স্থানীয় সরকার নির্বাচন
চলতি বছরের শেষের দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু: তথ্য উপদেষ্টা
চলতি বছরের শেষের দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরে শেষ হবে কি না— জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘না। বলা হয়েছে যে নির্বাচনটা ১০ মাস থেকে এক বছর লাগবে শুরু হওয়ার পর। নির্বাচন শুরু হবে এ বছরের শেষের দিকে, কিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে, সেটাও ওই মন্ত্রণালয় থেকে আগে জানানো হয়েছে।’
উপজেলা পরিষদে এমপিদের বসার জায়গা হয়েছে, সরকার কি উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করতে চায়? এ বিষয়ে তিনি বলেন, উপজেলা বাতিল করে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এই সরকার নেয়নি। কার্যালয় দেওয়াতে উপজেলাকে খর্ব করা হচ্ছে, ব্যাপারটা আমার কাছে এরকম মনে হয় না। বরং আইনগতভাবেই যদি খেয়াল করেন, উপজেলা পরিষদ আইনের ধারা ২৫—এটা নিয়ে আমরা একসময় প্রচুর বলেছি, লিখেছি—সেখানে তো একজন সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবেই বৈধ আছেন।
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, যদি তিনি বৈধভাবে থাকেন, এখন কেউ বলতে পারেন যে এটা থাকা উচিত কি না, উপদেষ্টা থাকা—সেটা একটা ভিন্ন বিতর্ক। কিন্তু কার্যালয় রাখার মাধ্যমে আসলে সেটাকে যে নতুন করে অনেক বেশি খারাপ করে ফেলা হলো, মোটেও ব্যাপারটা সেরকম না। কারণ আমরা যদি এভাবে তর্কটা বা যুক্তিটা দেই যে, একজন এমপি যেহেতু উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা, তার তো উপজেলা পরিষদে একটা কার্যালয় থাকা উচিতই। আবারও বলছি, এই আলাপ সমাজে আছে, কেউ করতে পারেন যে তার (সংসদ সদস্য) আদৌ উপদেষ্টা থাকা উচিত কি না। উপজেলাকে নিয়ে এই ধরনের কোনো—অর্থাৎ এটাকে খাটো করা বা আরও বেশি অক্ষম করে তোলার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
১ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে চায় এনসিপি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টিও (এনসিপি) প্রস্তাব করেছে যে, শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার বলেন, ‘সবাই চায় জাতীয় নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হোক। আর স্থানীয় সরকার নির্বাচনও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হলে সেটাও ভালো হবে।’
মঙ্গলবার (৩ জুন) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনার মধ্যাহ্ন বিরতিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনকালীন সরকারের মেয়াদ নিয়ে সরোয়ার বলেন, এনসিপি চার মাসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাবের সঙ্গে একমত।
তিনি আরও বলেন, ‘কিছু দল ৬ মাসের মেয়াদের পক্ষে। এ বিষয়টি এখনও বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। তিন মাস না চার মাস—এনসিপি এই বিষয়ে নমনীয়। তবে যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন এতে অন্তর্ভুক্ত হয়—তাহলে চার মাস প্রয়োজন হতে পারে।’
অন্যদিকে, বিএনপি কেবল জাতীয় নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চায়। এ ধরনের সরকারের মেয়াদ ৯০ দিন অর্থাৎ তিন মাসের মধ্যে সীমিত রাখার পক্ষে দলটি।
সরোয়ার তুষার জানান, এনসিপি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের পক্ষেও মত দিয়েছে, যাতে সংসদ সদস্যরা অর্থ বিল এবং অনাস্থা প্রস্তাব ব্যতীত অন্য সব বিষয়ে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন।
এর আগে, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, জাতীয় এবং স্থানীয় উভয় নির্বাচনই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য তাদের দল প্রস্তাব করেছে।
দ্বিতীয় দফার আলোচনার মঙ্গলবারের অধিবেশন সকাল ১১টায় কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে শুরু হয়। বিএনপি, জামায়াত এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) সহ প্রায় প্রায় ৩০টি দল এই বৈঠকে অংশ নেয়।
আরও পড়ুন: জামায়াত স্থানীয় সরকার নির্বাচনও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চায়: ডা. তাহের
সোমবার প্রধান উপদেষ্টা ও কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দ্বিতীয় ধাপের আলোচনার উদ্বোধন করেন।
জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রাষ্ট্র সংস্কারমূলক উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা করতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গত ২০ মার্চ প্রথম দফার সংলাপ শুরু করে।
কমিশন ৩৩টি দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনা করে—যার মধ্যে ছিল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। গত ১৯ মে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম দফার সংলাপ শেষ করে কমিশন।
কমিশনটি চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয়। কমিশনের লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার নিয়ে একটি জাতীয় ঐকমত্যে পৌঁছানো।
৩৩৭ দিন আগে
বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাধারণ ক্ষমা আ.লীগের
আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী ও দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যারা দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে তাদের মধ্যে শতাধিক নেতা ক্ষমা চেয়ে আবেদন করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমা করেন। এর বাইরে কেউ থাকলে তারাও আবেদন করতে পারবে।’
কাদের আরও বলেন যে ৩০ লাখ টাকা কমিয়ে দলীয় কাউন্সিলের বাজেট তিন কোটি ১৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সাতক্ষীরায় আ’লীগের ৯ নেতা-কর্মী বহিষ্কার
ইউপি নির্বাচন: বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সাতকানিয়ায় ১৮ জনকে আ’লীগ থেকে বহিষ্কার
১২৩৫ দিন আগে