স্বাস্থ্য পরীক্ষা
৩১ অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু
মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে শুরু হবে। এর আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং অভিবাসন ছাড়পত্রের জন্যও বিবেচনা করা হবে না।
সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর তালিকা শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এ কারণে কর্মীদের নিয়মিত ওয়েবসাইটে তালিকা যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি নির্দেশনা পরিপালন ও সক্ষমতার ভিত্তিতে কোনো মেডিকেল সেন্টার তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে কিংবা নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান যুক্ত হতে পারে।
এদিকে সম্প্রতি কিছু দালাল ও অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি অনুমোদন ছাড়াই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথা বলে কর্মীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে।
এ অবস্থায় সরকারি অনুমোদন ছাড়া কোনো মেডিকেল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সিকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা বা করানোর সুযোগ দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।
কর্মীদের এ ধরনের প্রস্তাবে সাড়া না দিতে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিশ্চিত না হয়ে কারও কাছে পাসপোর্ট বা টাকা জমা না দিতেও সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ভিডিআর ভিসার নথি জমা দিতে হবে।
নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টার ও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ, রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাতিল করা হতে পারে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এছাড়া অনুমোদনহীন স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা এ ধরনের অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে ঘটনার তারিখ, স্থান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামসহ প্রমাণ মন্ত্রণালয়কে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এ জন্য [email protected] ঠিকানায় ইমেইল করা যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী, রিক্রুটিং এজেন্সি ও মেডিকেল সেন্টারগুলোকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।
৭ দিন আগে
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি
কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনিকে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে আবার কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল তাকে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে প্রয়োজনীয় মেডিকেল চেকআপ ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পুলিশি পাহারায় তাকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
ডিবি পুলিশের পরিদর্শক নাসির উদ্দিন সরকার জানান, দীপু মনিকে প্রাথমিক মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে আবার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
১১ দিন আগে
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া গেলেন মির্জা আব্বাস
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আবারও মালয়েশিয়া গেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে তিনি বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন।
মির্জা আব্বাসের একান্ত সহকারী মিজানুর রহমান সোহেল ইউএনবিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোহেল বলেন, মির্জা আব্বাস নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তার সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস এবং ছেলে মির্জা ইয়াসীর আব্বাস সঙ্গে রয়েছেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, মির্জা আব্বাস মালয়েশিয়ায় প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে শারীরিক পরীক্ষা করাবেন। ইতোমধ্যে চিকিৎসকসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
দেশবাসীর কাছে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টার পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে বলে জানান সোহেল।
এর আগে, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস। সেবার প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর তিনি দেশে ফিরেছিলেন।
৪৯ দিন আগে
৫ মার্চের মধ্যে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশ
আগামী ৫ মার্চের মধ্যে সকল হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকা গ্রহণ ও গ্রুপ তৈরি সম্পন্ন করে ভিসা প্রক্রিয়া করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব এজেন্সির মালিক ও ব্যবস্থাপকদের অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এ অনুরোধ জানিয়ে ৩০টি এজেন্সির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩০টি এজেন্সির মোট ৭ হাজার ৩৫৫ জন হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা এখনও বাকি রয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাকি রয়েছে বাংলাদেশ ওভারসিজ সার্ভিসেসের (১৩০৬ জন) এবং সর্বনিম্ন এহসান এয়ার ট্রাভেলসের (১০ জন)।
