ট্রেন চলাচল
রাবি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার, ৯ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু
শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে ৯ ঘণ্টা পর রেলপথ অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, আমাদের সবকটি দাবি রেল কর্তৃপক্ষ মেনে নেওয়ায় আমরা অবরোধ তুলে নিয়েছি। সেই সঙ্গে রেলযাত্রীদের কাছে ক্ষমা চান তিনি।
আম্মার বলেন, আমাদের প্রথম দাবি ছিল, যিনি অপরাধী, তিনি সশরীরে এসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ভুক্তভোগীর কাছে জবাবদিহি করবেন। তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং প্রকাশ্যে আমাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। পুরো রেল কর্তৃপক্ষও আমাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে। আমাদের প্রথম দাবি পূরণ হয়েছে।
দ্বিতীয় দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, অভিযুক্তকে দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে তিন কার্যদিবসের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। তবে শিক্ষার্থীরা তাতে অনাস্থা জানালে বিভাগীয় কমিশনারের উদ্যোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, প্রক্টোরিয়াল বডির একজন প্রতিনিধি, একজন শিক্ষক প্রতিনিধিসহ পাঁচ সদস্যের একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই কমিটি তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে এবং সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
রাকসুর জিএস বলেন, তৃতীয় দাবিতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বিষয়ে যে আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। ছয় মাস বিনা ভাড়ায় রেল ভ্রমণের প্রস্তাবও তিনি সসম্মানে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এটা আমাদের জন্য সম্মানের।
চতুর্থ দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ‘পদ্মা’, ‘তিতুমীর’ ও ‘মধুমতী’ ট্রেনের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রাবিরতির বিষয়ে রেজুলেশন হয়েছে। পাশাপাশি রাতের ট্রেনগুলোর যাত্রীদের জন্য রাজশাহী স্টেশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পর্যন্ত শাটল বাস চালুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সুপারিশ করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি, দীর্ঘদিনের দাবি এবং আমাদের শিক্ষার্থীর সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তার বিচার আমরা পেয়েছি। আমরা আমাদের জায়গা থেকে মোটামুটি সন্তুষ্ট। আগামী ৬ আগস্ট ফলোআপ বৈঠকের পর বিষয়টি আবার পর্যালোচনা করা হবে। সে পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করছি।
৬ ঘণ্টা আগে
রাবি শিক্ষার্থীকে টিটির ‘মারধর’, ট্রেন চলাচল বন্ধ
ট্রেনে যাত্রীদের কাছ থেকে রসিদ ছাড়াই ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক (টিটি) মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে রেললাইন অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ অবরোধের কারণে সারা দেশের সঙ্গে রাজশাহীর রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস-সংলগ্ন এলাকায় এ অবরোধ শুরু হয়।
সকাল থেকে রাজশাহী রেলস্টেশন থেকে ঢাকাগামী বনলতা এক্সপ্রেস ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেসসহ কোনো ট্রেনই ছেড়ে যেতে পারেনি। একই সঙ্গে রাজশাহীগামী অন্যান্য ট্রেনের চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে। এতে হাজার হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন।
নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করা শিক্ষার্থীর নাম ফোরকান উদ্দীন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
ফোরকান বলেন, ঢাকা থেকে পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজশাহী ফেরার পথে দেখতে পাই, টিটিরা রসিদ ছাড়াই সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে সরাসরি টাকা আদায় করছেন। আমি এর প্রতিবাদ জানিয়ে টিটিদের জিজ্ঞাসা করি, ‘রেলের টাকা রাষ্ট্রের সম্পদ, কিন্তু টিকিট না দিয়ে কেন টাকা নিচ্ছেন?’
