মন্ত্রিসভা
সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা বাড়াতে সংশোধিত আইনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন
সরকারি ক্রয়ে আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সমান আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ২৬তম বৈঠকে খসড়াটির নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি।
সরকারি ক্রয়ের প্রধান আইনি কাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এ পর্যন্ত ছয়বার সংশোধন করা হয়েছে।
সর্বশেষ ২০২৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জারি করা পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর মাধ্যমে আইনটি সংশোধন করা হয়।
দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা ও ক্রয় কার্যক্রমে আরও বেশি প্রতিযোগিতা সৃষ্টির লক্ষ্যে যুগোপযোগী বিধান যুক্ত করতে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছিল।
প্রস্তাবিত সংশোধনীতে সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন, ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র, নারী এবং সুবিধাবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আরও ন্যায্যভাবে সম্পদের বণ্টন নিশ্চিত করতে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির প্রক্রিয়া আধুনিকায়ন এবং সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে এতে।
পেশাগত অসদাচরণ-সংক্রান্ত বিধানগুলো স্পষ্ট করা এবং রাষ্ট্রের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যও রয়েছে খসড়া আইনে।
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়াটি জনমত যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) এবং বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছিল।
সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯৩(১) অনুচ্ছেদের আওতায় কোনো অধ্যাদেশ জারির পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তা উপস্থাপন করতে হয়।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যাচাই-বাছাইয়ের শর্তে খসড়া আইনটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
১ দিন আগে
মন্ত্রিসভায় ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
আগামী বছর সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ও নির্বাহী আদেশে ১৪ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই ২৯ দিনের মধ্যে সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় কার্যত ছুটি পাওয়া যাবে ২২ দিন।
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রস্তাবিত ছুটির তালিকায় জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে ১৫ দিন সাধারণ ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি শুক্রবার ও দুটি শনিবার রয়েছে।
এছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ১৪ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে তিন দিন সাপ্তাহিক ছুটি—একটি শুক্রবার ও দুটি শনিবারের সঙ্গে মিলে যাবে।
এছাড়া সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।
অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কর্মচারীরা বিজু, বৈসাবি বা এ ধরনের প্রধান সামাজিক উৎসব উদযাপনের জন্য দুই দিন ঐচ্ছিক ছুটি পাবেন।
১ দিন আগে
সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ত্বরান্বিত করতে খসড়া আইনে অনুমোদন মন্ত্রিসভার
দেশজুড়ে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের কার্যক্রম দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
ইতোমধ্যে জারি করা বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬-কে আইনে রূপ দিতে খসড়া আইনটি এদিন সভায় উপস্থাপন করা হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি বলেন, অনুমোদনের জন্য খসড়া আইনটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছিল। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক বিভাগে যাচাই-বাছাইয়ের শর্তে মন্ত্রিসভা এতে অনুমোদন দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করতে সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের আওতায় বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছিল।
খসড়া আইন প্রণয়নের কারণ ব্যাখ্যা করে নাসিমুল গনি বলেন, সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯৩(১) অনুচ্ছেদের আওতায় কোনো অধ্যাদেশ জারির পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তা উপস্থাপন করতে হয়।
মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর খসড়া আইনটি বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংসদে পাস ও রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর এটি আইনে পরিণত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি সংসদে আলোচনার মধ্য দিয়ে যাবে। এ সময় প্রয়োজন হলে এতে পরিবর্তন আনা হতে পারে।
১ দিন আগে
শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী, দুই প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার নতুন ৬ সদস্য শপথ নিয়েছেন।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৮ টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাদের শপথ পড়ান।
শপথ নেওয়া চারজন মন্ত্রী হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এর মধ্যে মিল্লাত বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
এছাড়া, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
এর আগে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাকে শপথ পড়ান। রাষ্ট্রপতির শপথের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
৭৪ দিন আগে
মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও ৫ মুখ, রাতে শপথ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় আরও পাঁচজন যুক্ত হতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের।
তাদের মধ্যে মঈন খান, পার্থ ও সাচিং প্রু মন্ত্রী এবং শামীম কায়সার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
এছাড়া পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাতের।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ইউএনবিকে বলেন, আজ নতুন মন্ত্রিসভা সদস্যদের শপথ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কতজন বা কারা শপথ নেবেন, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।
বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউএনবিকে বলেন, সন্ধ্যায় কয়েকজন নতুন মুখ শপথ নিতে পারেন।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণের পর বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল শপথ নেবেন। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন।
রাষ্ট্রপতির শপথের পর নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং ১,২০০-এর বেশি আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন।
মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সঙ্গে মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে পরিবর্তনসহ বড় ধরনের রদবদল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। একই দিনে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।
তবে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে ১ জুন পদত্যাগ করেন।
এদিকে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও শূন্য হবে।
৭৪ দিন আগে
র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে হবে এসআরবি
