আবু সাঈদ হত্যা
রায়ে অসন্তোষ, সব আসামির ফাঁসি চান আবু সাঈদের বাবা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন। তিনি বলেছেন, আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় যারা নির্দেশ দিয়েছেন, সেই উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা বিচারের বাইরে থেকে গেছেন। এ সময় হত্যার সঙ্গে জড়িত সবার ফাঁসি দাবি করেন তিনি ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
মকবুল হোসেন বলেন, ‘আমার ছেলেকে হত্যার ঘটনাটি শুধু কনস্টেবলের ওপর দিয়ে গেল। যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, তারা বেঁচে গেল। আমরা সব আসামির ফাঁসি চাই।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেকে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের (সাজার) রায় হয়েছে।’ তবে এই রায় কার্যকর করতে হবে দাবি করে তিনি বলেন, ‘রায় কার্যকর হলে আমার ছেলের আত্মা শান্তি পাবে।’
আবু সাঈদের বড় ভাই আবু রায়হান বলেন, ‘আমার ভাইকে হত্যার সঙ্গে যারা যারা জড়িত, সবার ফাঁসি কার্যকর চাই। তাহলেই ভাই হত্যার সঠিক বিচার হবে।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া রায়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ, গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডলকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরও কয়েকজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
গত ৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার জন্য ৯ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেছিল। গত বছরের ৩০ জুন আইসিটি সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশিদসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়। আইসিটির তদন্ত সংস্থা একই বছরের ২৪ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডটি আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে যা শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এর ফলশ্রুতিতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
১১ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা মামলা: ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২৭ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)। বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
অন্য দণ্ডিতদের মধ্যে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সাবেক সহকারী উপকমিশনার আরিফুজ্জামান জীবন, সাবেক পরিদর্শক রবিউল ইসলাম নয়ন এবং সাবেক উপপরিদর্শক বিভূতি ভূষণ রায় মাধবকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদ, শিক্ষক মশিউর রহমান ও আসাদুজ্জামান মন্ডল, আরএমপির সাবেক কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার সভাপতি পোমেল বড়ুয়াকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আরএমপির সাবেক উপকমিশনার আবু মারুফ হোসেন ওরফে টিটু, সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী সুমন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান তুফান, ইমরান চৌধুরী আকাশ, মাসুদুল হাসান মাসুদ, এ কে এম আমির হোসেন আমু এবং ড. সারোয়ার হোসেন চন্দনকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তিন বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, মাহফুজুর রহমান শামীম, ফজলে রাব্বি, আখতার হোসেন, সেজান আহমেদ আরিফ, ধনঞ্জয় কুমার টগর, বাবুল হোসেন, মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল, নূর আলম মিয়া এবং মাহবুবুর রহমান বাবু। আসামিদের মধ্যে আনোয়ার পারভেজকে অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিতদের মধ্যে ৫ জন কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।
কারা হেফাজতে রয়েছেন— আমির হোসেন, সুজন চন্দ্র, শরিফুল ইসলাম, ইমরান চৌধুরী এবং রাফিউল হাসান রাসেল। এছাড়া আনোয়ার পারভেজও কারাগারে ছিলেন।
এর আগে, গত ৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার জন্য ৯ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেছিল। গত বছরের ৩০ জুন আইসিটি সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশিদসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়। আইসিটির তদন্ত সংস্থা একই বছরের ২৪ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডটি আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে যা শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এর ফলশ্রুতিতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
১১ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালযয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আইসিটি-২ গত ৫ মার্চ এই মামলার রায়ের তারিখ ৯ এপ্রিল নির্ধারণ করেছিলেন।
২০২৫ সালের ৩০ জুন আইসিটি এই মামলার অভিযোগ আমলে নেয়। মামলায় বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশিদ এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সাবেক কমিশনার মো. মনিরুজ্জামানসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি (ঊর্ধ্বতন পদের দায়িত্ব), প্ররোচনা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে, ২০২৫ সালের ২৪ জুন আইসিটির তদন্ত সংস্থা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল।
মামলার ৩০ জন আসামির মধ্যে ২৪ জন পলাতক এবং ৬ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। যারা কারা হেফাজতে রয়েছেন তারা হলেন— সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল এবং আনোয়ার পারভেজ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডটি ছাত্র আন্দোলনকে তীব্রতর করে তোলে যা শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
১১ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা: ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় পুলিশের সদস্যসহ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি আজ।
