গোর এ শহীদ ময়দান
রাতভর বৃষ্টিতে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে গোর এ শহীদ ময়দানে লাখো মুসল্লির ঢল
দিনাজপুরের গোর এ শহীদ বড় ময়দানে প্রায় লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে আদায় করা হয়েছে ঈদুল ফিতরের নামাজ।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তর এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে ছুটে আসেন আশপাশেরসহ দূর-দূরান্তের মুসল্লিরা।
নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমি। অংশ নেন স্থানীয় এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।
ঈদের নামাজ উপলক্ষে ময়দান ও আশপাশজুড়ে নেওয়া হয়েছিল বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। গতরাতে দিনাজপুরে ২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। সঙ্গে ঝড়ো বাতাসের কারণে আজ সকালে নামাজ আদায় নিয়ে অনিশ্চতায় ছিলেন মুসল্লিরা। সকালেও মাঠজুড়ে ছিল বৃষ্টির পানি। তবে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। পাশাপাশি শুকিয়ে যায় মাঠে জমে থাকা পানি স্তরও।
প্রতিকূল আবহাওয়ার পরেও বৃহৎ এই জামাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে পেরে খুশি মুসল্লিরা।
৬ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরে দেশের বৃহত্তম ঈদের নামাজের প্রস্তুতি
দিনাজপুরের গোর এ শহীদ ময়দানে শেষ হয়েছে দেশের বৃহত্তম ঈদের নামাজের প্রস্তুতি। গেল বারের মতো এবারো এক সঙ্গে ছয় লক্ষাধিক মুসল্লি এক সঙ্গে নামাজ আদায় করবেন বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মুসল্লিদের নিরাপত্তা এবং ওজু প্রয়োজনীয় প্রনালীসহ যাবতীয় ব্যবস্থা করেছেন তারা। ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা সামছুল ইসলাম কাসেমি।
এশিয়াসহ দেশের মধ্যে বৃহত্তম দিনাজপুরের গোর এ শহীদ (বড়মাঠ) ঈদগা মাঠের আয়তন প্রায় ২৩ একর। প্রতি লাইনে আড়াই হাজার করে নামাজির দাঁড়ানোর সুবিধার্থে মাঠে টানা হয়েছে দুই শতাধিক লাইন।
আরও পড়ুন: খুলনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায়
নামাজিদের জন্য ওজু প্রয়- প্রনালীর ব্যবস্থাসহ মাঠ সজ্জার কাজ শেষ করেছেন আয়োজকরা।
বৃহৎ ঈদ জামাতের উদ্যোক্তা ইকবালুর রহিম এমপি জানান, কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার মত বড় জামাতে নামাজ আদায়ে ছয় বছর ধরে (২০১৭ সাল থেকে) ওই মাঠে নামাজ আদায় করে আসছেন আশপাশের জেলা উপজেলা দূর দুরান্তের বিপুল সংখ্যক মুসল্লি।
মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পুলিশ আনসারের পাশাপাশি র্যা ব মোতায়েন এবং গোয়েন্দা নজরদারিসহ তিন স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।
তবে এবছর তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করা চলমান তীব্র তাপদাহের সঙ্গে বিরুপ আবহাওয়ার কারণে মাঠে নামাজীর উপস্থিতি তুলনামুলক কম হবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।
২০১৭ সালে ২৩ একর বড় মাঠের পশ্চিম প্রান্তে তিন কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ৫২ গম্বুজের ঈদগাহ মিনার।
মিনারটির দৈর্ঘ প্রস্ত আরো সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছেন আয়োজকরা।
আরও পড়ুন: বঙ্গভবনে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি
জাতীয় মসজিদে ঈদের নামাজের সময়সূচি
১০৬৫ দিন আগে