মো. সাহাবুদ্দিন
সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি—মো. আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম, খুন ও গণহত্যার ঘটনায় তারা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং নীরব থেকে এসব অপরাধের প্রতি পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছেন।
রবিবার (২৬ জুলাই) অভিযোগ দাখিলের পর বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দেশের জনগণের করের অর্থে বেতন-ভাতা গ্রহণ করলেও সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি।
তাদের দাবি, দেশের বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত গুম, খুন, কথিত আয়নাঘর, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং ৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় তারা কোনো প্রতিবাদ বা কার্যকর ভূমিকা পালন করেননি।
তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বাধিনায়ক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বে থাকেন এবং সংবিধানপ্রদত্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু জনগণের জানমাল রক্ষা কিংবা সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধে এসব ক্ষমতা প্রয়োগে তারা কোনো উদ্যোগ নেননি। অভিযোগকারীদের মতে, দায়িত্ব পালন সম্ভব না হলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত ছিল।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা বলেন, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপ্রধানরা যাতে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আরও জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, সে লক্ষ্যেই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে দলটির এক প্রতিনিধি বলেন, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন এবং কথিত আয়নাঘরসহ বিভিন্ন গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সময় তারা রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ বা ‘উচ্চতর দায়’ নামে একটি স্বীকৃত নীতি রয়েছে। এ নীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্র বা বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ব্যক্তি তার অধীনস্থদের দ্বারা সংঘটিত গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধ বা প্রতিকার করতে ব্যর্থ হলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তারও দায়বদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।
অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন, সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সংঘটিত ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে এসব ঘটনার দায় থেকে তারা সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি পেতে পারেন না।
৯ দিন আগে
ট্রাইব্যুনালে সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চেয়ে আবেদন
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞসহ আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)।
রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে এ আবেদন জমা দেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস।
আবেদনে তিনি দাবি করেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দাবিতে শাহবাগে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জেরে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মুখোশধারী ব্যক্তিরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। এছাড়া আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান জানিয়ে ভিডিও বার্তা দিতে বাধ্য করা হয়। পরদিন তাকে কারওয়ান বাজার-বাংলামোটর এলাকায় ফেলে রেখে যান তারা। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আয়াস বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ, অমানবিক নির্যাতন, খুন-গুমের হুকুমদাতা হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব ও ভূমিকার প্রেক্ষাপটে যথাযথভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।
এছাড়া ২০২৪ সালের নির্বাচন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তার কোনো আইনগত দায় বা সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
৯ দিন আগে
সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবি আমলে নেওয়ার মতো নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে বর্তমানে সরকার আমলে নেওয়ার মতো কোনো অভিযোগ দেখছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের মতো কিছু দেখছি না। আইন অনুযায়ী তিনি যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী, সবই পাবেন। নিরাপত্তাও পাবেন।’
রবিবার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে পুলিশের সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আন্দোলনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা আছে, প্রতিবাদ করার স্বাধীনতা আছে। কিন্তু আমরা আমলে নেওয়ার মতো কোনো বক্তব্য সেখানে দেখি নাই।’
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে সাংবিধানিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বৈরাচারের শেষ সময়, অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান সরকারের সময়েও তিনি সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা তার সহযোগিতা পেয়েছি।
দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়মুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেই সময় সংবিধান অনুযায়ী তার দায়মুক্তি (ইমিউনিটি) ছিল। দায়িত্বের বাইরে কোনো সময়ের বিষয়ে যদি কারও কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা আইন অনুযায়ী চলবে।
রাষ্ট্রপতির কথিত ফোনালাপের অডিও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা পত্রিকায় দেখেছি। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই। আর আজকের ইন্টারনেটের যুগে কারও সঙ্গে কথা বলতে লন্ডনে যেতে হয়, এটা আমার কাছে অলীক মনে হয়।