চিঠিতে বলা হয়, সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের টাইমলাইন মোতাবেক আগামী ২০ মার্চ হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণ শেষ করতে হবে। ভিসা প্রক্রিয়াকরণের পূর্বে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ফিটনেস সনদ গ্রহণ এবং টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক। ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য হজযাত্রীর গ্রুপ তৈরি, গ্রুপ প্রক্রিয়াকরণ ইত্যাদি যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে ভিসা পেতে ৫ থেকে ১০ দিন সময় লাগতে পারে। এছাড়া কারিগরি জটিলতার উদ্ভব হলে এর চেয়ে বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে।
আগামী ২০ মার্চের নিকটবর্তী সময়ে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব উভয় দেশেই সংশ্লিষ্ট অফিস বন্ধ থাকবে। ফলে ২০ মার্চের অনেক আগে পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকা প্রদান ও ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করা প্রয়োজন বলে জানানো হয় চিঠিতে।
২৫১ দিন আগে
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন খন্দকার মোশাররফ
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটি সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সস্ত্রীক সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে খন্দকার মোশাররফের ছোট ছেলে খন্দকার মারুফ হোসেন ইউএনবিকে বলেছেন, সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে তিনি ডাক্তার দেখাবেন। মস্তিষ্কে টিউমারের ফলো-আপ চিকিৎসার জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করা হবে।
পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি দেশের মানুষের কাছে তার বাবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনায় দোয়া চেয়েছেন।
‘ফ্যাসিবাদবিরোধী’ আন্দোলনের সময়ে ২০২৩ সালের ১৭ জুন রাজধানীতে বিএনপির এক পদযাত্রায় অসুস্থ হয়ে পড়লে খন্দকার মোশাররফকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আট দিন চিকিৎসা নেন তিনি। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে ২৭ জুন তাকে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। সেখানে দুই মাস ১০ দিন চিকিৎসার পর ৫ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকায় ফেরেন।
কিন্তু আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে ৫ ডিসেম্বর তাকে ফের এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকেরা পরবর্তীতে তাকে আবারও সিঙ্গাপুরে গিয়ে চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করার পরামর্শ দেন।
২০২৪ সালের ২৭ জানুয়ারি সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে খন্দকার মোশাররফের মস্তিস্কে টিউমারের সফল অস্ত্রোপচার হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরেছিলেন।
৩২৫ দিন আগে
জরুরি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মধ্যরাতে হাসপাতালে খালেদা জিয়া
জরুরি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে নিজ বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
তিনি জানান, চিকিৎসা বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী গতকাল রাত রাত ১টা ৪৮ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন খালেদা জিয়া। সেখানে প্রায় ৩৫ মিনিট অবস্থানকালে তার কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়।
শায়রুল কবির খান বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন হাসপাতালে প্রায় ৩৫ মিনিট অবস্থান করেন এবং সেখানে কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে রাত ২টা ৫২ মিনিটে তাকে নিজ বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, তার জন্য অধ্যাপক সাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত চিকিৎসা বোর্ডের দেওয়া পরামর্শে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ঐক্য ধরে রেখে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান খালেদা জিয়ার
তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা বোর্ডের জরুরি ভিত্তিতে শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নের প্রয়োজন হওয়ায় তাকে কিছু পরীক্ষা করাতে নেওয়া হয়েছিল।’
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন।
লন্ডনে চার মাসের উন্নত চিকিৎসা শেষে গত ৬ মে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি নিজ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডে এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরাও রয়েছেন।
লন্ডনে অবস্থানকালে তিনি লিভার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডির তত্ত্বাবধায়নে বিশেষায়িত চিকিৎসা নেন।
৪৬৮ দিন আগে
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সন্ধ্যায় হাসপাতালে যাবেন খালেদা জিয়া
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
এ জন্য বুধবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে তার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।
দীর্ঘদিন ধরে একাধিক জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন ৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধায়নে বর্তমানে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এর আগে, চিকিৎসার জন্য প্রায় চার মাস লন্ডনে অবস্থানের পর গত ৬ মে ঢাকায় ফেরেন খালেদা জিয়া।
লন্ডনে অবস্থানকালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন লিভার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি।
৫০৪ দিন আগে
সোমবার সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরছেন মির্জা ফখরুল
