অস্ত্র উদ্ধার
লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান আরও জোরদার করতে তথ্যদাতাদের জন্য নতুন করে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সদরদপ্তর আয়োজিত ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সম্মেলনে (এপ্রিল-জুন) প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এবং পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব ও জনপ্রত্যাশিত সংস্থায় পরিণত করে এর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নিয়মিত কৌশলগত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে ইতোমধ্যে বিশেষ ইউনিট গঠন করে অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অবৈধ ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীদের পুরস্কারের পরিমাণ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ভারী অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।
পিস্তল, রিভলবার বা শটগানের মতো অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া সাউন্ড গ্রেনেড, লুণ্ঠিত টিয়ার গ্যাস শেল ও অন্যান্য লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীদের ক্ষেত্রবিশেষে ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা করে পুরস্কৃত করা হবে।
তথ্যদাতাদের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, তথ্য প্রদানকারীদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিলকৃত অস্ত্রের লাইসেন্স জমা দেওয়া হয়নি—এমন অস্ত্রকে ইতোমধ্যে অবৈধ অস্ত্র হিসেবে গণ্য করে মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অপরাধ দমনে পুলিশের দায়বদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কোনো কর্মকর্তা ওই সময়ের মধ্যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সারা দেশে অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি রোধে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় বিশেষ কৌশলগত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেনসহ বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, মহানগর পুলিশের কমিশনার ও অতিরিক্ত কমিশনার এবং জেলার পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, মহানগর পুলিশের কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও জেলার পুলিশ সুপারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
৬ দিন আগে
নাটোরে অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১
নাটোরের সিংড়ায় একটি অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে তৈরিকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ আব্দুল্লাহ নামে একজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার বামিহাল বাজারের একটি মোটর গ্যারেজে অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর একটি দল।
সেনা সূত্র জানায়, অভিযান চালিয়ে গ্যারেজের ভেতরে গোপনে গড়ে ওঠা অস্ত্র কারখানার সন্ধান পায় সেনা সদস্যরা। পরে সেখানে তল্লাশি করে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির বেশ কিছু সরঞ্জাম ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়। এছাড়া আব্দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তিকে সেখান থেকে আটক করে হেফাজতে নেয় সেনাবাহিনী।
আব্দুল্লাহ (২৮) পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রুপপুর এলাকার বাসিন্দা।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নূর জানান, অস্ত্রসহ আব্দুল্লাহকে সিংড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
২১৩ দিন আগে
যশোরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১০ গ্রেনেডসহ অস্ত্র উদ্ধার
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১০টি শক্তিশালী গ্রেনেড ও ৩টি বিদেশি পিস্তল।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় ধরনের নাশকতার উদ্দেশ্যেই এসব অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা-এনএসআইয়ের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করা হয় উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের দড়িআগ্রা গ্রামে চুন্নু মোল্লার বাড়িতে।
সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন আকিবের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ওই বাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় ১০টি গ্রেনেড, ৩টি বিদেশি পিস্তল, ১৯ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১টি চাপাতি, ১টি ছুরি ও ১টি খুর।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, অভিযান শুরু হওয়ার আগেই বাড়ির সদস্যরা পালিয়ে যায়। অভিযানে মূল সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে চুন্নু মোল্লার ছেলে রায়হান মোল্লাকে (২৮)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
যৌথ বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার অস্ত্র ও বিস্ফোরকগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এগুলো দিয়ে বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানো সম্ভব ছিল। বিশেষ করে সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় এসব অস্ত্র জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারত।
বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত রায়হান মোল্লাকে আটকে অভিযান চলছে।
২১৫ দিন আগে
আমার ছেলেমেয়ে দেশে, আমি একা সেফ এক্সিট নিয়ে কী করব: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সম্প্রতি উপদেষ্টারা সেফ এক্সিট চাচ্ছেন—এমন একটি বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, তার ছেলেমেয়েরা সবাই দেশেই আছেন। তিনি একা একা সেফ এক্সিট নিয়ে কী করবেন।
রোববার (১২ অক্টোবর) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট প্রসঙ্গে তিনিও এমন কিছু চান কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘কে কী চায় সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। আমার ছেলেমেয়ে সবাই দেশে। আমি একা সেফ এক্সিট নিয়ে কী করব?’