সাবেক রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি আইন অনুযায়ী যা যা সুযোগ পাবেন, সবই পাবেন। এসএসএফ, পিজিআরের নিরাপত্তা ছয় মাস পর্যন্ত পাবেন। পাশাপাশি পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থাও আইন অনুযায়ী তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে।
এলডিপির এক নেতার ‘তিন রাজনৈতিক দল এক হলে সরকার এক সপ্তাহও টিকবে না’ মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এক সপ্তাহ পরে কী হয়, সেটার জন্য অপেক্ষা করি। সব বিষয়ে মন্তব্য করার মতো যোগ্য আমি নই।
সিলেট সীমান্তে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় চোরাচালানের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই খতিয়ে দেখব।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টো রথ যাত্রার দিন মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে আইইডি সদৃশ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় ধর্মীয় কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিষয়টিকে সে দৃষ্টিতে দেখছে না।
তিনি বলেন, রথযাত্রা ও উল্টো রথ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। ঘটনাক্রমে ওই দিন ডিভাইসটি পাওয়া গেছে। এর সঙ্গে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক আছে বলে আমি মনে করি না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আনসার সদস্যদের সতর্কতায় ডিভাইসটি শনাক্ত হয়। পরে পুলিশ এলাকা ঘিরে রাখে এবং বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেটি নিষ্ক্রিয় করে। এ ঘটনায় দায়িত্বশীল আনসার সদস্যদেরও পুরস্কৃত করা হবে।
অনুষ্ঠানে দুই ট্রাফিক সার্জেন্ট ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার করে মালামাল উদ্ধার এবং এক প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া ব্যাগ উদ্ধার করে সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের আর্থিক পুরস্কার ও সনদ দেওয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটা তাদের সারা জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে থাকবে। তারা উপলব্ধি করবে, জনসেবামূলক কাজ করলে রাষ্ট্র তাদের সম্মান দিচ্ছে। এতে পরিবারের সম্মান বাড়বে, সমাজে মর্যাদা বাড়বে। ফলে তারা আরও উৎসাহিত হবে।
এ বছরের পুলিশ সপ্তাহে কেন পুলিশ পদক দেওয়া হয়নি, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ পদক প্রদানের যে তালিকাটা খুব তাড়াহুড়োর সঙ্গে করা হয়েছিল, সেটা যাচাই করতে গিয়ে কিছু ত্রুটি ধরা পড়েছে। দুয়েকটি ক্ষেত্রে কিছু অনিয়মও পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই করে বিশুদ্ধ করার পর পদক দেওয়া হবে।
৯ দিন আগে
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর মধ্য দিয়ে ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হতে যাওয়া তার পাঁচ বছরের মেয়াদকালের নির্ধারিত সময়সীমার আগেই দায়িত্ব থেকে বিদায় নিলেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম জানান, শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, দেশের নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকারই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আজ (শুক্রবার) বিকেল ৪টা ২৬ মিনিটের দিকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির জন্য নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় গাড়ি এবং স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) দুটি প্রোটোকল স্কর্ট জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন শিগগিরই জাতীয় সংসদ ভবনে একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন।
পদত্যাগপত্রে সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন যে তিনি গুরুতর অসুস্থ। তিনি লেখেন, ‘আমি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে।’
তিনি ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’ নামের এক জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই।
‘রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’
দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসার প্রয়োজন—উল্লেখ করে সাহাবুদ্দিন জানান, ‘এমতাবস্থায় সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।’
সাহাবুদ্দিন বলেন, তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য রেখে নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময়ে দেশ এক গভীর সাংবিধানিক ও শাসনতান্ত্রিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি। অতঃপর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি।’
তিনি জানান, সেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করে। সেই নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি ও বিরোধী উভয় দলই সংসদে গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে।
সাহাবুদ্দিন আরও জানান, তার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।
রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে চলা গুঞ্জন ও জল্পনার মধ্যে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন তার নির্ধারিত থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দুপুরে দেশে ফেরেন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির পদ খালি হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে। জাতীয় সংসদ বিলুপ্তি এবং অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলাকালেও সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদে বহাল ছিলেন।
আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু ছাত্র সংগঠন ও নেতৃত্ব বঙ্গভবন ঘেরাওসহ সাহাবুদ্দিনের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে সরানোর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
পরবর্তীতে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে এককভাবে সরকার গঠনের মতো প্রয়োজনীয় সংসদীয় আসন পায়। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরও সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অপসারণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
বর্তমানে রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হওয়ায় সাংবিধানিক নিয়ম মেনে খুব দ্রুতই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।
