মো. সাহাবুদ্দিন
নারীর নিরাপত্তা ও সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
নারীর প্রতি সহিংসতা, অনলাইনে চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিংয়ের মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রবিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস,২০২৬’ উদযাপন ও ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারী ও কন্যারা যেন অবহেলা, নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার না হন; তারা যেন সমান সুযোগ ও মর্যাদা পান। আমরা এমন একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারবে, স্বাবলম্বী হবে এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবে; আর প্রতিটি কন্যাশিশু স্বপ্ন দেখার ও তা বাস্তবায়নের সমান সুযোগ পাবে।
তিনি আরও বলেন, নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অতীতেও আমরা দেখেছি, সরকার আন্তরিক হলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।
বক্তব্যের শুরুতেই ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনসহ এ পর্যন্ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সকল আন্দোলন ও সংগ্রামে শহিদদের মহান আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, অতীতে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে অ্যাসিড সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল। ২০০২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার অ্যাসিড নিক্ষেপ ও অ্যাসিড ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন এবং দ্রুত বিচার ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে অ্যাসিড সন্ত্রাস প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সেই দৃষ্টান্ত অনুসরণ কার্যকর হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
বর্তমানে সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, নারীর নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি বাসযোগ্য ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নারী-পুরুষ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। সমাজ ও অর্থনীতির প্রায় সব ক্ষেত্রেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োজিত লাখ লাখ নারী দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকা শক্তি। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, প্রশাসন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গণমাধ্যম এবং ক্রীড়াসহ নানা ক্ষেত্রে নারীরা সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারীবিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়, যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সময় বর্তমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত হয়।
১৪ দিন আগে
উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে পাটজাত পণ্য বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশের পাটজাত পণ্য স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পাট দিবস ২০২৬ এবং ৯ দিনব্যাপী পাট ও বহুমুখী পাটপণ্যের মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সৃজনশীল তরুণ প্রজন্মের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে—স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে মেড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং প্রচার করে এবং বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পাট খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করার। বাংলাদেশের পাটজাত পণ্য বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিন।
পরিবেশবান্ধব পণ্যের ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী চাহিদাকে কাজে লাগাতে তিনি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পাট খাতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বৈচিত্র্য আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উদ্যোক্তা, কৃষক, গবেষক এবং ব্যবসায়ীসহ পাট খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি সোনালী আঁশ পাটকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, পাট কেবল একটি কৃষি ফসল নয়, এটি একটি শিল্প ও রপ্তানি পণ্য। সর্বোপরি, এটি একটি প্রাকৃতিক এবং পরিবেশবান্ধব আঁশ।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে, এক সময় বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা ছিল। জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং প্লাস্টিক ও পলিথিনের ক্ষতিকারক প্রভাবের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিবেশবান্ধব পণ্য হিসেবে পাটের গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, বিশ্ব এখন টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যের দিকে ঝুঁকছে, যা বাংলাদেশের পাট ও পাটভিত্তিক শিল্পের জন্য সুযোগের একটি নতুন জানালা খুলে দিয়েছে।
সরকারের উন্নয়ন এজেন্ডা তুলে ধরে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, খাতভিত্তিক অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি জানান, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার রুগ্ন ও বন্ধ পাটকল এবং অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।
রাষ্ট্রপতি পাট খাতের আধুনিকায়ন, গবেষণা সম্প্রসারণ, উচ্চফলনশীল পাটের জাত উদ্ভাবন এবং পাটের বহুমুখী ব্যবহার উৎসাহিত করার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সরকার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে, যার ফলে ১১ লক্ষাধিক কৃষক উপকৃত হয়েছেন এবং পাট চাষসহ কৃষি খাতে নতুন গতিশীলতা তৈরি হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আরও জানান, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু করবে সরকার।
তিনি পাট চাষিদের উন্নত ও উচ্চফলনশীল চাষ পদ্ধতি গ্রহণ এবং মানসম্পন্ন আঁশ উৎপাদনের দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের বিশ্ববাজারের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক, উদ্ভাবনী এবং সাশ্রয়ী পাটজাত পণ্য তৈরির পরামর্শ দেন। সাধারণ মানুষকে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিন ব্যাগ বর্জন করে সাশ্রয়ী পাটের ব্যাগ ও অন্যান্য পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহারের অনুরোধ জানান রাষ্ট্রপতি।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ভার্চুয়ালি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৯ দিনব্যাপী পাট ও বহুমুখী পাটপণ্য মেলার উদ্বোধন করেন। দিবসটি উপলক্ষে ১২টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, সচিব বিলকিস জাহান রিমি, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নূরুল বাসির এবং বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএমএ) সভাপতি আবুল হোসেন বক্তব্য রাখেন।
১৫ দিন আগে
খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: রাষ্ট্রপতি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি এ শোক জ্ঞাপন করেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার আপসহীন ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির মুহূর্তে আমি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশবাসীকে মরহুমার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।
রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভোগা দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে দেওয়া বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
৮২ দিন আগে
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বেগ প্রকাশ
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেনের গণমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেছেন, গণতন্ত্র উত্তরণের এই সন্ধিক্ষণে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। মহান আল্লাহর নিকট তার সুস্থতা এবং একই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করি।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) বিএনপি চেয়ারপারসনের সংকটাপন্ন অবস্থার খবর শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনিও বেগম জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, তিনি নিয়মিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপারসের চিকিৎসায় সরকার সবধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত ২৩ নভেম্বর রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে খালেদা জিয়ার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আগে থেকেই থাকা হৃদরোগের সঙ্গে এই সংক্রমণ ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। বর্তমানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, মায়ের অসুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও।
১১২ দিন আগে
বাংলাদেশ থেকে আমদানি বাড়াতে ৪ দেশের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান
বাংলাদেশ থেকে আমদানি এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়াতে লাওস, জাম্বিয়া, কেনিয়া ও সাইপ্রাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত লাওসের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত এবং জাম্বিয়া, কেনিয়া ও সাইপ্রাসের অনাবাসিক হাইকমিশনাররা বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
আজ সকালে তারা বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি দল তাদের গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় বাংলাদেশ থেকে ওষুধ, তৈরি পোশাক, হিমায়িত খাদ্য, সিরামিকস ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের পণ্যের আমদানি এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়াতে কাজ করতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
এদিন প্রথমে লাওসের রাষ্ট্রদূত বাওমি ভ্যানমানি (Bounmy Vanmany) পরিচয়পত্র পেশ করেন। এরপর কেনিয়ার হাইকমিশনার মুনিরি পিটার মাইনা (Munyiri Peter Maina), জাম্বিয়ার নবনিযুক্ত হাইকমিশনার পার্সি চান্দা (Percy P. Chanda) ও সাইপ্রাসের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার এভাগোরাস রায়োনাইডিস (Evagoras Vryonides) রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন।
নতুন রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গেই দ্বিপাক্ষিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয় বাংলাদেশ।
পারস্পরিক সহাবস্থান ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সংকল্পবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
দেশে বিরাজমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি কেনিয়া, সাইপ্রাস, জাম্বিয়া ও লাওসের বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। এ সময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করতে দ্বিপাক্ষিক সরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
আরও পড়ুন: ভিসা পদ্ধতি সহজসহ রাশিয়াকে আরও জনশক্তি নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও গ্রিন টেকনোলজিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতরা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নিজ নিজ দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করবেন বলে রাষ্ট্রপতিকে আশ্বস্ত করেন। নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪১৬ দিন আগে
বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক নতুন বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) বঙ্গভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
ডিআরইউয়ের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। এ সময় তারা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং সমাজের দর্পণ।’ তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ, দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সাংবাদিকদের গৌরবময় অবদানের কথা স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সমাজে সুবিচার, ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় এবং মানুষের মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সাংবাদিক সমাজের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
আরও পড়ুন: ভিসা পদ্ধতি সহজসহ রাশিয়াকে আরও জনশক্তি নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যদের পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
গুজব, অপপ্রচার, অপতথ্য ও বিকৃত তথ্য প্রচার প্রতিরোধে এবং এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকার ওপর জোর দেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।
এসময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী ও প্রেসসচিব মো. সরওয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন।
৪২৬ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির কাছে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন আর্জেন্টিনার নতুন আবাসিক রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সিসা।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বঙ্গভবনে আর্জেন্টাইন রাষ্ট্রদূত তার পরিচয়পত্র পেশ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন।
রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে আর্জেন্টাইন আবাসিক মিশন চালু করায় দেশটির সরকার ও জনগণকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীদের কাছে আর্জেন্টিনা অতি পরিচিত একটি নাম। তরুণ প্রজন্মসহ সব স্তরের জনগণের কাছে দিয়াগো ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির কাছে নবনিযুক্ত সুইস রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মাঝে যথেষ্ট বিনিয়োগ সম্ভাবনাও রয়েছে।
বাংলাদেশ পোশাক, সিরামিক, ওষুধসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের পণ্য উৎপাদন করে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ থেকে এসব পণ্যের আমদানি বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান মো. সাহাবুদ্দিন।
এছাড়া, দু'দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সফর বিনিময়ের ওপরও জোর দেন তিনি।
আরও পড়ুন: কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছে রাষ্ট্রদূত ইমরানের পরিচয়পত্র পেশ, পোশাক ও ওষুধ শিল্পে সহযোগিতায় দেশটির আগ্রহ প্রকাশ
রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস বলেন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমেও দু’দেশের জনগণের সম্পর্ক জোরদার হতে পারে।