তিনি আরও বলেন, ‘সচেতন নাগরিক হিসেবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় হঠাৎ পেছন থেকে ৬-৭ জন টিটি আমার গলা ধরে দুই বগির মাঝখানে নিয়ে যান। সেখানে ঘাড় ও পিঠে মারতে থাকেন। একপর্যায়ে ট্রেনের জানালার ধারে নিয়ে আমাকে নিচে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও আমার চশমা ভেঙে গেছে। আমি অভিযুক্তদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা অভিযুক্ত টিটি সুমনকে দ্রুত হাজির করে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলাসংলগ্ন রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শহিদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘রেলে অন্যায় ও প্রতিবাদকারীদের হেনস্তা করা এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্তৃপক্ষ এসে এই অপকর্ম ও মারধরের সঠিক বিচার ও ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত ট্রেন যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।’
এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে এবং আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।
এছাড়া ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ।
রাকসুর ভিপি লেখেন, ‘পদ্মা এক্সপ্রেসের টিটিরা রাবির এক শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলার দুঃসাহস দেখিয়েছে। স্টেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিজে এসে সমাধান না করা পর্যন্ত এই রেলপথ বন্ধ থাকবে। অভিযুক্তকে ক্ষমা চাইতে হবে এবং আইনি শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আজকের পর থেকে যেন কোনো রেলগুন্ডা শিক্ষার্থীদের দিকে বাঁকা চোখে তাকানোর সাহস না পায়, রাকসু তা নিশ্চিত করবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, সোমবার (গতকাল) রাতে আমাদের এক শিক্ষার্থীকে টিটিরা মারাত্মকভাবে মারধর করেছে। যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধা হলেও শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক। আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
তিনি জানান, রেল অবরোধের কারণে সারা দেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া চলছে। আশা করছি, দ্রুতই একটা সমাধান বের হবে এবং ট্রেন চলাচল আবার স্বাভাবিক হবে।’
তবে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করেননি। ফলে রাজশাহী স্টেশনে যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়েই চলেছে। হঠাৎ ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্টেশনে আটকে পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
৯ ঘণ্টা আগে
১৯টি বগি পটিয়ায় রেখেই চলে গেল পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন
কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনের বাফার হুক ও হোস পাইপ ভেঙে ইঞ্জিন থেকে ১৯টি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মাঝপথে বগিগুলো রেখেই চট্টগ্রাম পৌঁছে যায় ইঞ্জিন। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পটিয়ার কমলমুন্সির হাট স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত ১১টা পর্যন্ত বগিগুলো রেললাইনে দাঁড়িয়ে ছিল। পরে চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী থেকে উদ্ধারকারী ইঞ্জিন পাঠানো হয়।
ট্রেনটিতে প্রায় ৯০০ যাত্রী ছিলেন। হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও দীর্ঘ সময় ভোগান্তির শিকার হন তারা। অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
আরও পড়ুন: বিমানবন্দর এলাকায় ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকামুখী ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসার পর কমল মুন্সির হাট স্টেশনে পৌঁছালে ইঞ্জিনের বাফার হুক ও হোস পাইপ ভেঙে যায়। এতে বগিগুলো থেকে ইঞ্জিন আলাদা হয়ে যায়। এ সময় চালক ইঞ্জিন নিয়ে চট্টগ্রামের দিকে চলে যান, আর যাত্রীবাহী বগিগুলো স্টেশনেই দাঁড়িয়ে থাকে। পরে বগিগুলোকে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে রাত ১১টার দিকে পাহাড়তলী থেকে উদ্ধারকারী ইঞ্জিন পাঠানো হয়।
পটিয়া রেল স্টেশনের মাস্টার মোহাম্মদ পাভেল জানান, উদ্ধারকারী ইঞ্জিন পৌঁছালে যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
এর আগে, গত ২৬ জুলাই কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের গার্ড ব্রেক বগির হুক ভেঙে গিয়ে মূল ট্রেন থেকে বগিটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার গোমদণ্ডী স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রায় ৩০ মিনিট ট্রেনটি সেখানে আটকে ছিল। পরে বিচ্ছিন্ন বগি ফেলে মূল ট্রেন চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
একের পর এক এ ধরনের ঘটনায় রেলওয়ের যান্ত্রিক ত্রুটি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যাত্রীরা।
৩২২ দিন আগে
বেনাপোল-মোংলা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু
বেনাপোল বন্দর থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত যাত্রীবাহী রেল চলাচল শুরু হয়েছে।
শনিবার (১ জুন) সকাল ১০টায় ৫০০ যাত্রী নিয়ে বেনাপোল থেকে মোংলার উদ্দেশে ছেড়ে যায় কমিউটার ট্রেনটি। এটি খুলনা ফুলতলা হয়ে মোংলায় যাবে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল রেল স্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান।