এরপর বেহাত হওয়া কতগুলো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আইজিপির সঙ্গে কথা বলে পরের সভায় হয়তো জানাতে পারব।’
আরও পড়ুন: আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নির্বাচনের সময় কেউ যাতে কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, ‘সব অস্ত্র সব সময় উদ্ধার হয় না, কিছু অস্ত্র তো বাইরে থাকে। এজন্যই তো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজন হয়। যদি সব অস্ত্র উদ্ধার হয়ে যেত, তাহলে তো আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাগত না, নির্বাচন স্বাভাবিকভাবেই হয়ে যেত। কোনো ধরনের অসুবিধা নেই। আল্লাহ চাইলে ভালোভাবে নির্বাচন হবে।’
এদিকে, অভিযুক্ত সেনাবাহিনীর সদস্যদের সেনাবাহিনীর হেফাজতে রেখেই বিচারকার্য করার কথা উঠছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কোনো নির্দেশনা আছে কিনা জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আইনে যেটা আছে, সেটাই করা হবে।
৩২৭ দিন আগে
গাজীপুরে সন্ত্রাসী সুমনের ৫টি টর্চার সেলের সন্ধান, অস্ত্র উদ্ধার
গাজীপুরের শ্রীপুরে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুমন বাহিনীর ৫টি টর্চার সেলের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। টর্চার সেলগুলো থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের পাঠানটেক, বড়নল, কোষাদিয়া, বরকুল ও নান্দিয়া সাঙ্গুন গ্রামের ৫টি টর্চার সেল গুঁড়িয়ে দেয় পুলিশ। সেলগুলো থেকে একটি এয়ার গান, দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা উদ্ধার করা হয়। এ সময় সুমন বাহিনীর তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এসব টর্চার সেলে বিনা অপরাধে মানুষকে এনে বেঁধে শারীরিক নির্যাতনের পর আদায় করা হতো মোটা অংকের টাকা। রাতভর চলতো মাদকের আড্ডা। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে করা হতো নির্যাতন।
আরও পড়ুন: নাটোরে পদ্মার চরে সন্ত্রাসীদের অস্ত্র মহড়া, গুলিবর্ষণ
সুমন বাহিনীর মোটরসাইকেলযোগে দলবেঁধে চলাচল ছিল বলেও জানান তারা।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, গ্রেপ্তার সুমন শেখদের কয়েকটি টর্চার সেলের সন্ধান পেয়ে সেগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। টর্চার সেলগুলো থেকে একটি এয়ার গান ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এয়ার গানটিকে বন্দুক হিসেবে দেখিয়ে মানুষকে দেখানো হতো।
পুলিশের গাড়িতে হামলা চালিয়ে সম্প্রতি ছিনিয়ে নেওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী সুমনকে গত রোববার (৩১ আগস্ট) ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৩৬৬ দিন আগে
হারানো এলএমজি ও অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে কেউ যদি একটি এলএমজির তথ্য দিতে পারেন, সেক্ষেত্রে সেই অস্ত্র উদ্ধার করা হলে তথ্যদাতাকে ৫ লাখ এবং প্রতি রাউন্ড গুলির জন্য ৫০০ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করে দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলাম। কেউ যদি একটি চায়না রাইফেলের সন্ধান দিতে পারে এবং সেটি উদ্ধার হয়, তাহলে তথ্যদাতা ১ লাখ টাকা পাবে। এসএমজির ক্ষেত্রে দেড় লাখ, এলএমজির ক্ষেত্রে ৫ লাখ এবং প্রতি রাউন্ড গুলির জন্য ৫০০ টাকা দেওয়া হবে। কেউ যদি একটি গুলি এনে দেয়, তাহলে সে ৫০০ টাকা পাবে। কেউ এলএমজি এনে দিলে ৫ লাখ পাবে। পিস্তলের ক্ষেত্রে ৫০ হাজার, শর্টগানের তথ্য দিলে ৫০ হাজার টাকা পাবে। এসব তথ্য যারা দেবেন, তাদের তথ্য গোপন রাখা হবে।
আরও পড়ুন: সুষ্ঠু নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে বড় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
