লিকেজ শুরু হয়। দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা ধরে পুরো এলাকায় গ্যাসের তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
রাত সোয়া ১০টার দিকে বিকট শব্দে পাম্পের ১৪ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন গ্যাস ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে। আগুন দ্রুত পাম্পের চারপাশের স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় ৫ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
২৩ দিন আগে
কুমিল্লায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের দগ্ধ ৪
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন— মনোয়ারা (৬০), জিল হক (৩৭), উম্মে হুমায়রা (৩০) ও হুররাম (২)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মনোয়ারা বেগমের শরীরের ২ শতাংশ, জিল হকের শরীরের ৫৪ শতাংশ, হুমায়রার শরীরের ৬৫ শতাংশ ও শিশু হুররামের শরীরের ৬ শতাংশ পুড়ে গেছে। এদের মধ্যে জিল হক ও হুমায়রার দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাদের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।
২৬ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে চুল্লি বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৭ জন
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার আকিজ কোম্পানির একটি সিমেন্ট কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে ৭ জন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে দগ্ধ শ্রমিকদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন- ফেরদৌস (৩৮), রাকিব (২৫), মঞ্জু (২৮), তারেক (২১), বাবুল (৩০), খোরশেদ (২৮) ও হাবিব ( ৩৫)।
বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, গতকাল (শনিবার) রাত ১০টায় নারায়ণগঞ্জ থেকে দগ্ধ অবস্থায় ৭ জনকে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে হাবিবের শরীরের ১৪ শতাংশ, খোরশেদের শরীরের ১২ শতাংশ , রাকিবের ১০ শতাংশ, মঞ্জুরের ৭ শতাংশ, তারেকের ৪ শতাংশ, ফেরদৌসের ২ শতাংশ এবং বাবুলের শরীরের ২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি থাকায় তিনজনকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ড. শাওন আরও জানান, আমরা দগ্ধদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি নারায়ণগঞ্জে আকিজ সিমেন্ট কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে তারা দগ্ধ হয়েছেন।
৭০ দিন আগে
তালা দিয়ে বিএনপি নেতার ঘরে আগুন: দগ্ধ দুই মেয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা বেলাল হোসেনের ঘরের বাইরে থেকে তালা মেরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় তার দগ্ধ দুই মেয়ে বিথী আক্তার (১৩) ও স্মৃতি আক্তারকে (১৮) জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বেলাল হোসেনের সাত বছর বয়সী মেয়ে আয়েশা আক্তার ঘটনাস্থলেই পুড়ে মারা যায়।
শুক্রবার গভীর রাতে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের সুতারগোপ্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বেলাল হোসেন একই ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সুতারগোপ্তা বাজারের সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী।
আজ (রবিবার) সকালে ওই মেয়ে দুটির ভর্তি হওয়ার কথা নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ও সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, লক্ষ্মীপুর থেকে গতকাল (শনিবার) বিথী আক্তারের শরীরে ২ শতাংশ দগ্ধ এবং স্মৃতি আক্তারের শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় এখানে আনা হয়। তাদের মধ্যে স্মৃতি আক্তারের দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাকে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে বীথির শরীরে দগ্ধের পরিমাণ কম থাকায় তাকে জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, রাতে নিজের ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন বেলাল হোসেন। গভীর রাতে তার ঘরের দরজায় অজ্ঞাত কেউ তালা মেরে চারদিকে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহুর্তেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘরে থাকা তার ৩ মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে ঘটনাস্থলেই আয়েশা নিহত হয়।
৯১ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণ: স্বামীর পর না ফেরার দেশে দগ্ধ স্ত্রী
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও বিসিক শিল্পাঞ্চলে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ বাচা চৌধুরী (৩৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এর আগে একই ঘটনায় তার স্বামী মানব চৌধুরীও মারা যান। এ নিয়ে এই বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল দুইজনে।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাচা চৌধুরীর মারা যান।
তিনি সুনামগঞ্জ জেলার সুলা থানার বলরামপুর গ্রামের ননীগোপাল মজুমদারের মেয়ে। পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাচপুর বিসিক শিল্পাঞ্চলের তিন নম্বর গলির একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকতেন বাচা- মানব দম্পতি।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, বাচা চৌধুরীর শরীরে ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। রোববার রাতে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এর আগে গতকাল তার স্বামী মানব চৌধুরী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
আরও পড়ুন: সোনারগাঁয়ে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে এক পরিবারের ৫ জন দগ্ধ
তিনি আরও জানান, দম্পতির তিন মেয়ে— মুন্নি (১৪), তিন্নি (১২) ও মৌরি (৬)—এই বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে মুন্নির শরীরের ২৮ শতাংশ, তিন্নির ২২ শতাংশ এবং ছোট মেয়ে মৌরির ৩৬ শতাংশ পুড়ে গেছে।
গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাসায় গ্যাস জমে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন।
১৯৫ দিন আগে
সোনারগাঁয়ে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে এক পরিবারের ৫ জন দগ্ধ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বিসিক এলাকায় গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ এক পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে এই ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
দগ্ধরা হলেন— তিন্নি, মুন্নি, মৌরি, মানব চৌধুরী ও বাচা।
তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দগ্ধ হয়েছেন মানব চৌধুরী। তার শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। মানব চৌধুরীর স্ত্রী বাচার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। আর তাদের তিন সন্তান মৌরির ৩৬ শতাংশ, মুন্নির ২৮ শতাংশ ও তিন্নির শরীরের ২২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গুরুতর দগ্ধদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
১৯৮ দিন আগে