সোমবার (২৮ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ আজ এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করবেন বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার (২৫ জুলাই) কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ছয় আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
এই ছয় আসামি হলেন— সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরীফুল ইসলাম, রাফিউল, আনোয়ার পারভেজ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী আশেক।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা: পলাতক ২৬ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
গত ১০ জুলাই পলাতক ২৬ আসামিকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন আদালত।
এর আগে, ৩০ জুন আবু সাঈদ হত্যায় পুলিশের সদস্যসহ মোট ৩০ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের সময় ১৬ জুলাই বিকালে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন। আবু সাঈদ ছিলেন জুলাই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত প্রথম শিক্ষার্থী।
২৬৬ দিন আগে
দ্রুতই আবু সাঈদ হত্যার বিচার হবে: আইন উপদেষ্টা
দ্রুততম সময়ের মধ্যেই শহীদ আবু সাঈদ হত্যার বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, তার বাবা এই বিচার দেখে যেতে পারবেন।
বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টায় জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের প্রথম শাহাদৎবার্ষিকীতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নামে তোরণ ও মিউজিয়াম এবং শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন এসব উদ্বোধন করেন।
পরে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আসিফ নজরুল বলেন, দ্রুতই আবু সাঈদ হত্যার বিচার হবে — তার বাবা এ বিচার দেখে যেতে পারবেন। এ সরকারের আমলেই জুলাই হত্যার বিচার হবে।
এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রংপুর অঞ্চলের মানুষ আর বৈষম্যের শিকার থাকবে না। ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এ বছরেই হবে। এছাড়া কুড়িগ্রামে ইপিজেড হবে। রংপুর অঞ্চলে হবে চীনের অত্যাধুনিক হাসপাতাল।
আরও পড়ুন: তিস্তায় ১২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে: পরিবেশ উপদেষ্টা
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শওকাত আলী। এছাড়াও বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, ডিআইজি আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শওকাত আলীর নেতৃত্বে প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৭টায় পীরগঞ্জের বাবনপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করা হয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিরে কালো ব্যাজ ধারণ করেন তারা। এরপর ক্যাম্পাসের দক্ষিণ গেট থেকে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে শোক র্যালি বের হয়। র্যালিটি নগরীর মডার্ন মোড় হয়ে শহীদ আবু সাঈদ গেটে গিয়ে শেষ হয়।
এদিকে বিকেলে জুলাই শহীদ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ভেতরে ক্যাফেটেরিয়ায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বিকেল সাড়ে ৫টায় দোয়া এবং মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, গত বছরের এই দিনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
২৭৮ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা: পলাতক ২৬ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২৬ পলাতক আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২
বৃহস্পতিবার(১০ জুলাই) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এর আগে সকালে এ মামলার চার গ্রেপ্তারকৃত আসামি- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। মামলার মোট আসামি ৩০ জনের মধ্যে ২৬ জনই পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে হাজিরা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন আদালত।
এর আগে, গত ২৪ জুন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে তদন্ত সংস্থা। পরে ৩০ জুন প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র দাখিল করে, যা ট্রাইব্যুনাল আমলে নেয়।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন যখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ। ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
আরও পড়ুন: ছেলের কবরের পাশে দিন কাটে আবু সাঈদের মায়ের, বিচার নিয়ে সংশয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ ছোড়া গুলিতে আহত হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদেই সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন। ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।
২৮৩ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা মামলা: তদন্তে অভিযুক্ত ৩০ জন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউসনের কাছে জমা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এতে ৩০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম প্রতিবেদন পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেন।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। এই প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই করে আগামী রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনাল-২-এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে বলে আশা করছি।’
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা মামলার তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ
এর আগে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনালে এই মামলার চার আসামিকে ট্র্যাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এরপর আসামিদের মধ্যে পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে ১৮ জুন এবং বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী আকাশকে ১৯ জুন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন ট্র্যাইব্যুনাল-১।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে সারা দেশে যখন আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে, তার মধ্যে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদেই সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন। ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।