উপদেষ্টা আরও বলেন, এখন প্রচুর পরিমাণ রিক্রুটমেন্ট হচ্ছে। আপনারা বলতেন আমাদের বদলি বানিজ্য, ভর্তি বানিজ্য নিয়ে। ভর্তি বানিজ্যের ক্ষেত্রে যদি কোনো দুর্নীতি হয় এবং সেই তথ্য কেউ দিতে পারেন, তাহলে তাকে পুরস্কার দেওয়া হবে। এ জন্য আমরা শর্টগানের মতো টাকা ডিক্লেয়ার করিনি। এই নিয়োগ বানিজ্য যাতে বন্ধ হয়, তাতে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। গত এক বছরে আপনারা কোথাও নিয়োগ বানিজ্যের খবর দিতে পারেননি। চেয়ারে বসার পর আমাদের বন্ধু, বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের সংখ্যা বেড়ে গেছে। কেউ যদি কোথাও আমাদের কেউ গিয়ে চাঁদাবাজিতে জড়িত হয়, তাহলে আমাদের জানান। আমরা যদি কেউ দুর্নীতি করি, সেটাও আপনারা লিখে দেন। কিন্তু কেউ রং রিপোর্টিং করবেন না।
রাস্তা বন্ধ করে গাজীপুরের কমিশনারের যাতায়াত বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, নিয়ম অনুযায়ী তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া উচিত। আমরা প্রথম ধাপে তাকে নোটিশ দেব। আপনারা এটা জানতে পারবেন।
তিনি বলেন, মব কমে আসছে, তবে নির্মূল হয়নি। আমরা চেষ্টা করছি এগুলো নিয়ন্ত্রণের। নির্বাচনের আগে যত সম্ভব অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা করছি। নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দল ও জনগণের ওপর। জনগণ যে নির্বাচনমুখী হয়েছে, তার প্রমাণ হলো আপনারা। কারণ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আজকের মিটিংয়ে আপনারা প্রশ্ন করছেন নির্বাচন নিয়ে।
৩৭৫ দিন আগে
মধ্যরাতে খুলনায় যৌথবাহিনী-সন্ত্রাসী গোলাগুলি, আটক ১১, অস্ত্র উদ্ধার
খুলনার সোনাডাঙ্গায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা গোলাগুলির পর ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্র ও গুলি।
শনিবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টার পর সোনাডাঙ্গা থানার আরামবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আজম খান।
গোলাগুলিতে তিন পুলিশ সদস্য, নৌবাহিনীর একজন সদস্য এবং চার সন্ত্রাসী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এসি আজম খান জানান, আরামবাগ মসজিদের অপর পাশে একটি বিল্ডিংয়ে কালা লাভলু সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা গোপন বৈঠক করছে—গোপন সূত্রের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের সদস্যরা সেখানে অভিযান চালান। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক পুলিশ সদস্য আহতও হন।
আরও পড়ুন: ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের গোলাগুলি, আহত ৮
পরবর্তীতে নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। যৌথবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি চলার একপর্যায়ে রাত সাড়ে তিনটার দিকে অভিযান শেষ হয়। এ সময় ১১ জন সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়। এছাড়া তাদের কাছ থেকে তিনটি পিস্তল, একটি একনলা শটগান, একটি কাটা বন্দুক, একটি চাইনিজ কুড়াল, কয়েক রাউন্ড গুলি ও সাতটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় বলে জানান তিনি।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, আটক সন্ত্রাসীদের মধ্যে চারজন গুলিবিদ্ধ ছিল। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ৩ জন পুলিশ সদস্য ও নৌবাহিনীর একজন সদস্যও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যদের পুলিশ হাসপাতালে এবং নৌবাহিনীর সদস্যকে নেভি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আটক সন্ত্রাসীরা হলেন— শেখ পলাশ, কালা লাভলু, আরিফুল, ফজলে রাব্বি, শরীফ, ইমরানুজজান, রিপন, ইমরান, সৈকত রহমান, সহিদুল ইসলাম ও গোলাম রব্বানী।
৫২৩ দিন আগে
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার লুট হওয়া মালামাল-অস্ত্র উদ্ধার করেছে শিক্ষার্থীরা
