ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় দুই বোন নিহত
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় দুই বোন নিহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার পশ্চিম তালদিঘী এলাকায় ময়মনসিংহ-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো পশ্চিম তালদিঘীর ফকিরবাড়ি এলাকার মোখলেছুর রহমানের মেয়ে আরাবিয়া (৮) ও রাবেয়া (৫)। তারা স্থানীয় তালদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।
তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাশিদ জানান, সকালে শিশু দুটির মা গৃহকর্মী ফাতেমা আক্তার কাজে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় দুই মেয়েও তার সঙ্গে ছিল। মা রাস্তা পার হয়ে কাজে চলে গেলেও শিশু দুটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল।
এ সময় ময়মনসিংহগামী একটি কাভার্ড ভ্যান শিশু দুটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
ওসি আরও জানান, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। পরে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দাফনের অনুমতি দিয়ে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
৫ দিন আগে
কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম হবে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম পরিবর্তন করে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ময়মনসিংহে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনকালে সরকারের স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে সকালে মন্ত্রী ফুলবাড়িয়া ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। পরে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে যান।
মমেক হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী, যার মধ্যে ছিল ময়লার স্তূপে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাওয়া এবং চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না হওয়া।
দুপুরের দিকে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি প্রসূতি ওয়ার্ড, হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড ও ডেঙ্গু ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় চিকিৎসার মান, ওয়ার্ডের পরিবেশ ও শৌচাগারগুলোর অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলায় ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। হাসপাতালের ময়লার স্তূপে ব্যবহৃত ক্যানুলা, সিরিঞ্জ ও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম পাওয়ার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি।
দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং সময়মতো হাসপাতালে উপস্থিত না হওয়া কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান সাখাওয়াত হোসেন।
এছাড়া গাইনি ওয়ার্ডের একজন রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে হলো কেন, তা জানতে চান তিনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
এছাড়া এক মাসেরও বেশি সময় আগে হাসপাতালে হওয়া অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে দেরি হওয়ার কারণও জানতে চান তিনি। কর্তৃপক্ষ জানায়, ছুটির কারণে প্রতিবেদন জমা দিতে দেরি হচ্ছে।
এর আগে ফুলবাড়িয়া ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, দুটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এছাড়া আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার বড় আকারের দরপত্র আহ্বান করা হবে। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে জেলা-উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক সংকট পূরণ, সরঞ্জামাদি ও অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর নাম পরিবর্তন করে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার করা হবে।
পরিদর্শনকালে মমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার সাহা, জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিন আগে
ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন
ময়মনসিংহের ত্রিশালে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সোহেল হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা দায়রা জজ আদালতের চতুর্থ অতিরিক্ত বিচারক ফারজানা আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আব্দুল সাত্তার বেপারী, তার দুই ছেলে আলমগীর হোসেন আলম বেপারী ও রনি বেপারী এবং আশিকুর রহমান আশিক। আব্দুল সাত্তার রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ত্রিশালের কাঁঠিহারী ইউনিয়নের বাগাদাড়িয়া গ্রামের সোহেলের পরিবারের সঙ্গে আব্দুল সাত্তারের পরিবারের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার জেরে ২০১১ সালের ২৮ মে ধান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আসামিদের সঙ্গে সোহেলের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সোহেলের ওপর হামলা চালান।
স্থানীয়রা তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ৩০ মে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল সালাম বেপারী ২০১১ সালের ২ জুন ত্রিশাল থানায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত চার আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করলেন।
১৯ দিন আগে
ময়মনসিংহে বিজিবির গুলিতে ‘চোরাকারবারি’র মৃত্যু
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে অভিযানের সময় বিজিবির গুলিতে নোমান (৩৮) নামের এক সন্দেহভাজন গরু চোরাকারবারি নিহত ও নায়েক রফিক নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোর পৌনে ৬টার দিকে হালুয়াঘাট উপজেলার তেলিখালী বিওপির আওতাধীন জলজলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নোমান হালুয়াঘাট উপজেলার ১ নম্বর ভুবনকুড়া ইউনিয়নের ঝলজুলিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নূরুল আজিম বায়জিদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি চক্রের গরু চোরাচালানের খবর পেয়ে বিজিবির টহলদল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তারা চারটি গরু আটক করে। আটক করা গরু নিয়ে ফেরার পথে সংঘবদ্ধ চোরাকারবারিরা বিজিবির টহলদলের ওপর হামলা চালিয়ে দুটি গরু ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় বিজিবির সদস্য নায়েক রফিক আহত হন।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আত্মরক্ষার্থে বিজিবি সদস্যরা সতর্কতামূলক ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এ সময় নোমান আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন বিজিবি অধিনায়ক।