১১ দিন আগে
থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরলেন স্পিকার
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ শুক্রবার দেশে ফিরেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামেন।
এর আগে, গত ১৯ জুলাই স্পিকার থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন।
পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী ২৬ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে তৈরি হওয়া গুঞ্জনের প্রেক্ষাপটে সফর সংক্ষিপ্ত করে তিনি আগেই দেশে ফেরেন।
১১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে ‘গুজবে’ কান না দেওয়ার আহ্বান ফখরুলের
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলা ‘গুজবে’ কান না দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দুই দিনব্যাপী ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সংক্রান্ত গুঞ্জন উড়িয়ে দেন। এ সময় তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। তবে বিএনপি সব সময় গণতান্ত্রিক ধারার প্রতি আস্থাশীল এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও গণজবাবদিহিতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
১১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে বঙ্গভবনে সাক্ষাৎকালে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল হাসান দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি নৌবাহিনীর সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিন সফল ও সুচারূভাবে দায়িত্ব পালন করায় বিদায়ী নৌপ্রধানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বাহিনীর উন্নয়নে নৌপ্রধানের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রপতি এ সময় বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান আগামী ২৩ জুলাই নতুন নৌ-প্রধানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।
১৪ দিন আগে
সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ মান ও পেশাদারত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
আইন সাংবাদিকতায় সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, নৈতিক মান, সততা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে কাজ করার জন্য এই বিটে কাজ করা সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বুধবার (১ জুলাই) বঙ্গভবনে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি হাসান জাবেদ ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিশনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
আইন সাংবাদিকতা বিচারব্যবস্থা ও জনগণের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ল’ রিপোর্টার্সগণ আদালতের কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ রায় সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভুল সংবাদ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া সহজ ভাষায় জনগণকে আইন বিষয়ে সচেতন করতে তারা তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
তিনি বলেন, সংবিধানের প্রাধান্য, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। বর্তমান সরকার সংবিধানের আলোকে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ইতোমধ্যে বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণেও বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিচার বিভাগ, আইনজীবী, আইনবিষয়ক সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি আরও সহজ ও ত্বরান্বিত হবে।
তিনি আইন সাংবাদিকদের প্রতি আদালতের মর্যাদা ও বিচারাধীন বিষয়ের সংবেদনশীলতা অক্ষুণ্ণ রেখে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান। একইসঙ্গে অপতথ্য, ভ্রান্ত তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংবাদিকদের আরও সচেতন ও সতর্ক থাকতে বলেন রাষ্ট্রপ্রধান।
এর আগে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের রজতজয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত বিশেষ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব খান মো. নূরুল আমীন, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ও রাষ্ট্রপতির সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
৩৪ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির নিকট ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরিচয়পত্র পেশের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রপতি নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, তার কর্মকাল বাংলাদেশ-ভারত পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, ফলপ্রসূ ও জনকল্যাণমুখী করতে সহায়ক হবে।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে গঠিত নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার অংশগ্রহণের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা এবং জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ প্রসঙ্গে হাইকমিশনার বলেন, আমাদের দুইটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান, আর এটাই স্বাভাবিক।
রাষ্ট্রপতি এ সময় দুদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সীমান্ত সমস্যাসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক উদ্যোগের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
৪০ দিন আগে
চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য গেলেন রাষ্ট্রপতি
ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ শনিবার সকালে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (৯ মে) সকাল পৌনে ৮টায় রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০১ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।
রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য, তার চিকিৎসক, স্টাফ নার্স ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ফলো-আপ হিসেবে যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।
চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
৮৭ দিন আগে