২৯৮ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা মামলার তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাইদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আগামী ১৫ জুন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
বুধবার (৯ এপ্রিল) বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
একই সঙ্গে এ মামলায় সাবেক এসআই আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী আকাশকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে সকালে এই চারজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদের অসুস্থ বাবাকে ঢাকা সিএমএইচে স্থানান্তর
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম, আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।
পরে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রংপুরে আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে, তদন্ত শেষ পর্যায়ে। এ হত্যা মামলায় আটক চারজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। তদন্ত শেষ করতে আরও দুই মাস সময় দেওয়া হয়েছে তদন্ত সংস্থাকে।
এর আগে আজ সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাইদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চার আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
গত ২ মার্চ আবু সাইদ হত্যার ঘটনায় চারজনকে হাজির করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়ে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে প্রসিকিউশন জানিয়েছে, এই ঘটনায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। আর বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা এমরান চৌধুরী আকাশসহ আরও অনেকে ইন্ধন জুগিয়েছিলেন। অন্য মামলায় গ্রেফতার থাকা ওই আসামিদের এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন জানার প্রসিকিউশন।
৩৭৬ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা: অভিযুক্ত ২ পুলিশ সদস্যের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে রংপুর মেট্রোপলিটন তাজহাট ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে শুনানি শেষে বিচারক আসাদুজ্জামান তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য হলেন- এএসআই মো. আমীর আলী ও সুজন চন্দ্র রায়।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ১৬ বছরের কিশোরের জামিন
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান রোকন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। শুনানি শেষে বিচারক চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হন। এ ঘটনায় মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় মামলা হয়। এই মামলায় আসামি এএসআই মো. আমীর হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার রিকুইজিশনের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বড় ভাই রমজান আলী বাদী হয়ে ১৮ আগস্ট রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানায় ১৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এবং গত ৩ আগস্ট এই দুই পুলিশ সদস্য এএসআই আমীর আলী ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে বরখাস্ত করা হয়। পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তরের আগে তারা পুলিশ লাইন্সে কড়া নজরদারিতে ছিলেন।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা: সাবেক আইজিপিসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা, অজ্ঞাত আসামি ৩০-৩৫ জন
আবু সাঈদ হত্যা মামলা পিবিআইতে
৫৮৬ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা: সাবেক আইজিপিসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা, অজ্ঞাত আসামি ৩০-৩৫ জন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের নিহত হওয়ার ঘটনায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ জনকে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) নিহত আবু সাঈদের ভাই রমজান আলী বাদী হয়ে মেট্রোপলিটন তাজহাট ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে মামলা করেন।
আবু সাঈদ পীরগঞ্জের বাবনপুর জাফরপাড়ার মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: রংপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত আবু সাঈদ
মামলার আসামিরা হলেন- পুলিশের সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুন, রংপুর রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি আব্দুল বাতেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বেরোবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম মাহফুজ, দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার টগর, তাজহাট থানার ওসি রবিউল ইসলাম, বেরোবি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায়, বেরোবির সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল, সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, প্রক্টর অফিসের কর্মকর্তা রবিউল হাসান রাসেল, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন, সহকারী পুলিশ কমিশনার আল ইমরান হোসেন, সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফুজ্জামান, বেরোবি ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও এএসআই আমির। এছাড়াও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
গত ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদ নিহত হন। আবু সাঈদকে প্রকাশ্যে গুলি করার দৃশ্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে গেলে সারা দেশে আন্দোলন আরও জোরদার হয়ে ওঠে।
সেসময় এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া ইট-পাটকেলের আঘাতে আবু সাঈদের মৃত্যু হয়েছে বলে ওই মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা মামলা পিবিআইতে
৬০৯ দিন আগে