এদিকে নোমানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সকালে হালুয়াঘাট পৌর শহরে উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয় লোকজন সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন এবং কাঠের গুঁড়ি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড তৈরি করেন। এতে হালুয়াঘাট-ময়মনসিংহ প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, বর্তমানে হালুয়াঘাটের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
২২ দিন আগে
কৃষক হত্যা মামলায় ৩ ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড
ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমি নিয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে কৃষককে হত্যার দায়ে তিন ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের বাবাসহ আরও ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহের প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সামছুদ্দিন আহাম্মেদ এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন নান্দাইলের চর লক্ষীদিয়া এলাকার আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে মোজাম্মেল হক স্বপন মিয়া (৪৬), আপন মিয়া (৪৩) ও রিপন মিয়া (৪১)।
অন্যদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আবু বকর সিদ্দিক (৭১) ও তার আরেক ছেলে কাঞ্চন মিয়া (৩৬), রুবেল (২৯), পারভেজ (৩১), মোফাজ্জল হোসেন (৫৬), কাশিদ (৫৯), আল-আমিন (৩১), সুমন মিয়া (৩৬), নয়ন মিয়া (২৯) ও আসাদুল (২৯)।
আসামিদের মধ্যে রিপন মিয়া ও আসাদুল পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নান্দাইলের চর ভেলামারীর হযরত আলীর ছেলে কৃষক শফিকুল ইসলাম সবির সঙ্গে আবু বকর সিদ্দিকসহ অন্য আসামিদের জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ ছিল।
২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি চর ভেলামারী চৌরাস্তা খেয়াঘাটে একটি কাপড়ের দোকানে বসে ছিলেন শফিকুল। এ সময় আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে নান্দাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত শেষে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী আনোয়ার আজিজ টুটুল এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম আমানউল্লাহ বাদল।
২৭ দিন আগে
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৭
ময়মনসিংহে বাসচাপায় একই পরিবারের ৪ জনসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ ৭ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর আকুয়া বাইপাস সড়কের গন্দ্রপা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, তিনজন নারী ও একজন শিশু রয়েছে। তবে এদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।
পরিচয় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫), মর্জিনার ছেলে মিনান (৫) এবং জামালপুর সদরের বীরগোবিন্দবাড়ি এলাকার আসর উদ্দিনের ছেলে অটোরিকশাচালক সুজন আলী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী রাজীব পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে আকুয়া বাইপাস সড়কের গন্দ্রপা এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই এতে থাকা চালকসহ সাতজন নিহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বাসটি সরিয়ে অটোরিকশাটি বের করা হয়। পরে অটোরিকশার ভেতর থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের ময়মনসিংহ স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। অটোরিকশাটি এমনভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায় যে ভেতরে থাকা যাত্রীদের বের করতে উদ্ধারকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে অজ্ঞাত দুইজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তাদের সঙ্গে থাকা মুঠোফোনসহ বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার করা মরদেহগুলো ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।
ওসি আরও জানান, পুলিশ বাসটি আটক করেছে, তবে চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৩২ দিন আগে
ধানক্ষেতে বিদ্যুতের ছেঁড়া তার, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু
ময়মনসিংহের ভালুকায় ধানক্ষেতে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ভালুকা ইউনিয়নের খারুয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন খারুয়ালী গ্রামের আব্দুল আজিজ আকন্দের ছেলে সাহাব উদ্দিন আকন্দ (৫৯) ও মজিদ আকন্দের ছেলে ধনু আকন্দ (৬১)।
পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, আজ (বুধবার) সকালে ধনু আকন্দ নিজের ধানক্ষেতে কীটনাশক ছিটাতে যান। এ সময় ধানক্ষেতে একটি বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে ছিল। কীটনাশক ছিটানোর একপর্যায়ে ওই তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং লুটিয়ে পড়েন। দূর থেকে বিষয়টি দেখতে পেয়ে সাহাব উদ্দিন আকন্দ তাকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে যান। ধনুর কাছে যেতেই তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
ভালুকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, নিহত দুজনের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিহতদের স্বজনদের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নেওয়ার জন্য কোনো আবেদন করা হয়নি। আবেদন করা হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার নাসির উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩৪ দিন আগে
ময়মনসিংহে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে দুবৃর্ত্তদের আগুন
ময়মনসিংহে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৌখিন পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টা দিকে নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় একটি বাসে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে দুবৃর্ত্তরা আগুন দিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, মাসকান্দা এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা জানতে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। জব্দ করা আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হবে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এবং ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৪৫ দিন আগে
ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২, আহত অন্তত ১০
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাসের চাপায় ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কাজির সিমলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ইউনাইটেড পরিবহনের একটি বাস কাজির সিমলা এলাকায় পৌঁছালে প্রথমে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মাহেন্দ্রকে চাপা দেয়। পরে বাসটি একটি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে মাহেন্দ্র ও অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে যায়।
এতে তিনটি পরিবহনের অন্তত ১০ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মধ্যে দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ জানান, পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘাতক বাসটি জব্দ করা গেলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৪৬ দিন আগে
মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের সময় পদদলিত হয়ে ৬ মৃত্যুর খবর সত্য নয়: বিভাগীয় কমিশনার
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের সময় ‘পদদলিত হয়ে’ ৬ জনের মৃত্যুর যে তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে, তা সত্য নয় বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের লিফট কন্ট্রোল রুমে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
গতরাতে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছিলেন, এ ঘটনায় হাসপাতালে থাকা রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ময়মনসিংহ সদরের ৩টি ইউনিট ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে একটি ইউনিটসহ মোট ৪টি ইউনিট আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
আগুনে মমেক হাসপাতালের নতুন ভবনের লিফটের কন্ট্রোল রুম থেকে ৮ তলা পর্যন্ত লিফটের সবকিছু পুড়ে যায়।
সরেজমিনে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, আগুন লাগার খবরে নতুন ভবনে থাকা রোগী ও স্বজনেরা হুড়োহুড়ি করে রাস্তায় নেমে এসেছেন। সে সময় নিরাপত্তাকর্মীরা শিশু ও নারীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে সহযোগিতা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সসহ অনেক কর্মী ছুটাছুটি করে রাস্তায় নেমে আসেন।
আগুন লাগার খবর পেয়ে হাসপাতাল চত্ত্বরে শত শত উৎসুক জনতা ভীড় জমান এবং ভর্তিকৃত রোগী ও স্বজনদের খোঁজখবর নেন। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে সে সময় অন্তত ১০ জন আহতও হন।
গতকাল রাতে হাসপাতালের উপপরিচালক জাকিউল ইসলাম জানান, আগুনে হাসপাতালের ওয়ার্ডের বা রোগীদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে হাসপাতালের মেঝেতে পানি থাকায় একটু সমস্যা হচ্ছে। সেই পরিস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রোগীদের আতঙ্কিত না হয়ে নিজ নিজ বেডে চলে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
পরে আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন তখন বলেন, নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন: নেত্রকোনার পূর্বধলার হাজেরা বেগম (৫০), ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া শাহজাহান (৪০), রমজান (৩৮) ও জাহানারা (৫০) এবং তারাকান্দা উপজেলার কুলসুমা (৩৫)।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় এক শিশুও মারা গেছে। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তবে মধ্যরাতের দিকে হাসপাতাল থেকে বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতালে পদদলিত হয়ে কেউ মারা গেছেন—এমন প্রমাণ তিনি কিংবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত পাননি। এ ধরনের কোনো প্রমাণ পেলে তিনি সেটা যাচাই করে দেখবেন।
অগ্নিকাণ্ডের বেশ কিছু সময় পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও টেলিভিশনে ছয়জনের মৃত্যুর তথ্য প্রচার করছে—এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনো তথ্য নিশ্চিত না হয়ে বলা উচিত নয়। প্রকাশ করলে তাতে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’
তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত খবরে জাহানারা নামে এক নারী মৃতের তালিকায় আছেন, অথচ তিনি হাসপাতালের ১০ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে এখনও ভর্তি রয়েছেন।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস, ইমার্জেন্সি, মর্গ ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেই আমরা নিশ্চিত হয়ছি, ৬ জনের মৃত্যুর খবর সত্য নয়। এতবড় একটি হাসপাতাল, প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চার হাজার রোগী ভর্তি থাকে। প্রতিদিনই এখানে বেশ কয়েকজনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।’
তার বক্তব্য ধরে পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে তার দেওয়া তথ্যের সত্যতা জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তিনি ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই ৬ জনের মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়েছিল’ বলে জানান।
এ বিষয়ে আজ (মঙ্গলবার) ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) জাহিদুল হাসান বলেন, বিষয়টি তদন্তনাধীন আছে। কোনো কোনো গণমাধ্যম মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করলেও এটি নিয়ে প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি।
‘গণমাধ্যমে আসা খবরটি অসত্য’ দাবি করে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে আমরা কোনো মরদেহ পাইনি। হাসপাতালের ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ ও মর্গে খোঁজ নিচ্ছি এবং স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলছি। তবে এখন পর্যন্ত কনক্রিট এভিডেন্স আসেনি।’
এদিকে, এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. গোলাম রহমানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর সদস্যরা হলেন: হাসপাতালের সহকারী পরিচালক, ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও গণপূর্ত বিভাগের বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলী।
কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৫০ দিন আগে