তিনি জানান, বেনাপোল থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেন মোংলায় পৌঁছাবে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে। এরপর মোংলা থেকে ট্রেনটি দুপুর ১টায় ছেড়ে বেনাপোলে পৌঁছাবে বিকাল সাড়ে ৪টায়। মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন এই রুটে একই সময়ে ট্রেন চলাচল করবে। এই রুটের দূরত্ব ১৩৮ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার।
আরও পড়ুন: বেনাপোল-মোংলা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু শনিবার
বেনাপোল থেকে ট্রেন ছাড়ার পর নাভারণ, ঝিকরগাছা, যশোর জংশন, রূপদিয়া, সিঙ্গিয়া, চেঙ্গুটিয়া, নওয়াপাড়া, বেজেরডাঙ্গা, ফুলতলা, আড়ংঘাটা, মোহাম্মদনগর, কাটাখালি, চুলকাটি বাজার, ভাগা ও দিগরাজ স্টেশনে যাত্রাবিরতির পর মোংলায় যাবে।
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার অসীম কুমার তালুকদার বলেন, বেনাপোল-মোংলা রুটের জন্য এখনও জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি। রেলওয়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে জনবল এনে আপাতত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই রুটে ট্রেন চলাচলের কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হচ্ছে না। এর আগে ১ নভেম্বর খুলনা টু মোংলা পর্যন্ত নতুন রেললাইনের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনের প্রায় ৭ মাস পর এ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে বলেও জানান অসীম কুমার তালুকদার।
আরও পড়ুন: নাটোরে ভেঙে যাওয়া রেললাইন মেরামত, ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
৭৮০ দিন আগে
কাজ বাকি থাকায় আজ চালু হচ্ছে না খুলনা-যশোর-মোংলা রুটে ট্রেন চলাচল
খুলনা-যশোর-মোংলা রুটে আজ সোমবার (১ জানুয়ারি) থেকে চালু হচ্ছে না যাত্রীবাহী কমিউটার ট্রেন চলাচল। রেললাইন পুরোপুরি ট্রেন চলাচলের উপযোগী না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ের পশ্চিম জোনের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ‘১ জানুয়ারি থেকে ট্রেন চালু হচ্ছে না। রেললাইনে এখনও কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সেজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এখনও রেললাইনটি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘হস্তান্তর করতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। ট্রেন চলাচলের নতুন তারিখ এখনও নির্ধারণ হয়নি।’
খুলনা-মোংলা রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘রেললাইনের কিছু কাজ বাকি রয়েছে। তা সম্পন্ন হওয়ার পর ট্রেন চলাচলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’
এর আগে গত বছরের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনা-মোংলা রেললাইন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।
আরও পড়ুন: ১ জানুয়ারি থেকে খুলনা-যশোর-মোংলা রুটে চলাচল করবে ৩ জোড়া নতুন ট্রেন
উদ্বোধনের এক মাস পরও খুলনা-মোংলা রুটে শুরু হয়নি ট্রেন চলাচল
৯৩২ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অত্যাধিক গরমে ফের লাইন বেঁকে ট্রেন চলাচল বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চট্টগ্রাম-সিলেটের সঙ্গে ঢাকামুখী আপলাইন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার ১৬ ঘণ্টার মধ্যে আবারও একই স্থানে অত্যধিক গরমে লাইন বেঁকে গেছে। ফলে ওই আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৯ এপ্রিল) পৌনে ১০টায় উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন শহরতলীর দাড়িয়াপুর অতিক্রম করে। এর কিছুক্ষণ পর বেলা ১১টার দিকে লাইনটি বেঁকে যায়।
আরও পড়ুন: রবিবার থেকে ঢাকা-না’গঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
এতে করে চট্টগ্রাম-সিলেটের সঙ্গে ঢাকামুখী আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ডাউন লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রফিকুল ইসলাম জানান, অত্যাধিক গরমের কারণে আপলাইনে মেরামত করা রেল লাইনটি সকালে আবারও বেঁকে গেছে। এর ফলে ঢাকামুখী আপলাইন ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে ডাউন লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক আছে।
তিনি বলেন, কিন্তু ডাউন লাইনের অবস্থাও ভালো না। গরমে ডাউন লাইনটিও বেঁকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমরা ঊর্ধ্বতন মহলের নির্দেশে ৩০ কিলোমিটার গতিসীমায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রেখেছি।
বেঁকে যাওয়া লাইনটি সচল করার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, রেললাইন ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত মেরামত কাজ করা যাবে না।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকামুখী মালবাহী ট্রেনের সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়। রেলওয়ে বিভাগ জানায় গরমে লাইন বেঁকে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এরপর রেলওয়ে বিভাগ ৩০ ঘণ্টার তৎপরতা চালিয়ে শুক্রবার রাতে ঢাকামুখী আপলাইনে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে।
পরে শনিবার সকাল থেকে ফের তা বন্ধ হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মালবাহী ট্রেনের ৭ বগি লাইনচ্যুত, আপ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ
গাজীপুরে যমুনা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল, ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের ট্রেন চলাচল বন্ধ
১১৭৯ দিন আগে
খুলনায় বগী লাইনচ্যুত, ২ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