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে লুট হওয়া মালামাল ও অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়। এসময় দুটি অস্ত্র ও একটি হ্যান্ডকাপসহ প্রায় চার পিকআপ মালামাল উদ্ধার হয়।
আরও পড়ুন: শেরপুর শহর পরিষ্কার করতে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা
সরেজমিনে থানা প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন মালামাল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এখন পর্যন্ত চার পিকআপ মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) থেকে তারা থানা পরিষ্কারের কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি লুট মালামাল উদ্ধারেও কাজ করছেন।
মেহরাব হোসেন প্রভাত নামের এক সমন্বয়ক বলেন, ‘আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সবসময় আছি। লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য আমরা মসজিদ থেকে মাইকিং করেছি। মানুষ তাদের ভুল বুঝতে পেরে স্বেচ্ছায় মালামালগুলো দিয়ে যাচ্ছে।’
নাহিদ নামের আরেক সমন্বয়ক বলেন, ‘সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পরিষ্কারের কার্যক্রম প্রায় শেষের পথে। শনিবার (১০ আগস্ট) সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। আর মালামাল উদ্ধারে আমরা এখনও কাজ করে যাচ্ছি।’
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এখন পর্যন্ত দুটি অস্ত্রসহ কয়েক গাড়ি মালামাল উদ্ধার করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে।’
অতি শিগগিরই থানা পুলিশের কার্যক্রম চালু হবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে শিক্ষার্থীরা
৭৫৬ দিন আগে
বান্দরবানে কেএনএফের আরও ২ সদস্য গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
বান্দরবানের রুমা থেকে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) আরও দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার উপজেলার বেথেলপাড়া থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি বন্দুক, ২০ রাউন্ড গুলি, ল্যাপটপ ও ইউনিফর্ম উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: বান্দরবানে কেএনএফের প্রধান সমন্বয়ক গ্রেপ্তার
এর আগে রবিবার বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালোকের বাসা থেকে কেএনএফের প্রধান সমন্বয়ক চেওসিম বমকে (৫৫) গ্রেপ্তার করে র্যাব।
র্যাব জানায়, এই অভিযান কেএনএফের কার্যক্রম মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেএনএফ প্রধান নাথান বমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তোলার কথা সংগঠনটি গঠন করেছিলেন রোয়াল লিন বম ও চেওসিম বম।
আরও পড়ুন: বান্দরবানে সন্দেহভাজন ৫ কেএনএফ সদস্য গ্রেপ্তার, ২টি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ
৮৭৯ দিন আগে
খুলনায় অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৫
খুলনার ডুমুরিয়ায় শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, তিনটি হাতুড়ি, একটি করে কুড়াল ও দা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পাঁচজনকে আটকের দাবি করেছে র্যাব।
আটকরা হলেন-সাইফুল ইসলাম সরদার বাবু ওরফে কিলার বাবু, আকরাম আলী খান (৪২), আশিকুর রহমান (৩৩), আতাউর রহমান খাঁ (৩২) ও মুরছালিন কাজী (৪৪)। তাদের বাড়ি ডুমুরিয়া উপজেলায়।
আরও পড়ুন: পাবনায় আ’লীগ নেতার গাড়িবহর থেকে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ১
র্যাব-৬ এর সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ডাকাতি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও মাদক বিক্রিসহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে তাদের আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্য আটক
তাদের বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে বলে জানান তিনি।
১৪৬২ দিন আগে