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার সপ্তদশ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, বিদ্যমান র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।
এছাড়া নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, র্যাব-সংক্রান্ত জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।
পাশাপাশি, নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত র্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান বিভাগীয় কার্যধারার বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
৭৭ দিন আগে
সরকারের ১৮০ দিনে মন্ত্রিসভায় রদবদল প্রসঙ্গে যা বললেন তথ্য উপদেষ্টা
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তির পর মন্ত্রিসভায় রদবদল হবে বলে কোনো সিদ্ধান্ত বা ইঙ্গিত সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়গুলোর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তির পর মন্ত্রিসভায় রদবদল হবে—এমন আলোচনা প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘মন্ত্রিসভার রদবদল ১৮০ দিনের পর হবে, সরকারের দিক থেকে এ ধরনের কোনো কিছু বলা বা ইঙ্গিত করা হয়নি। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়গুলোর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’
তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন হতে পারে। কারও কাছে অনেক বেশি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকলে সেখানেও পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এসব ১৮০ দিন পূর্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
উপদেষ্টা বলেন, ‘এই ইভালুয়েশন (মূল্যায়ন) চলতে থাকবে। এটা ১৮০ দিন নয়; দ্বিতীয় বছর, তৃতীয় বছর বা যেকোনো সময় হতে পারে। একটি গণতান্ত্রিক সরকার চাইবে জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে। কোথাও কোনো সমস্যা তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবেন।’
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন বলেও এ সময় জানান ডা. জাহেদ। তিনি বলেন, ‘১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতিকে অ্যাড্রেস করবেন—এমন একটি সম্ভাবনা আছে এবং সেটার বেশিই আছে, সম্ভাবনা হচ্ছে সেটা করতে যাচ্ছেন। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি সবকিছু।’
এদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে ব্রিফ করেছেন। ওই ব্রিফিং থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশ বিষয়টি অত্যন্ত শক্তভাবে ভারতের কাছে উপস্থাপন করেছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের যে রিয়েল অ্যালাইনমেন্টের (সম্পর্কের পুনর্বিন্যাস) কথা বলছি, সেটার অনুকূল পরিবেশ ভারতের দিক থেকে তৈরি করতে হবে।’
শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি ধারণা ও সন্দেহ রয়েছে যে, তার সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে ভারতের সঙ্গে এক ধরনের যোগাযোগ ও সহযোগিতা পেয়েছে।
ডা. জাহেদ বলেন, ‘যাকে আমরা দেশে এনে বিচার করতে চাই, তিনি সেখানে বসে সংবাদ সম্মেলন করছেন। তাকে প্রত্যর্পণের কথা ছিল। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের চুক্তি আছে। একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আমরা দেশে এনে আইনের আওতায় আনতে চাই। এই বিষয়গুলো ভারতকে আন্তরিকভাবে নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়, দুই দেশের জনগণের সঙ্গে হওয়া উচিত।
৮৫ দিন আগে
নতুন ভিসা নীতিমালা চূড়ান্তে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
দেশের নতুন ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করতে ৮ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটি খসড়া চূড়ান্ত করার পর তা আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করতে মন্ত্রিসভা কমিটির গঠন করে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
কমিটির সদস্যরা হলেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।
এ কমিটি ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করবে। এছাড়া প্রয়োজন হলে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে কমিটি। প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সচিবিক সহায়তা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কমিটির পরিমার্জনের পর ভিসা নীতিমালার খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করবে।
এর আগে, গত ২ জুলাই ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। সেই বৈঠকে খসড়াটি পরিমার্জনের জন্য কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
১১৮ দিন আগে
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেরিয়ে মন্ত্রিসভায় কায়কোবাদ
যাবজ্জীবনের কারাদণ্ড পেরিয়ে মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তাকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ছয়বারের এই সংসদ সদস্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় তার নির্বাচনি এলাকা কুমিল্লা-৩ আসনসহ (মুরাদনগর) জেলাজুড়ে খুশির আমেজ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেনেড হামলা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পান কায়কোবাদ। সাজাভোগ এড়াতে এক যুগেরও বেশি সময় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি দেশে ফেরেন। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি।
তার ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, কায়কোবাদ মুরাদনগরে মাটি ও মানুষের নেতা। তিনি মুরাদনগরবাসীর নিকট ‘দাদা ভাই’ হিসেবে পরিচিত। তাকে ধর্মমন্ত্রী করায় উপজেলায় খুশির জোয়ার বইছে। সদর থেকে গ্রাম পর্যন্ত চলছে গণহারে মিষ্টি বিতরণ।
উল্লেখ্য, কায়কোবাদ ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেন। তিনি ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
এর আগে ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন কায়কোবাদ। ১৯৮৬ সালে সংসদে হুইপের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর ১৯৮৮ সালে তিনি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এবার পেলেন পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা।
২৫৯ দিন আগে
নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক বিকেলে
নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আজ বুধবার বিকেলে। সচিবালয়ে নতুন ১ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এ বৈঠক হবে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় বৈঠকটি শুরু হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে তথ্য জানা গেছে আজ (বুধবার) সচিবালয়ে অফিস করবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শপথ নেওয়ার পর দিন তিনি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক এবং সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।
দায়িত্ব গ্রহণের পরদিন আজ (বুধবার) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দপ্তরে প্রথমবারের মতো অফিস করবেন।
সচিবালয়ে গিয়ে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং একটি সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। দুপুরের পর বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।
সূত্র আরও জানিয়েছে, বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নেই। মূলত এটি হবে পরিচিতিমূলক। এরপর বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর রাতে মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
২৫৯ দিন আগে