খুলনার দৌলতপুরে মালবাহী ট্রেনের লাইনচ্যুত বগী উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বগীটি উদ্ধার কাজ শেষ হয়। ফলে সোয়া ২ ঘন্টা পর খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
এর আগে দুপুর সোয়া ২ টার দিকে দৌলতপুর জংশনের ৮১ নাম্বার গেট এালাকায় সৈয়দপুরের শান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা মালবাহী ট্রেনটির গার্ড বগী লাইনচ্যুত হয়। এরফলে খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ২ ঘন্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
দৌলতপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, দৌলতপুর থেকে খালি বগী নিয়ে খুলনায় একটি তেলবাহী ট্রেন আসছিল। সোমবার দুপুর একটার দিকে খুলনা বিজিবি ক্যাম্পের রেললাইনের তেলবাহী ট্রেনের বগিটি লাইনচ্যুত হয়। এরপর খুলনার সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
খুলনা রেলওয়ের সহকারী স্টেশনমাস্টার সুদেব বড়াল বলেন, এসকে টু ডাউন নামের একটি মালবাহী ট্রেন সৈয়দপুর থেকে খুলনার দিকে আসছিল। পথে ৮১ নং গেট এলাকায় ট্রেনের একটি বগী লাইনচ্যুত হয়। এতে সারাদেশের সাথে সাময়িক রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। তবে দুই ঘণ্টার মধ্যেই সমস্যা সমাধান হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: রবিবার থেকে ঢাকা-না’গঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটের মধ্যে দেড় ঘন্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
১২৯৬ দিন আগে
গাজীপুরে বগি লাইনচ্যুত: সাড়ে ১১ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
গাজীপুরে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গ ও উত্তরাঞ্চলের ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার সাড়ে ১১ ঘণ্টা পর যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। লাইনচ্যুতর ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রেলওয়ের পশ্চিম জোনের চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কুদরত ই খোদা জানান, লাইনচ্যুত হওয়া বগি উদ্ধার ও ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামত শেষে সোমবার সকাল ৮টার দিকে আবারো ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এর আগে রাত ৯টায় পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনটির কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়।
তিনি বলেন, এই ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবে ওই কমিটি।
পড়ুন: ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত: ঢাকা সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ
খুলনায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা!
১৪৩৬ দিন আগে
শিগগিরই ভারত-বাংলাদেশ ট্রেন চলাচল শুরু
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত ট্রেন পরিষেবা শিগগিরই আবার চালু হবে।
শুক্রবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এই তথ্য জানিয়েছে।
হাইকমিশন জানিয়েছে ঢাকা-কলকাতার মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিষেবা এবং কলকাতা-খুলনার মধ্যে বন্ধন এক্সপ্রেস পরিষেবা ২৯ মে থেকে পুনরায় চালু হবে।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-ভাঙ্গা ট্রেন চালু আগামী বছরের জুনে: রেলমন্ত্রী
মৈত্রী এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে এবং বন্ধন এক্সপ্রেস কলকাতা থেকে শুরু করবে।
করোনার কারণে পরিষেবাগুলি স্থগিত করা হয়েছিল।
১ জুন ভারত ও বাংলাদেশের রেলমন্ত্রীরা ভার্চুয়ালি পতাকা উড়িয়ে নিউ জলপাইগুড়ি ও ঢাকার মধ্যে নতুন মিতালি এক্সপ্রেস সার্ভিস শুরু করবেন।
এটি পশ্চিমবঙ্গের নিউ জলপাইগুড়ি থেকে শুরু হবে।
আরও পড়ুন: ছেলেকে এগিয়ে দিতে এসে ট্রেনে কাটা পড়ে মায়ের মৃত্যু
১৫২৩ দিন আগে
রানিং স্টাফরা ধর্মঘটে, সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ
রেলওয়ে রানিং স্টাফ কর্মচারী ঐক্য পরিষদ অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে যাওয়ায় বুধবার ভোর থেকে সারাদেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল আলম বলেন, মাইলেজ ভাতা প্রত্যাহারে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভোর ৫টা থেকে অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘট শুরু করেন।
আকস্মিক ধর্মঘটের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভ্যন্তরীণ রুটের হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে ৩ শিক্ষার্থী নিহত
বিষয়টি সমাধানে সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে আন্দোলনরত স্টাফদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রেলমন্ত্রী, সচিব ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ইউএনবির গাজীপুর সংবাদদাতা জানান, সকাল ৬টা থেকে গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন থেকে কোনো ট্রেন ছেড়ে যায়নি এবং ধর্মঘটের কারণে উত্তরবঙ্গ থেকে আসা ‘একতা এক্সপ্রেস’সহ বেশ কয়েকটি ট্রেন রেলস্টেশনে আটকা পড়ে।
মাইলেজ ভাতা হল ট্রেনচালক, সহকারী চালক, গার্ড ও টিটিরা দৈনিক আট ঘণ্টার বেশি কাজ করলে বেসিকের হিসেবে বাড়তি অর্থ পেতেন। এছাড়া অবসরের পর বেসিকের সঙ্গে এর ৭৫ শতাংশ অর্থ যোগ করে অবসরকালীন অর্থের হিসাব হতো। গত বছরের ৩ নভেম্বর এসব সুবিধা বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।
আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় বাবা-মেয়ে-নাতি নিহত
১৫৬০ দিন আগে