সিঙ্গাপুরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সস্ত্রীক দেশে ফিরছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকালে ইউএনবিকে ফখরুল বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরা ১৪ এপ্রিল (সোমবার) বিকালে দেশে ফিরব। আমাদের দুইজনেরই সবগুলো রিপোর্ট ভালো। আমার স্ত্রীর অবস্থাও ভালো। উনি সুস্থ ও ভালো আছেন।’
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ৬ এপ্রিল সিঙ্গাপুর যান মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ফখরুলের নামে একটি ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজ থেকে তার স্ত্রীকে নিয়ে এক পোস্ট আলোচনার জন্ম দেয়।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন ফখরুল
৫৭১ দিন আগে
লন্ডনে খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু
যুক্তরাজ্যের লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু করেছেন। লন্ডনে অবস্থানরত তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বুধবার (২ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আজ (বুধবার) থেকে ম্যাডামের পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আগামী চারদিন উনার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে। এ সময় উনার ডাক্তাররা (লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা) বাসায় উনাকে দেখতে আসবেন।’
তিনি বলেন, ‘কিছু পরীক্ষা করার জন্য হয়তো উনাকে লন্ডনে ক্লিনিকেও নিয়ে যাওয়া হবে। আগামী কয়েকটি দিন বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে, যা চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে করা হচ্ছে।’
কবে দেশে ফিরতে পারেন জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, ‘যেসব পরীক্ষা করতে বলেছেন, সেগুলোর রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এখানকার ডাক্তাররা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন—কত দ্রুত ছুটি দেওয়া যায়।’
আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন: খালেদা জিয়া
এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে এই চিকিৎসক বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ম্যাডামের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। মানসিকভাবে উনি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। মাচ বেটার।’
সম্প্রতি লন্ডনের একটি পার্কে খালেদা জিয়ার হুইল চেয়ারে বসা একটি ভিডিও ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) হুইল চেয়ারে করে জাস্ট উনাকে (খালেদা জিয়া) গাড়ি থেকে নামিয়ে ঘোরানো হয়েছিল। শীত কম ছিল, সেজন্য কিছুক্ষণ ঘোরানো হয়েছিল। একুট মন ভালো লাগার জন্য, উনাকে স্থানীয় একটি পার্কে (সাউথ-ওয়েস্ট ইনার লন্ডনে) গাড়ি থেকে নামিয়ে ঘোরানো হয়েছিল এই আর কি। পার্কের নানা রঙের ফুল, বাগান দেখালে ম্যাডামের একটু ভালো লাগবে—এই চিন্তা করে এটা করা হয়েছিল।’
তারেক রহমানের বাসায় থেকে লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে লন্ডনে যান তিনি। গত ৮ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি লন্ডনের দ্য ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর থেকে তারেক রহমানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন খালেদা জিয়া
৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন।
লন্ডনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। ছেলে তারেক রহমানের বাসায় আনন্দঘন পরিবেশে সময় কাটছে তার। ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতনিদের সান্নিধ্যে এবার উৎসবের আমেজে ঈদ উদযাপন করেছেন তিনি।
৫৮০ দিন আগে
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য স্থিতিশীল, চলছে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
যুক্তরাজ্যের ‘লন্ডন দ্য ক্লিনিকে’ চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। রবিবার (১৩ জানুয়ারি) তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমন তথ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘তার স্বাস্থ্যের রুটিন পরীক্ষা প্রতিদিনই চলছে। তবে সোমবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে বিশেষ কিছু পরীক্ষা করা হতে পারে। হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখেছেন বিখ্যাত হেপাটোলজিস্ট অধ্যাপক জন প্যাট্রিক কেনেডি। এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনেই তার চিকিৎসা চলছে ‘
‘হাসপাতালে ভর্তির পরেই খালেদা জিয়ার ফিজিওথেরাপি করানো হয়েছে। এতে তার শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে,’ বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
আরও পড়ুন: লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন খালেদা জিয়া
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক পরিচর্যা করছেন বলেও জানান জাহিদ হোসেন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গেল ৮ জানুয়ারি খালেদা জিয়া লন্ডনে যান। ওই দিনই হিথরো বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বিশেষায়িত হাসপাতাল দ্য লন্ডন ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করা হয়। এরই মধ্যে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে তার চিকিৎসা চলছে।
লিভার সিরোসিস, কিডনি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া।
আরও পড়ুন: বিমানবন্দরের পথে খালেদা জিয়া
৬৬০ দিন আগে