আর্জেন্টিনার ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন তাদের খুব উৎসাহিত করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার দেশ বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী।
দায়িত্ব পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন রাষ্ট্রদূত কার্লোস।
পরিচয়পত্র পেশের সময় বঙ্গভবনের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ার রাজার কাছে বাংলাদেশ হাই কমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ
৮৩৬ দিন আগে
গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একসঙ্গে চলে: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জনগণের কল্যাণে সরকারের গ্রহণ করা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সরকারি কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই সরকারি কর্মকর্তা হওয়ায় দেশের নিয়মকানুন, প্রবিধান ও সংবিধান মেনে দায়িত্ব পালন করবেন।’
বুধবার (২৯ নভেম্বর) ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্সের (ডিএসসিএসসি) গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এই অনুষ্ঠানে ২৪টি দেশের ৪৯ জনসহ মোট ২৫৭ জন কর্মকর্তা গ্র্যাজুয়েট হন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সবসময় মনে রাখবেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একসঙ্গে চলে।’
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ন্যাশনাল ডিফেন্স ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের সাক্ষাৎ
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গঠনকে অগ্রাধিকার দেন এবং ১৯৭৪ সালে প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সরকার সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে 'ফোর্সেস গোল-২০৩০' প্রণয়ন করে।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সরকারের যথাযথ কাজ হলো জনগণের পক্ষে ভালো কাজকে সহজ করা এবং মন্দ কাজকে কঠিন করা।
জনগণের জীবনমান উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধু সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর গতিশীল নেতৃত্বে অর্থনীতি ও উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সব সূচক ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাচ্ছিল।’
আইনের শাসন, ব্যক্তিগত স্বাধীনতার নিশ্চয়তা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার, মূল্যবোধ ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল স্থিতিশীলতার ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতা ছাড়া অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ছাড়া স্বাধীনতা জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারে না।
আরও পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনী দিবস: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ৩ বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ
তিনি আরও বলেন, ‘আইনের শাসনের অনুপস্থিতিতে সমাজ সঞ্চয়, অধ্যবসায়, সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তার ক্ষেত্রে ব্যক্তির ত্যাগের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে পারে না।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জগুলো গতিশীল ও বহুমুখী এবং প্রচলিত হুমকি থেকে শুরু করে অপ্রচলিত হুমকি পর্যন্ত। কঠোর প্রশিক্ষণ আপনাদের নানা জটিল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞানার্জনের সুযোগ করে দিয়েছে।’
ডিএসসিএসসিকে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্ররূপ; বিভিন্ন পটভূমি, সংস্কৃতি ও দৃষ্টিকোণ থেকে সামরিক নেতাদের একত্রিত করার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে গড়ে ওঠা বন্ধন সদিচ্ছা বাড়িয়ে তুলবে।।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সিএজির মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ
৮৪৩ দিন আগে
জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত জাতীয় পার্টি: রওশন
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে করতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছেন সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ।
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি তার সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, রওশন এরশাদ বলেছেন, তাদের দল জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।
রওশন বলেন, ‘জাতীয় পার্টি একটি নির্বাচনমুখী দল... আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সংবিধানকে সম্মান করি। তাই নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিলকে আমরা স্বাগত জানাই।’
আরও পড়ুন: জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নেবে কি না কয়েকদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবে: চুন্নু
তিনি আরও বলেন, তবে নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর আরও সময় প্রয়োজন হওয়ায় কাগজ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ বাড়ানো হতে পারে।
মনোনয়নপত্র ও আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে নির্বাচনের বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধান অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকার নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করবে।’
আরও পড়ুন: ইসির তফসিলকে স্বাগত জানিয়েছেন রওশন এরশাদ
আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রওশন এরশাদ
৮৫৩ দিন আগে
দেশে ফিরলেন রাষ্ট্রপতি
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে বহনকারী বিমানটি ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, কূটনৈতিক কোরের ডিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, জননিরাপত্তা সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, বাংলাদেশে সিঙ্গাপুরের কনসাল শিলা পিল্লাইসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: চিকিৎসা শেষে ১ নভেম্বর দেশে ফিরবেন রাষ্ট্রপতি
গত ১৬ অক্টোবর চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে ১৮ অক্টোবর সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
সার্জারি পরবর্তী ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ডাক্তারের নিবিড় পরিচর্যায় থাকার পর রাষ্ট্রপতিকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় গত ২৫ অক্টোবর হাসপাতাল থেকে হোটেলে ফেরেন রাষ্ট্রপতি। হোটেলে থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাঁটাচলা ও স্বাভাবিক কাজকর্মের পাশাপাশি দাপ্তরিক কার্যক্রমও সম্পন্ন করেন।
সার্জারি পরবর্তী রাষ্ট্রপতির চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনার লক্ষ্যে গঠিত চিকিৎসকদের বোর্ড সভায় বিভিন্ন রিপোর্ট ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে রাষ্ট্রপতি পহেলা নভেম্বরের মধ্যেই বিমানে ভ্রমণ করতে পারবেন বলে মত প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার দেশে ফিরলেন তিনি।
আরও পড়ুন: সিঙ্গাপুর থেকে বুধবার দেশে ফিরছেন রাষ্ট্রপতি
তফসিল ঘোষণার বিষয়ে আলোচনা করতে ৫ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে সিইসি’র নেতৃত্বাধীন কমিশন
৮৭১ দিন আগে